বিনোদন

কত কোটি টাকার সম্পদের মালিক ‘প্রেমালু’ অভিনেত্রী মামিতা

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
জনপ্রিয় মালয়ালম অভিনেত্রী মামিতা বাইজু। ছবি: সংগৃহীত
জনপ্রিয় মালয়ালম অভিনেত্রী মামিতা বাইজু। ছবি: সংগৃহীত

পার্শ্ব চরিত্র থেকে ব্লকবাস্টার মালয়ালম সিনেমা ‘প্রেমালু’র রিণু চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পেয়ে যাওয়া দক্ষিণ ভারতের তরুণ অভিনেত্রী মামিতা বাইজু। ২০২৪ সালে সিনেমাটি মুক্তির পর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ইতোমধ্যে থালাপতি বিজয়, সুরিয়ার মতো দক্ষিণী তারকাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। 

 

সম্প্রতি এ অভিনেত্রীর মুক্তি পাওয়া নতুন সিনেমা ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’ বক্স অফিসে দারুণ ব্যবসা করছে। তবে বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মামিতা। শরীর ব্যথা ও জ্বরের জেরে অস্ট্রেলিয়ায় ওনাম উৎসব উদযাপনের পরিকল্পনা থাকলেও চিকিৎসকদের কঠোর নির্দেশ মেনে তাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে। 

 

‘লেন্ড্যাক্সিস ক্লাইড ওনাম ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার। এক বার্তায় অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, নির্ধারিত তারিখে আমি উপস্থিত থাকতে পারছি না। বর্তমানে আমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কোনোভাবেই আসার উপায় থাকলে আমি ঠিক আসতাম, তবে চিকিৎসকরা আমাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।’ 

 

এদিকে অভিনেত্রীর সুস্থতা কামনা করার পাশাপাশি দেখে নেওয়া যাক তার কোটি টাকার সাম্রাজ্য, সম্পদ এবং আয়ের উৎস সম্পর্কে কিছু তথ্য।

 

আয় ও সম্পত্তির পরিমাণ 

চলতি বছরের শুরুতে মুক্তি পাওয়া অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের ছবি ‘জন নায়গন’-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন মামিতা। এর আগে ‘প্রেমালু’, ‘বিদ্রোহী’, ‘অপারেশন জাভা’ ও ‘বারথান’-এর মতো ছবিতেও নজর কেড়েছেন তিনি। 

 

২০১৬ সালে পৃথ্বীরাজ অভিনীত ‘পাভাদা’ সিনেমার মাধ্যমে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ে পা রাখেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে ২৫ বছর বয়সি মামিতা প্রতিটি ছবির জন্য প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন। মূলত মালয়ালম, তেলেগু এবং তামিল সিনেমাতেই তার কাজের পরিধি বেশি। 

 

‘প্রেমালু’ ছবির সাফল্যের পর তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি রুপিতে দাঁড়িয়েছে। 

 

অভিনয় ছাড়াও ফ্যাশন, স্কিন কেয়ার থেকে শুরু করে বিভিন্ন জুয়েলারি ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেও তার বড় অংকের আয় হয়। পাশাপাশি, বিভিন্ন জায়গায় তার করা বিনিয়োগও অভিনেত্রীর আয়ের উৎসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। 

 

বাড়ি ও দামি গাড়ি 

কোচির একটি অভিজাত এলাকায় মামিতার ৩ থেকে ৫ কোটি রুপি মূল্যের একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে, যেখানে তিনি কাজের ফাঁকে বেশি সময় কাটান। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং গোপনীয়তা বজায় রাখার মতো চমৎকার সব ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে। 

 

পাশাপাশি কেরালার কোট্টায়ামের কিডঙ্গুরে অবস্থিত তার পৈতৃক বাড়িটিরও যত্ন নেন তিনি, যেখানে কেটেছে তার সোনালী শৈশব। সুযোগ পেলেই তিনি সেখানে ছুটে যান। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তার সংগ্রহে রয়েছে একটি ভক্সওয়াগান তাইগুন এবং একটি মারুতি সুজুকি জিমনি গাড়ি। 

 

‘জন নায়গন’-এর পর ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’ সিনেমাটি অভিনেত্রী হিসেবে মামিতাকে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে আরও শক্ত আসন উপহার দিয়েছে। 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
জনপ্রিয় মালয়ালম অভিনেত্রী মামিতা বাইজু। ছবি: সংগৃহীত
কত কোটি টাকার সম্পদের মালিক ‘প্রেমালু’ অভিনেত্রী মামিতা

পার্শ্ব চরিত্র থেকে ব্লকবাস্টার মালয়ালম সিনেমা ‘প্রেমালু’র রিণু চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পেয়ে যাওয়া দক্ষিণ ভারতের তরুণ অভিনেত্রী মামিতা বাইজু। ২০২৪ সালে সিনেমাটি মুক্তির পর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ইতোমধ্যে থালাপতি বিজয়, সুরিয়ার মতো দক্ষিণী তারকাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি।    সম্প্রতি এ অভিনেত্রীর মুক্তি পাওয়া নতুন সিনেমা ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’ বক্স অফিসে দারুণ ব্যবসা করছে। তবে বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মামিতা। শরীর ব্যথা ও জ্বরের জেরে অস্ট্রেলিয়ায় ওনাম উৎসব উদযাপনের পরিকল্পনা থাকলেও চিকিৎসকদের কঠোর নির্দেশ মেনে তাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে।    ‘লেন্ড্যাক্সিস ক্লাইড ওনাম ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার। এক বার্তায় অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, নির্ধারিত তারিখে আমি উপস্থিত থাকতে পারছি না। বর্তমানে আমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কোনোভাবেই আসার উপায় থাকলে আমি ঠিক আসতাম, তবে চিকিৎসকরা আমাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।’    এদিকে অভিনেত্রীর সুস্থতা কামনা করার পাশাপাশি দেখে নেওয়া যাক তার কোটি টাকার সাম্রাজ্য, সম্পদ এবং আয়ের উৎস সম্পর্কে কিছু তথ্য।   আয় ও সম্পত্তির পরিমাণ  চলতি বছরের শুরুতে মুক্তি পাওয়া অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের ছবি ‘জন নায়গন’-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন মামিতা। এর আগে ‘প্রেমালু’, ‘বিদ্রোহী’, ‘অপারেশন জাভা’ ও ‘বারথান’-এর মতো ছবিতেও নজর কেড়েছেন তিনি।    ২০১৬ সালে পৃথ্বীরাজ অভিনীত ‘পাভাদা’ সিনেমার মাধ্যমে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ে পা রাখেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে ২৫ বছর বয়সি মামিতা প্রতিটি ছবির জন্য প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন। মূলত মালয়ালম, তেলেগু এবং তামিল সিনেমাতেই তার কাজের পরিধি বেশি।    ‘প্রেমালু’ ছবির সাফল্যের পর তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি রুপিতে দাঁড়িয়েছে।    অভিনয় ছাড়াও ফ্যাশন, স্কিন কেয়ার থেকে শুরু করে বিভিন্ন জুয়েলারি ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেও তার বড় অংকের আয় হয়। পাশাপাশি, বিভিন্ন জায়গায় তার করা বিনিয়োগও অভিনেত্রীর আয়ের উৎসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।    বাড়ি ও দামি গাড়ি  কোচির একটি অভিজাত এলাকায় মামিতার ৩ থেকে ৫ কোটি রুপি মূল্যের একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে, যেখানে তিনি কাজের ফাঁকে বেশি সময় কাটান। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং গোপনীয়তা বজায় রাখার মতো চমৎকার সব ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে।    পাশাপাশি কেরালার কোট্টায়ামের কিডঙ্গুরে অবস্থিত তার পৈতৃক বাড়িটিরও যত্ন নেন তিনি, যেখানে কেটেছে তার সোনালী শৈশব। সুযোগ পেলেই তিনি সেখানে ছুটে যান। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তার সংগ্রহে রয়েছে একটি ভক্সওয়াগান তাইগুন এবং একটি মারুতি সুজুকি জিমনি গাড়ি।    ‘জন নায়গন’-এর পর ‘বেথলেহেম ফ্যামিলি ইউনিট’ সিনেমাটি অভিনেত্রী হিসেবে মামিতাকে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে আরও শক্ত আসন উপহার দিয়েছে। 

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কোমরে চোট পেয়ে একটা লাভ হয়েছে : রাশমিকা

আসিফ আকবর

বাবার শান্তি কমিটিতে সম্পৃক্ততা নিয়ে আসিফ আকবরের ব্যাখ্যা

ছবি: সংগৃহীত

রণবীর-ক্যাটরিনার প্রেমের গল্প ফাঁস

ছবি: সংগৃহীত
৪৪ পেরিয়েও দিয়া মির্জার ত্বকে তারুণ্যের দীপ্তি, কী রহস্য?

বয়স ৪৪ পেরিয়েছে। তবুও বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা এখনও নজর কাড়ে সবার। তার এই ঝলমলে ত্বকের রহস্য কি কোনও দামি প্রসাধনী, বিলাসবহুল ট্রিটমেন্ট বা দীর্ঘ স্কিনকেয়ার রুটিন? দিয়া মির্জার উত্তর কিন্তু একেবারেই অন্যরকম।   সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনযাপন ও ত্বকের যত্ন নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী। তার মতে, সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য কোনো গোপন মন্ত্রের প্রয়োজন নেই। বরং প্রতিদিনের কিছু সহজ ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।   পর্যাপ্ত পানি পান  দিয়ার স্কিনকেয়ার রুটিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল পর্যাপ্ত পানি পান। শরীরে পানির ঘাটতি হলে ত্বকেও তার প্রভাব পড়তে পারে। তাই ত্বকের আর্দ্রতা ও সতেজতা ধরে রাখতে নিয়মিত পানি পান করার উপর জোর দেন তিনি।   অভিনেত্রীর বিশ্বাস, শুধু বাইরে থেকে ত্বকের যত্ন নিলেই হবে না। শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।   পাতে থাকে শাকসবজি, ফল ও পুষ্টিকর খাবার দিয়ার দৈনন্দিন জীবনযাপনে স্বাস্থ্যকর খাবারের গুরুত্বও অনেক। তার খাবারের তালিকায় নিয়মিত থাকে শাকসবজি, ফল এবং বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার।   কঠিন কোনও ডায়েট মেনে চলার পরিবর্তে সহজ, সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার দিকেই বেশি গুরুত্ব দেন তিনি। শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেলে তার ইতিবাচক প্রভাব ত্বকেও দেখা যায় বলে মনে করেন দিয়া।   শরীরচর্চার পাশাপাশি ধ্যান শুধু খাবার নয়, শরীর ও মনের সুস্থতাকেও ত্বকের যত্নের অংশ বলে মনে করেন অভিনেত্রী। নিয়মিত ব্যায়াম করার পাশাপাশি ধ্যানও তার জীবনযাপনের একটি অংশ।   দিয়ার মতে, মানসিক চাপ কম রাখা এবং নিজেকে মানসিকভাবে ভালো রাখার অভ্যাসও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর শরীর ও মন ভালো থাকলে তার প্রভাব ত্বকেও ফুটে ওঠে।   ৮ ঘণ্টা ঘুম ব্যস্ততার মধ্যেও পর্যাপ্ত ঘুমকে গুরুত্ব দেন দিয়া মির্জা। তিনি প্রতি রাতে প্রায় ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করেন।   পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত ঘুম এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন—এই তিনটি বিষয়কে নিজের সুস্থতার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেন অভিনেত্রী। তার মতে, ভালো ঘুম শরীরের পাশাপাশি ত্বকের জন্যও প্রয়োজনীয়।   দীর্ঘ স্কিনকেয়ার রুটিনে বিশ্বাসী নন দিয়া অনেক তারকার মতো একাধিক ধাপের জটিল স্কিনকেয়ার রুটিন অনুসরণ করেন না দিয়া। তার ত্বকের যত্নের পদ্ধতি বরং বেশ সহজ।   তবে মেকআপের ক্ষেত্রে একটি নিয়ম তিনি কঠোরভাবে মেনে চলেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ থেকে মেকআপ সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে নেন। ত্বককে দীর্ঘ সময় মেকআপের স্তরের মধ্যে আটকে না রাখাকেই তিনি গুরুত্ব দেন।   সংবেদনশীল ত্বকের জন্য প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্ক দিয়া জানিয়েছেন, তার ত্বক অ্যাটোপিক এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই নতুন কোনও প্রসাধনী ব্যবহারের আগে তার উপাদান সম্পর্কে যথেষ্ট সতর্ক থাকেন তিনি।   সাধারণত মৃদু উপাদানযুক্ত পণ্য বেছে নেওয়ার চেষ্টা করেন। যেসব উপাদান তার ত্বকে অস্বস্তি বা সমস্যা তৈরি করতে পারে, সেগুলি এড়িয়ে চলেন। বিশেষ করে সালফেট, সুগন্ধি এবং কিছু রাসায়নিক উপাদানযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনি সতর্ক।   দামি ট্রিটমেন্ট নয়, সহজ জীবনযাপনেই ভরসা দিয়া মির্জার কথায়, ঝলমলে ত্বকের জন্য সবসময় দামি প্রসাধনী বা বিলাসবহুল সৌন্দর্য চর্চার প্রয়োজন হয় না। পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, ধ্যান, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মেকআপ পরিষ্কার করার মতো সাধারণ অভ্যাসই তার দৈনন্দিন রুটিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।   তবে দিয়ার এই অভ্যাসগুলি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার অংশ। প্রত্যেকের ত্বকের ধরন ও প্রয়োজন আলাদা। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে নতুন কোনও প্রসাধনী বা উপাদান ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বক্স অফিসে নতুন রেকর্ডের হাতছানি ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’র

ছবি: সংগৃহীত

অহনা-তুহিনের নতুন নাটক ‘নালিশ’

স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ও ঐন্দ্রিলা বোস। সংগৃহীত ছবি

‘সিনিয়র তো এমনই হওয়া উচিত’, স্বস্তিকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ঐন্দ্রিলা

ছবি: সংগৃহীত
আবারও রাজ-সাবিলা জুটি, নতুন সিনেমায় ভিন্নধর্মী গল্প

এক সিনেমার সাফল্যের পর আবারও বড় পর্দায় জুটি হিসেবে ফিরছেন শরিফুল রাজ ও সাবিলা নূর। গত ঈদে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছিলেন এই দুই তারকা। এবার সময়, স্মৃতি, সম্পর্ক ও রহস্যের মিশেলে তৈরি ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে নতুন সিনেমায় হাজির হতে যাচ্ছেন তারা।   নতুন সিনেমাটির নাম ‘কানাভুলা প্যারাডক্স’। তানিম নূরের প্রযোজনায় নির্মিত হতে যাওয়া ছবিটি পরিচালনা করবেন তরুণ নির্মাতা আয়মান আসিব স্বাধীন ও সুস্ময় সরকার। এই সিনেমার মাধ্যমেই পরিচালক হিসেবে অভিষেক হচ্ছে তাদের।   ‘কানাভুলা প্যারাডক্স’ নির্মিত হবে টাইম-ট্রাভেল, রোমান্স ও মিস্ট্রির সমন্বয়ে। সিনেমার প্রধান দুই চরিত্রে দেখা যাবে শরিফুল রাজ ও সাবিলা নূরকে। নির্মাতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গল্পে সময়ের বিভিন্ন বাঁক, সম্পর্কের জটিলতা, স্মৃতির প্রভাব এবং রহস্য—সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।   প্রচলিত গল্প বলার ধরন থেকে বেরিয়ে দর্শকদের নতুন ধরনের সিনেমার অভিজ্ঞতা দেওয়াই নির্মাতাদের লক্ষ্য। সময় ও সম্পর্কের পাশাপাশি স্মৃতি এবং রহস্যের নানা স্তর পেরিয়ে এগিয়ে যাবে গল্পটি। ফলে পরিচিত গল্পের কাঠামোর বাইরে গিয়ে দর্শকদের ভিন্ন স্বাদের একটি চলচ্চিত্র উপহার দিতে চান তারা।   সিনেমাটির গল্পের অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে লেখক মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পীর ২০২৪ সালে প্রকাশিত একই নামের উপন্যাস থেকে। উপন্যাসের মূল ভাবনা ও গল্পকে বড় পর্দার উপযোগী করে সাজানোর কাজ চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু এগোলে আগামী বছরের জানুয়ারিতে সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা। এরপর একই বছরের ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।   পরিচালক হিসেবে নতুন হলেও সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত আয়মান আসিব স্বাধীন ও সুস্ময় সরকারের রয়েছে নির্মাণের অভিজ্ঞতা। এর আগে আয়মান আসিব স্বাধীন, তানিম নূর পরিচালিত ওয়েব সিরিজ ‘কাইজার’ এবং ‘উৎসব’ ও ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার চিত্রনাট্য ও সংলাপ লেখার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।   অন্যদিকে সুস্ময় সরকার একই তিনটি প্রযোজনায় গল্পকার ও প্রধান সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। এবার সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরিচালনার দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন তারা। ‘উৎসব’ ও ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর সাফল্য এবং দর্শকদের ভালোবাসাকে সামনে রেখে নতুন সিনেমার মাধ্যমে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বুড়িগঙ্গা টকিজ।   ‘কানাভুলা প্যারাডক্স’ হতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় চলচ্চিত্র। নতুন দুই নির্মাতার অভিষেক, রাজ-সাবিলার জনপ্রিয় জুটি এবং সময় ভ্রমণকে কেন্দ্র করে নির্মিত গল্প—সব মিলিয়ে সিনেমাটি নিয়ে এরই মধ্যে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রসূন আজাদকে নিয়ে আবেগঘন প্রভার স্ট্যাটাস

ছবি: সংগৃহীত

প্রেম, বিচ্ছেদ পেরিয়ে বিয়ের গল্প বললেন বিজয় দেবরাকোন্ডা

সংগৃহীত ছবি

বিতর্ক এড়িয়ে চার দিনেই ২৫৪ কোটি আয় ইয়াশের ‘টক্সিক’র

0 Comments