সারাদেশ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৭ কিলোমিটার যানজট

মারিয়া রহমান মে ২২, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

যমুনা সেতুর ওপর একাধিক গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের ৭ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
 শুক্রবার ভোররাত থেকে সেতুর পূর্বপ্রান্ত থেকে কালিহাতি উপজেলার সল্লা পর্যন্ত এ যানজট দেখা দেয়। এতে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের চালকেরা বিপাকে পড়েছেন।

যমুনা সেতু বিভাভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, এ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ৩০ হাজার ৬৭৯টি যানবাহন পার হয়েছে।

তার ওপর শুক্রবার ভোররাত থেকে সেতুর ওপর দুটি গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সেগুলো উদ্ধার করার সময় সেতু থেকে ঢাকামুখী লেনে গাড়ির সারি সৃষ্টি হয়।
তিনি জানান, পরে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেতুর ওপরে আরেকটি দুর্ঘনা ঘটলে সেটি সরাতে সময় লাগে। এতে মহাসড়কের সল্লা পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়।

যানজট নিরসনে সেতু কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। কিছু সময়ের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৭ কিলোমিটার যানজট

যমুনা সেতুর ওপর একাধিক গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের ৭ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।  শুক্রবার ভোররাত থেকে সেতুর পূর্বপ্রান্ত থেকে কালিহাতি উপজেলার সল্লা পর্যন্ত এ যানজট দেখা দেয়। এতে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের চালকেরা বিপাকে পড়েছেন। যমুনা সেতু বিভাভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, এ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ৩০ হাজার ৬৭৯টি যানবাহন পার হয়েছে। তার ওপর শুক্রবার ভোররাত থেকে সেতুর ওপর দুটি গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সেগুলো উদ্ধার করার সময় সেতু থেকে ঢাকামুখী লেনে গাড়ির সারি সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, পরে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেতুর ওপরে আরেকটি দুর্ঘনা ঘটলে সেটি সরাতে সময় লাগে। এতে মহাসড়কের সল্লা পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজট নিরসনে সেতু কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। কিছু সময়ের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

মারিয়া রহমান মে ২২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

গরুর হাটের আয়েই চলছে দেশের ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের ফুটবল

ছবি : সংগৃহীত

৬৩০ কেজি সরকারি চাল জব্দ, সাবেক কাউন্সিলরের বাড়িতে অভিযান

সংগৃহীত ছবি

শনিবার ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত
চেয়ে চেয়ে দেখছে দুদক, কারামুক্ত হচ্ছেন দুর্নীতিবাজরা

হাসিনার শাসনামলে ব্যাংক লুন্ঠনকারী ও দুর্নীতিবাজরা জামিনে বেরিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই দৃশ্য ‘চেয়ে চেয়ে দেখছে’ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আইনগত ব্যবস্থা থাকলেও সংস্থাটি বর্তমানে নিষ্ক্রিয় ও কার্যত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে।   সরকারের পক্ষ থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা থাকলেও কারাগারে থাকা অনেক অভিযুক্ত একে একে জামিনে মুক্ত হচ্ছেন। এদের পক্ষে সরকারি দল-সমর্থক কিছু আইনজীবীও কাজ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দুদকের বর্তমান ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে কেউ কেউ বলছেন, সংস্থাটি কার্যত অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে। কমিশন না থাকায় মামলার কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। অর্থখাতের একাধিক আলোচিত মামলার প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে জনতা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছিল। একইভাবে ‘অ্যাননটেক্স’ নামের প্রতিষ্ঠানের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, আবুল বারকাতকে একটি মামলায় গ্রেফতার করা হলেও পরে জামিন বহাল থাকায় তার মুক্তিতে আইনি বাধা নেই বলে দাবি করা হচ্ছে। অন্যদিকে কয়েকজন অভিযুক্ত উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন বা স্থায়ী জামিনের আদেশ পেয়েছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক, ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন এবং সাংবাদিক আনিস আলমগীরের মামলার বিষয়ও আলোচনায় এসেছে। বিভিন্ন মামলায় জামিন পাওয়া নিয়ে আইনজীবী মহল ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ভিন্ন মত রয়েছে। দুদকের নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট থাকার বিধান থাকলেও বাস্তবে তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মাধ্যমে মামলা পরিচালনা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে কমিশন না থাকায় মামলা পরিচালনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। তবে দুদক সচিব দাবি করেছেন, প্রতিটি মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা সক্রিয়ভাবে জামিনের বিরোধিতা করছেন। অন্যদিকে দুদকের সাবেক এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মনে করেন, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা স্বাধীনভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছেন না এবং কমিশন শূন্যতার কারণে মামলাগুলো দুর্বল হয়ে পড়ছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

পল্লবীর শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলার অভিযোগপত্র রোববার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

খুলনায় বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকে যুবদল নেতাসহ দু’জনকে গুলি

ছবি : সংগৃহীত

পশুর হাটে ১৪৪ ধারা জারি, ঈদের আগের রাত পর্যন্ত কার্যকর

বহিষ্কৃত ছাত্রদলের দুই নেতা। ছবি : সংগৃহীত
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বহিষ্কার দুই জন হলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহসভাপতি মিয়া বাবুল ও মো. মিঠু। তারা দুজন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ‎প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ মে) ভোরে পটুয়াখালী থেকে বাগেরহাটগামী রেণুপোনাবাহী ট্রাক আটকে বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন ভোলা সড়কে নিয়ে যান বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় ট্রাকের চালক ও হেলপারকে মেরিন অ্যাকাডেমির একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে মারধর করেন তারা। এরপর পোনার মালিককে ফোন দিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ছাত্রদল নেতারা। টাকা না পেয়ে অপর একটি ট্রাক ভাঙচুর করেন তারা। সূত্র জানায়, ভুক্তভোগীরা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের তিনটি নম্বরে মোট ৯৪ হাজার ৯০০ টাকা পরিশোধ করলে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি জানাজানি হলে বুধবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ঢাকায় তলব করে কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় সংসদ। এরপর বৃহস্পতিবার বহিষ্কার করা হয় ছাত্রদলের দুই নেতাকে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মিয়া বাবুল বলেন, ‘আমাকে এখানে ফাঁসানো হচ্ছে। খায় সবাই মিলে, কিন্তু নাম হয় শুধু আমার। এর সঙ্গে এলাকার কিছু লোকও জড়িত আছে।’ বহিষ্কারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবু ওবায়দা। তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে ঘটনার তদন্ত করেছে। এমনকি তারাই দুজনকে বহিষ্কার করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিষয়েও কেন্দ্রই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২২, ২০২৬
ফাইল ছবি

পাওনা টাকার কথা বলে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩

ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ডিবি কার্যালয়ে

ছবি : সংগৃহীত

ঈদের ফিরতি যাত্রার ট্রেনের টিকিট আজ থেকে বিক্রি

0 Comments