বিনোদন

চুপিসারে বিয়ে করলেন টেইলর সুইফট!

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ০৩, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বসংগীতের পপসম্রাজ্ঞী টেইলর সুইফট এবং মার্কিন এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসি অবশেষে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। নিউইয়র্কের বিখ্যাত ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে দুই তারকার বহুল প্রতীক্ষিত জমকালো উদযাপনের প্রস্তুতি চলার মাঝেই খবর এসেছে, তারা ইতিমধ্যে অত্যন্ত গোপনে আইনিভাবে বিয়ে সেরে নিয়েছেন। 

 

নিউইয়র্ক পোস্টের ‘পেজ সিক্স’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩৬ বছর বয়সী এই তারকাযুগল তাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং ভালোবাসার মানুষদের নিয়ে গড়া একটি ‘ছোট দলের’ উপস্থিতিতে বিয়ের শপথ বিনিময় করেছেন। বিয়েটি ঠিক কবে বা কোথায় হয়েছে তা নিশ্চিত না করা হলেও জানা গেছে, সুইফটের ব্যক্তিগত জেট বিমানটি সম্প্রতি নাশভিলে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে এসেছে, যেখানে এই গায়িকা তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোতে বসবাস করতেন।

 

যদিও টেইলর সুইফটের মুখপাত্রের পক্ষ থেকে এই খবরের তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক সত্যতা মেলেনি, তবে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনজুড়ে এখন সাজসাজ রব। আজ শুক্রবার এক হাজারেরও বেশি অতিথির উপস্থিতিতে বসবে মূল রাজকীয় আসর। এই মহা-আয়োজনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই ভেন্যুর চারপাশে কড়া নিরাপত্তাবলয় তৈরি করেছে পুলিশ, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আশেপাশের বেশ কিছু রাস্তা ও পথচারী পারাপারের পথ। ইতিমধ্যেই কালো কাচে ঢাকা বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হতে দেখা গেছে অভিনেতা ব্র্যাডলি কুপার, লেনা ডানহাম, স্পোর্টসকাস্টার এরিন অ্যান্ড্রুজ এবং বিখ্যাত মিউজিক প্রডিউসার জ্যাক অ্যান্টনফের মতো একঝাঁক বিশ্বখ্যাত তারকাকে। এ ছাড়া সুইফটের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সেলেনা গোমেজ, এড শিরান, এমা স্টোন এবং গিগি হাদিদদের মতো তারকাদেরও এই বিয়েতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

 

আমেরিকার বিনোদন ইতিহাসের অন্যতম প্রতীক্ষিত এবং ‘আমেরিকার রাজকীয় বিয়ে’ হিসেবে আখ্যা পাওয়া এই বিয়েকে ঘিরে নিউইয়র্ক শহর এখন উৎসবে মাতোয়ারা। যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস এবং চলতি ফুটবল বিশ্বকাপের একটি ম্যাচের উত্তেজনার মাঝেই টেইলর সুইফটের বিয়ের আয়োজন শহরটিকে আরও জমজমাট করে তুলেছে। এদিকে এই মহোৎসবের অংশ হিসেবে চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় কেলসি এবং সুইফট দম্পতি যৌথভাবে ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছেন বলে গায়িকার প্রচার দল নিশ্চিত করেছে। 

 

নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানী এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত গরমের সতর্কতা জারি করার পাশাপাশি এই তারকা জুটির ইনডোর বিয়ের উদাহরণ টেনে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান। গত বছরের আগস্টে বাগদানের পর থেকেই এই জুটির বিয়ে নিয়ে ভক্তদের মাঝে যে টানটান উন্মাদনা ছিল, এই গোপন বিয়ের খবরের মধ্য দিয়ে তা যেন পূর্ণতা পেল।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
তমার অভিনয়ে মুগ্ধ রায়হান রাফী, ‘আমলনামা’ নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ

‘আমলনামা’ চলচ্চিত্রে তমা মির্জার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন নির্মাতা রায়হান রাফী। বিশেষ করে চলচ্চিত্রটির শেষ দৃশ্যে তমার হৃদয়স্পর্শী অভিনয় সেটে উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। দর্শকদের মধ্যেও সেই আবেগের প্রতিফলন দেখে নির্মাণযাত্রাটিকে আরও অর্থবহ মনে হয়েছে পরিচালকের।   সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তমা মির্জার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে ‘আমলনামা’ নির্মাণের অভিজ্ঞতা ও চলচ্চিত্রটি ঘিরে নিজের অনুভূতির কথা তুলে ধরেন রায়হান রাফী।   পোস্টে তিনি জানান, চলচ্চিত্রটির শেষ দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় তমার অভিনয় পুরো টিমকে আবেগাপ্লুত করে তোলে। পরে দর্শকদের প্রতিক্রিয়ায় একই আবেগ অনুভব করতে পেরে তিনি আনন্দিত হন।   রাফীর ভাষ্যে, ‘আমলনামা’ তার কাছে বিশেষ একটি জায়গা দখল করে আছে। ভালোবাসা, আস্থা এবং একটি অসাধারণ দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নির্মিত এই চলচ্চিত্র তার জন্য ছিল ব্যক্তিগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি যাত্রা।   চলচ্চিত্রটি ঘিরে পাওয়া স্বীকৃতির কথাও তুলে ধরেন পরিচালক। ‘দ্য ডেইলি স্টার ওটিটি অ্যান্ড ডিজিটাল কনটেন্ট অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’-এ তমা মির্জা সেরা অভিনেত্রী এবং রায়হান রাফী সেরা পরিচালক (চলচ্চিত্র) বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন। এ অর্জনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত সবার প্রতি গর্বের কথা জানান তিনি।   রায়হান রাফীর পরিচালনায় ‘আমলনামা’ চরকিতে মুক্তি পাওয়া একটি অরিজিনাল চলচ্চিত্র। ওয়েব সিরিজ নয়, একক চলচ্চিত্র হিসেবে নির্মিত এই কাজের গল্পে সত্য ঘটনা ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ছায়া রয়েছে।   চলচ্চিত্রটির শেষ দৃশ্যে তমার অভিনয়, দর্শকদের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া এবং পুরস্কারপ্রাপ্তি—সব মিলিয়ে ‘আমলনামা’ নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পীর জন্য স্মরণীয় একটি কাজ হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন রায়হান রাফী।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ট্রলিং নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন ক্যাটরিনা, বললেন—নিজেকে নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তার কিছু নেই

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা হলেন মিঠুন চক্রবর্তী, পাচ্ছেন মন্ত্রীর মর্যাদা

জয়া আহসান। ছবি: সংগৃহীত

‘বয়স বাড়ছে, অথচ জয়া আহসানকে দেখাচ্ছে আরও তরুণ!’

ছবি: সংগৃহীত
বৃন্দাবনের আশ্রমে যেতে ৫ কোটি রুপি নেওয়ার অভিযোগ, কোহলির অস্বীকার

বৃন্দাবনে প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে যাওয়ার জন্য ৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেওয়ার যে দাবি উঠেছে, তা সরাসরি নাকচ করেছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তিনি এ ধরনের অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।   বুধবার (৭ অক্টোবর) কোহলির মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, কোনো আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে নয়, বরং প্রেমানন্দ মহারাজের প্রতি ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা থেকেই কোহলি তার আশ্রমে যান।   সম্প্রতি শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি সংঘর্ষ ন্যাসের সভাপতি দীনেশ শর্মা, যিনি ফলাহারী মহারাজ নামে পরিচিত, দাবি করেন—বৃন্দাবনের ওই আশ্রমে বিরাট কোহলিকে নিয়ে যেতে ৫ কোটি রুপি ব্যয় করা হয়েছিল। তার বক্তব্য অনুযায়ী, রাজস্থানভিত্তিক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অথবা একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই সফরের আয়োজন ও অর্থায়ন করেছিলেন।   তবে ওই দাবির পক্ষে কোনো চুক্তিপত্র, আর্থিক লেনদেনের নথি কিংবা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   দাবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোহলির প্রতিনিধি দল আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি পরিষ্কার করে।   মুখপাত্রের বক্তব্য, ফলাহারী মহারাজ দীনেশ শর্মার করা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ অসত্য, বানোয়াট এবং তথ্যগতভাবে ভুল। কোহলি কেবল প্রেমানন্দ মহারাজের প্রতি বিশ্বাস ও ভক্তি থেকেই আশ্রমে যান। একই সঙ্গে কোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।   বিরাট কোহলি ও তার স্ত্রী, বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা, এর আগে একাধিকবার বৃন্দাবনের প্রেমানন্দ মহারাজের ‘রাধা কেলি কুঞ্জ’ আশ্রমে গেছেন। ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি প্রথমবার তারা সেখানে যান। এরপর বিভিন্ন সময়ে আশ্রমে গিয়ে মহারাজের আশীর্বাদ নিয়েছেন এই তারকা দম্পতি।   এদিকে সম্প্রতি আশ্রম ভবনের চারতলা থেকে পড়ে রসিক দুলারি নামে এক ভক্তের মৃত্যু ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে মথুরা পুলিশ। গত ২৫ সেপ্টেম্বরের ওই ঘটনার পর আশ্রমটি নিয়ে আলোচনা ও নজরদারি বাড়ার মধ্যেই কোহলিকে ঘিরে ৫ কোটি রুপির অর্থ লেনদেনের দাবি সামনে আসে।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মারা গেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার

ছবি: সংগৃহীত

শাহরুখের যে জীবনমন্ত্র আজও মেনে চলেন অভিষেক

ছবি: সংগৃহীত

মেসির বিদায়ে পূর্ণিমার আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

ছবি: সংগৃহীত
দ্বিতীয়বার মা হওয়ার সুখবর দিলেন কিয়ারা আদভানি

বলিউড তারকা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানির সংসারে আবারও আসতে চলেছে নতুন অতিথি। প্রথম সন্তান সারায়াহর জন্মের পর এবার দ্বিতীয়বার মা হওয়ার সুখবর ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন কিয়ারা।   ইনস্টাগ্রামে একটি বিশেষ ছবি প্রকাশ করে সুখবরটি জানান অভিনেত্রী। ছবিতে সিদ্ধার্থ, কিয়ারা ও তাদের মেয়ে সারায়াহর হাতে ছোট্ট শিশুর বোনা একজোড়া জুতা দেখা যায়। প্রথমবার সন্তান আসার খবর জানানোর সময়ের মতো এবারও আবেগঘন ছবি দিয়েই নতুন অতিথির আগমনের বার্তা দিয়েছেন এই তারকা দম্পতি।   ছবির ক্যাপশনে কিয়ারা লিখেছেন, এমন মূল্যবান আশীর্বাদে তার হৃদয় কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসায় পূর্ণ হয়ে উঠেছে।   ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমেরে জমকালো আয়োজনে বিয়ে করেন সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা। এরপর গত বছরের নভেম্বরে তাদের প্রথম সন্তান সারায়াহর জন্ম হয়। মা হওয়ার পরও অভিনয় থেকে দীর্ঘ বিরতি নেননি কিয়ারা। চলতি বছর দক্ষিণী তারকা যশের সঙ্গে ‘টক্সিক’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।   সম্প্রতি রাজ শামানির পডকাস্টে মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন কিয়ারা। তিনি জানান, মা হওয়ার পর তার জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এই অভিজ্ঞতা তাকে আরও আত্মবিশ্বাসী, স্বাধীনচেতা ও মানসিকভাবে শক্ত করেছে বলেও উল্লেখ করেন অভিনেত্রী।   কিয়ারার কাজের প্রতি নিষ্ঠার প্রশংসাও করেছেন ‘টক্সিক’-এর সহশিল্পী হুমা কুরেশি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সিনেমার একটি ভারী বৃষ্টির দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় কিয়ারা ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। শারীরিক নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দৃশ্যটির শুটিং সম্পন্ন করেন।   সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার প্রেমের শুরু ২০২১ সালের আলোচিত সিনেমা ‘শেরশাহ’-এর সেটে। সিনেমাটিতে সিদ্ধার্থ অভিনয় করেন ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার চরিত্রে এবং কিয়ারা ছিলেন ডিম্পল চিমার ভূমিকায়। পর্দার সম্পর্ক ধীরে ধীরে বাস্তব জীবনের প্রেমে রূপ নেয়। দীর্ঘদিন সম্পর্কের বিষয়টি গোপন রাখার পর ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে তারা পরোক্ষভাবে বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে ২০২৩ সালে বিয়ের মাধ্যমে সেই সম্পর্ক পূর্ণতা পায়।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ০৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আইনি বিপাকে হানি সিং

সংগৃহীত ছবি

সোশ্যাল মিডিয়া ছেড়ে এক বছর পর নায়িকার মুখে স্বস্তির কথা

সংগৃহীত ছবি

বক্স অফিসে দুর্দান্ত সাফল্য পেল অজয় দেবগণের ‘দৃশ্যম ৩’

0 Comments