বিশ্ব

রানওয়ে থেকে কার্গো উড়োজাহাজ পড়ল সাগরে, নিহত ২

খবর৭১ ডেস্ক, অক্টোবর ২০, ২০২৫ 0

হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় এমিরেটসের একটি কার্গো উড়োজাহাজ রানওয়ে থেকে ছিটকে সাগরে পড়ে গেছে। এতে দুইজন গ্রাউন্ড স্টাফ নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২০ অক্টোবর) স্থানীয় সময় ভোরে দুবাই থেকে আসা ফ্লাইট ইকে৯৭৮৮ উত্তর দিকের রানওয়েতে একটি নিরাপত্তা বাহনের সঙ্গে ধাক্কা খায়। দুর্ঘটনার পর দুই গ্রাউন্ড স্টাফকে উদ্ধার করা হলেও পরে হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানে থাকা চার ক্রু সদস্য জীবিত আছেন এবং তাদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় আবহাওয়া স্বাভাবিক ছিল।

উড়োজাহাজটি অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বেড়া ভেঙে ফেলে এবং তখনই নিরাপত্তা টহল গাড়িটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় বিমানটি দুই ভাগে ভেঙে সাগরে পড়ে যায়।

দমকল কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ২১৩ জন সদস্য ও ৪৫টি যানবাহনের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান চালায়। তদন্তকারীরা এখন ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার অভিযানে কাজ করছেন।

দুর্ঘটনাকবলিত বোয়িং ৭৪৭-৪৮১ (বিডিএসএফ) বিমানটি ৩০ বছর পুরনো। এটি একসময় যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ছিল, পরে কার্গোতে রূপান্তর করা হয়।

এমিরেটস জানায়, ফ্লাইটটি ‘ওয়েট লিজ’ চুক্তিতে এয়ার এসিটি থেকে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। বিমানে কোনো মালামাল ছিল না এবং সব ক্রু নিরাপদ আছেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যের নৌপরিবহন নিয়ে জরুরি বৈঠকে জাতিসংঘ সংস্থা

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নৌপরিবহন পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার ‘জরুরি অধিবেশন’ শুরু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)। আটকে পড়া হাজারো জাহাজ ও নাবিকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। লন্ডনভিত্তিক জাতিসংঘের এই সংস্থা আন্তর্জাতিক নৌযান নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করে। দুই দিনের এই বৈঠকে সম্ভাব্য প্রস্তাব গ্রহণের বিষয় বিবেচনা করা হবে।  লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। আইএমও’র ৪০ সদস্যের কাউন্সিল বৃহস্পতিবার কয়েকটি প্রস্তাবের ওপর ভোট দিতে পারে। এর মধ্যে একটি প্রস্তাব রয়েছে পারস্য উপসাগরে আটকে পড়া নাবিক ও জাহাজকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে ‘নিরাপদ সামুদ্রিক করিডোর’ গঠনের। তবে এ সব প্রস্তাব গৃহীত হলেও, তা বাধ্যতামূলক হবে না। এই বৈঠক উন্মুক্ত থাকবে সংস্থার ১৭৬ সদস্য দেশ, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও নৌপরিবহন খাতের সংগঠনগুলোর জন্য।  ইরানের পাল্টা হামলায় হরমুজ প্রণালীর আশপাশে বাণিজ্যিক নৌপরিবহন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রেক্ষাপটে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।  সেখানে কার্যত ইরানের অবরোধে তেলের দাম বেড়ে গেছে এবং বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। আইএমও আরও জানায়, প্রণালীর পশ্চিমে প্রায় ৩ হাজার ২০০টি জাহাজে প্রায় ২০ হাজার নাবিক আটকা পড়েছেন। সংঘাত শুরুর পর থেকে অন্তত ২১টি জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে বা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস, আইএমও এবং ইরাক ও ইরানের তথ্যের ভিত্তিতে এ হিসাব দিয়েছে এএফপি। সংযুক্ত আরব আমিরাত বৈঠকের আগে আইএমওতে জমা দেওয়া এক নথিতে জানায়, ‘বিভিন্ন দেশের ১৮টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ প্রক্ষেপণাস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন নৌযান ও সমুদ্র মাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ সোমবার জমা দেওয়া ওই নথিতে আরও বলা হয়, ‘কমপক্ষে আটজন নাবিক নিহত হয়েছেন এবং চার জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।’ -‘অযৌক্তিক’ হামলা - ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানিসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ আইএমও কাউন্সিলকে একটি ঘোষণা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। এতে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইরানের ‘গুরুতর হামলার’ কঠোরভাবে নিন্দা জানানোর কথা বলা হয়েছে। তারা উল্লেখ করে, ইরান ‘বাণিজ্যিক জাহাজ, নাবিক ও বেসামরিক সামুদ্রিক অবকাঠামোকে হুমকি দিয়েছে ও আক্রমণ করেছে।’  এ সব হামলাকে ‘অযৌক্তিক’ উল্লেখ করে, তা বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। তারা তেহরানের ঘোষিত ‘হরমুজ প্রণালী বন্ধ’ করার বিষয়টিও নিন্দা জানানোর আহ্বান জানায়। অন্যদিকে আইএমওর সদস্য হলেও কাউন্সিলে নেই এমন জমা দেওয়া নথিতে, ইরান তাদের বর্তমান সামুদ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির জন্য ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে দায়ী করেছে। তারা বলেছে, ‘বর্তমানে নৌপরিবহন ও নাবিকদের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তা এ সব অবৈধ কর্মকাণ্ডের সরাসরি ও অনিবার্য ফল। এর মূল কারণ থেকে আলাদা করে এটি দেখা যাবে না।’ অন্যদিকে জাপান, পানামা, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আইএমওকে উপসাগরে আটকে পড়া নাবিক ও জাহাজকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে একটি কাঠামো গড়ে তুলতে আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, এতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া সহজ হবে এবং সামরিক হামলা এড়িয়ে সামুদ্রিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা যাবে। এদিকে নৌপরিবহন খাতের সংগঠনগুলো ‘সমন্বিত আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা উদ্যোগ’ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে নাবিকদের কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তারা চায়, নাবিকদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা, ক্রু পরিবর্তন ও জাহাজ থেকে নামার সুযোগ নিশ্চিত করা ও প্রয়োজনীয় রসদ সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ট্রাম্পের চীন সফর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগে বেইজিং, অনির্দিষ্ট সময়সূচি

ছবি : সংগৃহীত

মৃত্যুর আগে শহীদদের জন্য আবেগঘন চিঠি লিখলেন আলি লারিজানি

ছবি : সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলা ৫১তম অঙ্গরাজ্য হলে কেমন হয়, প্রশ্ন ট্রাম্পের

ইরানি ড্রোন হামলায় দুবাই বিমানবন্দরের কাছে একটি জ্বালানি ট্যাংকে আগুন ধরে যায়। ছবি: রয়টার্স
সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহতদের প্রায় সবাই পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও নেপালের

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহত বেসামরিকদের মধ্যে একজন বাদে বাকি সবাই পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও নেপালের নাগরিক।দেশটির কর্তৃপক্ষ নিহত ছয় বেসামরিকের নাম প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা গেছে, শুধু একজন উপমহাদেশের বাইরের, তিনি ফিলিস্তিনের নাগরিক। নিহত ছয়জনের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনজন পাকিস্তানের, একজন বাংলাদেশের, একজন নেপালের ও অপরজন ফিলিস্তিনি। এদের মধ্যে নিহত বাংলাদেশির নাম আহমেদ আলী। নিহত আহমদ আলী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত পাঁচ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর জানা গেছে। তাদের মধ্যে একজন দুবাই, একজন বাহারাইন ও তিনজন সৌদি আরবে মারা গেছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে গাল্ফ নিউজ জানিয়েছে, দেশটির এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ১৭ মার্চ, মঙ্গলবার ইরানের ছোড়া ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ৪৫টি ড্রোন প্রতিহত করেছে। আর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা দেশটিকে লক্ষ্য করে ছোড়া ৩১৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১৫টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৬৭২টি ড্রোন প্রতিহত করেছে। এসব হামলায় যারা আহত হয়েছেন তারা আরব আমিরাত, বাংলাদেশ, মিশর, ইথিয়োপিয়া, ফিলিপিন্স, পাকিস্তান, ইরান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, আজারবাইজান, ইয়েমেন, ফিলিস্তিন, উগান্ডা, ইরিত্রিয়া, লেবানন ও আফগানিস্তানের নাগরিক। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিস্থিতির মধ্যে ১০ মার্চ সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে সশস্ত্র বাহিনীর দুই কর্মকর্তা নিহত হয়। হেলিকপ্টারটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

৪৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে পড়তে পারে

আব্বাস আরাগচি। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকে কড়া বার্তা দিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলার নতুন ধাপ শুরু ইরানের

ছবি: সংগৃহীত
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ গেল দুই ইসরাইলির

ইরানের রাতভর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দখলদার ইসরাইলের তেল আবিবের উপশহর রামাত গানে দুইজন নিহত হয়েছেন। দেশটির জরুরি চিকিৎসাসেবা সংস্থা ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম (এমডিএ) জানিয়েছে, গুরুতর আহত অবস্থায় থাকা ওই দুই ব্যক্তি পরে মারা যান। হিব্রু গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, নিহতরা সইরানের রাতভর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দখলদার ইসরাইলের তেল আবিবের উপশহর রামাত গানে দুইজন নিহত হয়েছেন। দেশটির জরুরি চিকিৎসাসেবা সংস্থা ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম (এমডিএ) জানিয়েছে, গুরুতর আহত অবস্থায় থাকা ওই দুই ব্যক্তি পরে মারা যান। হিব্রু গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, নিহতরা সত্তরের কোঠার এক দম্পতি। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ইরানের মিসাইল হামলা থেকে বাঁচতে তারা বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।ত্তরের কোঠার এক দম্পতি। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ইরানের মিসাইল হামলা থেকে বাঁচতে তারা বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।   এদিকে এই হামলার পর তেল আবিব ট্রেন স্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এতে নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। একই সঙ্গে বনি ব্রাক (২৫) নামে এক যুবক শ্র্যাপনেলের আঘাতে আহত হন। এমডিএ জানায়, আহত ওই যুবককে দ্রুত চিকিৎসার জন্য তেল আবিবের ইচিলভ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।   সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
আলি লারিজানি। ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলি হামলায় নিহত আলি লারিজানি, নিশ্চিত করল ইরান

সংগৃহীত ছবি

ইরানের হামলায় ২০০ মার্কিন সেনা নিহত, আহত ৩ হাজার : প্রেস টিভি

ইরানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

শীর্ষ নেতাদের হত্যার পর ইরানের কড়া প্রতিক্রিয়া

0 Comments