শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষা কেবল ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; এটিকে উৎপাদনশীলতা, দক্ষতা ও বাস্তব জীবনের প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে।
শুক্রবার (১৯ জুন) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের প্রবেশিকা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রায় দুই হাজার নবীন শিক্ষার্থী অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নবীনদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরিবার, সমাজ ও দেশের প্রতি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর দায়িত্ব রয়েছে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ মূলত শিক্ষিত তরুণ সমাজের ওপর নির্ভর করছে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হলে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ জনসংখ্যা সংকটের মুখোমুখি হলেও বাংলাদেশ তার বৃহৎ জনসংখ্যাকে উন্নয়নের শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে। সঠিক শিক্ষা ও কর্মদক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশ বৈশ্বিক পরিসরে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এম রাশিদুল আলম শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা মেনে চলা এবং আদর্শ নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও মর্যাদা রক্ষার শপথ পাঠ করান।
এ সময় উপ-উপাচার্যবৃন্দ, কোষাধ্যক্ষ, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানজুড়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নতুন অধ্যায়ে স্বাগত জানানো হয়।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
লেখাপড়াকে শুধু ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতার সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (৫৫ ব্যাচ) স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের প্রবেশিকা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে বিভিন্ন অনুষদের প্রায় দুই হাজার নবীন শিক্ষার্থী অংশ নেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. এ বি এম আজিজুর রহমান নবীন শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ অনুষদের ডিনদের কাছে পাঠক্রম সম্পাদনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন এবং সংশ্লিষ্ট ডিনরা শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানটির শেষভাগে নবীন শিক্ষার্থীদের জাবির ঐতিহ্য ও গৌরব বজায় রাখার শপথ বাক্য পাঠ করান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদানকেন্দ্রের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আফসানা হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন রুনু। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এম রাশিদুল আলম শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা বিধি মেনে চলে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পরিবার, সমাজ ও দেশের প্রতি আমাদের সবারই দায়বদ্ধতা রয়েছে। তোমাদের বুঝতে হবে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অনেকাংশেই নির্ভর করছে শিক্ষিত তরুণ সমাজের ওপর। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। এই বিশাল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করার দায়িত্ব আমাদের সবার, বিশেষ করে তোমাদের মতো শিক্ষার্থীদের। তিনি আরও বলেন, উন্নত বিশ্বের অনেক দেশ জনসংখ্যাগত সংকটের মুখোমুখি হলেও আমরা সেই চ্যালেঞ্জকে সুযোগে পরিণত করতে পারি। সঠিক শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বপরিবর্তনের অন্যতম শক্তিশালী জাতিতে পরিণত হতে পারে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রব। এ ছাড়া, জাকসু প্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্যপদের ভুল তথ্য জমা দেওয়ার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মঙ্গলবার জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ২৩৭টি শূন্যপদের ক্ষেত্রে অসঙ্গতি ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। মাউশির তদন্তে যেসব অনিয়ম উঠে এসেছে তার মধ্যে রয়েছে—প্যাটার্ন বহির্ভূত পদে নিয়োগ চাহিদা পাঠানো, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও পদ দেখানো, ভুল তথ্য প্রদান, আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ই-রিকুইজিশন জমা দেওয়া, শিক্ষক প্রয়োজন না থাকলেও পদ খালি দেখানো এবং সময়মতো তথ্য সরবরাহ না করা। নোটিশে সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষ ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের ১০ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে। জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কেন এমপিও সুবিধা স্থগিত বা বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে হবে। এ ছাড়া গভর্নিং বডির সভাপতির পদ শূন্য ঘোষণা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে মতামতও চাওয়া হয়েছে। মাউশি জানিয়েছে, প্রাপ্ত জবাব পর্যালোচনা করে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা স্থগিত বা অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটের আওতায় মেরামত ও সংস্কার কাজের জন্য দেশের ৪ হাজার ৪৬০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১২৪০২০৯০০০০০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ এর কোড ৩২৫৮১০৮ অন্যান্য ভবন ও স্থাপনা খাতে দুইশত চার কোটি টাকা হতে সংযুক্ত তালিকা অনুসারে ৪৪৬০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৬ কোটি নব্বই লাখ টাকা শর্তসাপেক্ষে ব্যয়ের নিমিত্ত বরাদ্দ ও মঞ্জুরী তার নিয়ন্ত্রণাধীনে প্রদান করা হলো এবং সংশ্লিষ্ট আয়ন-বায়ন কর্মকর্তাকে (উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার) উক্ত অর্থ উত্তোলন ও ব্যয়ের ক্ষমতা প্রদান করা হলো। ৩৮.০০৬.০২০.০৭.০০.০৪৫,২০০৯-১৩৮ শর্তসমূহ: ক) এ অর্থ ব্যয়ে সরকারের সকল আর্থিক বিধি-বিধান ও অনুশাসনাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে; খ) মন্ত্রণালয়ের ২০/০৫/২০১৩ তারিখের ৩৮.০০৬.০২০.০৭.০০.০৪৫,২০০৯-১৩৮ নং স্মারক এবং ২২/০৫/২০১৯ তারিখের ৩৮.০০, ০০০০.০০৬.২০.০৪৫.১৯,২৩৩ নং স্মারকে জারীকৃত নীতিমালার আলোকে এবং বিভাজন অনুসরণ ব্যতীত অর্থ ব্যয় করা যাবে না; গ) এই ব্যয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটের আওতায় ১২৪০২০৯০০০০০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ এর কোড ৩২৫৮১০৮ অন্যান্য ভবন ও স্থাপনা খাতে বরাদ্দকৃত ২০৪ কোটি টাকা হতে মিটানো হবে; ঘ) ভ্যাট পরিশোধের প্রমাণক সংরক্ষণ করতে হবে। ব্যর্থতায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপর দায়-দায়িত্ব বর্তাবে; ঙ) আগামী ৩০.০৬.২০২৬ তারিখের মধ্যে মেরামত ও সংস্কারের কাজ সমাপ্ত করতে হবে; চ) নীতিমালার ১১(ট) শর্তের আলোকে ২০২৫ এর মধ্যে অর্থ বরাদ্দ, অর্থ ব্যয়, অব্যয়িত অর্থ উল্লেখপূর্বক ব্যয়িত অর্থের হিসাব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে। ব্যর্থতায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপর দায়-দায়িত্ব বর্তাবে; ছ) সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের ২০.০৫.২০১৩ তারিখের নীতিমালার ১(৭) শর্ত প্রযোজ্য হবে; জ) নিবিড় তদারকীর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে কাজ সমাপ্ত করতে হবে। ব্যর্থতায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও কমিটির (এসএমসি) উপর দায়-দায়িত্ব বর্তাবে; ঝ) সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা; জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা; উপজেলা প্রকৌশলী, এলজিইডি কার্যক্রম তদারকী করবেন; ঞ) অডিটের প্রয়োজনে সকল বিল-ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে; চ) অব্যয়িত অর্থ ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জামা দিতে হবে।