বিনোদন

মেলবোর্নের উৎসবে একসঙ্গে বাংলাদেশের তিন সিনেমা

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ উৎসবে পরিণত হয়েছে ‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব মেলবোর্ন’। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে হয়ে আসছে এটি। আগামী ১৩ থেকে ২৩ আগস্ট বসবে উৎসবটির ১৭তম আসর। এতে ৩১ ভাষার ৭৫টির বেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে বলে জানা গেছে।

 

এই উৎসবে বাংলাদেশের তিনটি ছবি নির্বাচিত হয়েছে—মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’, মোহাম্মদ তাওকীর ইসলামের ‘দিলুপি’ এবং মাহদে হাসানের ‘বালুর নগরীতে’। এগুলো লড়বে উৎসবের ‘বেস্ট ফিল্ম ফ্রম দ্য সাবকন্টিনেন্ট’ বিভাগে।

 

এই বিভাগে আরও মনোনয়ন পেয়েছে নেপালের ‘এক মুঠি বাদল’ ও ‘গুডবাই সিস্টারস’, আফগানিস্তানের ‘ইন দ্য রুম’ ও ‘নো গুড মেন’ এবং শ্রীলঙ্কার ‘স্পায়িং স্টারস’। বিভাগে সর্বোচ্চ সংখ্যক ছবি জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশ থেকে। তাই বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক মনে করছেন দেশের সিনেমা সংশ্লিষ্টরা।

 

এদিকে আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে উৎসবটির বিশেষ অনুষ্ঠান। তাতে বলিউডের কালজয়ী ছবি ‘লগান’-এর ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন করা হবে। এতে অংশ নেবেন ছবির অভিনেতা ও প্রযোজক আমির খান। এরই মধ্যে তিনি মেলবোর্নে হাজির হয়েছেন। সঙ্গে থাকছেন তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রী গৌরি স্প্র্যাটও।

 

প্রসঙ্গত, এর আগেও একটি উৎসবে একসঙ্গে বাংলাদেশের তিনটি ছবি অংশ নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ বছরের শুরুতে বিখ্যাত রটারড্যাম উৎসবে ‘রইদ’ ও ‘দেলুপি’র সঙ্গে অংশ নেয় রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের ‘মাস্টার’। এটি উৎসবের বিগ স্ক্রিন বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কার জিতে ইতিহাস গড়েছিল।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
মেলবোর্নের উৎসবে একসঙ্গে বাংলাদেশের তিন সিনেমা

অস্ট্রেলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ উৎসবে পরিণত হয়েছে ‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব মেলবোর্ন’। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে হয়ে আসছে এটি। আগামী ১৩ থেকে ২৩ আগস্ট বসবে উৎসবটির ১৭তম আসর। এতে ৩১ ভাষার ৭৫টির বেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে বলে জানা গেছে।   এই উৎসবে বাংলাদেশের তিনটি ছবি নির্বাচিত হয়েছে—মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’, মোহাম্মদ তাওকীর ইসলামের ‘দিলুপি’ এবং মাহদে হাসানের ‘বালুর নগরীতে’। এগুলো লড়বে উৎসবের ‘বেস্ট ফিল্ম ফ্রম দ্য সাবকন্টিনেন্ট’ বিভাগে।   এই বিভাগে আরও মনোনয়ন পেয়েছে নেপালের ‘এক মুঠি বাদল’ ও ‘গুডবাই সিস্টারস’, আফগানিস্তানের ‘ইন দ্য রুম’ ও ‘নো গুড মেন’ এবং শ্রীলঙ্কার ‘স্পায়িং স্টারস’। বিভাগে সর্বোচ্চ সংখ্যক ছবি জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশ থেকে। তাই বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক মনে করছেন দেশের সিনেমা সংশ্লিষ্টরা।   এদিকে আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে উৎসবটির বিশেষ অনুষ্ঠান। তাতে বলিউডের কালজয়ী ছবি ‘লগান’-এর ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন করা হবে। এতে অংশ নেবেন ছবির অভিনেতা ও প্রযোজক আমির খান। এরই মধ্যে তিনি মেলবোর্নে হাজির হয়েছেন। সঙ্গে থাকছেন তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রী গৌরি স্প্র্যাটও।   প্রসঙ্গত, এর আগেও একটি উৎসবে একসঙ্গে বাংলাদেশের তিনটি ছবি অংশ নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ বছরের শুরুতে বিখ্যাত রটারড্যাম উৎসবে ‘রইদ’ ও ‘দেলুপি’র সঙ্গে অংশ নেয় রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের ‘মাস্টার’। এটি উৎসবের বিগ স্ক্রিন বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কার জিতে ইতিহাস গড়েছিল।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকতে কেন জরুরি ভিটামিন বি-৩?

অপু বিশ্বাস। ফাইল ছবি

অপুর বিয়ে নিয়ে যা বললেন গৌতম

মৌসুমী হামিদ। ছবি: সংগৃহীত

ট্রমা পেরিয়ে নতুন অধ্যায়ে মৌসুমী হামিদ

নষ্ট ডিম চেনার চার সহজ উপায়। ছবি: সংগৃহীত
রান্নার আগে ডিম ভালো নাকি নষ্ট বুঝবেন যে ৪ উপায়ে

ডিম আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পুষ্টিকর উপাদান। তবে অনেক সময় একসঙ্গে কেনা ডিম দীর্ঘদিন ফ্রিজে সংরক্ষণ করার কারণে কিছু ডিম নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আর রান্নার সময় যদি ভালো ডিমের সঙ্গে একটি নষ্ট ডিমও মিশে যায়, তাহলে পুরো খাবারই নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সুখবর হলো— খুব সহজ কয়েকটি উপায়ে ডিম ভাঙার আগেই বোঝা সম্ভব সেটি খাওয়ার উপযোগী কি না। চলুন জেনে নেওয়া যাক চারটি কার্যকর পরীক্ষা।   ১. ডিমের খোসার রং ও গন্ধ লক্ষ্য করুন ফ্রিজ থেকে বের করার পর প্রথমেই ডিমের বাইরের অংশ ভালোভাবে দেখুন। সাধারণত সাদা ডিমের খোসা উজ্জ্বল ও স্বাভাবিক সাদা থাকে। যদি খোসায় অস্বাভাবিক গোলাপি বা বিবর্ণ আভা দেখা যায়, তবে সতর্ক হোন।   ডিম ভাঙার পর যদি দুর্গন্ধ বা অস্বাভাবিক গন্ধ বের হয়, তাহলে সেটি কোনোভাবেই ব্যবহার করবেন না।   পরামর্শ: এমন ডিম সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দিন।   ২. পানিতে ভাসিয়ে পরীক্ষা করুন এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য পরীক্ষাগুলোর একটি। যেভাবে করবেন— একটি গভীর বাটিতে ঠান্ডা পানি নিয়ে ডিমটি আস্তে করে ডুবিয়ে দিন।   ফলাফল— একেবারে নিচে ডুবে গেলে — ডিমটি টাটকা। নিচে দাঁড়িয়ে থাকলে বা মাঝামাঝি ভাসলে — ডিমটি কিছুটা পুরোনো, তবে সাধারণত খাওয়ার উপযোগী। সম্পূর্ণ ভেসে উঠলে — ডিমটি অনেক পুরোনো এবং নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এটি ব্যবহার না করাই নিরাপদ।   ৩. কানের কাছে নিয়ে ঝাঁকিয়ে দেখুন এটি একটি সহজ ও মজার কৌশল। ডিমটি কানের কাছে ধরে আস্তে আস্তে ঝাঁকান। যদি ভেতর থেকে তরল নড়াচড়ার শব্দ শোনা যায়, তাহলে ডিমটি অনেক পুরোনো বা নষ্ট হয়ে থাকতে পারে। যদি কোনো শব্দ না হয়, তাহলে ডিমটি সাধারণত ভালো অবস্থায় রয়েছে।   ৪. ভেঙে কুসুম ও সাদা অংশ পরীক্ষা করুন ডিম ভাঙার পরও এর মান সহজেই বোঝা যায়। ভালো ডিমের বৈশিষ্ট্য— কুসুমটি গোল ও উঁচু থাকবে। সাদা অংশ ঘন হবে এবং কুসুমের চারপাশে লেগে থাকবে।   নষ্ট বা অতিরিক্ত পুরোনো ডিমের লক্ষণ— কুসুম চ্যাপ্টা বা সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। সাদা অংশ একেবারে পানির মতো পাতলা হয়ে যায়। দুর্গন্ধ থাকলে সেটি অবশ্যই ফেলে দিতে হবে।   মনে রাখুন— ডিম কেনার পর যত দ্রুত সম্ভব ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। ফ্রিজে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন। ব্যবহার করার আগে প্রতিটি ডিম আলাদা পাত্রে ভেঙে নিলে পুরো রান্না নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।   একটি নষ্ট ডিম পুরো রান্নার স্বাদ ও মান নষ্ট করে দিতে পারে। কিন্তু সামান্য সচেতনতা এবং এই চারটি সহজ পরীক্ষার মাধ্যমে খুব সহজেই ভালো ও নষ্ট ডিম আলাদা করা সম্ভব। তাই রান্নার আগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় নিয়ে ডিম পরীক্ষা করুন। এতে খাবারের অপচয় যেমন কমবে, তেমনি পরিবারও থাকবে নিরাপদ ও সুস্থ।

মারিয়া রহমান জুলাই ০৭, ২০২৬

আন্তর্জাতিক প্রশংসার পর এবার বড়পর্দায় ‘শেকড়’

টালিউড অভিনেতা দেব ও শুভশ্রী। ফাইল ছবি

সাবেক প্রেমিক দেবকে নিয়ে মুখ খুললেন শুভশ্রী

আমির খানের সাবেক দুই স্ত্রী ও হবু স্ত্রী গৌরি স্প্র্যাটের সঙ্গে অভিনেতা। ছবি: সংগৃহীত

আগামীকাল তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন আমির, থাকছেন সাবেক দুই স্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
জুলাই নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ শাওন, মাহি ও ফারজানার বিরুদ্ধে জিডি

জুলাই আন্দোলনকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি এবং শান্তা ফারজানা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।   পুলিশ জানিয়েছে, ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে শুক্রবার (৩ জুলাই) লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। পরে অভিযোগটি জিডি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।   শনিবার (৪ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযোগটি সাইবার-সংশ্লিষ্ট হওয়ায় তদন্তের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগপত্রে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আনম আয়াস, তুহিন ফরাজী এবং কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মুহাম্মদ শাহ্ আলম বাদশা স্বাক্ষর করেছেন।   অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তবে সম্প্রতি অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলন, এর স্মৃতিচিহ্ন এবং অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।   অভিযোগে শান্তা ফারজানার বিরুদ্ধে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ বা আঘাত করার একটি ভিডিও প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে মেহের আফরোজ শাওনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনকে পরিকল্পিত বা সাজানো ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন এবং রাষ্ট্র ও আন্দোলন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ করা হয়েছে।   এ ছাড়া মাহিয়া মাহির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তি, সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষকে কটাক্ষ ও হেয় করার অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।   এ বিষয়ে ডিবি দক্ষিণ সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ইউনিটের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, শাহবাগ থানা থেকে পাঠানো নথি এখনও তাদের কাছে পৌঁছায়নি। নথি হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলামও জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত রয়েছেন। তবে আনুষ্ঠানিক নথি পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।   অভিযোগকারী সংগঠন তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে বিয়ে করলেন টেইলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলসি

ছবি: সংগৃহীত

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী

সংগৃহীত ছবি

চুপিসারে বিয়ে করলেন টেইলর সুইফট!

0 Comments