খেলাধুলা

জোড়া গোলে রোনালদোর ছয় রেকর্ড, নকআউটে পর্তুগাল

আক্তারুজ্জামান জুন ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের চলতি আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল পর্তুগাল। সেই ম্যাচে গোল না পাওয়ায় দলটির অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করেছিলেন, বয়সের কারণে আগের ধার হারিয়ে ফেলেছেন তিনি।

 

তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই সমালোচকদের জবাব দিলেন পর্তুগিজ মহাতারকা। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৫-০ গোলের বড় জয়ে জোড়া গোল করে দলকে নকআউট পর্বে তুলেছেন তিনি। একই সঙ্গে গড়েছেন একাধিক রেকর্ড।

 

রোনালদোর জোড়া গোলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করার কীর্তি গড়ে ওঠে। ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬—প্রতিটি বিশ্বকাপেই গোলের দেখা পেয়েছেন তিনি।

 

এ ছাড়া ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপ মিলিয়ে ১১টি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে গোল করার রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করেছেন রোনালদো। ইউরোপের অন্য কোনো খেলোয়াড় তার ধারেকাছেও নেই।

 

৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বাধিক বয়সী গোলদাতা হয়েছেন তিনি। এই তালিকায় তার ওপরে রয়েছেন শুধু ক্যামেরুনের কিংবদন্তি রজার মিলা।

 

উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় গোলটি করে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন রোনালদো। ২৪ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা এখন ১০, যা ইউসেবিওর রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

 

এছাড়া বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে জোড়া গোল করা ফুটবলারের কীর্তিও এখন রোনালদোর দখলে। এর আগে এই রেকর্ড ছিল আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির।

 

আরেকটি অনন্য অর্জনে তিনি বিশ্বকাপে পর্তুগালের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী ও সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতা—দুই রেকর্ডেরই মালিক হয়েছেন। ২০০৬ সালে ২১ বছর বয়সে নিজের প্রথম বিশ্বকাপ গোল করেছিলেন তিনি, আর ২০২৬ বিশ্বকাপে ৪১ বছর বয়সে এসে সেই রেকর্ডের অন্য প্রান্তেও নিজের নাম লিখিয়েছেন।

 

উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে রোনালদো আবারও প্রমাণ করলেন, বয়স শুধু একটি সংখ্যা। বড় মঞ্চে তিনি এখনো পর্তুগালের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ব্যালন ডি’অর ঘিরে বায়ার্নের রহস্যময় পোস্ট, আলোচনার কেন্দ্রে কেইন

২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে হ্যারি কেইনকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বায়ার্ন মিউনিখের রহস্যময় পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে জল্পনা। তবে কেইনই যে এবারের ব্যালন ডি’অর জিতছেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।   কালো স্যুট পরা কেইনের একটি ছবি প্রকাশ করে বায়ার্ন লিখেছে, ‘ইটস অলমোস্ট শোটাইম’ অর্থাৎ, মঞ্চে ওঠার সময় প্রায় এসে গেছে। আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনের প্যালাডিয়ামে বসার কথা ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের। বায়ার্নের এমন পোস্টের পর সমর্থকদের মধ্যে পুরস্কার জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা বেড়েছে।   গত মৌসুমে বায়ার্নের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন ইংলিশ এই স্ট্রাইকার। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে করেছেন ৬১ গোল। তার পারফরম্যান্সে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপ জিতেছে বায়ার্ন। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত তার গোলসংখ্যা ৭৩।   কেইন এবার ব্যালন ডি’অর জিতলে মাইকেল ওয়েনের পর দ্বিতীয় ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে এই পুরস্কার জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করবেন। তবে বায়ার্নের রহস্যময় পোস্টটি পুরস্কার জয়ের নিশ্চিত ইঙ্গিত কি না, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সর্বকালের সেরা ব্যালন ডি’অরের মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজি-বার্সেলোনা মহারণ, যে কারণে বাড়ছে রোমাঞ্চ

ছবি: সংগৃহীত

ভারত দলে ফেরার আশা ছাড়ছেন না শামি

ছবি: সংগৃহীত
লাইপজিগকে হারিয়ে ক্লাসিকো জয়ের অভিযানে নামতে চায় রেয়াল

চার দিনের মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ দুটি ম্যাচ, লাইপজিগ ও বার্সেলোনার বিপক্ষে। মঞ্চ ভিন্ন হলেও, লড়াই দুটি নিয়ে একসঙ্গেই ভাবছেন রেয়াল মাদ্রিদ ডিফেন্ডার ইব্রাহিমা কোনাতে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লাইপজিগকে হারিয়ে, সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে লা লিগায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষেও উৎসব করতে চান তিনি।   ইউরোপ সেরার মঞ্চে বুধবার জার্মান ক্লাবটির মুখোমুখি হবে রেয়াল। সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত একটায়। এরপর, আগামী রোববার মাঠে গড়াবে মৌসুমের প্রথম ক্লাসিকো, বার্সেলোনার মাঠে।   চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম দুই রাউন্ডেই জয় পেয়েছে রেয়াল। এখানে সবশেষ ম্যাচে গত সপ্তাহে রোমার বিপক্ষে হারের মুখ থেকে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪-৩ গোলের জয় তুলে নেয় তারা। আর গত রোববার লা লিগায় সেভিয়াকে উড়িয়ে দেয় ৪-১ ব্যবধানে।   পরপর দুই ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে চার গোল করার আত্মবিশ্বাস, একটি অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে পাওয়া জয়- মৌসুমের শুরুটা তেমন আশাব্যঞ্জক না হলেও এবার ঘুরে দাঁড়ানোর বাড়তি প্রেরণা পাচ্ছে দলটি। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ফরাসি তারকা কোনাতের কণ্ঠে সেই বিশ্বাসই ফুটে উঠল।   “পরবর্তী ম্যাচে মনোযোগ দেওয়াটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি আগামীকাল জিততে পারি, তাহলে ক্লাসিকোতেও ভালো খেলব। আর যদি (লাইপজিগের বিপক্ষে) না জিতি, তাহলে ভালো ছন্দে থেকে ক্লাসিকোয় নামতে পারব না।   “তবে এখন আগে আগামীকালকের চ্যালেঞ্জে মনোযোগ দিতে হবে। এই ম্যাচের পর, আমরা ক্লাসিকো নিয়ে ভাবব।”   চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম দুই রাউন্ডে জিতে আরও আটটি দলের সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে গোলের হিসেবে আট নম্বরে আছে রেয়াল। বার্সেলোনা আছে দুইয়ে।   আর লা লিগায় ৯ ম্যাচের সবগুলো জিতে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে সাতটিতে জিতে ২১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রেয়াল মাদ্রিদ।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নাঈমের ডাবল সেঞ্চুরি, আজিজুলের ১০ ছক্কায় ১৪২, জাওয়াদের ২২ বলে রেকর্ড ফিফটি

সংগৃহীত ছবি

রেটিং পয়েন্ট বাড়িয়ে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ নারী দল

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ছবি: সংগৃহীত

ব্যবসায়িক প্রকল্পের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই: ব্যাখ্যা দিলেন মাহমুদউল্লাহ

সংগৃহীত ছবি
আইসিসির আচরণবিধি ভঙ্গ: ডিমেরিট পয়েন্ট যুক্ত হলো শেফালি ভার্মার

রায়পুরে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আচরণবিধি লঙ্ঘনে আইসিসির তিরস্কার পেয়েছেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান শেফালি ভার্মা। এর পাশাপাশি ভার্মার শৃঙ্খলা রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে।     জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ১২তম ওভারে একটি ক্যাচ মিস করার পর, শেফালি রাগে ও হতাশায় বলটি জোর করে মাটিতে ছুড়ে মারেন। তিনি আইসিসি আচরণবিধির লেভেল ১-এর ২.২ ধারা ভঙ্গ করেছেন, যা মূলত খেলার সামগ্রী, মাঠের সরঞ্জাম বা ফিটিংসের অবমাননা বা অপব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত। খবর আইসিসি     আনুষ্ঠানিক তিরস্কারের পাশাপাশি শেফালির ডিসিপ্লিনারি রেকর্ডে ১টি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। গত ২৪ মাসের মধ্যে এটিই তার প্রথম অপরাধ।       ম্যাচ রেফারি জিএস লক্ষ্মীর দেওয়া এই শাস্তি শেফালি মেনে নেওয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।       ভারত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ২-০ সিরিজে জিতে নিয়েছে। প্রথম ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও, রায়পুরের এই ম্যাচে ভারতীয় দল দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সফরকারী জিম্বাবুয়ে দল নির্ধারিত ওভারে ১০২ রানে ৮ উইকেট হারায়।     ভারতের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে তারা বড় স্কোর দাঁড় করাতে ব্যর্থ হয়।     জবাব দিতে নেমে মাত্র নবম ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। ওপেনার শেফালি ভার্মা মাত্র ২৫ বলে ৫৫ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। তার এই ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করেই ভারত সহজ জয় নিশ্চিত করে।

মারিয়া রহমান অক্টোবর ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রোনালদোর বিরুদ্ধে অনুশীলনে অনীহা ও দৌড় নাানোর অভিযোগ সাবেক কোচ টেন হাগের

ছবি: সংগৃহীত

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচের পর পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার জরিমানা

ছবি: সংগৃহীত

ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে জবাব দিতে ২ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দিল উয়েফা

0 Comments