জাতীয়

দুর্ধর্ষ ৭২৮ বন্দি এখনও অধরা

দুর্ধর্ষ ৭২৮ বন্দি এখনও অধরা: আতঙ্কিত দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

নাসির উদ্দিন অক্টোবর ০৪, ২০২৫ 0

ঢাকা: সাম্প্রতিক এক দৃষ্টান্তহীন জেলপলানোর ঘটনায় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় চরম চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি ও পুলিশ সূত্র জানাচ্ছে, মোট ৭২৮ বন্দি এখনও অধরা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেন অস্ত্রধারী, খুন ও মারধরের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত খলনায়ক।

 

পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সূত্র অনুযায়ী, এই বন্দিরা রাতের অন্ধকারে সুচারুভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে কারাগারের নিরাপত্তা ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পালিয়ে যায়। নিরাপত্তা ক্যামেরা, প্রহরী ও অন্যান্য নজরদারি ব্যবস্থা থাকলেও একটি সুক্ষ্ম পরিকল্পনার কারণে তারা সহজেই পালাতে সক্ষম হয়।

 

বন্দিদের ধরার জন্য পুলিশের বিশেষ ইউনিট ‘র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB)’ এবং গোয়েন্দা সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (NIB)’ একযোগে অভিযান পরিচালনা করছে। স্থানীয় ও সীমান্তবর্তী এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করে আকাশ থেকে অনুসন্ধান চলছে। এছাড়া, শহর ও গ্রামীণ এলাকায় গোপন গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে সন্দেহভাজন বন্দিদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

 

পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বন্দিদের ধরার জন্য বিশেষ দল নির্ধারিত এলাকায় রাতভর অভিযান চালাচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার জন্য স্থানীয় প্রশাসন বার্তা দিয়েছে। বিশেষ করে, সন্দেহজনক কার্যকলাপ, অচেনা ব্যক্তির চলাফেরা বা অস্বাভাবিক গাড়ির চলাচল সম্পর্কে অবিলম্বে পুলিশকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনা শুধু অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচায়ক নয়, বরং সমগ্র কারাগার ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতার প্রতিফলন। তাঁরা আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, সাইবার নজরদারি এবং দ্রুতগতির গোয়েন্দা হস্তক্ষেপ ছাড়া এই ধরনের বিপজ্জনক বন্দিদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।

 

সরকার ইতোমধ্যেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে এবং কারাগার নিরাপত্তা জোরদার, বন্দিদের নিয়ন্ত্রণ ও আধুনিকায়নের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে, বন্দিদের অধরা থাকা পর্যন্ত দেশের নিরাপত্তা ও জনজীবনে উদ্বেগ অব্যাহত থাকবে।

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
আজও বাতিল মধ্যপ্রাচ্যের ২৬ ফ্লাইট, ২০ দিনে ৬১৪

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।   এর ধারাবাহিকতায় আজ (১৯ মার্চ) মোট ২৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ফলে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মোট বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১৪।   বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, আকাশপথ বন্ধ থাকায় ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি, ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি, ১৩ মার্চ ২৫টি, ১৪ মার্চ ২৪টি, ১৫ মার্চ ২৩টি, ১৬ মার্চ ২৮টি, ১৭ মার্চ ২৬টি, ১৮ মার্চ ২৬টি এবং ১৯ মার্চ ২৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।   বৃহস্পতিবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে—কুয়েতগামী ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়া (শারজাহ) ৬টি, গালফ এয়ার (বাহরাইন) ২টি, কাতার এয়ারওয়েজ ৪টি, এমিরেটস ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজ ৪টি এবং ফ্লাইদুবাই ৪টি ফ্লাইট।   মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ফ্লাইট বাতিলের এই ধারা অব্যাহত রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও প্রবাসীদের চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ : ঈদেও চালু থাকছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ

ছবি : সংগৃহীত

তারেক রহমানের নেতৃত্বে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই : হুইপ দুলু

ছবি : সংগৃহীত

ফসল বীমা চালুর উদ্যোগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিপূরণ পাবেন কৃষক : কৃষিমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মন্ত্রীদের সংসদবিষয়ক দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের সংসদ বিষয়ক কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য দায়িত্ব বণ্টন করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের অনুকূলে এ দায়িত্ব নির্দিষ্ট করে গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ জাতীয় সংসদে নিজ নিজ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রশ্নোত্তর প্রদানসহ সংশ্লিষ্ট কার্যাবলি সম্পাদন করবেন। শীর্ষ পর্যায়ের দায়িত্ব বণ্টন : প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে এ দায়িত্ব পালন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সংসদীয় দায়িত্ব পালন করবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এছাড়া রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বিকল্প হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিকল্প হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ওই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিকল্প হিসেবে শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির দায়িত্ব পালন করবেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের অনুপস্থিতিতে তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের বিকল্প হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ওই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন ওই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের বিকল্প হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ওই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। রেলপথ ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের অনুপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কার্যাবলি সম্পাদন করবেন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের বিকল্প দায়িত্ব পালন করবেন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। এছাড়া ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং বিকল্প দায়িত্বপ্রাপ্ত—উভয় মন্ত্রীই যদি সংসদে অনুপস্থিত থাকেন, তবে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংশ্লিষ্ট বিষয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। তার অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে এসব কার্যাবলি সম্পাদন করবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে : টুকু

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের রেলস্টেশন ও প্রবেশপথে ঘরমুখো মানুষের ঢল

ছবি: সংগৃহীত

ঈদ সামনে, নতুন নোটে বান্ডেলপ্রতি অতিরিক্ত ৩০০–৬০০ টাকা গুনছেন ক্রেতারা

ছবি: সংগৃহীত
ঈদের দিন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আসন্ন ঈদুল ফিতরের দিনে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, ঈদের দিন সকাল ১০টায় যমুনায় এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।   জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী প্রথমে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। এরপর সকাল ১০টায় যমুনায় উপস্থিত হয়ে কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।   পরবর্তীতে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদ, আলেম-ওলামা, শিল্পী-সাহিত্যিক এবং উচ্চপদস্থ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।   অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত শহীদ জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া-এর কবর জিয়ারত করবেন।   উল্লেখ্য, প্রায় দেড় যুগ পর এবারই প্রথম দেশে ঈদ উদযাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ঈদ পালন করেছেন। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর তিনি পরিবারসহ দেশে ফেরেন।   এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

আক্তারুজ্জামান মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বায়তুল মোকাররমে ঈদুল ফিতরের ৫ জামাত, সময়সূচি প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ছবি : সংগৃহীত

ঈদের ছুটিতেও থেমে নেই কাজ, বাসভবন থেকেই সক্রিয় প্রধানমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক, বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না: সড়কমন্ত্রী

0 Comments