খেলাধুলা

মেসির স্ত্রীর সৌন্দর্য নিয়ে বিশেষজ্ঞের চমকপ্রদ ব্যাখ্যা

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

লিওনেল মেসির স্ত্রী হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত হলেও আন্তোনেলা রোকুজ্জো নিজের যোগ্যতায়ও একজন সফল মডেল। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করা এই আর্জেন্টাইন সুন্দরী টিফানি অ্যান্ড কোং ও অ্যাডিডাসের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এছাড়া বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার স্টেলা ম্যাককার্টনির সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি।

 

৩৮ বছর বয়সী আন্তোনেলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয়। ইনস্টাগ্রামে নিয়মিত নিজের ফিটনেস রুটিন, ফ্যাশন, পারিবারিক মুহূর্ত ও বিভিন্ন আকর্ষণীয় ছবি প্রকাশ করেন তিনি। মেসির নতুন সাফল্যের পাশাপাশি তার স্ত্রীকে নিয়েও মানুষের আগ্রহ বেড়েছে।

 

আন্তোনেলার সৌন্দর্য ধরে রাখার কৌশল নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ আমিশ প্যাটেল। ‘দ্য মিরর ইউএস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আন্তোনেলা প্রাকৃতিকভাবেই সুন্দর এবং মডেলিংয়ের অভিজ্ঞতার কারণে ক্যামেরার সামনে নিজেকে উপস্থাপনের কৌশল খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করেছেন।

 

প্যাটেলের মতে, আন্তোনেলা নিজের জন্য উপযুক্ত অ্যাঙ্গেল ও আলোর ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন। তার ইনস্টাগ্রামের বেশিরভাগ ছবিতেই দেখা যায়, তিনি এমনভাবে পোজ দেন যাতে তার মুখের সৌন্দর্য আরও ফুটে ওঠে। মাথার অবস্থান ও পোজের ছোট ছোট বিষয়েও তার দক্ষতা রয়েছে।

 

সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞের মতে, ত্রিশের শেষ দিকে সাধারণত মানুষের ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। সূক্ষ্ম রেখা, ত্বকের গঠন ও উজ্জ্বলতায় পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। তবে আন্তোনেলার ক্ষেত্রে এসব লক্ষণ খুব একটা চোখে পড়ে না। এর পেছনে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং জেনেটিক কারণ বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

 

প্যাটেল আরও বলেন, একজন মডেল হিসেবে আন্তোনেলা মেকআপ, স্কিন কেয়ার এবং ফটোগ্রাফির বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে দীর্ঘদিন ধরে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। পাশাপাশি আধুনিক সৌন্দর্য চিকিৎসা, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ এবং উন্নত স্কিন কেয়ার পদ্ধতিও তার সৌন্দর্য ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে।

 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি চিকিৎসা, স্কিন বুস্টার, মাইক্রোনিডলিংসহ বিভিন্ন নন-সার্জিক্যাল পদ্ধতির মাধ্যমে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও দৃঢ়তা বাড়ানো সম্ভব। এসব পদ্ধতি ত্বকে কোলাজেন উৎপাদনেও সহায়তা করে।

 

প্যাটেল জানান, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাল, ঠোঁট ও কানের পাশের অংশে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এসব জায়গায় প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা বা ফিলারের মাধ্যমে মুখের তারুণ্য ধরে রাখা সম্ভব।

 

আন্তোনেলার মুখের গঠন নিয়েও প্রশংসা করেছেন এই বিশেষজ্ঞ। তার মতে, আন্তোনেলার নাকের গড়ন পুরো চেহারার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ এবং এটি তার সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

সবশেষে প্যাটেল বলেন, আন্তোনেলার ঠোঁট কিছুটা বেশি ভরাট মনে হলেও সেটি মেকআপের কৌশল কিংবা স্বাভাবিক সৌন্দর্যের অংশ হতে পারে। তার মতে, আন্তোনেলা নিজের সৌন্দর্যকে যেভাবে উপস্থাপন করছেন, তা অত্যন্ত স্বাভাবিক ও আকর্ষণীয়।

Tags

মেসির-স্ত্রীর-সৌন্দর্য-নিয়ে-বিশেষজ্ঞের-চমকপ্রদ-ব্যাখ্যা
Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপ ফাইনালে ট্রাম্পের উপস্থিতি নিশ্চিত, থাকছেন কি আর্জেন্টিনা-স্পেনের শীর্ষ নেতারা?

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহের পাশাপাশি বাড়ছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলের উপস্থিতি নিয়েও আলোচনা। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের শিরোপা লড়াই দেখতে নিউ জার্সির স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও ফাইনাল ম্যাচ দেখতে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   আগামী রোববার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। সেখানে মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন। ম্যাচ শেষে বিজয়ী দলের অধিনায়কের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।   হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত থাকবেন। এই টুর্নামেন্টে এর আগে কোনো ম্যাচে তাকে গ্যালারিতে দেখা না গেলেও ফাইনালের মঞ্চে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।   অন্যদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে ফাইনাল দেখতে যাবেন। তার উপস্থিতি নিয়ে আগে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সফরসূচি সমন্বয় করে ম্যাচে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। স্পেনের রাজপরিবারের সদস্যরাও ভিআইপি বক্সে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।   তবে ফাইনালে থাকছেন না আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। দলটি টুর্নামেন্টে যেভাবে এগিয়ে এসেছে, সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে তিনি নিজের ‘সৌভাগ্যের রীতি’ বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মিলেই জানিয়েছেন, আগের ম্যাচগুলোর মতোই তিনি সরকারি বাসভবন থেকে খেলা দেখবেন।   ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চের এই ফাইনাল শুধু দুই দলের শিরোপা লড়াই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উপস্থিতির কারণেও আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে। আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামবে, আর স্পেন চাইবে নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তুলতে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

যেভাবে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ছবি : সংগৃহীত

গত চার বিশ্বকাপের ভবিষ্যদ্বাণীই মিলে গেছে, এবার বিপাকে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা

ছবি : সংগৃহীত

ফাইনালের আগে বড় দুশ্চিন্তায় আর্জেন্টিনা

ছবি : সংগৃহীত
ফুটবলের গণ্ডি ছাড়িয়ে ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য গড়েছেন মেসি

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসি শুধু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই নয়, ব্যবসায়িক সাফল্য দিয়েও নিজেকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। রেকর্ড ভাঙা, শিরোপা জয় এবং অসংখ্য ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি ইউরোপের পর্যটন শিল্পে বিলাসবহুল হোটেল ব্যবসা গড়ে তুলে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা।   বর্তমানে স্পেন ও অ্যান্ডোরাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ছয়টি অভিজাত বুটিক হোটেলের মালিক মেসি। ‘এমআইএম হোটেলস’ নামে পরিচালিত এই হোটেল চেইন এখন ইউরোপের জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যগুলোর অন্যতম আকর্ষণ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটক ও ফুটবলপ্রেমীরা শুধু ভ্রমণের জন্যই নয়, মেসির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অনুভূতি পেতেও এসব হোটেলে অবস্থান করতে আগ্রহী।   মেসির মালিকানাধীন হোটেলগুলো এমন সব স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে, যেগুলো পর্যটকদের কাছে আগে থেকেই অত্যন্ত জনপ্রিয়। এর মধ্যে রয়েছে বার্সেলোনার উপকূলীয় শহর সিটজেস, ভূমধ্যসাগরের বিখ্যাত দ্বীপ ইবিজা, শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত মায়োর্কা, পিরেনিজ পর্বতমালার পর্যটনকেন্দ্র বাকেইরা, অ্যান্ডোরা এবং আন্দালুসিয়ার সোটোগ্রান্দে। প্রতিটি হোটেলই নিজস্ব পরিবেশ, নকশা ও সেবার কারণে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছে।   বার্সেলোনা থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত এমআইএম সিটজেস আধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও সমুদ্রের মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৭৭টি কক্ষ নিয়ে গড়ে ওঠা এই হোটেলটি অবকাশযাপনকারীদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয়। অন্যদিকে ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত এমআইএম ইবিজা বিলাসবহুল পরিবেশের জন্য সুপরিচিত। এখানে এক রাতের কক্ষভাড়া শুরু হয় প্রায় ৬০০ ইউরো থেকে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮০ হাজার টাকার সমান।   যারা নিরিবিলি পরিবেশে ছুটি কাটাতে চান, তাদের জন্য রয়েছে এমআইএম মায়োর্কা। আবার শীতকালীন পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র এমআইএম বাকেইরা, যা স্পেনের বিখ্যাত পিরেনিজ পর্বতমালায় অবস্থিত। স্কি মৌসুমে এই হোটেলে পর্যটকদের ভিড় সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।   অ্যান্ডোরার কার্লেমানি অ্যাভিনিউতে অবস্থিত পাঁচতারকা এমআইএম অ্যান্ডোরা তার স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ধাঁচের অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। অন্যদিকে এমআইএম সোটোগ্রান্দে একটি নৌ-থিমভিত্তিক বুটিক হোটেল, যেখানে অবস্থান করেই উপভোগ করা যায় ভূমধ্যসাগরের মনোরম দৃশ্য।   যদিও হোটেলগুলোর দৈনন্দিন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে স্পেনের বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান ‘মেলিয়া হোটেলস ইন্টারন্যাশনাল’, তবুও সবকটি হোটেলের মালিকানা রয়েছে লিওনেল মেসির প্রতিষ্ঠানেই। ‘দ্য মেলিয়া কালেকশন’-এর অধীনে পরিচালিত এই হোটেলগুলো আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিয়ে ইতোমধ্যেই পর্যটকদের আস্থা অর্জন করেছে।   ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এমআইএম হোটেলসকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে মেসির ব্যক্তিগত উপস্থিতির নানা ছাপ। কয়েকটি হোটেলে রয়েছে বিশেষ ‘লিও মেসি সুইট’, যেখানে অতিথিরা মেসির ক্যারিয়ারের সঙ্গে সম্পৃক্ত নানা উপাদানের ছোঁয়া অনুভব করতে পারেন। এছাড়া লবি ও নির্দিষ্ট প্রদর্শনী এলাকায় সাজিয়ে রাখা হয়েছে তার জেতা ব্যালন ডি’অর ট্রফির প্রতিরূপ, যা দর্শনার্থীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ।   আবাসনের পাশাপাশি রসনাবিলাসীদের কথাও ভেবেছেন মেসি। বাকেইরা, অ্যান্ডোরা ও সোটোগ্রান্দের হোটেলগুলোতে রয়েছে ‘হিনচা’ নামের বিশেষ রেস্তোরাঁ। মিশেলিন তারকাপ্রাপ্ত স্প্যানিশ শেফ নান্দু জুবানির সহযোগিতায় পরিচালিত এই রেস্তোরাঁয় পরিবেশন করা হয় আন্তর্জাতিক মানের খাবার। এখানকার সবচেয়ে আলোচিত ডেজার্টের নাম রাখা হয়েছে ‘ব্যালন ডি’অর’, যা মেসির কিংবদন্তি ক্যারিয়ারের প্রতি সম্মান জানিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া কিছু হোটেলে অতিথিদের জন্য রয়েছে ব্যক্তিগত রুফটপ জাকুজি, আধুনিক ওয়েলনেস স্পা এবং উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা।   হোটেল ব্যবসার বাইরেও মেসি নিজের বিনিয়োগের পরিধি ক্রমাগত বাড়িয়ে চলেছেন। ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে এসে তিনি রিয়েল এস্টেট, ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানে অংশীদারত্ব, মিডিয়া, প্রযুক্তি খাত, পোশাক শিল্প এবং ভোগ্যপণ্যের ব্যবসাতেও বিনিয়োগ করেছেন। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে গড়ে তোলা এই বহুমুখী ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তাকে মাঠের বাইরেও আর্থিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে।   ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, মাঠে যেভাবে মেসি ধৈর্য, পরিকল্পনা ও সাফল্যের সমন্বয় ঘটিয়েছেন, ব্যবসায়ও সেই একই দূরদর্শিতা কাজে লাগাচ্ছেন। ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে তিনি প্রমাণ করেছেন, মাঠের বাইরেও দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য অর্জনের জন্য প্রস্তুত ছিলেন অনেক আগে থেকেই। ফলে লিওনেল মেসি এখন শুধু একজন কিংবদন্তি ফুটবলার নন, সফল ব্যবসায়ী হিসেবেও বিশ্বজুড়ে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করে তুলছেন। সূত্র: এনডিটিভি

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

মেসির স্ত্রীর সৌন্দর্য নিয়ে বিশেষজ্ঞের চমকপ্রদ ব্যাখ্যা

ছবি : সংগৃহীত

দাপুটে জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল টাইগাররা

ছবি: সংগৃহীত

শারীরিক অসুস্থতায় বিশ্বকাপ ফাইনালে ছেলের পাশে থাকতে পারছেন না ইয়ামালের বাবা

ফাইনালের আগে লামিনে ইয়ামালকে নিয়ে শঙ্কা, যা জানালো স্পেন

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে স্পেন শিবিরে দেখা দিয়েছে সাময়িক দুশ্চিন্তা। দলের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল মূল দলের সঙ্গে অনুশীলন না করে আলাদাভাবে অনুশীলন করায় তাকে নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। তবে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) জানিয়েছে, উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে আলাদা অনুশীলন করানো হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুশীলনে ইয়ামালের সঙ্গে ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরোকেও মূল দল থেকে আলাদা রাখা হয়। দুজনই পুনর্বাসন ও হালকা ফিটনেস অনুশীলন করেন। এটি ছিল ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পর স্পেনের প্রথম অনুশীলন।   অনুশীলনের ছবি প্রকাশ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইয়ামালের চোট নিয়ে জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুতই বিষয়টি পরিষ্কার করে আরএফইএফ জানায়, দুজনকেই কেবল অতিরিক্ত চাপ এড়ানোর জন্য আলাদা অনুশীলন করানো হয়েছে। তাদের ফিটনেস নিয়ে কোনও উদ্বেগ নেই।   ফেডারেশনের আশা, রবিবার আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে লামিনে ইয়ামালকে নিয়েই মাঠে নামবে স্পেন।   ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল চলতি বিশ্বকাপে স্পেনের অন্যতম সেরা পারফর্মার। তাই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগে তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া শঙ্কা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠে স্প্যানিশ শিবির।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ফিফার তদন্তে আর্জেন্টিনা, ফাইনালে খেলোয়াড়দের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা কতটুকু?

স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইকার ক্যাসিয়াস।

আর্জেন্টিনা চতুর্থ শিরোপা জিতবে না: ক্যাসিয়াসের ভবিষ্যদ্বাণী

ছবি: সংগৃহীত

শেষ লড়াইয়ের অপেক্ষায়, চ্যাম্পিয়নদের পাশে পূর্ণিমা

0 Comments