বিশ্ব

ইউক্রেনে বড় হামলার হুমকি রাশিয়ার, বিদেশিদের রাজধানী ছাড়ার আহ্বান

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৬, ২০২৬
ইউক্রেনে হামলার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। ছবি : সংগৃহীত
ইউক্রেনে হামলার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে সামরিক ও প্রশাসনিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ‘পদ্ধতিগত হামলা’ চালানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। একই সঙ্গে বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের দ্রুত কিয়েভ ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

 

রয়টার্সের সোমবার (২৫ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে জানিয়েছেন, রাশিয়ার ভূখণ্ডে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইউক্রেনের ‘সন্ত্রাসী হামলার’ জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর প্রয়োজনে ব্যবহৃত স্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত হামলা শুরু করবে রুশ বাহিনী।

এর আগে আরেক বিবৃতিতে রাশিয়া বিদেশি নাগরিক, বিশেষ করে কূটনীতিকদের দ্রুত কিয়েভ ত্যাগের আহ্বান জানায়।

তবে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা পশ্চিমা মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘রাশিয়ার ‘ব্ল্যাকমেইলের’ কাছে নতি স্বীকার করা যাবে না।’

কিয়েভে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশন প্রধান কাতারিনা ম্যাথেরনোভাও রাশিয়ার হুমকিকে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘রাশিয়া ভয় ও বিচ্ছিন্নতা তৈরি করতে চায়। কিন্তু তা সফল হবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিয়েভ ছেড়ে যাচ্ছে না, আমরা ইউক্রেনের পাশেই আছি।’

রাশিয়া দাবি করেছে, গত শুক্রবার রুশ নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক অঞ্চলে একটি ছাত্রাবাসে ইউক্রেন ইচ্ছাকৃত ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তবে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, তারা ওই এলাকায় একটি বিশেষ ড্রোন কমান্ড ইউনিটে হামলা চালিয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সংগৃহীত ছবি
হজের খুতবা শেষে আরাফাতে নামাজ আদায় করলেন মুসল্লিরা

হজের দ্বিতীয় দিনে সৌদি আরবের আরাফাত পর্বতে সমবেত হন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুসল্লিরা। দেওয়া হয় হজের খুতবা।   আরাফাত ময়দানের মসজিদে নামিরাহতে আরাফার খুতবা দিয়েছেন প্রখ্যাত ইসলামিক আলেম শায়খ আলী আল-হুদাইফি।   হজের খুতবা শেষে আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরায় জামাতে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। সুন্নাত তরিকায় জোহরের ওয়াক্তে এক আজান এবং দুই ইকামতের মাধ্যমে এই নামাজ আদায় করা হয়। মসজিদে নামিরায় ছাড়া হাজিরা নিজ নিজ তাবু থেকে জামাতে নামাজে আদায় করে।   জোহরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পরপরই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মুসল্লিরা জোহর ও আসর—উভয় নামাজ দুই রাকাত করে (কসর) পরপর আদায় করেন।   নামাজ শেষে মুসল্লিরা সূর্য ডোবা পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে হাত তুলে দোয়া, ইস্তিগফার ও কান্নাকাটিতে মশগুল থাকেন।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৬, ২০২৬
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি : সংগৃহীত

প্রেসিডেন্টের নির্দেশে ৮৭ দিন পর ইন্টারনেট চালু ইরানে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

ঈদ বার্তায় ইসরায়েলকে ‘উপড়ে ফেলার’ হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির

ছবি : সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় রাসায়নিক ট্যাংক বিস্ফোরণের শঙ্কা কমেছে

ছবি : সংগৃহীত
আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদী উদ্যোগকে ব্রেক্সিটের সঙ্গে তুলনা কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

কানাডার তেলসমৃদ্ধ প্রদেশ আলবার্টাকে বিচ্ছিন্ন করার উদ্যোগকে যুক্তরাজ্যের ‘ব্রেক্সিট’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। এই উদ্যোগকে ‘বিপজ্জনক’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, এমন ভোটের চূড়ান্ত পরিণতি কী হতে পারে; সে সম্পর্কে সাধারণ মানুষ হয়তো পুরোপুরি সচেতন নয়। মন্ট্রিয়াল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। ২০১৬ সালে ব্রিটেন যখন ঐতিহাসিক এক গণভোটের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ছাড়ার (যা ব্রেক্সিট নামে পরিচিত) সিদ্ধান্ত নেয়, তখন মার্ক কার্নি ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর ছিলেন। যুক্তরাজ্যের ইইউ ত্যাগের জটিল প্রক্রিয়ার পুরো সময়টাতেই তিনি দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্বে ছিলেন। নিজের সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে অটোয়ায় সাংবাদিকদের কার্নি বলেন, ‘যুক্তরাজ্যে কী ঘটেছিল, তা আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। তখন বলা হয়েছিল- বিচ্ছিন্নতার পক্ষে ভোট দিন, সবকিছু সহজ হয়ে যাবে, বাকিটা পরে আলোচনা করে ঠিক করা যাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজ দশ বছর পরও ব্রিটিশরা এমন এক পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার জন্য লড়াই করছে, যার জন্য তারা আসলে ভোট দেয়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটাই ঘটেছে। ব্রিটিশ জনগণ তাদের ভোটের পূর্ণ পরিণতি সম্পর্কে আগে থেকে জানত না।’ সম্প্রতি আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদীরা দাবি করেছে, তারা কানাডা থেকে আলাদা হওয়ার প্রশ্নে গণভোট আয়োজনের জন্য তিন লাখের বেশি মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছে। আলবার্টার স্থানীয় আইন অনুযায়ী গণভোটের দাবি তোলার জন্য এই সংখ্যাটি যথেষ্ট। তবে আলবার্টার একটি আদালত সম্প্রতি পুরো প্রক্রিয়াটি স্থগিত করে দিয়েছেন। বিচারক তার রায়ে বলেন, বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এই উদ্যোগ নেওয়ার আগে স্থানীয় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কোনো আলোচনা বা পরামর্শ করেনি। প্রদেশটি কানাডা থেকে আলাদা হয়ে গেলে এই আদিবাসীদের অধিকার হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই এই নাগরিক উদ্যোগটি আইনিভাবে বৈধ নয়। অবশ্য আদালতের এই সিদ্ধান্তকে ‘ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন আলবার্টার রক্ষণশীল প্রিমিয়ার (প্রাদেশিক সরকারপ্রধান) ডেনিয়েল স্মিথ। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আদালতের রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না—এমনভাবে নতুন ব্যালট প্রশ্ন তৈরি করে তিনি গণভোটের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবেন। এর আগে গত অক্টোবরে স্মিথ বলেছিলেন, তিনি আলবার্টার জনগণের কাছে জানতে চাইবেন- স্বাধীনতার প্রশ্নে একটি বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত কি না। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আলবার্টার কানাডার অংশ হিসেবেই থাকার পক্ষে। সোমবার প্রিমিয়ার স্মিথের এই প্রস্তাবিত ব্যালট প্রশ্ন নিয়ে জানতে চাওয়া হলে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ব্রেক্সিটের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘দেশ বা প্রদেশ বিচ্ছিন্নতার প্রশ্নে প্রায়ই বলা হয়- এটির পক্ষে ভোট দিন, এতে কোনো ঝুঁকি নেই। কিংবা বলা হয়, এতে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ভবিষ্যৎ আলোচনায় আমাদের অবস্থান শক্তিশালী হবে। আসলে এটি খুবই বিপজ্জনক একটি ব্লাফ বা ফাঁকা আওয়াজ।’ সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, আলবার্টার প্রায় ৫০ লাখ বাসিন্দার মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ এখন স্বাধীনতার পক্ষে। প্রদেশটিতে বিচ্ছিন্নতাবাদের ইতিহাসে এই হার এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার (ওটাওয়া) অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আলবার্টার তেলশিল্পকে বাধাগ্রস্ত করছে। পাশাপাশি পরিবেশগত উদ্বেগের অজুহাত তুলে এই খাতে নতুন বিনিয়োগও আটকে দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উভয় পক্ষের নেতাদের মতে, সম্ভাব্য এই গণভোটে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা হেরে গেলেও, এই পুরো প্রক্রিয়াটি কানাডার রাজনীতিকে চিরতরে বদলে দেবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

পীত সাগরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া: সিউল

ছবি : সংগৃহীত

জাপানে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ৩ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি অনুমোদন

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও তার স্ত্রী জ্যানেট রুবিও। ছবি : সংগৃহীত

রুবিওর তাজমহল সফর ঘিরে কটাক্ষ ইরানের, ইতিহাস তুলে ধরার দাবি

ইউক্রেনে হামলার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। ছবি : সংগৃহীত
ইউক্রেনে বড় হামলার হুমকি রাশিয়ার, বিদেশিদের রাজধানী ছাড়ার আহ্বান

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে সামরিক ও প্রশাসনিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ‘পদ্ধতিগত হামলা’ চালানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। একই সঙ্গে বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের দ্রুত কিয়েভ ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।   রয়টার্সের সোমবার (২৫ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে জানিয়েছেন, রাশিয়ার ভূখণ্ডে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইউক্রেনের ‘সন্ত্রাসী হামলার’ জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর প্রয়োজনে ব্যবহৃত স্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত হামলা শুরু করবে রুশ বাহিনী। এর আগে আরেক বিবৃতিতে রাশিয়া বিদেশি নাগরিক, বিশেষ করে কূটনীতিকদের দ্রুত কিয়েভ ত্যাগের আহ্বান জানায়। তবে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা পশ্চিমা মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘রাশিয়ার ‘ব্ল্যাকমেইলের’ কাছে নতি স্বীকার করা যাবে না।’ কিয়েভে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশন প্রধান কাতারিনা ম্যাথেরনোভাও রাশিয়ার হুমকিকে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘রাশিয়া ভয় ও বিচ্ছিন্নতা তৈরি করতে চায়। কিন্তু তা সফল হবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিয়েভ ছেড়ে যাচ্ছে না, আমরা ইউক্রেনের পাশেই আছি।’ রাশিয়া দাবি করেছে, গত শুক্রবার রুশ নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক অঞ্চলে একটি ছাত্রাবাসে ইউক্রেন ইচ্ছাকৃত ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তবে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, তারা ওই এলাকায় একটি বিশেষ ড্রোন কমান্ড ইউনিটে হামলা চালিয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৬, ২০২৬
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ‘ইসরায়েল দিবস প্যারেডে’ অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েল দিবস প্যারেড বয়কট করলেন মামদানি

খুতবা পাঠ করেন মসজিদে নববীর ইমাম করেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি | ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজের খুতবায় ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের আহ্বান

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র আর নিরাপদ আশ্রয় পাবে না: মোজতবা খামেনি

0 Comments