সারাদেশ

প্রাথমিক শিক্ষকের জন্য জনপ্রতি ১৫ লাখ টাকায় চুক্তি, আটক ১৮ পরীক্ষার্থী

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ০৯, ২০২৬ 0

দিনাজপুরে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইসসহ ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রক্সি দিতে এসে দুজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ১৬টি ডিভাইস জব্দ করা হয়।

 

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দিনাজপুরে মোট ৪৫টি পরীক্ষা কেন্দ্রের মধ্যে ১১টি কেন্দ্র থেকে ১৮ জনকে আটক করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, আটকদের মধ্যে দিনাজপুরে মোট ৪৫টি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ছিল ৩৩ হাজার ৮৫৬ জন। বিকাল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দিনাজপুর ক্রিসেন্ট কিন্ডারগার্টেন গার্লস হাই স্কুল থেকে দুজন, দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে একজন, কাদের বক্স মেমোরিয়াল কলেজ (কেবিএম) থেকে দুজন, দিনাজপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন, দিনাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন, দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজ থেকে একজন, দিনাজপুর জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন, দিনাজপুর মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল (বাংলা স্কুল) থেকে একজন, দিনাজপুর নূরজাহান কামিল মাদরাসা থেকে চারজন, দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে একজন, কেরি মেমোরিয়াল হাই স্কুল থেকে একজনকে ডিভাইসহ আটক করা হয়।

 

এ ছাড়া কাদের বক্স মেমোরিয়াল কলেজ (কেবিএম) কেন্দ্রে প্রক্সি দিতে আসা দুজনকে আটক করা হয়েছে।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন (ক্রাইম) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে আটককৃত পরীক্ষার্থীদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। আমরা এই চক্রটিকে ধরার জন্য কাজ করছি। আমাদের কাছে ডিভাইস ব্যবহারের কৌশল আগে থেকেই জানা ছিল। তাদেরকে পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে আটক করা হয়েছে।

 

আটকদের বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
শিশু ঋত্বিক সাহা। ছবি : সংগৃহীত
লিচুর বিচি গলায় আটকে কিশোরগঞ্জে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে লিচু খাওয়ার সময় গলায় বিচি আটকে ঋত্বিক সাহা নামে ৮ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের ভাওয়াল গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত ঋত্বিক সাহা ওই গ্রামের টিপন সাহার ছেলে। সে পুরুড়া বর্ণমালা কিন্ডারগার্টেনের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে বাড়িতে বসে লিচু খাচ্ছিল ঋত্বিক। এ সময় অসাবধানতাবশত একটি লিচুর বিচি তার শ্বাসনালিতে আটকে যায়। এতে শিশুটি ছটফট করতে শুরু করলে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। দুপুর ১টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছালে চিকিৎসক ঋত্বিককে মৃত ঘোষণা করেন। তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অতীশ দাস রাজিব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। শ্বাসনালিতে কিছু আটকে গেলে দ্রুত অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মারিয়া রহমান মে ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে গিয়ে জামায়াত-বিএনপির ৫ নেতা থানা হেফাজতে

ছবি: সংগৃহীত

মুরইছড়া সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো ১০ বাংলাদেশি নাগরিককে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর

ছবি: সংগৃহীত

রোববার টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

সংগৃহীত ছবি
সেরা ট্রাভেল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর নির্বাচিত হলেন সালাহউদ্দিন সুমন

ভ্রমণ জগত ও ডিজিটাল স্টোরিটেলিংয়ে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বিটিডব্লিউএ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’-এ সেরা ট্রাভেল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর নির্বাচিত হয়েছেন সাংবাদিক আবু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সুমন। সম্প্রতি রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ট্রাভেল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিডব্লিউএ) তার হাতে এ সম্মাননা তুলে দেয়। সংগঠনটি দেশের ভ্রমণ লেখক, নির্মাতা ও পর্যটন উদ্যোক্তাদের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। পুরস্কার গ্রহণ শেষে সালাহউদ্দিন সুমন আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে  বলেন, “এমন একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে সম্মাননা পাওয়া আমার জন্য গৌরবের। এখানে উপস্থিত অভিজ্ঞ ভ্রমণপ্রেমী ও গুণীজনদের গল্প ও কাজ আমাকে অনুপ্রাণিত করে। খ ম হারুন, শাকূর মজিদ, আহসান হাবীব ও জিয়া হকের মতো ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে এই সম্মাননা ভাগ করে নিতে পেরে আমি আনন্দিত।” অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় বিটিডব্লিউএর সভাপতি আশরাফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, “গুণী মানুষকে মৃত্যুর পর স্বীকৃতি দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। তবে আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের কাজের মূল্যায়ন তার জীবদ্দশাতেই হওয়া উচিত। এবারের আয়োজনে আরও কয়েকটি বিভাগে সম্মাননা দেওয়া হয়। ভ্রমণ সাহিত্যে পুরস্কার পান মাহফুজুর রহমান, অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণে মুনতাসির মামুন, আলোকচিত্রে মোস্তাফিজ মামুন, সৃজনশীল শিল্প নির্দেশনায় আনিসুজ্জামান সোহেল এবং সেরা ভ্রমণবিষয়ক পত্রিকা হিসেবে নির্বাচিত হয় ‘ভ্রমণ গদ্য’। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উন্মাদ সম্পাদক আহসান হাবীব, কনজ্যুমার রাইটস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এএইচএম সফিকুজ্জামান, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব খ ম হারুন এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক মহিউদ্দিন হেলাল। বাংলাদেশের পর্যটন খাতে সৃজনশীল কাজকে উৎসাহিত করতে প্রতি দুই বছর অন্তর এ সম্মাননা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে বিটিডব্লিউএ।

মারিয়া রহমান মে ০৯, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

বিএসএফের গুলিতে নিহত ২ বাংলাদেশির লাশ হস্তান্তর

সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি নেতার কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা ছিনতাই

ছবি: সংগৃহীত

প্রথম বেতনে বেদে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

ছবি : সংগৃহীত
দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, এমপিসহ আহত অন্তত ৫০

সুনামগঞ্জের ছাতকে পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলসহ ৫০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় ছাতক উপজেলার জাউয়া বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাউয়া বাজার সংলগ্ন খিদ্রাখাপন গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আখলুছ মিয়ার কাছে প্রায় ২০ লাখ টাকা পাওনা ছিলেন জাউয়া কোনাপাড়ার মোহাম্মদ আলী। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরত চেয়েও না পেয়ে কয়েকদিন আগে মোহাম্মদ আলী আখলুছ মিয়াকে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার জেরে জাউয়া বাজারে মোহাম্মদ আলীকে মারধর করেন আখলুছ মিয়ার সমর্থকরা। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে পাল্টা হামলা চালায় মোহাম্মদ আলীর লোকজন। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সন্ধ্যার পর উভয় পক্ষের লোকজন জাউয়া বাজার এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রাতের আঁধারে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে যায়। এ সময় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল ওই সড়ক দিয়ে যাওয়ার পথে সংঘর্ষ দেখতে পান। স্থানীয়দের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বা সাধারণ মানুষ এগিয়ে না এলেও এমপি কামরুল নিজেই সংঘর্ষস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি আহত হন। পরে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি পরিস্থিতি শান্ত করতে সক্ষম হন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে এমপি কামরুলের ফেসবুক পেজ থেকেও আহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সেনাবাহিনীর সঙ্গেও কথা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ০৯, ২০২৬ 0
ছবি - সংগৃহীত

দীর্ঘ ২১ মাস পর স্কুলে ফিরেই আবেগে সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন প্রধান শিক্ষক

ছবি - সংগৃহীত

কেরানীগঞ্জে অবৈধ সিসা কারখানায় অভিযান, গুঁড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন হয়রানি থেকে নারীদের সুরক্ষায় সাইবার সাপোর্ট ডেস্ক করছে সিএমপি

0 Comments