বিশ্ব

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ কিউবার

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

কিউবা সরকার গতকাল শুক্রবার জরুরি ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য হচ্ছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে আরও খারাপ হওয়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা। 

এর মধ্যে রয়েছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর জন্য চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করা এবং জ্বালানি বিক্রয়ের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

উপ-প্রধানমন্ত্রী অস্কার পেরেজ-অলিভা ফ্রাগা এই সংকটের জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী করেছেন। 

তিনি কিউবার টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সরকার ‘উন্নয়নের হাতছাড়া না করেই আমাদের দেশের প্রাণশক্তি এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রথম ও সর্বাগ্রে একাধিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জ্বালানী ব্যবহার করা হবে জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা এবং অপরিহার্য অর্থনৈতিক কার্যক্রম রক্ষার জন্য।’

পেরেজ-অলিভা ফ্রাগা বলেন, ‘নতুন ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে: রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর কর্মসপ্তাহকে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চার দিনে সীমিত করা, জ্বালানী বিক্রয়ের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ, প্রদেশগুলোর মধ্যে বাস ও ট্রেন সেবার সংখ্যা কমানো এবং নির্দিষ্ট পর্যটন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করা।’

১৯৬২ সাল থেকে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার অধীনে ৯৬ লাখ বাসিন্দার এই দ্বীপরাষ্ট্র ছয় বছর ধরে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত রয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহ ধরে কমিউনিস্ট সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।

জানুয়ারির শুরুতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর, হাভানার গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
“টানা ৯ বছর শীর্ষে ফিনল্যান্ড, সুখের সূচকে নর্ডিক দেশগুলোর দাপট”এগিয়েছে বাংলাদেশ

প্রতিবছরের মতো ২০২৬ সালেও প্রকাশিত হয়েছে বহুল আলোচিত World Happiness Report, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের জীবনমান, মানসিক স্বস্তি ও সামগ্রিক সুখের মাত্রা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েলবিয়িং রিসার্চ সেন্টার, গ্যালাপ ও জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশন্স নেটওয়ার্ক যৌথভাবে এই প্রতিবেদন তৈরি করে।   🌍 শীর্ষে কারা? ২০২৬ সালের তালিকায় আবারও প্রথম স্থানে রয়েছে ফিনল্যান্ড, টানা প্রায় এক দশক ধরে শীর্ষে অবস্থান ধরে রেখেছে দেশটি। অন্যদিকে তালিকার সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতি সত্ত্বেও ইসরায়েল টানা দ্বিতীয় বছরের মতো শীর্ষ ১০-এ জায়গা ধরে রেখে রয়েছে ৮ম স্থানে। 🇧🇩 বাংলাদেশের অবস্থান বাংলাদেশের জন্য এসেছে কিছুটা স্বস্তির খবর। গত বছরের ১৩৪তম অবস্থান থেকে ৭ ধাপ এগিয়ে এবার ১২৭তম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।   🌎 চমক দেখাল লাতিন আমেরিকা ১৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি লাতিন আমেরিকার দেশ শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে। কোস্টা রিকা ধাপে ধাপে উন্নতি করে এবার উঠে এসেছে ৪র্থ স্থানে, যা ২০২৩ সালে ছিল ২৩তম।   📊 কীভাবে নির্ধারণ হয় এই সূচক? এই র‍্যাংকিং তৈরি করা হয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচকের ভিত্তিতে— মাথাপিছু আয় (GDP) সামাজিক সহায়তা গড় আয়ু ব্যক্তিগত স্বাধীনতা উদারতা দুর্নীতির মাত্রা প্রায় ১৪০টি দেশের মানুষের নিজস্ব জীবন মূল্যায়নের তিন বছরের গড় তথ্য বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করা হয়।   🌐 ইংরেজিভাষী দেশগুলোর অবস্থান টানা দ্বিতীয় বছরের মতো কোনো বড় ইংরেজিভাষী দেশ শীর্ষ ১০-এ উঠতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়া: ১৫তম যুক্তরাষ্ট্র: ২৩তম কানাডা: ২৫তম যুক্তরাজ্য: ২৯তম   🏆 ২০২৬ সালের শীর্ষ ১০ সুখী দেশ ফিনল্যান্ড আইসল্যান্ড ডেনমার্ক কোস্টা রিকা সুইডেন নরওয়ে নেদারল্যান্ডস ইসরায়েল লুক্সেমবার্গ সুইজারল্যান্ড   🔍 শীর্ষ ৫ দেশের সংক্ষিপ্ত চিত্র 🇫🇮 ফিনল্যান্ড সামাজিক নিরাপত্তা, কম দুর্নীতি ও উন্নত স্বাস্থ্য-শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে টানা শীর্ষে। 🇮🇸 আইসল্যান্ড সামাজিক সহায়তায় শীর্ষে—প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর সংস্কৃতি সুখ বাড়িয়েছে। 🇩🇰 ডেনমার্ক স্থিতিশীল অর্থনীতি ও কম দুর্নীতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষে অবস্থান। 🇨🇷 কোস্টা রিকা স্বাধীনতা ও সামাজিক বন্ধনের শক্তিতে বড় উত্থান, প্রথমবার টপ-৫-এ। 🇸🇪 সুইডেন শহুরে জীবন ও প্রকৃতির ভারসাম্য, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সুখ বাড়িয়েছে।   📌 সারসংক্ষেপ ২০২৬ সালের ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট বলছে— অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক আস্থা, স্বাধীনতা ও সুশাসনই মানুষের প্রকৃত সুখ নির্ধারণ করে। এই সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি ইতিবাচক হলেও আরও উন্নতির জন্য এখনও বড় পথ পাড়ি দিতে হবে।  

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুর পর নতুন পোপ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন পোপ চতুর্দশ লিও। ছবি: সংগৃহীত

সহিংসতার বিরুদ্ধে পোপ লিওর শক্তিশালী বার্তা

ছবি : সংগৃহীত

ইরানে স্থল অভিযান মানেই ‘মরণফাঁদ’, যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা

সংগৃহীত ছবি

ইরানি হামলার হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস শুরু

ছবি : সংগৃহীত
নেপালের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনৈতিক সংগঠন নিষিদ্ধের ঘোষণা

নেপালের স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক দল অনুমোদিত সব ধরনের ছাত্রসংগঠন নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির নবগঠিত সরকার। এর বদলে ৯০ দিনের মধ্যে অরাজনৈতিক ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’ গঠন করার কথা বলা হয়েছে। নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ তার প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই দেশটির শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনার কথা ঘোষণা দিয়েছেন। ১০০ দফার একটি বিশাল সংস্কার কর্মসূচি নিয়েছে দেশটির সরকার। এ কর্মসূচির বড় অংশ জুড়ে রয়েছে শিক্ষা খাত। শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে পরীক্ষার চাপ কমানো এবং পড়াশোনাকে আনন্দদায়ক করার জন্য পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব ধরনের প্রথাগত অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এর পরিবর্তে বিকল্প এবং মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি যাচাই করা হবে। এ ছাড়া দীর্ঘদিনের সেশন জট কমিয়ে আনতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সংগতি রেখে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের বাধ্যবাধকতার কথাও জানিয়েছে নতুন সরকার। অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতে স্নাতক (অনার্স) পর্যায়ে ভর্তির জন্য এখন থেকে নাগরিকত্ব সনদের প্রয়োজনীয়তা তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষকদের পেনশন এবং রেকর্ড ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিকে আগামী অর্থবছর থেকে প্রাদেশিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিকেন্দ্রীকরণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নতুন সরকারের আশা, এসব সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, শিক্ষার্থীবান্ধব এবং গবেষণাধর্মী করে গড়ে তোলা। এদিকে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ নেপালের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঐতিহ্যে সরাসরি হুমকি দিয়ে ঘোষণা করেছেন, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো থেকে সকল প্রকার রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন নিষিদ্ধ করা হবে। এগুলোর পরিবর্তে গঠন করা হবে সম্পূর্ণ নির্দলীয় ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’। মূলত একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কমিয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া বা দলীয় আনুগত্য প্রকাশ করা নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে জনসেবা খাতে বিদ্যমান দলীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলোও বিলুপ্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবমুক্ত ও পেশাদার করে তোলার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন শাহ।

মারিয়া রহমান মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ইসরায়েলের একটি এলাকায় ইরানের হামলা। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলে কেমিক্যাল ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ হামলা, বাসিন্দাদের ঘরে থাকার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

বিক্ষোভ দমন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আটকাদেশ বাড়াল নেপালের আদালত

ছবি : সংগৃহীত

ইরানে নিহত বেড়ে ২০৭৬, আহত সাড়ে ২৬ হাজার

ছবি : সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের প্রভাব অস্ট্রেলিয়ায়, সংকট মোকাবিলায় ফ্রি গণপরিবহন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বব্যাপী তেলের বাজারে ছড়িয়ে পড়েছে। সরবরাহে বিঘ্নের কারণে এশিয়ার অনেক দেশে জ্বালানি সংকট প্রকট রূপ নিয়েছে। কিছু দেশ কর্মঘণ্টা কমানো ও অন্যান্য পদক্ষেপ নিয়েছে, তবে ভোক্তাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়া নাগরিকদের গাড়ি কম ব্যবহার করে গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহিত করছে, যাতে তেলের চাহিদা কিছুটা হ্রাস পায়।     সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, দেশটির মূল ভূখণ্ডের ক্ষুদ্রতম রাজ্য ভিক্টোরিয়ার জনগণ আগামী এপ্রিল মাসের শেষ পর্যন্ত বাস, ট্রেন ও ফেরি বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন। একমাত্র দ্বীপ রাজ্য তাসমানিয়ায় তারা এই সুবিধা ভোগ করবেন ১ জুলাই পর্যন্ত। দুই রাজ্য স্বল্পমেয়াদি ফ্রি সেবা চালু করলেও অন্য বড় রাজ্যগুলো নিজস্ব নীতি অনুসরণ করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছে।   ভিক্টোরিয়ার অ্যালান সরকার ঘোষণা করেছে, ৩১ মার্চ থেকে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত মেট্রো ও আঞ্চলিক ভি/লাইন ট্রাম, ট্রেন ও বাস বিনামূল্যে চলবে। সরকার জানিয়েছে, এই অস্থায়ী ব্যবস্থার কারণে প্রায় ৭১ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।   তাসমানিয়ার ৪৭তম প্রিমিয়ার জেরেমি রক্লিফও জানিয়েছেন, ৩০ মার্চ থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত বাস ও ডারওয়েন্ট নদীর ফেরি বিনামূল্যে চলবে। রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী কেরি ভিনসেন্ট বলছেন, এতে যাত্রীদের সপ্তাহে ২০ থেকে ৮৮ ডলার সাশ্রয় হবে।   তবে নিউ সাউথ ওয়েলস ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া একই পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। নিউ সাউথ ওয়েলসের পরিবহনমন্ত্রী জন গ্রাহাম বলেন, ‘আমরা এক বা দুই দিন বা এক মাসের জন্য বিনামূল্যে গণপরিবহন সেবা দিচ্ছি না। আমাদের বড় অর্থনীতিকে সহায়তা করার জন্য নিজেদের সামর্থ্যের মধ্যে থাকতে হবে।’   তিনি আরও বলেন, যাত্রীদের প্রতিদিন যে ‘লাখ লাখ ডলার’ খরচ হয়, তা এই ব্যবস্থায় এবং গণপরিবহনের নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে পুনঃবিনিয়োগ করা হবে।   পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার প্রিমিয়ার রজার কুকও বিনামূল্যে গণপরিবহনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, রাজ্যের ভাড়া ইতোমধ্যেই ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি সংকটের প্রভাবে অস্ট্রেলিয়ায় পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী করেছে, তা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা এখনও গাড়ি চালানো কমাচ্ছেন বা গণপরিবহন বেশি ব্যবহার করছেন না। ফেডারেল সংসদে এসিটি সিনেটর ডেভিড পোকক ও গ্রিনস দল দেশব্যাপী বিনামূল্যে গণপরিবহনের আহ্বান জানাচ্ছেন।  

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলি কারাগারে আরও এক ফিলিস্তিনির মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে ইসরায়েল: রেশনিং করে চলছে আকাশ প্রতিরক্ষা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি পেন্টাগনের, সামনে কয়েক সপ্তাহ—জানালো ওয়াশিংটন

0 Comments