প্রযুক্তি

ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যেতে পারে প্রযুক্তি বাজার

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের খরচ সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় প্রযুক্তি খাতে নতুন এক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ওপেনএআইয়ের ধারাবাহিক মূল্য পরিবর্তন সফটওয়্যার নির্মাতা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের কাজের পদ্ধতি নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।


গত ২৩ এপ্রিল চালু হওয়া GPT-5.5 মডেলের দাম আগের সংস্করণের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। এতে প্রতি ১০ লাখ ইনপুট টোকেনের জন্য ৫ ডলার এবং আউটপুটের জন্য ৩০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আরও উন্নত GPT-5.5 Pro সংস্করণে এ খরচ বেড়ে গিয়ে ইনপুটে ৩০ ডলার এবং আউটপুটে ১৮০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে।

 

বিশ্লেষণ বলছে, বাস্তবে ব্যবহারকারীদের খরচ ৪৯ থেকে ৯২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। বিশেষ করে ছোট প্রম্পট ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই মূল্যবৃদ্ধির পুরো চাপই ব্যবহারকারীদের বহন করতে হচ্ছে। যদিও এই নতুন মডেল কিছু ক্ষেত্রে কম সংখ্যক আউটপুট তৈরি করছে, তবুও খরচ কমেনি।

 

এদিকে ৭ মে ওপেনএআই তাদের ফাইন-টিউনিং সুবিধা ধীরে ধীরে বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। ২০২৭ সালের ৬ জানুয়ারির মধ্যে নতুন করে প্রশিক্ষণ কাজ শুরু করার সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে GPT-5-স্তরের ক্ষমতাসম্পন্ন ভয়েস মডেলসহ নতুন সেবা চালু করা হয়েছে, যা ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে মূল্য নির্ধারণ করে।

 

শুধু ওপেনএআই নয়, পুরো এআই শিল্পেই মূল্য কাঠামো বদলাচ্ছে। গিটহাব তাদের কোপাইলট সেবায় টোকেনভিত্তিক মূল্য চালু করছে, আর ডিপসিকের মতো কিছু প্রতিষ্ঠান খরচ কমানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

প্রযুক্তি

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যেতে পারে প্রযুক্তি বাজার

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের খরচ সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় প্রযুক্তি খাতে নতুন এক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ওপেনএআইয়ের ধারাবাহিক মূল্য পরিবর্তন সফটওয়্যার নির্মাতা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের কাজের পদ্ধতি নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। গত ২৩ এপ্রিল চালু হওয়া GPT-5.5 মডেলের দাম আগের সংস্করণের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। এতে প্রতি ১০ লাখ ইনপুট টোকেনের জন্য ৫ ডলার এবং আউটপুটের জন্য ৩০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আরও উন্নত GPT-5.5 Pro সংস্করণে এ খরচ বেড়ে গিয়ে ইনপুটে ৩০ ডলার এবং আউটপুটে ১৮০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে।   বিশ্লেষণ বলছে, বাস্তবে ব্যবহারকারীদের খরচ ৪৯ থেকে ৯২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। বিশেষ করে ছোট প্রম্পট ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই মূল্যবৃদ্ধির পুরো চাপই ব্যবহারকারীদের বহন করতে হচ্ছে। যদিও এই নতুন মডেল কিছু ক্ষেত্রে কম সংখ্যক আউটপুট তৈরি করছে, তবুও খরচ কমেনি।   এদিকে ৭ মে ওপেনএআই তাদের ফাইন-টিউনিং সুবিধা ধীরে ধীরে বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। ২০২৭ সালের ৬ জানুয়ারির মধ্যে নতুন করে প্রশিক্ষণ কাজ শুরু করার সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে GPT-5-স্তরের ক্ষমতাসম্পন্ন ভয়েস মডেলসহ নতুন সেবা চালু করা হয়েছে, যা ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে মূল্য নির্ধারণ করে।   শুধু ওপেনএআই নয়, পুরো এআই শিল্পেই মূল্য কাঠামো বদলাচ্ছে। গিটহাব তাদের কোপাইলট সেবায় টোকেনভিত্তিক মূল্য চালু করছে, আর ডিপসিকের মতো কিছু প্রতিষ্ঠান খরচ কমানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

পোড়া মবিল থেকে বিকল্প জ্বালানি, কুষ্টিয়ার উদ্ভাবক মনিরুলের নতুন উদ্যোগ

ছবি : সংগৃহীত

ব্যাপক বিভ্রাটে ইউটিউব, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা

সংগৃহীত ছবি

ভ্যালেনটাইনস ডেতে প্রতারণা রুখবেন যেভাবে

ছবি: সংগৃহীত
ঘরে বসেই জানা যাবে ভোটকেন্দ্রের নাম ও নম্বর

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের সুবিধা বাড়াতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ নামে একটি নতুন মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা জানিয়েছে, অ্যাপটি বর্তমানে গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটাররা ঘরে বসেই নিজেদের ভোটকেন্দ্রের নাম, কেন্দ্র নম্বর ও অবস্থান জানতে পারবেন। অ্যাপটিতে ভোটকেন্দ্রের জিও লোকেশন, কেন্দ্রের ছবি, কেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্ব এবং ম্যাপসহ বিস্তারিত তথ্য দেখা যাবে। পাশাপাশি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তথ্য, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা, নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এবং নির্বাচনের ফলাফল জানার সুবিধাও এতে রাখা হয়েছে। অ্যাপটি ব্যবহারের জন্য প্রথমে মোবাইলে ইনস্টল করতে হবে। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর ও জন্মতারিখ প্রদান করলে ভোটারের ভোটার আইডি নম্বর, নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা, ভোট প্রদানের সিরিয়াল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য প্রদর্শিত হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

আপনার এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে কি না, বুঝবেন যেভাবে

ছবি : সংগৃহীত

এআই চিপ রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড গড়ল দক্ষিণ কোরিয়া

ছবি : সংগৃহীত

প্রেমিক বিবাহিত, সন্তানও রয়েছে, গোপন তথ্য ফাঁস করল চ্যাটজিপিটি

প্রতীকী ছবি
চাঁদে আঘাত হানতে পারে গ্রহাণু, পৃথিবীতে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টির আশঙ্কা

সৌরজগত নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা জানিয়েছেন, নতুন শনাক্ত হওয়া একটি গ্রহাণুর ওপর কড়া নজর রাখছেন। এটি ২০৩২ সালের ডিসেম্বরে চাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে পারে। গবেষকরা জানিয়েছেন, এই সংঘর্ষ থেকে ছিটকে আসা ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর দিকে আসতে পারে এবং উপগ্রহগুলোর জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে এটি বিজ্ঞানের জন্য একটি বিরল সুযোগও এনে দিতে পারে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ ওয়াইআর৪ নামের এই গ্রহাণুটির প্রস্থ আনুমানিক ৬০ মিটার। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, ২০৩২ সালের ২২ ডিসেম্বর চাঁদে আঘাত হানার সম্ভাবনা প্রায় ৪ শতাংশ। সম্ভাবনা তুলনামূলক কম হলেও বিজ্ঞানীরা বলছেন, সংঘর্ষ ঘটলে এর শক্তি এতটাই বেশি হবে যে তা বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসবে। গবেষণায় বলা হয়েছে, গ্রহাণুটির আঘাতে যে শক্তি মুক্ত হবে তা মাঝারি মাত্রার একটি তাপ-পরমাণু বিস্ফোরণের সমতুল্য হতে পারে। আধুনিক যুগে চাঁদে পর্যবেক্ষিত সংঘর্ষগুলোর মধ্যে এটি হবে সবচেয়ে শক্তিশালী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘর্ষ ঘটলে চাঁদের পৃষ্ঠে প্রায় এক কিলোমিটার চওড়া একটি গর্ত (ক্রেটার) তৈরি হতে পারে এবং প্রায় মাত্রা ৫-এর একটি বৈশ্বিক ‘মুনকোয়েক’ বা চাঁদকম্পন সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে চাঁদের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এ ধরনের তথ্য সরাসরি গবেষণার মাধ্যমে জানা এখনো কঠিন। এছাড়া সংঘর্ষের ফলে বিপুল ধ্বংসাবশেষ মহাশূন্যে ছিটকে পড়বে। এর কিছু অংশ কয়েক দিন পর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে, যার ফলে চোখে দেখা যায় এমন তীব্র উল্কাবৃষ্টি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আফ্রিকা ও আরব উপদ্বীপ অঞ্চলে এই দৃশ্য বেশি স্পষ্ট হতে পারে। সিমুলেশন অনুযায়ী, সর্বোচ্চ সময়ে প্রতি ঘণ্টায় লাখ লাখ থেকে কোটি উল্কা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে। এনডিটিভি জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে গুরুতর ঝুঁকিও জড়িত। মহাকাশ থেকে পতিত ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীতে ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে। পাশাপাশি মহাকাশ সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে, এসব টুকরো উপগ্রহগুলোর জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠতে পারে এবং ‘কেসলার সিনড্রোম’ নামে পরিচিত শৃঙ্খলাবদ্ধ সংঘর্ষের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, যা বৈশ্বিক যোগাযোগ ও নেভিগেশন ব্যবস্থাকে ব্যাহত করতে পারে।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0

স্মার্টফোন-ল্যাপটপ বিক্রি বা সার্ভিসিংয়ের আগে যে কাজ করতে ভুলবেন না

ছবি : সংগৃহীত

এনইআইআর চালু হচ্ছে আজ, বন্ধ হয়ে যাবে যেসব হ্যান্ডসেট

বছরজুড়ে অনলাইনে সবচেয়ে বেশিবার সার্চ হওয়া ব্যক্তিত্ব

0 Comments