জাতীয়

জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদান করছে : তথ্য উপদেষ্টা

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচার, পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সব চ্যালেঞ্জ, অনর্থক বিতর্ক ও প্রচারণা পিছনে ফেলে আজকে আমরা ভোটের দিনে চলে এসেছি। জনগণ আজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছে। 

তিনি বলেন, ‘দেখেন এখানকার ভোটের আমেজ এবং ভোটারদের উপস্থিতি। মানুষ সত্যিকার অর্থেই ক্ষমতায়িত হয়েছে। তিনি তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে আনন্দিত। সুশৃঙ্খলভাবে সবাই ভোট দিচ্ছে। লেটস সেলিব্রেট দিস। আসুন আমরা এই নির্বাচনটাকে,সরকারের এই প্রয়াসটাকে সেলিব্রেট করি।’ 

তিনি আজ ধানমন্ডির সেন্ট্রাল রোডে আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘গতকাল পর্যন্ত শুনেছি ইলেকশন কি হবে? অনেকে এসএমএস করে জানতেও চেয়েছে। দেশের মানুষের শঙ্কা ছিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনটা হচ্ছে কি না।’ 

তিনি বলেন, ক্ষমতায় তো কখনই ছিলাম না। ছিলাম দায়িত্বে। দায়িত্বতো সারাজীবনের ব্যাপার। এটাকে প্রলম্বিত করা না করার ব্যাপার নাই। আগে বেলা’র প্রধান নির্বাহী হিসেবে পরিবেশ নিয়ে কাজ করেছি, এখন উপদেষ্টা হিসেবে পরিবেশের কাজ করেছি। আবার যখন চলে যাবো তখন বেলা’য় গিয়ে আবার পরিবেশ নিয়ে কাজ করবো। দেশটা নেতিবাচকতা ও সন্দেহের ভিত্তিতে এতোটা বছর  রয়ে গেছে। আজকে ইলেকশনের দিনে, শান্তিপূর্ণ ভোটের দিনে এটা প্রমাণিত হলো যে যতরকমের কথাবার্তা ছিল নেতিবাচক, সেগুলো আসলে একটাও আমাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

আরেক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পর ফলাফল ঘোষণার বিষয়টা আমাদের নয়,নির্বাচন কমিশনের। সুতরাং যখনই গেজেট নোটিফিকেশন হয়ে যাবে, শপথ হয়ে যাবে,তাক্ষৎনিকভাবেই আমরা দায়িত্ব হস্তান্তর করবো। আর এখনো পর্যন্ত আমরা দায়িত্বেই রয়েছি। প্রতিদিন রাষ্ট্রের কিছু না কিছু কাজ থাকেই। ফলে দায়িত্বে রয়েছি। যে মুহূর্তে শপথ হয়ে যাবে, সেই মুহূর্ত থেকে আমরা আর দায়িত্বে নাই।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
৯১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১২ আইপিপির সঙ্গে সরকারের চুক্তি

৯১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষে ১২টি বেসরকারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার (আইপিপি)-এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সরকার। এসব বিদ্যুতের ইউনিট প্রতি (কিলোওয়াট-ঘণ্টা) উৎপাদনের গড় ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.৮০ সেন্ট অর্থাৎ প্রায় ৯ টাকা ১২ পয়সা। যা আগের তুলনায় প্রায় আড়াই সেন্ট কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।   বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারের জ্বালানি বহুমুখীকরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব চুক্তি করা হয়। এতে বিদ্যুতের উৎপাদন গড় ব্যয় ২ থেকে ৩ সেন্ট কমে গেছে। ফলে সামগ্রিক উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। যেখানে আগে বিদ্যুতের ইউনিট প্রতি গড় উৎপাদন ব্যয় ছিল প্রায় ১০.৫ সেন্ট। বিপিডিবির কর্মকর্তারা জানান, নতুন সরকার পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের বাতিল করা ছয়টি বিদ্যুৎ প্রকল্প পুনর্বহাল করেছে। এছাড়া কম দামে ৯১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার লক্ষ্যে নতুন আরও ছয়টি প্রকল্প গ্রহণ করেছে।  তারা জানান, ১২টি প্রকল্পের আওতায় নির্মিতব্য ১২টি বিদ্যুৎকেন্দ্র আগামী দুই বছরের মধ্যে উৎপাদনে যাবে এবং সবগুলো জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। কর্মকর্তারা আরও জানান, চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সবচেয়ে বড় ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হবে। এছাড়া পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৫০ মেগাওয়াটের আরেকটি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। কক্সবাজারে দুটি ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। একইভাবে আরও একটি ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র বাগেরহাটের মোংলায় নির্মাণ করা হবে। পাবনার ঈশ্বরদীতে ৭০ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এছাড়া, অবশিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো মৌলভীবাজারের সদর ও বিবিয়ানা, নীলফামারীর জলঢাকা, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী এবং নোয়াখালীর সুধারামে স্থাপন করা হবে। এসব কেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা হবে ১০ থেকে ৫০ মেগাওয়াট পর্যন্ত। বিপিডিবির এক কর্মকর্তা জানান, উন্মুক্ত প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ট্যারিফ নিশ্চিত করে সরকার ১২টি আইপিপির সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করেছে। কনফিডেন্স পাওয়ারের চেয়ারম্যান ও আইপিপি উদ্যোক্তা ইমরান করিম জানান, তার তিনটি প্রতিষ্ঠান মোট ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ইতোমধ্যে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। বাকি দুটি কেন্দ্রের জন্য জমি ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলছে। আমাদের তিনটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র ২০২৮ থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে। জ্বালানি বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাংলাদেশের আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।  বিপিডিবির হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে উৎপাদিত ১ হাজার ৪৫১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৫.০১ শতাংশ।বিপিডিবির কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর অন্তর্বর্তী সরকার ৩১টি নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাতিল করেছিল। যার মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প ছিল ২৭টি। এসব প্রকল্প থেকে ২ হাজার ৭২৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা ছিল। বাকি চারটি প্রকল্প ছিল বায়ু ও জলবিদ্যুৎভিত্তিক। যেগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে বাতিল করা হয়। বিপিডিবি চেয়ারম্যান বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানো, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। কর্মকর্তারা জানান, ১২টি প্রকল্প ছাড়াও ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে আলাদা কর্মসূচি চলছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১,৪৫০.৬৭ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১,০৭৩.৫ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে (অন গ্রিড) এবং ৩৭৭.১৭ মেগাওয়াট অফ-গ্রিড ব্যবস্থায় রয়েছে।টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১,৭৪৩.৭৬ মেগাওয়াট। সৌরবিদ্যুতের পাশাপাশি ২৩০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ, ৬২ মেগাওয়াট বায়ুশক্তি, ০.৬৯ মেগাওয়াট বায়োগ্যাস এবং ০.৪ মেগাওয়াট বায়োমাস এর মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। জ্বালানি বিশ্লেষক ও ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) কর্মকর্তা শফিকুল আলম বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং নীতিমালার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে সরকারের একটি সমন্বিত জ্বালানি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্কের (ক্লিন) প্রধান নির্বাহী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ হাসান মেহেদি বলেন, সরকার যদি মানুষকে নিজ নিজ বাড়িতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে উৎসাহিত করতে পারে, তাহলে সরকারি বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে না।  তিনি বলেন, আগে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণ করা প্রায় ১৩ হাজার একর জমি এখনো অব্যবহৃত রয়েছে। নতুন করে জমি অধিগ্রহণের পরিবর্তে ওই জমিগুলো সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ব্যবহার করা গেলে বিদ্যুতের ইউনিট প্রতি খরচ ২৩ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুতের ৪০ শতাংশ পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংস্থার (আইআরইএনএ) সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, ১২ লাখ ২ হাজার ১৭৮.৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী চীন বর্তমানে বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র, যার উৎপাদন ২ লাখ ১১ হাজার ৬১০ দশমিক ১ মেগাওয়াট এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত, যার উৎপাদন সক্ষমতা ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫০১ দশমিক ৫ মেগাওয়াট।  এছাড়া জাতীয় গ্রিডে সংযুক্তির লক্ষ্যে বর্তমানে ভিয়েতনাম ৮ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট, ফিলিপাইন ২ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট, শ্রীলঙ্কা ১ হাজার মেগাওয়াট এবং পাকিস্তান ৮০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৩, ২০২৬

লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টাকে প্রতিহত করেছে বিজিবি

ছবি : সংগৃহীত

এবারের ঈদযাত্রা হবে স্বস্তিদায়ক, বললেন সড়কমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মন্ত্রিসভায় যেসব প্রস্তাবে মিলল অনুমোদন

সংগৃহীত ছবি
বিতর্কিত কর্মকর্তাদের তালিকায় আরও ৫৩ পুলিশ কর্মকর্তা, পাঠানো হতে পারে বাধ্যতামূলক অবসরে

জুলাই বিপ্লবের পর আওয়ামী লীগ আমলে দায়িত্ব পালন করা বিতর্কিত কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের নেওয়া সেই পদক্ষেপেই অটল বর্তমানে সরকার। এরই অংশ হিসেবে গত ৩ মে পুলিশের ১৭ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ১৬ জনই ছিলেন ডিআইজি। এর আগে গত ২২ এপ্রিল পুলিশের ১১ জন ডিআইজি এবং দুজন অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায় সরকার। ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর আরো ৯ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। তারা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও দপ্তরে দায়িত্বরত ও সংযুক্ত ছিলেন। বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো নিয়ে পুলিশে আলোচনা চলছে; আর কোনো কোনো কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হবে। জানা যায়, যেসব পুলিশ কর্মকর্তার চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে, তারা এখন আতঙ্কে আছেন। পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, ঈদের পর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়ের আরো ৫৩ জনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হতে পারে। এর মধ্যে ১৩ জন অতিরিক্ত ডিআইজি, ৩১ জন এসপি এবং ৯ জন এএসপি রয়েছেন। এসব এসপির মধ্যে আওয়ামী সরকারের ডামি ও রাতের ভোটে দায়িত্ব পালন করেন অনেকে। এছাড়া বিগত সময়ে এইসব পুলিশ কর্মকর্তার বিতর্কিত ভূমিকা ছিল। তারা বর্তমানে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত আছেন। সূত্র জানায়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী চাকরির বয়স থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসর দিয়ে থাকে সরকার। ওই ধারায় বলা হয়েছে, যে কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হলে সরকার ওই কর্মচারীকে ‘জনস্বার্থে’ যেকোনো সময় অবসরে পাঠাতে পারে। এ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর প্রয়োজন নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অতিরিক্ত আইজিপি জানান, চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী গত দেড় বছরে কিছু পুলিশ কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠানো হয়। আরো একাধিক কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠানোর বিষয় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিষয়টি জানতে চাইলে সাবেক আইজিপি নূরুল হুদা জানান, বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তাদের পদায়ন হলে পুলিশের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে যাবে। যাচাই-বাছাই করে পদায়ন ও পদোন্নতি দিতে হবে। এ প্রসঙ্গে অপরাধ বিজ্ঞানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে যেসব পুলিশ কর্মকর্তা আওয়ামী লীগার হয়ে অপকর্ম করেছে, তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। পুলিশের মধ্যে দলীয়করণ করলে পুরো বাহিনীর বদনাম হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী সরকারের সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কিছুসংখ্যক কর্মকর্তা বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালনে অতিউৎসাহী ছিলেন। তারা বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর অযাচিত দমনপীড়ন চালিয়েছেন। এদের কিছু কর্মকর্তা দেশের বিভিন্ন স্থানে পদায়ন হওয়ায় খোদ পুলিশের মধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সূত্র জানায়, মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে ৫ মে ফেনীর পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে পদায়ন করা হয়। তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলা আছে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছিলেন । ওই সময় তার বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াতের কর্মসূচিতে বাধা, হামলা ও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। আওয়ামী সরকারের পতন হলে মাহবুবের কর্মকাণ্ড সামনে আসে। দুটি হত্যা মামলার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার যুবদল নেতা মিজান হত্যা মামলা উল্লেখযোগ্য। ওই মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৭ এপ্রিল শিবগঞ্জ থানায় পুলিশের কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন মিজান। এ ঘটনায় নিহত যুবদল নেতার বাবা আইনাল হক ২০২৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার ১০ নম্বর আসামি মাহবুব আলম খান। এছাড়া ২০২৪ সালের ২০ অক্টোবর ফিরোজ আহমেদ নামে আরো একজন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় অপর হত্যা মামলাটি করেন। মাহবুব ওই মামলায় ৩ নম্বর আসামি। জানা গেছে, ২০২২ সালের ৩১ জুলাই বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ভোলা জেলা ছাত্রদল সভাপতি নূরে আলম। এ ঘটনায় ২০২২ সালের ৪ আগস্ট ভোলা সদর থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) আরমান হোসেনসহ ৩৬ পুলিশ সদস্যের নামে হত্যা মামলা হয়। সেই আরমানকে সম্প্রতি কক্সবাজারের রামু থানার ওসি হিসেবে পদায়নের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাকে আর সেখানে পদায়ন করা হয়নি। সূত্র জানায়, বিতর্কিত এসব কর্মকর্তার পদায়নে পুলিশ প্রশাসনে ঝড় ওঠে। এসব কর্মকর্তা যাতে আবার বাহিনীটির গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন না পান, এজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো প্রায় ৫৩ জনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাবে বলে জানা গেছে। পুলিশের ১১৪ কর্মকর্তা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বর্তমানে সংযুক্ত আছেন। এদের বড় অংশকেই অবসরে পাঠানোর চিন্তা রয়েছে সরকারের। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সরকার পুলিশে পেশাদার ও আস্থাভাজন কর্মকর্তা খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে। কারণ পেশাদার কর্মকর্তা আগে যারা ছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকের আওয়ামী আমলে পদোন্নতি না পেয়ে মনোবল ভেঙে গেছে। প্রায় সোয়া দুই মাস আগে ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলী পদত্যাগ করার পর মোসলেহ উদ্দিন আহমেদকে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়। আস্থাভাজন পুলিশ কর্মকর্তা সংকটের কারণে এ বিলম্ব হচ্ছে। তবে পুলিশ বলছে, এ সংকট শিগগির কেটে যাবে।

মারিয়া রহমান মে ২২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে কোটি টাকার জমি উদ্ধার করল সরকার

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল (ফাইল ছবি)

তৃতীয় টার্মিনালের রাজস্বের ৭৩ শতাংশ পাবে জাপান

ফাইল ছবি।

ঈদুল আজহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত, প্রথমটা কয়টায়

ছবি : সংগৃহীত
হাসিনার অনুগত সেনা কর্মকর্তার পদোন্নতি ঘিরে আলোচনা

জুলাই বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দিল্লিতে পালিয়ে যায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনাকে নিরাপদে দিল্লিতে পৌঁছাতে যে ক’জন সামরিক কর্মকর্তা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন, তাদেরই একজন কর্নেল জিএম রাজিব আহমেদ।   শেখ হাসিনা ও জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিকের অনুগত ও বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত বিতর্কিত এ সেনা কর্মকর্তাকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। আর এ পদোন্নতি নিয়ে সেনাবাহিনীতে রীতিমতো বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে বলে নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে। বিতর্কিত এ সেনাকর্মকর্তার পদোন্নতির খবরে গত সাড়ে ১৫ বছরে বঞ্চিত দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাদের মাঝে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। তাদের প্রশ্নÑ ফ্যাসিস্টের সহযোগী হিসেবে এ সেনা কর্মকর্তার চাকরিই থাকার কথা নয়, সেখানে তিনি পেয়েছেন পদোন্নতি। এ পদোন্নতি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনের পক্ষের শক্তির কাছে ভুলবার্তা যাবে বলে তারা মনে করেন। ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মেও এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলাচনা-সমালোচনা। জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যা-নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত বিতর্কিত কর্মকর্তা রাজিবের পদোন্নতির পেছনে বর্তমানে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত একজন প্রভাবশালী সামরিক কর্মকর্তার হাত হয়েছে। ওই কর্মকর্তা বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও একই পদে দায়িত্ব পালন করেন। তখনো ওই সামরিক কর্মকর্তার সুপারিশে শান্তিরক্ষা মিশনের মতো প্রাইজ পোস্টিং হয় রাজিবের। তাকে টিম কমান্ডার [Contg Comd. BANBAT-8(66 EB), UNMISS] হিসেবে দক্ষিণ সুদানে পাঠানো হয়েছিল। সম্প্রতি মিশন সম্পন্ন করে তিনি দেশে ফেরেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার জিএম রাজিব আহমেদকে কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বাহিনীর ভেতরে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গেছে, কর্নেল রাজিব ২০২০ সালের আগস্টে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী সামরিক সচিব (এএমএসপিএম) হিসেবে যোগ দেন। পরে কর্নেল পদে তার পদোন্নতি হয়। একই সঙ্গে তাকে উপসামরিক সচিব হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পদায়ন করা হয়। তিনি শেখ হাসিনা ছাড়াও তার বোন রেহানা এবং মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের খুবই অনুগত ও বিশ্বস্ত ছিলেন। আওয়ামী সমর্থক এ সামরিক কর্মকর্তাকে বিশ্বস্ততার কারণেই সরকারের স্পর্শকাতর জায়গায় পদায়ন করা হয়েছিল। জানা গেছে, শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে পালিয়ে যেতে যেসব সামরিক কর্মকর্তা ভূমিকা পালন করেছিলেন তার মধ্যে কর্নেল রাজিব ছিলেন অন্যতম। শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে পৌঁছে দিতে অন্য সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাজিবও ছিলেন বলে একটি সামরিক সূত্র জানালেও অন্য একটি সূত্র বলেছে, তিনি সবল প্রক্রিয়ার সঙ্গে ছিলেন ঠিকই কিন্তু শেষ পর্যন্ত যাননি। তিনি ঢাকায় বসে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী মন্ত্রীদের নিরাপদ হেফাজতে ভূমিকা রাখেন। উল্লেখ্য, অভিযোগ রয়েছে জুলাই আন্দোলন যখন তুঙ্গে তখন শেখ হাসিনা এ রাজিবের মাধ্যমে ছাত্র-জনতাকে হত্যা-নির্যাতনের নির্দেশ দিতেন। এমনই একটি টেলিফোন নির্দেশনাও ৫ আগস্টের পরে ভাইরাল হয়। অডিও কথোপকথনে শোনা যায় শেখ হাসিনা নিজেই ফোন করে মিরপুর, উত্তরা, বাড্ডার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিসহ বিভিন্ন এলাকায় বিপুল সংখ্যক মানুষ জড়ো হচ্ছে জানিয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। হাসিনা বলেন, “ওরা কিন্তু জায়গায় জায়গায় জমা হতে শুরু করেছে। শুরুতেই কিন্তু ই… করতে হবে। জমা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে করতে হবে। অল্প জমায়েত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যা করার করতে হবে। তাহলে ওরা আর আসবে না। এবারে আর কোনো কথা নয়। এবার শুরুতেই দেবা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২২, ২০২৬
বুড়িগঙ্গা নদীতে নির্মিত বসিলা ব্রিজ। ছবি: সংগ্রহীত

এক সপ্তাহে নদী থেকে উদ্ধার ১৭ মরদেহ, আতঙ্ক এলাকাজুড়ে

মন্ত্রিসভার বৈঠক। ছবি : সংগৃহীত

জাপানের সঙ্গে সামরিক প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি অনুমোদন

ছবি: সংগৃহীত

ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় বিজিবি মোতায়েন

0 Comments