বিশ্ব

বাড়িতে বসে কাজ, বিদেশে বিয়ে নয়: মোদির নতুন ঘোষণা

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়া এবং জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতার মধ্যে দেশবাসীকে মিতব্যয়ী হওয়ার ডাক দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার হায়দরাবাদে এক অনুষ্ঠানে তিনি নাগরিকদের পেট্রোল ও ডিজেল সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষায় গণপরিবহন ব্যবহারসহ বিলাসিতা পরিহারের পরামর্শ দিয়েছেন।

 

প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘দেশপ্রেম মানে কেবল সীমান্তে জীবন উৎসর্গ করা নয়। বর্তমান সময়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জীবনযাপন করা এবং দৈনন্দিন জীবনে দেশের প্রতি কর্তব্য পালন করাও দেশপ্রেমের অংশ।’

 

আন্তর্জাতিক সংঘাতের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, সরবরাহ শৃঙ্খলে চ্যালেঞ্জ এবং লাগামহীন মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশবাসীকে মেট্রো ও গণপরিবহন ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমাতে বলেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে কার-পুলিং এবং পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে রেলওয়েকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক যানের (ইভি) ব্যবহারের ওপরও বিশেষ জোর দিয়েছেন।

 

জাতীয় স্বার্থে করোনা মহামারিকালীন কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির কৌশলগুলো পুনরায় চালু করার কথা বলেন মোদি। এর মধ্যে রয়েছে, বাড়িতে বসে কাজ, অনলাইন কনফারেন্স এবং ভার্চ্যুয়াল মিটিং। অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর এড়িয়ে চলা এবং অপরিহার্য নয় এমন ক্ষেত্রে স্বর্ণ কেনা থেকে বিরত থাকার জন্যও তিনি নাগরিকদের অনুরোধ করেন।

সূত্র: এনডিটিভি

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
বাড়িতে বসে কাজ, বিদেশে বিয়ে নয়: মোদির নতুন ঘোষণা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়া এবং জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতার মধ্যে দেশবাসীকে মিতব্যয়ী হওয়ার ডাক দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার হায়দরাবাদে এক অনুষ্ঠানে তিনি নাগরিকদের পেট্রোল ও ডিজেল সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষায় গণপরিবহন ব্যবহারসহ বিলাসিতা পরিহারের পরামর্শ দিয়েছেন।   প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘দেশপ্রেম মানে কেবল সীমান্তে জীবন উৎসর্গ করা নয়। বর্তমান সময়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জীবনযাপন করা এবং দৈনন্দিন জীবনে দেশের প্রতি কর্তব্য পালন করাও দেশপ্রেমের অংশ।’   আন্তর্জাতিক সংঘাতের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, সরবরাহ শৃঙ্খলে চ্যালেঞ্জ এবং লাগামহীন মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।   প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশবাসীকে মেট্রো ও গণপরিবহন ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমাতে বলেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে কার-পুলিং এবং পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে রেলওয়েকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক যানের (ইভি) ব্যবহারের ওপরও বিশেষ জোর দিয়েছেন।   জাতীয় স্বার্থে করোনা মহামারিকালীন কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির কৌশলগুলো পুনরায় চালু করার কথা বলেন মোদি। এর মধ্যে রয়েছে, বাড়িতে বসে কাজ, অনলাইন কনফারেন্স এবং ভার্চ্যুয়াল মিটিং। অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর এড়িয়ে চলা এবং অপরিহার্য নয় এমন ক্ষেত্রে স্বর্ণ কেনা থেকে বিরত থাকার জন্যও তিনি নাগরিকদের অনুরোধ করেন। সূত্র: এনডিটিভি

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীনকে ছাড়াল বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ ঘিরে উত্তেজনা, যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য

ছবি: সংগৃহীত

কেরালার মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ে অনিশ্চয়তায় চাপে কংগ্রেস

ছবি : সংগৃহীত
‘যুদ্ধ শেষ হয়নি’, ইরানকে নিয়ে কড়া বার্তা নেতানিয়াহুর

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শেষ হয়নি। কারণ যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগে ইরানের পারমাণবিক উপকরণ, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র এবং সশস্ত্র প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে ধ্বংস করতে হবে। সিবিএস নিউজকে নেতানিয়াহু বলেন, আমরা কিছু জিনিস ধ্বংস করেছি, কিন্তু সেই সবকিছু এখনো রয়ে গেছে, তাই আমাদের কাজ বাকি আছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কীভাবে পারমাণবিক উপকরণ অপসারণ করবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আপনারা আমাকে এই প্রশ্নগুলো করবেন, আমি সেগুলো এড়িয়ে যাব। আমি এটার জন্য কোনো সময়সূচী দেব না। এদিকে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, আমরা ইরানের মজুতকৃত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পরিবহন ও সংরক্ষণ করতে প্রস্তুত। মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন এই প্রস্তাব দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে পুতিন বলেন, রাশিয়া ২০১৫ সালে ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্থানান্তর করেছিল এবং সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি করতে মস্কো প্রস্তুত রয়েছে। সূত্র : আল জাজিরা

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

আমি বলিনি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হয়েছে: ট্রাম্পের নতুন মন্তব্য ঘিরে উত্তেজনা

ছবি : সংগৃহীত

খাড়গ দ্বীপে তেল ছড়িয়ে পড়ার খবর ‘ভুয়া’ বলছে ইরান

ছবি : সংগৃহীত

মা দিবসেই মা-ভাইকে গুলি করে হত্যা, বেরিয়ে এলো লোভের গল্প

ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বার্তা, গুরুত্বে কূটনৈতিক ইঙ্গিত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত খসড়ার জবাব পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে পাঠিয়েছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা জানিয়েছে, তেহরানের প্রতিক্রিয়ায় যুদ্ধের অবসান এবং পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানও নিশ্চিত করেছে যে তারা ইরানের আনুষ্ঠানিক জবাব পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় বর্তমানে এক ধরনের জরুরি পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং আগামী কয়েকদিন পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য চীন সফরের ঠিক এক সপ্তাহ আগে এই কূটনৈতিক অগ্রগতি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। কারণ চীন ইরানের তেলের অন্যতম বড় আমদানিকারক এবং তেহরানের সঙ্গে বেইজিংয়ের কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, সংকট সমাধানে সরাসরি আলোচনার পথ এখনও খোলা রয়েছে। তবে নতুন করে আরেক দফা বৈঠক হবে কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। এদিকে, চলমান অস্থিরতায় পাকিস্তানও অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে। জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে ভোগ্যপণ্যের বাজারেও প্রভাব পড়ছে। ইরানের সঙ্গে ইসলামাবাদের সুসম্পর্ক এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গেও পাকিস্তানের গ্রহণযোগ্য অবস্থান থাকায়, মধ্যস্থতায় দেশটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক আলমিগদাদ আলরুহাইদ জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে আলোচনায় যাওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চাইছে ইরান। ইরানের দাবি, আলোচনার মধ্যেই এক বছরের কম সময়ে দেশটির ওপর দুইবার হামলা হয়েছে। তাই তারা এখন যুদ্ধ বন্ধ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির ওপর জোর দিচ্ছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করছে। একই সঙ্গে কৌশলগত এই জলপথ নিরাপদ রাখতে নতুন কাঠামো ও পদ্ধতি তৈরির কাজও চলছে। তেহরান বলছে, হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তাদের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব ও অধিকার রয়েছে। সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো আব্বাস আসলানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবে ইরান সরাসরি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলেনি; বরং নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে। আল জাজিরাকে তিনি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুই সবচেয়ে জটিল হয়ে উঠেছে। তবে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পরিদর্শন ও স্বচ্ছতার বিষয়ে ইরান তুলনামূলক নমনীয় অবস্থানে রয়েছে। তার মতে, প্রাথমিক পর্যায়ে যদি কোনো শান্তি চুক্তি হয়, তাহলে তা দুই পক্ষের মধ্যে আস্থা তৈরির পরিবেশ তৈরি করতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর বা দীর্ঘ সময়ের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখার মতো শর্তে অনড় থাকে, তাহলে সম্ভাব্য চুক্তি বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সূত্র : আল জাজিরা

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

রাজনীতির ময়দানে প্রথম ধাক্কাতেই বিজেপিকে ছাড়ালেন বিজয়

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ

কিয়ার স্টারমার। ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় কিয়ার স্টারমার, দায়িত্ব ছাড়তে আল্টিমেটাম

0 Comments