খেলাধুলা

যুব বিশ্বকাপে আবারও ভারতের শ্রেষ্ঠত্ব

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬


অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে ভারত। টুর্নামেন্টের ফাইনালে আজ শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে ১০০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। সেইসঙ্গে রেকর্ড ষষ্টবারের মতো যুব বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অবিস্বরণীয় কীর্তি গড়ে ধোনি-কোহলিদের উত্তরসূরীরা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বৈভব সূর্যবংশীর ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটের বিনিময়ে ৪১১ রান করে ভারত। জবাবে ৩১১ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ইনিংস।

হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুস মাত্রে। ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৯ রান করে আউট হন ওপেনার অ্যারন জর্জ। দ্বিতীয় উইকেটে নামেন দলনেতা মাত্রে। তাকে নিয়েই ক্রিজে ব্যাটি তাণ্ডব চালান ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ৯০ বলে দুজন মিলে গড়েন ১৪০ রানের জুটি। ৫৩ রানে থামেন মাত্রে। এরপর ভেদেন্ত ক্রিভেদীকে নিয়ে মাত্র ৩৯ বলে ৮৯ রানের জুটি গড়েন বৈভব। তাতেই মাত্র ২৫ ওভারেই ২৫০ রানের সংগ্রহ পেয়ে যায় ভারত। মাত্র ৫৫ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে দ্রুত সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন বৈভব। তার ইনিংস থামে ১৭৫ রানে। মাত্র ৮০ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি ১৫টি করে চার ও ছয়ে সাজানো। এরপর ভেদেন্ত ৩২, ভিয়ান ৩০, অভিজ্ঞান ৪০, এব্রিস ১৮, চৌহান ৩৭, খিলান ৩, হেনিল ৫ ও দিপেশ ০ রান করেন।

ইংল্যান্ডের হয়ে জেমস মিন্টো সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট নেন সেবিস্টেইন মরগান ও অ্যালেক্স গ্রিন। আর একটি উইকেট নেন ম্যানি লুমসডেন।

৪১২ রানের বিশাল টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তাড়ায় ব্যস্ত ছিল ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। তাদের রানের গতি ছিল ঠিকই, কিন্তু উইকেট পতনের ধারা থামাতে পারেনি ইংল্যান্ড। তাতেই ক্রমান্বয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে থাকে ইংলিশরা। এক পর্যায়ে অসহায় আত্মসমর্থন করে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড। সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ক্যালেব ফেলকোনের। মাত্র ৭০ বলে তিনি করেন ১২০ রান। ফিফটির দেখা পেয়েছেন ওপেনার বেন ডাওকিনস। আউট হওয়ার আগে করেন ৫৬ বলে ৬৬ রান। এছাড়া বেন মেয়ার্স ৪৫, থমাস রে ৩১ ও জেমস মিন্টো ২৮ রান করেন। বাকি ব্যাটাররা বিশের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি।

ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার আরএস এব্রিস। তিনি নেন তিনটি উইকেট। দিপেস ও চৌহান নেন দুটি করে উইকেট। আর একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন দুজন বোলার।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
হামজা-জামালদের দায়িত্বে নতুন কোচ থমাস ডুলি

বাংলাদেশ ফুটবলে শুরু হলো নতুন এক অধ্যায়। অভিজ্ঞ জার্মান-মার্কিন কোচ থমাস ডুলি জাতীয় দলের দায়িত্ব গ্রহণ করে ঢাকায় পৌঁছেছেন। শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (BFF) আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে ঘোষণা দেয়।   ৬৫ বছর বয়সী থমাস ডুলির রয়েছে সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক ফুটবল অভিজ্ঞতা। খেলোয়াড় হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন এবং ১৯৯৪ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেন। এরপর ১৯৯৮ বিশ্বকাপে তিনি দলের অধিনায়কত্বও করেন। ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলেও তার ছিল সফল ক্যারিয়ার।   কোচিংয়ে এসে তিনি কাজ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে কিংবদন্তি কোচ ইউর্গেন ক্লিন্সমান–এর সঙ্গে। পরে জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফিলিপাইন ও গায়ানা দলের, যেখানে উল্লেখযোগ্য সাফল্যও অর্জন করেন। বিশেষ করে তার অধীনে ফিলিপাইন প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেয়—যা দেশের ফুটবলে ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়।   বাংলাদেশ জাতীয় দলে এখন বড় প্রত্যাশা ঘিরে নতুন যাত্রা শুরু করছেন ডুলি। দলে রয়েছেন ইউরোপে খেলা তারকা ফুটবলার হামজা চৌধুরী এবং অধিনায়ক হামজা চৌধুরী। অভিজ্ঞতা ও তরুণ শক্তির সমন্বয়ে একটি প্রতিযোগিতামূলক দল গড়াই তার মূল লক্ষ্য।   এর আগে বাংলাদেশ দলের দায়িত্বে ছিলেন স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। তার বিদায়ের পর থেকেই নতুন কোচ খোঁজ চলছিল। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দায়িত্ব নিলেন থমাস ডুলি।    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এখন আশাবাদী—ডুলির অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত পরিকল্পনায় দেশের ফুটবল নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এখন ফুটবলপ্রেমীদের চোখ নতুন কোচের দিকেই—তিনি কি পারবেন বাংলাদেশের ফুটবলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে?

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ২২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

১০০০ গোলের মাইলফলক ছুঁতে আর কত দূরে রোনালদো

ছবি : সংগৃহীত

ক্যারিয়ারের ৭টি ফাইনালেই অপরাজিত এমি মার্টিনেজ

থমাস ঢুলি। ছবি : সংগৃহীত

সব জল্পনা-কল্পনার সমা‌প্তি‌, ঢু‌লিকেই বেছে নিল বাফুফে

ছবি : সংগৃহীত
রোনালদোর জোড়া আঘাতে শিরোপা জিতল আল নাসর

দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর, আচমকাই পেনাল্টিতে গোল হজম করে আল নাস্‌র। তবে দারুণ এক ফ্রি কিকে দলকে দুর্ভাবনায় পড়তে দেননি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। দামাককে হারিয়ে ছয় মৌসুম পর লিগ চ্যাম্পিয়ন হলো আল নাস্‌র।   আল-আওয়াল পার্কে বৃহস্পতিবার সৌদি প্রো লিগের শেষ রাউন্ডে ৪-১ গোলে জিতেছে স্বাগতিকরা। সাদিও মানের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর, ব্যবধান বাড়ান কিংসলে কোমান। দামাক ব্যবধান কমানোর পর, দলের পরের দুটি গোল করেন রোনালদো। ইউরোপীয় ফুটবলের পাঠ চুকিয়ে ২০২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর সৌদি আরবে পাড়ি জমানোর পর, সেখানে এই প্রথম মেজর কোনো শিরোপার স্বাদ পেলেন রোনালদো। ৩৪ ম্যাচে ২৮ জয় ও দুই ড্রয়ে চ্যাম্পিয়নদের পয়েন্ট ৮৬। আল নাস্‌রের এটা একাদশ শিরোপা। এর আগে সবশেষ তারা জিতেছিল ২০১৮-১৯ মৌসুমে।   আরেক ম্যাচে আল ফায়হাকে ১-০ গোলে হারানো আল হিলাল ৮৪ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ। আরও ১২টি দলের সঙ্গে একই সঙ্গে মাঠে নামে দুই শিরোপাপ্রত্যাশী। রোনালদোরা যেখানে পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতেই ভুগছিল, সেখানে আরেক মাঠে তৃতীয় মিনিটেই সুলতান মানদাশের গোলে এগিয়ে যায় আল হিলাল। তাতে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুইয়েও ওলট-পালট হয়। যদিও তা অল্প সময়ের জন্যই। নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে টানা আক্রমণ শুরু করে নাস্র এবং ৩৪তম মিনিটে এগিয়ে যায় তারা; কের্নারে হেডে গোলটি করেন মানে। দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নাস্র। ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরাল শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান ফরাসি উইঙ্গার কোমান। ছয় মিনিট পর পেনাল্টি পেয়ে সফল স্পট কিকে ব্যবধান কমান মোরলায়ে। যদিও তাদের সেই একটু স্বস্তিও বেশিক্ষণ থাকেনি। ৬৩তম মিনিটে ডি-বক্সের বাঁদিক থেকে সরাসরি ফ্রি কিকে দূরের পোস্ট ঘেঁষে বল জালে পাঠান রোনালদো। আর ৮১তম মিনিটে প্রতিপক্ষের দুর্বলতায় ছয় গজ বক্সের ডান দিকে বল পেয়েই বুলেট গতির শটে জয়টা একরকম নিশ্চিত করে ফেলেন পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। এবারের লিগে পর্তুগিজ তারকার গোল হলো ২৮টি। হাজার গোলের পানে ছুটে চলা রোনালদোর ক্যারিয়ার গোল হলো ৯৭৩টি। শেষ দিকে একসঙ্গে রোনালদো ও মানেকে তুলে নেন কোচ। তবে এতে খেলায় কোনো প্রভাব পড়েনি। এক মুহূর্তের জন্যও যেন তাদের মুখে হাসি থামেনি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

প্রথম এশিয়ান হিসেবে বিশ্বকাপে অনন্য কীর্তির সামনে নাগাতোমো

ডিআর কঙ্গোর বিশ্বকাপ দল। ছবি : সংগৃহীত

ভাইরাস আতঙ্কে বিশ্বকাপের ক্যাম্প বাতিল করল ডিআর কঙ্গো

শিরোপা নিয়ে উদযাপন। ছবি : সংগৃহীত

ক্যারিয়ারের ৩৭তম শিরোপা জিতলেন রোনালদো

ছবি: সংগৃহীত
নারী বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ দলকে শুভকামনা জানিয়েছেন বৃটিশ হাইকমিশনারের

আসন্ন নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে যুক্তরাজ্যে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। দেশ ছাড়ার আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাই কমিশন টাইগ্রেসদের সম্মানে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।   অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ,-এর কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন অঙ্গনের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী-এর কন্যা।   ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, ক্রিকেট বাংলাদেশ ও যুক্তরাজয়ের মানুষের মধ্যে একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করেছে। তিনি বাংলাদেশ নারী দলকে শুভকামনা জানিয়ে বলেন, “আমরা খুব আনন্দিত বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে স্বাগত জানাতে পেরে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।”   তিনি আরও জানান, এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের গ্রুপে না থাকায় তিন দলকেই সমর্থন জানাতে তার কোনো দ্বিধা নেই। তার এ মন্তব্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা করতালিতে সাড়া দেন।   বিসিবির নারী উইংয়ের প্রধান বলেন, নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটাররা বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিয়েছেন। তাদের সংগ্রামের গল্প দেশের নারীদের জন্য অনুপ্রেরণা।   অনুষ্ঠানে অধিনায়ক ব্রিটিশ হাইকমিশনারের হাতে বাংলাদেশের জার্সি তুলে দেন। বিসিবির পক্ষ থেকে স্মারক প্রদান করেন পরিচালক সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ। পরে নারী ক্রিকেটারদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন সারাহ কুক ও জাইমা রহমান।   জ্যোতি জানান, জাইমা রহমান ব্যক্তিগতভাবে খেলোয়াড়দের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং বিশ্বকাপের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “যে দেশে খেলতে যাচ্ছি, সেই দেশের দূতাবাস থেকে এমন আয়োজন আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা।”   বাংলাদেশ দলের পেসার-কে দলের অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক। তার মতে, ইংল্যান্ডের কন্ডিশন পেস বোলিংয়ের জন্য সহায়ক হওয়ায় মারুফা প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারেন।

আক্তারুজ্জামান মে ২২, ২০২৬
তামিম, সাকিব ও মুশফিকুর রহিম। ছবি : সংগৃহীত

রামিসার ঘটনায় বিচার দাবি শান্ত-তামিম-সাকিবদের

ছবি: সংগৃহীত

বিসিবি নির্বাচন: ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে মনোনয়ন তুললেন ১৯ প্রার্থী

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় আসছেন হামজাদের সম্ভাব্য নতুন কোচ থমাস ঢুলি

0 Comments