সারাদেশ

নতুন কর্মসূচি দিয়ে সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ১৫, ২০২৬

নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ছেড়েছেন সরকারি ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সায়েন্সল্যাব ও টেকনিক্যাল মোড় থেকে সরে যান তারা। তবে দাবি আদায়ে অনড় থাকার কথা জানিয়ে আবারও আন্দোলনে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনকারীরা জানান, ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ জারির দাবিতে আগামী সোমবার (১৯ জানুয়ারি) পুনরায় সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করা হবে। ওইদিন সেখানে গণজমায়েত ও আন্দোলনের জন্য একটি মঞ্চ তৈরিরও ঘোষণা দেন তারা।


এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেন ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাস ভাঙচুর করা হয়। একই সঙ্গে রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড়েও শিক্ষার্থীরা পৃথকভাবে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।
শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে অধ্যাদেশ জারির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

অবরোধের ফলে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল মোড়সহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যানচলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী, কর্মজীবী মানুষ ও পথচারীরা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
চীন থেকে এলো ৪ অত্যাধুনিক ক্রেন, সক্ষমতা বাড়বে পিসিটির

দেশের প্রথম বিদেশি অপারেটর দ্বারা পরিচালিত পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের (পিসিটি) জন্য প্রথমবারের মতো আনা হয়েছে চারটি অত্যাধুনিক কিউ গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি)। এসব ক্রেন নিয়ে বিশেষায়িত ডেক জাহাজ ‘এমভি ল্যান হাই হং ইউন’ নোঙর করেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। পিসিটি টার্মিনালটি পরিচালনা করছে সৌদি প্রতিষ্ঠান রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল (আরএসজিটি)। প্রায় ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে চীন থেকে এসব ক্রেন এনেছে প্রতিষ্ঠানটি।    চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নাসির উদ্দিন জানান, পিসিটি জেটিতে শুক্রবার রাতে জাহাজটি নোঙর করে। জাহাজটি নিরাপদে জেটিতে নোঙর করাতে বন্দরের দুইজন অভিজ্ঞ পাইলট ও তিনটি শক্তিশালী টাগবোট আগে থেকে প্রস্তুত রাখা হয়। ক্রেনগুলো আনলোডের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্ণফুলী নদীর পিসিটি সংলগ্ন এলাকায় সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ, কোস্টার, ট্যাংকার ও মাছ ধরার ট্রলারের চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল।   সচিব জানান, ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে কী গ্যান্ট্রি ক্রেনগুলো দেশে আসবে বলে আগে বন্দরের সঙ্গে থাকা চুক্তিতে উল্লেখ করেছিল আরএসজিটি। এই ক্রেন দিয়ে দ্রুততম সময়ে অনেক কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা যায়। জাহাজ থেকে নিরাপদে পণ্য ওঠানামারও সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি এটি। নিজস্ব ক্রেনবিহীন জাহাজ থেকে কনটেইনার খালাসের ক্ষেত্রে এসব ক্রেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।   ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীনের সানি মেরিন হেভি ইন্ডাস্ট্রি থেকে চারটি কিউজিসি সংগ্রহের জন্য চুক্তি করে আরএসজিটি। দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এগুলো নির্মাণ করা হয়। এই চারটি ক্রেন চালু হলে আরএসজিটি বাংলাদেশের বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা দ্বিগুণ বাড়বে । বর্তমানে ২ লাখ ৫০ হাজার টিইইউএস থেকে বেড়ে এটি ৫ লাখ টিইইউএসে উন্নীত হবে। একই সঙ্গে জাহাজের অপেক্ষার সময় কমবে এবং লজিস্টিক ব্যয়ও হ্রাস পাবে।  এর আগে পিসিটির জন্য ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে ১৪টি রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেন সংগ্রহে করেছিল আরএসজিটি। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ মাসে পিসিটিতে ১ লাখ ৪৩ হাজার টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। এখন এটি বাড়বে দ্বিগুণ হারে।   চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পিসিটি নির্মাণ করে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বন্দরের সঙ্গে ২২ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় টার্মিনালটির পরিচালনার দায়িত্ব পায় আরএসজিটি।  চুক্তি অনুযায়ী, টার্মিনালটির আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। প্রথম দেড় বছরে প্রত‍্যাশার চেয়ে কম কনটেইনার হ‍্যান্ডেল করেছে তারা। এখন সেই কাজে গতি অনেক বাড়বে বলে মনে করছে সৌদি প্রতিষ্ঠানটি। 

মারিয়া রহমান জুন ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

বাংলার জয়যাত্রা। ছবি : সংগৃহীত

বাংলার জয়যাত্রার নাবিকদের দুঃসময় যেন শেষই হচ্ছে না

ছবি : সংগৃহীত

কালুরঘাট বিসিক এলাকায় প্রকাশ্যে গুলির ঘটনা, ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক

ছবি : সংগৃহীত
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার জনপ্রিয় সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। রোববার (২১ মে) সাদাপাথর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন পর্যটকবাহী নৌ চলাচল ও পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে।   বিষযটি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া।   উপজেলা প্রশাসন জানায়, পাহাড়ি ঢলের কারণে পর্যটনকেন্দ্রের আশপাশের দোকানপাট পানিতে তলিয়ে গেছে এবং পুরো এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা বিবেচনায় আপাতত সাদাপাথরে যাতায়াত বন্ধ রাখা হয়েছে।   এছাড়া দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং আবহাওয়ার উন্নতি ঘটলেই পর্যটন কেন্দ্রটি আবার দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।   কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া কালবেলাকে বলেন, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্রের পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এ অবস্থায় পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ইতিমধ্যে একটি নোটিশ জারি করে পর্যটন কেন্দ্রটি সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছে।   তিনি আরও জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে সাদাপাথর এলাকায় যাতায়াত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই পর্যটকদের স্পষ্টভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে কেউ যেন সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা না করেন।   পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং পানি কমে এলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যটন কেন্দ্রটি আবার খুলে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। আপাতত দুর্ঘটনা এড়াতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে সেখানে যাওয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান ইউএনও।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

কৃষকের ছেলে এমপি: এটা স্বপ্নেও ভাবিনি

ছবি : সংগৃহীত

১৫ বছর পর মাগুরা–নড়াইল রুটে সরাসরি বাস চলাচল শুরু

ছবি : সংগৃহীত

সড়কের নকশা বদলে রক্ষা পেল শতবর্ষী গাছগুলো

ছবি : সংগৃহীত
জুমার খুতবা ও ইমামতি করে প্রশংসায় ভাসছেন কুতুবদিয়ার ইউএনও

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলায় জুমার খুতবা প্রদান ও ইমামতি করে স্থানীয় মুসল্লিদের মাঝে প্রশংসায় ভাসছেন নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।    শুক্রবার ১৯ জুন দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের পাশের একটি মসজিদে এই ব্যতিক্রমী জুমার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।   সেখানে তিনি মুসল্লিদের উদ্দেশে সমসাময়িক নানা বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় বক্তব্য উপস্থাপন করেন।প্রশাসনিক কাজের বাইরে তার এমন ধর্মীয় অংশগ্রহণ পুরো এলাকায় এক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে জুমার নামাজ উপলক্ষে ওই মসজিদে দুপুরের দিকে বিপুলসংখ্যক মুসল্লির সমাগম ঘটেছিল। জুমার খুতবা দেওয়ার শুরুতে ইসলামের মৌলিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এই সরকারি কর্মকর্তা। তিনি সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা সুন্দরভাবে তুলে ধরেন।    ধর্মীয় অনুশাসন নিখুঁতভাবে মেনে চলার পাশাপাশি নিজ নিজ নাগরিক দায়িত্ব পালনের বিষয়েও তিনি উপস্থিত সবাইকে উদ্বুদ্ধ করেন।খুতবা শেষে তিনি জুমার নামাজে সরাসরি ইমামতি করলে স্থানীয় সাধারণ মুসল্লিরা তার পেছনে কাতারবদ্ধ হয়ে নামাজ আদায় করেন। দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ জানান যে নবাগত এই কর্মকর্তা অত্যন্ত শিক্ষণীয় বয়ান পেশ করেছেন।   একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে সাধারণ মানুষের এত কাছাকাছি আসার এই উদ্যোগ সত্যিই ব্যাপক প্রশংসার দাবি রাখে। এর ফলে সাধারণ জনগণের সাথে স্থানীয় প্রশাসনের দূরত্ব অনেক কমে আসবে এবং পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি পাবে।   টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান সম্প্রতি কুতুবদিয়া উপজেলায় নিজের প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে গত পবিত্র ঈদুল আজহায় তিনি দীর্ঘদিনের প্রচলিত পৃথক পৃথক জামাতের পরিবর্তে সবাইকে ঈদগাহ মাঠে একত্রিত করেছিলেন। সামাজিক সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারে কুতুবদিয়ার সর্বস্তরের মানুষ প্রশাসনের এই কর্মকর্তার সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় উপস্থিতিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আগস্টে ঢাকা-পাবনা রুটে নতুন ট্রেন চলবে : রেলমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মনপুরায় ৯ হাজারে বিক্রি হলো ‘রাজা ইলিশ’, যাচ্ছে ঢাকার বাজারে

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু

0 Comments