অন্যান্য

খেজুর খাওয়ার সেরা সময় কখন, খালি পেটে নাকি রাতে ঘুমানোর আগে?

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

খেজুর আমাদের অতিপরিচিত একটি ফল। মুসলিম সমাজে রোজা ভাঙা থেকে শুরু করে নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে খেজুরের ব্যবহার রয়েছে। তবে ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক গুরুত্ব ছাড়াও খেজুরে আছে অসাধারণ পুষ্টিগুণ। ছোট্ট এ ফলটিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, প্রাকৃতিক চিনি, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত খেজুর খেলে শরীর যেমন শক্তি পায়, তেমনি মেলে নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও।

 

তবে খেজুর খাওয়ার সঠিক সময় নিয়েও অনেকের মনে কৌতূহল থাকে যে, খালি পেটে খেলে ভালো নাকি ঘুমানোর আগে? আবার কেউ কেউ ভাবেন, ভিজিয়ে খাওয়াই কি বেশি উপকারী? বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুর খাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যতামূলক সময় নেই। তবে কয়েকটি সময়ে খেলে এর উপকারিতা অনেকটা বেড়ে যায়।

খেজুর খাওয়ার সেরা সময়

ব্যায়ামের আগে

খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক চিনি শরীরে ধীরে ধীরে শক্তি জোগায়। ব্যায়ামের ৩০-৬০ মিনিট আগে ২-৪টি খেজুর খেলে দীর্ঘ সময় শরীর সক্রিয় থাকে। যারা নিয়মিত জিম বা ওয়ার্কআউট করেন, তাদের জন্য খেজুর হতে পারে প্রাকৃতিক এনার্জি বুস্টার।

ভোরে খালি পেটে

সকালে খালি পেটে খেজুর খেলে শরীর দ্রুত শক্তি পায়। এটি অন্ত্র পরিষ্কার রাখে, পরিপাকতন্ত্রকে সক্রিয় করে এবং হৃদ্‌যন্ত্র ও লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে। দিনের শুরুটা হালকা ও শক্তিদায়ক করতে খালি পেটে খেজুর খাওয়া দারুণ উপকারী।

রাতের খাবারের পরে বা ঘুমের আগে

খেজুরে থাকা ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। ফলে রাতে অকারণে ক্ষুধা বা স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। ঘুমের আগে কয়েকটি খেজুর খেলে এটি স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক হিসেবে কাজ করে, আবার হজমেও সহায়তা করে।

খেজুর খেলে যে উপকার মিলবে

১. ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

২. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

৩. হাড়কে শক্তিশালী করে

৪. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

৫. মস্তিষ্ক ও হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ রাখে

৬. অ্যালঝাইমার ও ক্যানসারের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়

৭. ত্বক ও চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনে

ডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিস রোগীরাও চিকিৎসকের পরামর্শে খেজুর খেতে পারেন। এতে থাকা পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের প্রদাহ কমাতে ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

কখন খেজুর খাওয়া উচিত নয়

ভারী খাবারের পরপরই : হজমে সমস্যা, পেটে গ্যাস বা ফাঁপা ভাব তৈরি হতে পারে।

ডায়রিয়া হলে : খেজুরে থাকা সোর্ভিটল পাতলা পায়খানা বাড়িয়ে দিতে পারে।

অ্যালার্জি বা আইবিএস রোগীদের জন্য : উচ্চ ফ্রুক্টোজ হজমের সমস্যা বাড়াতে পারে।

শেষকথা

খেজুর খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় না থাকলেও সকালে খালি পেটে, ব্যায়ামের আগে কিংবা রাতে ঘুমের আগে খেলে এর গুণাগুণ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। তবে সব খাবারের মতোই খেজুর খেতেও পরিমিতি বজায় রাখা জরুরি। নিয়মিত কয়েকটি খেজুর শরীরকে যেমন প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাবে, তেমনি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াবে।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

অন্যান্য

আরও দেখুন
তারেক রহমানের সঙ্গে ওলামা-মাশায়েখদের মতবিনিময়

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ঢাকা-১৭ আসনের ওলামা-মাশায়েখরা। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে গুলশানস্থ বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন রাতে এ তথ্য জানান বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে এনসিপির প্রতিনিধি দল

ছবি: সংগৃহীত

শীত আসতেই শ্বাসকষ্ট আর নাক বন্ধ? পরিত্রাণ পাবেন যেভাবে

ছবি: সংগৃহীত

শাকসু নির্বাচন স্থগিত

ছবি: সংগৃহীত
ছাত্রদল ফের অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশনের সামনে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত তিনটি ইস্যুতে ছাত্রদল আজ (সোমবার, ১৯ জানুয়ারি) ফের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছে। দুপুর ১২টা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। স্থানীয়ভাবে দেখা যায়, নির্বাচন ভবনের সামনে ও আশপাশে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। ইসির নিরাপত্তা বেষ্টনীর বাইরে রাস্তায় বসে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল, ‘দালালি আর করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’ প্রভৃতি। অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে ইসি কার্যালয়ের আশপাশে পুলিশ, র‌্যাব, নৌবাহিনী ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসেবে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, দ্বিতীয় দিনের মতো আমরা এখানে অবস্থান কর্মসূচি চালাচ্ছি। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এখান থেকে সরে যাব না। সারারাত এখানে অবস্থান করতেও আমরা প্রস্তুত। আমরা আশা করি, আজকের দিনের মধ্যে আমাদের দাবি পূরণ হবে। ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হওয়ার কথা। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য আমরা সহযোগিতা করছি। তবে একটি বিশেষ গোষ্ঠী ভোটপদ্ধতিতে ষড়যন্ত্র করছে এবং এক এলাকার ভোটারকে অন্য এলাকায় পাঠাচ্ছে। আমরা ইসির কিছু লোক ব্যবহার করে অনিয়ম করার চেষ্টা দেখেছি। তবে তাদের নাম প্রকাশ করছি না। এর আগে, রোববারও একই দাবিতে ছাত্রদল ইসি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। ওই কর্মসূচিতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রদল কমিটির কয়েক হাজার নেতাকর্মীও এতে উপস্থিত ছিলেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশন যোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে: ফখরুল

সৌদি আরবে দেখা যায়নি শাবান মাসের চাঁদ

চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে যেসব মিষ্টিজাতীয় খাবার

প্রতীকী ছবি
দ্বৈত নাগরিকত্ব : ইসির নমনীয়তায় সুখবর পেলেন ২০ প্রার্থী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে এমন প্রার্থীদের জন্য নমনীয় হলো নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে যারা টাকা জমা দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে দেওয়ার আবেদন করেছেন তাদের সবার মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।   রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নমনীয়তা প্রদর্শন করে ইসি।  দ্বৈত নাগরিকত্ব–সংক্রান্ত জটিলতায় থাকা ২৩ প্রার্থীর মধ্যে দুজনের মনোনয়ন বাতিল, একজনের রায় স্থগিত ও ২০ জনের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ করে দেয় কমিশন। শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে কুমিল্লা-১০ আসনের বিএনপি প্রার্থী আবদুল গফুর ভুঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। আর কুমিল্লা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জেল হোসেন কায়কোবাদের তুরস্কের নাগরিকত্ব পরিত্যাগের বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য তার প্রার্থিতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়। এক্ষেত্রে প্রার্থিতা বহাল থাকার সম্ভাবনাই বেশি। দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জটিলতা নিয়েও যাদের নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই- জামায়াতের ঢাকা-১ আসনে মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, দিনাজপুর-৫ আসনে বিএনপি এ কে এম কামরুজ্জামান, সাতক্ষীরা-৪ বিএনপি মনিরুজ্জামান, ফরিদপুর-২ বিএনপি শামা ওবায়েদ, সুনামগঞ্জ-২ তাহির রায়হান বিএনপি, মৌলভীবাজার-২ বিএনপি শওকতুল ইসলাম, হবিগঞ্জ-১ স্বতন্ত্র সুজাত মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ জামায়াত জুনায়েদ হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ বিএনপি কবির আহমেদ ভুঁইয়া, ফেনী-৩ বিএনপি আব্দুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-১ স্বতন্ত্র জহিরুল ইসলাম, রংপুর-১ জাতীয় পার্টি মো. মঞ্জুম আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ জাপা খোরশেদ আলম, নাটোর-১ খেলাফত মজলিশ আজাদুল হক, যশোর-২ জামায়াত মোসলেম উদ্দীন ফরিদ, চট্টগ্রাম-৯ জামায়াত একে ফজলুল হক, শেরপুর-২ বিএনপির ফাহিম, চট্টগ্রাম-৩ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমজাদ হোসেন, কুড়িগ্রাম-৩ জামায়াত মাহবুব আলম সালেহ, মানিকগঞ্জ-৩ বিএনপির আফরোজা খানম রিতা ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া ঋণ খেলাপির অভিযোগে রবিবার চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থিতাও বাতিল করা হয়েছে। রবিবার শুনানির শেষ দিনে দুই দফায় ৬৩ জনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২৩ জনের মঞ্জুর হয়। মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে মঞ্জুর হয় ২১টি, মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে দুটি এবং ৩৫টি আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে। যার মধ্যে মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে নামঞ্জুর হয়েছে ১৬টি।  শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আই ক্যান এশিউর আমার তরফ থেকে এবং আমার টিমের তরফ থেকে কোনো পক্ষপাতিত্ব করে কোনো জাজমেন্ট আমরা দেইনি।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ 0
নাহিদ ইসলাম ও নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী।

নাহিদ ইসলাম ও নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী শোকজের জবাব দিল এনসিপি

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক সন্ধ্যায়

ছবি : সংগৃহীত

ফেসবুকে বিশ্বসেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের তালিকায় তারেক রহমান

0 Comments