খেলাধুলা

নাজমুল প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে মাঠে ফিরবেন ক্রিকেটাররা

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ১৫, ২০২৬

ক্রিকেটারদের দাবির মুখে বিকল্প এক পথ বের করে নাজমুল ইসলামকে অর্থ বিভাগের চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরপরও ক্রিকেটারদের মাঠে ফেরাতে পারেনি বিসিবি।

 

ক্রিকেটারদের চাওয়া—নাজমুলের বিসিবির পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ। অন্যথা মাঠে নামবেন না ক্রিকেটাররা।

 

তাতে বিপিএলই অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হওয়ার পথে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিসিবির পক্ষে নাজমুলকে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয় বলে ক্রিকেটারদের সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সঙ্গে আলোচনায় বসেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলসহ বেশ কজন পরিচালক।

সেই আলোচনায় ক্রিকেটাররা নিজেদের অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসেছে। এবার ভিন্ন শর্ত দিয়েছে।

 

বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য নাজমুল যদি প্রকাশ্যে ক্ষমা চান তবে মাঠে ফিরবেন তারা। এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কোয়াব।

 

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা নিয়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে। আমরা ক্রিকেটাররা আলোচনা করে উপলব্ধি করতে পেরেছি, আমাদের নারী জাতীয় দল এখন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে খেলছে নেপালে, ছেলেদের জাতীয় দলের সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৯ দল দল এখন বিশ্বকাপে আছে, সব ধরনের খেলা বন্ধ করার প্রভাব এই দলগুলোর ওপর পড়তে পারে।

 

বিপিএলকেও আমরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা তাই আমাদের আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছি।

 

বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। যেহেতু তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়াগত কারণে যেহেতু বিসিবি সময় চেয়েছে, সেই সময়টুকু আমরা দিতে চাই। তবে আশা করব, সেই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।

 

পাশাপাশি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম যেহেতু প্রকাশ্যে ক্রিকেটারদের নিয়ে অপমানজনক কথা বলেছেন, তিনি প্রকাশ্যেই ক্ষমা চাইবেন বলে আমরা আশা করি। বিসিবিকে আমরা জানিয়েছি, তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে ও তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়া চলমান থাকলে আমরা শুক্রবার থেকেই খেলায় ফিরতে প্রস্তুত।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
বলটির ডিজাইন করেছে বিখ্যাত আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যাডিডাস। ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপ-জ্বরে কাঁপছে মহাশূন্য, ফুটবল খেলবেন নভোচারীরাও?

প্রযুক্তি যে কতখানি এগিয়ে গিয়েছে, তা বোধহয় এতদিনে টের পেয়ে গেছেন। শুধু পৃথিবীর ঘরবাড়ি নয়, পৃথিবীর বাইরে মহাশূন্যেও রয়েছে বসবাসের অস্থায়ী ব্যবস্থা। সেখানে চাষবাস করে খাদ্যের সংস্থানে স্বাবলম্বী হওয়া যায়। প্রয়োজনমতো কাজ করা যায়, বিশ্রাম নেওয়া যায়। এমনকী চাইলে ছোটখাটো ইনডোর গেমও খেলা যায়। বলা হচ্ছে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের কথা। এখানে মহাশূ্ন্যে কি সম্ভব ফুটবলের মতো আউটডোর খেলা? বিশ্বকাপ ফুটবলের মাঝে এই সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণায় মেতেছেন বিজ্ঞানীরা। সদ্যই স্পেস স্টেশনে পৌঁছেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের বিশেষ বল ‘ট্রাইওন্ডা’। তা নিয়েই পরীক্ষানিরীক্ষা করছেন সেখানকার নভোশ্চররা।   মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাসার তরফে সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় মিনিট খানেকের একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। তাতেই দেখা যাচ্ছে, সাদা-লাল-নীল ট্রাইওন্ডাটি নিয়ে রীতিমতো খেলছেন স্পেস স্টেশনের ২ মহিলা ও ২ পুরুষ মহাকাশচারী। শূন্যে ভেসেই বলে কিক করছেন! বলের গতি যদিও ঢের কম। স্পেস স্টেশনে ছোট একফালি ভারশূন্য ঘরটিতে সামান্য দূরত্ব যেতেই তার বেশ সময় লাগছে। আর এখানেই বলটিকে নিয়ে এত গবেষণা! সাধারণ যে গতিবিজ্ঞান অনুযায়ী মাঠে ফুটবল খেলা হয়, তা তো আর মহাশূন্যে সম্ভব নয়। সেখানে ঠিক কোন বিজ্ঞান কাজ করবে কিংবা আদৌ মহাকাশের শূন্যস্থানে ঠিক ফুটবল নিয়ে নানারকম কসরৎ করা যায় কিনা, সেসব খতিয়ে দেখছেন নভোশ্চররা। গতিবিজ্ঞানের নতুন সূত্র আবিষ্কার হতে পারে তাদের গবেষণায়।   এই গবেষণার মাঝে একবার দেখে নেওয়া যাক ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ট্রাইওন্ডা বলটির খুঁটিনাটি। এর নকশা তিন আয়োজক দেশ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডার ঐক্যের প্রতিনিধিত্ব করে। বলটির ডিজাইন করেছে বিখ্যাত আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যাডিডাস। ‘ট্রাইওন্ডা’ নামের অর্থও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ‘ট্রাই’ অর্থাৎ তিন এবং ‘ওন্ডা’ অর্থাৎ তরঙ্গ। যা তিনটি রঙের তরঙ্গকে নির্দেশ করে। লাল, সবুজ এবং নীল – তিনটি রং আয়োজক দেশগুলোর জাতীয় পতাকার প্রতীক। লাল রং আমেরিকার, সবুজ মেক্সিকোর এবং নীল রং কানাডাকে চিহ্নিত করছে। এছাড়া বলটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সেন্সর। এই বলটিই আপাতত স্পেস স্টেশনের গবেষণার বিষয়বস্তু। বলা হচ্ছে, মহাশূন্যে বলের ভারসাম্য বেশ দুর্বল। তাকে কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই রাস্তা খোঁজার কাজ চলছে।   নাসা অবশ্য মহাশূন্যে ফুটবল নিয়ে বেশ আশাবাদী। ভিডিও পোস্ট করে তারা লিখেছে, ‘এমন সুন্দর একটা খেলা স্পেস স্টেশনে নভোশ্চরদের জীবন আরেকটু সুন্দর করতে পারে। নাসার বিজ্ঞান সেই কাজে তৎপর।’ এমন দিন কি অদূরেই যখন সত্যি শূন্যে ভাসমান অবস্থায় ফুটবলে কিক থেকে গোল – সবই ঘটবে? অপেক্ষা করতে ক্ষতি কী?

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২১, ২০২৬
বর্তমানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও মরক্কো জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মাজরাউই। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের পর ফুটবল ছেড়ে মসজিদের ইমাম হবেন মরক্কোর মাজরাউই!

ছবি : সংগৃহীত

নকআউট পর্বে চোখ রেখে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া

ছবি : সংগৃহীত

ইরান দলের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে না যুক্তরাষ্ট্র

ছবি : সংগৃহীত
আর্জেন্টিনাকে এড়িয়ে নয়, হারিয়েই এগোতে হবে: লামিন ইয়ামাল

স্পেনের উদীয়মান ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামাল বলেছেন, বিশ্ব ফুটবলে সাফল্য পেতে হলে বড় দলগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই, বরং তাদের হারিয়েই সামনে এগোতে হবে। আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী দলকে টপকে যেতে হলে আত্মবিশ্বাস, সাহস এবং মাঠে সেরা পারফরম্যান্স দেখানো ছাড়া বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   ফুটবল অঙ্গনে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত তরুণ প্রতিভাদের একজন ইয়ামাল বলেন, বড় টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য থাকলে কোনো প্রতিপক্ষকেই সহজভাবে নেওয়া যায় না। বিশেষ করে আর্জেন্টিনার মতো দল, যারা সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ব ফুটবলে দাপট দেখিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে জয় পেতে হলে পূর্ণ প্রস্তুতি এবং মানসিক দৃঢ়তা প্রয়োজন।   ‘ভয় নয়, লড়াইয়ের মানসিকতা দরকার’ ইয়ামাল তার মন্তব্যে পরোক্ষভাবে তরুণ খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলেন, শক্ত প্রতিপক্ষকে ভয় পাওয়া নয়, বরং তাদের মোকাবিলা করার মানসিকতা তৈরি করাই আসল বিষয়। তিনি মনে করেন, বড় দলকে এড়িয়ে গেলে উন্নতির সুযোগ কমে যায়, বরং প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়েই একজন খেলোয়াড় ও দল পরিপূর্ণতা পায়। তার মতে, আন্তর্জাতিক ফুটবলে টিকে থাকতে হলে প্রতিটি ম্যাচকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হয়। বিশেষ করে বিশ্বকাপ বা বড় টুর্নামেন্টে সফল হতে হলে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয় পাওয়ার মানসিক প্রস্তুতি থাকতে হবে।   আর্জেন্টিনা নিয়ে আলোচনা আর্জেন্টিনা বর্তমানে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে বিবেচিত। দলটির সাম্প্রতিক সাফল্য এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের উপস্থিতি তাদের আরও ভয়ংকর করে তুলেছে। সেই প্রেক্ষাপটে ইয়ামালের মন্তব্য ফুটবল মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইয়ামালের বক্তব্য আসলে তরুণ প্রজন্মের আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন। তিনি দেখাতে চেয়েছেন, বড় দলকে ভয় পাওয়ার বদলে তাদের হারানোর লক্ষ্য নিয়েই এগোতে হবে।   ফুটবল মহলে প্রতিক্রিয়া ইয়ামালের এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক সমর্থক তার আত্মবিশ্বাসের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ মনে করছেন, আর্জেন্টিনার মতো অভিজ্ঞ দলের বিপক্ষে এমন মন্তব্য ভবিষ্যতে চাপ বাড়াতে পারে। তবে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের মানসিকতা একজন শীর্ষ পর্যায়ের খেলোয়াড় হওয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বড় ম্যাচে জয় পেতে হলে ভয় নয়, বরং আত্মবিশ্বাসই সবচেয়ে বড় অস্ত্র।   তরুণ তারকার উত্থান মাত্র অল্প বয়সেই আন্তর্জাতিক ফুটবলে আলো ছড়ানো ইয়ামাল বর্তমানে স্পেন জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। তার গতি, টেকনিক এবং আক্রমণাত্মক খেলার ধরন তাকে ইতোমধ্যে বিশ্ব ফুটবলে বিশেষ পরিচিতি এনে দিয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ভবিষ্যতে তিনি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হতে পারেন, যদি তিনি এই ধরনের মানসিকতা ও পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

মাত্র ১১ বলে ফিফটি! ২১ বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড ভেঙে ফাইনালে সুরিয়াভানশির টর্নেডো

ছবি : সংগৃহীত

ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ: লজ্জার রেকর্ড এড়িয়ে তাওহীদ হৃদয়ের ফিফটিতে সংগ্রহ ১০৯

উন্দাভ একসময় কারখানায় কাজ করতেন। সংগৃহীত ছবি

৮ ঘণ্টা কারখানায় কাজ করা ছেলেই এখন জার্মানির বিশ্বকাপ হিরো!

রোনালদোর পাশে দাঁড়িয়ে পর্তুগালের সমালোচকদের একহাত নিলেন দালোত

বিশ্বকাপে বাজে শুরুর পর, পর্তুগাল দল ও অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে সমালোচনা হচ্ছে ব্যাপক। সমালোচকদের পাল্টা জবাব দিয়ে দলটির ডিফেন্ডার দিয়োগো দালোত বলছেন, কিছু মানুষ সক্রিয়ভাবে তাদের বিশ্বকাপ অভিযানের বিরুদ্ধে কাজ করছে।   উত্তর আমেরিকা আসরে প্রথম ম্যাচে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব (ডিআর) কঙ্গোর বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েও ১-১ ড্র করে শিরোপাপ্রত্যাশী পর্তুগাল। ম্যাচ শেষের পর থেকে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।   দ্বিতীয় ম্যাচে মঙ্গলবার উজবেকিস্তানের মুখোমুখি হবে সাবেক ইউরো চ্যাম্পিয়নরা। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে সমালোচনার প্রসঙ্গে দালোত বলেন, এসব নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাচ্ছেন না তারা।   “সমালোচনা হবেই, কিন্তু আমাদের বার্তা হলো, লাখ লাখ মানুষ চায় পর্তুগাল জিতুক এবং এমনও অনেকে আছে যারা চায় না পর্তুগাল জিতুক। আমি ফুটবলের সঙ্গে অনেক দিন ধরে যুক্ত আছি, তাই আমি জানি, সমালোচনা এই প্রক্রিয়ারই একটি অংশ এবং আমরা তা এড়াতে পারি না। তবে গঠনমূলক সমালোচনাও রয়েছে।”   “আমাদের বার্তা স্পষ্ট: আমরা দল হিসেবে ঐক্যবদ্ধ, আমরা শক্তিশালী এবং জয়ের জন্য আমরা সবকিছু করতে প্রস্তুত।”   পর্তুগালের জয় না চাওয়া মানুষেরা কারা, এমন প্রশ্নের উত্তরে রহস্য রেখে দেন ২৭ বছর বয়সী দালোত।   “আমি এক বা দুজন মানুষের নাম বলতে পারব না, তবে এমন কিছু মানুষ আছে যারা চায় না পর্তুগাল জিতুক। আমার কাজ হলো মাঠে নেমে খেলা এবং এই বার্তা দেওয়া যে ফলাফল যাই হোক না কেন, এই দল শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ। সবাই আরও ভালো করতে চায়।”   সমালোচনা সবচেয়ে বেশি হচ্ছে ৪১ বছর বয়সী রোনালদোকে নিয়ে। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে একেবারেই নিষ্প্রভ ছিলেন তিনি। পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলারের পাশেও দাঁড়ালেন দালোত।   “সমালোচনা সামলানোর ব্যাপারে ক্রিস্তিয়ানোর দক্ষতার কথা সবাই জানে। তিনি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। আমার মনে হয়, তিনি দলকে যা দেন, তা আমাদের এই বার্তা দেয় যে, সমালোচনা খেলারই একটি অংশ এবং সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টে খেললে সমালোচনা সবসময়ই থাকবে।”   “তিনি আমাদের যে আত্মবিশ্বাস দেন এবং আমরা তাকে যে আত্মবিশ্বাস দিই, তা সবসময় একই ছিল এবং থাকবে, যতদিন তিনি জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন।”   দালোত জানালেন, বিশ্বকাপের আগে তারা সামাজিক মাধ্যম থেকে দূরে রেখেছিলেন নিজেদের।   “ব্যক্তিগত আলাপে আমরা কী বলি, তার খুব বেশি কিছু প্রকাশ না করেই বলছি, বিশ্বকাপের আগে সামাজিক মাধ্যম ও সমালোচনা নিয়ে আমাদের মধ্যে একটি আলোচনা হয়েছিল।”   “যখন এমন একটি দল থাকে, বিশেষ করে দলে ক্রিস্তিয়ানোর মতো খেলোয়াড় থাকলে, আমাদের এমন সমালোচনা, যা স্বাভাবিক নয়, তা সামলাতে শিখতে হবে। এ কারণেই দলকে সামাজিক মাধ্যমের সমালোচনা থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছিল।”

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২১, ২০২৬

ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও ঝলক দেখালেন হাসান মাহমুদ

ছবি: সংগৃহীত

ইতিহাসের ম্যাচে নতুন রেকর্ড গড়ে জিতল জাপান

২১ ঘণ্টার মধ্যে আবারও ব্রাজিলকে ধরে ফেললো জার্মানি

0 Comments