খেলাধুলা

নতুন কোচের উচিত হবে নিজের মতো থাকা: গার্দিওলা

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৫, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে দশ বছরের অধ্যায়ে এরই মধ্যে ইতি টেনেছেন পেপ গার্দিওলা। বিদায়ের আগে নিজের উত্তরসূরিকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন স্প্যানিশ এই কোচ। তার ভাষায়, নতুন কোচের উচিত হবে নিজের মতো থাকা, গার্দিওলার ছায়া হওয়ার চেষ্টা না করা।

 

চলতি মৌসুম শেষে ম্যান সিটির দায়িত্ব ছাড়ছেন গার্দিওলা। তার কোচিংয়ে ক্লাবটি জিতেছে ছয়টি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা, একটি করে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর, ম্যানচেস্টার সিটির পরবর্তী কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন ইতালিয়ান কোচ এনসো মারেসকা। তিনি আগে চেলসি ও লেস্টার সিটিতে কাজ করেছেন। পাশাপাশি সিটিতে গার্দিওলার সহকারী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে মৌসুমের শেষ লিগ ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে গার্দিওলাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, নতুন কোচ বাছাইয়ে ক্লাব কর্তৃপক্ষ তার পরামর্শ চেয়েছে কি না। উত্তরে নিজের ভাবনা জানান সফল এই কোচ।

“এই পেশায় ‘কপি-পেস্ট’ কাজ করে না। তাই আপনাকে আলাদা হতে হবে, স্বাভাবিক থাকতে হবে এবং নিজের মতো হতে হবে। নতুন কোচও নিজের মতোই হবে।”

“যেই মুহূর্তে আপনি অন্য কারও অনুকরণ করতে যাবেন, তখন সমস্যা শুরু হবে। প্রত্যেক মানুষ আলাদা। সেটাই হওয়া উচিত। আর এ কারণেই আমি বিশ্বাস করি সবকিছু ঠিকঠাক হবে।”

গার্দিওলার বিদায়ের সময়ও প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক বিধি ভঙ্গের অভিযোগে সিটির বিরুদ্ধে আনা ১১৫টি অভিযোগের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। তবে এ নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি।

“আমি তাদের (ক্লাব কর্তৃপক্ষ) বিশ্বাস করি। ক্লাবের লোকজনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, তাদের আচরণ ও কাজের ধরনে আমার আস্থা আছে। শেষ পর্যন্ত যা হওয়ার, তার সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে।”

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ক্যাম্পাজ নিশ্চিত গোলের সুযোগ মিস করেন। ছবি: সংগৃহীত
গোল মিস করায় প্রাণনাশের হুমকিতে কলম্বিয়ার মিডফিল্ডার হ্যামিন্টন ক্যাম্পাজ

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েছেন কলম্বিয়ার মিডফিল্ডার হ্যামিন্টন ক্যাম্পাজ। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন। শুক্রবার (১০ জুলাই) এক বিবৃতিতে ফেডারেশন জানায়, দেশের হয়ে মাঠে প্রতিনিধিত্ব করার কারণে কোনো ক্রীড়াবিদ বা তাদের পরিবারের সদস্যদের এ ধরনের হুমকি ও হয়রানির শিকার হওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ক্যাম্পাজ ও তার পরিবারের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।   গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) টাইব্রেকারে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে শেষ ১৬ থেকে বিদায় নেয় কলম্বিয়া। অতিরিক্ত সময়ে, আর্জেন্টিনার ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালের হয়ে খেলা ক্যাম্পাজ একটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ মিস করেন, যখন তার শটটি পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। যদিও টাইব্রেকারে তিনি নিজের বলটি জালে জড়ান। কিন্তু ৪-৩ গোলে হেরে তার দল বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়।   ইনস্টাগ্রামে ক্যাম্পাজ হতাশায় মুখ ঢেকে রাখার একটি ছবি শেয়ার করে সবার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার আকুতি জানিয়েছেন।   তিনি লিখেছেন, ফুটবলে কঠিন মুহূর্তও আসে। আমার প্রিয় কলম্বিয়া, দয়া করে কখনো শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে ফেলবেন না। আমাদের মতামত ভিন্ন হতে পারে কিংবা আমরা হতাশা ও দুঃখ অনুভব করতে পারি, কিন্তু কোনো আবেগই ঘৃণা ছড়ানো বা ভয়ে বেঁচে থাকাকে যৌক্তিকতা দেয় না।   এই হয়রানির পরিপ্রেক্ষিতে কলম্বিয়ান ফেডারেশন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়কে হুমকিদাতাদের চিহ্নিত করতে দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।   ফেডারেশন বলেছে, ফুটবল হওয়া উচিত ঐক্য, সম্মান ও আশার জায়গা- কখনোই ঘৃণা, ভয়ভীতি বা সহিংসতার পরিবেশ নয়। তারা সমর্থকদের অনুরোধ করেছেন যেন খেলার মাঠের হতাশা কখনও বাস্তব জীবনের সহিংসতায় রূপ না নেয়।   এই হুমকি কলম্বিয়ার ফুটবল ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায়কে মনে করিয়ে দিচ্ছে। ১৯৯৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবার স্বাগতিক দেশের বিরুদ্ধে একটি আত্মঘাতী গোল করেছিলেন, যার ফলে কলম্বিয়া ২-১ ব্যবধানে হেরে যায়। দল টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর দেশে ফেরার মাত্র কয়েক দিন পরেই মেদেলিন শহরে এসকোবারকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।

মারিয়া রহমান জুলাই ১১, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

৬৮ বছরের অপেক্ষার অবসান, বিশ্বমঞ্চে স্পেনের নতুন ইতিহাস

ছবি: সংগৃহীত

কোয়ার্টার ফাইনালের আগে বড় দুঃসংবাদ সুইজারল্যান্ড শিবিরে

সংগৃহীত ছবি

‘ট্রাম্পের কারণেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় যুক্তরাষ্ট্র’

সংগৃহীত ছবি
বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন

বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। ২০১০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল স্প্যানিশরা।   ম্যাচের শুরু থেকেই দাপুটে ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। সেই সুবাদে এগিয়েও যায় ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে কিছুক্ষণ পরেই সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণ চললেও পুরো সময়ে গোল আসে একটি। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে সেই গোল করে স্পেন। তাতেই ২-১ গোল ব্যবধানে জয় নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।   ম্যাচের শুরুতে পেদ্রির পরিবর্তে আজ শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন ফাভিয়ান রুইজ। কোচের সেই আস্থার প্রতিদান দিতে বেশি সময় নেননি তিনি। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে চমৎকার এক দলীয় আক্রমণ থেকে স্পেনকে লিড এনে দেন এই মিডফিল্ডার।   ডি-বক্সের খুব কাছ থেকে দানি ওলমোর নেওয়া জোরালো শটটি বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করলেও পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি। রিবাউন্ড থেকে ধেয়ে আসা বল লুফে নিতে কোনো ভুল করেননি রুইজ। তার নেওয়া শটটি বেলজিয়ান ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে সরাসরি জালে জড়িয়ে যায়। এতে এগিয়ে যায় স্পেন।    তবে গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়াম। স্পেনের এতদিনের অভেদ্য রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে চমৎকার এক পাল্টা-আক্রমণ সাজায় তারা। ম্যাচের ৪১তম মিনিটে নিখুঁত এক ফিনিশিংয়ে স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমনকে পরাস্ত করে বল জালের ঠিকানায় পাঠান চার্লস ডি কেটেলারা।   চলতি বিশ্বকাপে এটিই স্পেনের জালে জড়ানো প্রথম গোল। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত একটি গোলও হজম না করা স্পেনের শক্তিশালী রক্ষণদুর্গ অবশেষে ভাঙতে সফল হয় বেলজিয়াম। ডি কেটেলারার এই গোলের পর ম্যাচে ১-১ সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।   দ্বিতীয়ার্ধে বড় ধরনের ধাক্কা খায় বেলজিয়াম। চোটের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। কোর্তোয়ার পরিবর্তে স্পেনের আক্রমণভাগকে আটকানোর কঠিন দায়িত্ব নিয়ে গোলপোস্টের নিচে বদলি হিসেবে নামেন তরুণ গোলরক্ষক সেনে ল্যামেন্স।   ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে বেলজিয়ামের ডি-বক্সের ভেতর সৃষ্টি হওয়া জটলা থেকে বল পেয়ে যান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। বল পাওয়া মাত্রই কোনো ভুল না করে ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শটে বল গোলপোস্টের একদম মাঝখান দিয়ে জালের ঠিকানায় পাঠান তিনি। এরপর ম্যাচে আর কোনো গোল আসেনি। ফলে ২-১ গোল ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন স্পেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১১, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপে হারের পর মেসির ছবি সরাল মিশরের জনপ্রিয় চিপস ব্র্যান্ড

সংগৃহীত ছবি

১৯ বছরের তরুণের মতোই খেলছেন মেসি : স্পেন কোচ

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাজিলের ফুটবলে সুশাসনের দাবি তুললেন পেলের কন্যা

বাংলাদেশ দলকে জরিমানা করল আইসিসি

  জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে হারের পর এবার আরেকটি ধাক্কা খেল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মন্থর ওভার-রেটের দায়ে পুরো দলকে জরিমানা করেছে আইসিসি।   হারারো স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোলিং কোটা শেষ করতে না পারায় বাংলাদেশ দলের ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হবে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দুই ওভার পিছিয়ে ছিল তারা। আইসিসির ম্যাচ রেফারি প্যানেলের সদস্য ডেভিড গিলবার্ট ম্যাচ শেষে এই শাস্তি ঘোষণা করেন।   আইসিসির আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো দল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে পিছিয়ে থাকা প্রতি ওভারের জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির পাঁচ শতাংশ জরিমানা করা হয়। সেই হিসাবে দুই ওভার পিছিয়ে থাকায় বাংলাদেশ দলকে মোট ১০ শতাংশ জরিমানা গুনতে হচ্ছে।   বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ অভিযোগ স্বীকার করে প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নেওয়ায় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।   এর আগে মাঠের লড়াইয়েও হতাশ করেছে বাংলাদেশ। সিরিজ নির্ধারণী দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৩ রানে হেরে সিরিজ খুইয়েছে সফরকারীরা। প্রথম ম্যাচেও জিম্বাবুয়েকে মাত্র ১৪১ রানে আটকে রাখার পর ২৫ রানের পরাজয় বরণ করতে হয়েছিল মিরাজদের।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ১০, ২০২৬

আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নেওয়া মিসরকে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা

লিওনেল মেসি ও নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

আমি চাই আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতুক : নেতানিয়াহু

ছবি: সংগৃহীত

এমবাপের রেকর্ডের রাতে সেমিফাইনালে ফ্রান্স, গোল্ডেন বুট দৌড়ে পেছনে মেসি

0 Comments