স্বাস্থ্য

পূর্ববর্তী সরকারের গাফিলতিতে টিকা কর্মসূচিতে সংকট তৈরি হয়েছে

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পূর্ববর্তী সরকারের অব্যবস্থাপনা ও গাফিলতির কারণে টিকা কর্মসূচি এবং পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী সংগ্রহে সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।

 

তিনি বলেন, সরকারের কাছে বিষয়টা স্পষ্ট। তাই এ বিষয়ে নতুন করে তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে জানান তিনি।

 

রোববার (২১ জুন) সচিবালয়ে পুরাতন ১ নম্বর ভবনের সভাকক্ষে স্বাস্থ্যখাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের শেষ দিকে নির্ধারিত টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়িত না হওয়ায় অনেক শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এ কারণে চলতি বছরের প্রাদুর্ভাবে আক্রান্ত হওয়া অধিকাংশ শিশুই ওই সময়ের মধ্যে জন্ম নেওয়া। তবে মার্চে মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা এবং এক মাসের মধ্যে প্রায় শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার বড় সাফল্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

হাম নিয়ে তদন্তের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, এ বিষয়ে নতুন করে তদন্তের প্রয়োজন নেই। কারণ, কী কারণে সমস্যা তৈরি হয়েছে তা সরকারের কাছে স্পষ্ট।

 

পূর্ববর্তী সরকারের কোনো গাফিলতি ছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের গাফিলতির কারণেই ২০২৪ সালের টিকাদান কার্যক্রমের একটি পূর্ণাঙ্গ রাউন্ড মিস হয়েছে। ভ্যাকসিন সংগ্রহ হয়নি, পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রীও কেনা হয়নি। এসব ক্ষেত্রে গাফিলতি ছিল, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

 

তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) বাদ দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পদ্ধতিতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের ফলে স্বাভাবিক অর্থপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়।

 

তিনি বলেন, ডিপিপিগুলো দ্রুত অনুমোদন পাবে এমন ধারণা থেকে ওপি পদ্ধতি বাদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এক বছর পেরিয়ে গেলেও অনেক ডিপিপির প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়নি এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি অনুমোদন ও প্রকল্প কার্যালয় গঠন করা সম্ভব হয়নি। ফলে পূর্বের অর্থপ্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও নতুন অর্থায়নের ব্যবস্থা চালু হয়নি।

 

স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী বলেন, এর ফলে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে সংকটে পড়েছে, যার বোঝা এখনো জাতিকে বহন করতে হচ্ছে।

 

এই সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী বর্তমানে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তরে যাচ্ছেন। সেখানে প্রয়োজনীয় আলোচনা করে জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন পণ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে দ্রুত ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হয়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

স্বাস্থ্য

আরও দেখুন
পূর্ববর্তী সরকারের গাফিলতিতে টিকা কর্মসূচিতে সংকট তৈরি হয়েছে

পূর্ববর্তী সরকারের অব্যবস্থাপনা ও গাফিলতির কারণে টিকা কর্মসূচি এবং পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী সংগ্রহে সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।   তিনি বলেন, সরকারের কাছে বিষয়টা স্পষ্ট। তাই এ বিষয়ে নতুন করে তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে জানান তিনি।   রোববার (২১ জুন) সচিবালয়ে পুরাতন ১ নম্বর ভবনের সভাকক্ষে স্বাস্থ্যখাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।   হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের শেষ দিকে নির্ধারিত টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়িত না হওয়ায় অনেক শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এ কারণে চলতি বছরের প্রাদুর্ভাবে আক্রান্ত হওয়া অধিকাংশ শিশুই ওই সময়ের মধ্যে জন্ম নেওয়া। তবে মার্চে মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা এবং এক মাসের মধ্যে প্রায় শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনা দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার বড় সাফল্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।   হাম নিয়ে তদন্তের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, এ বিষয়ে নতুন করে তদন্তের প্রয়োজন নেই। কারণ, কী কারণে সমস্যা তৈরি হয়েছে তা সরকারের কাছে স্পষ্ট।   পূর্ববর্তী সরকারের কোনো গাফিলতি ছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের গাফিলতির কারণেই ২০২৪ সালের টিকাদান কার্যক্রমের একটি পূর্ণাঙ্গ রাউন্ড মিস হয়েছে। ভ্যাকসিন সংগ্রহ হয়নি, পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রীও কেনা হয়নি। এসব ক্ষেত্রে গাফিলতি ছিল, এতে কোনো সন্দেহ নেই।   তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।   সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) বাদ দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পদ্ধতিতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের ফলে স্বাভাবিক অর্থপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়।   তিনি বলেন, ডিপিপিগুলো দ্রুত অনুমোদন পাবে এমন ধারণা থেকে ওপি পদ্ধতি বাদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এক বছর পেরিয়ে গেলেও অনেক ডিপিপির প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়নি এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি অনুমোদন ও প্রকল্প কার্যালয় গঠন করা সম্ভব হয়নি। ফলে পূর্বের অর্থপ্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও নতুন অর্থায়নের ব্যবস্থা চালু হয়নি।   স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী বলেন, এর ফলে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে সংকটে পড়েছে, যার বোঝা এখনো জাতিকে বহন করতে হচ্ছে।   এই সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী বর্তমানে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তরে যাচ্ছেন। সেখানে প্রয়োজনীয় আলোচনা করে জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন পণ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে দ্রুত ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হয়।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

লিভারের চর্বি কমাতে সাহায্য করে যেসব খাবার

ছবি : সংগৃহীত

প্রতিদিন ১০ হাজার পা হাঁটুন, সুস্থ জীবনের পথে এগিয়ে যান

ছবি : সংগৃহীত

হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে, আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আকস্মিক পরিদর্শনে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে ক্লোজড করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন করে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীকে ক্লোজড করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. আনার হোসেনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে হাসপাতালের অস্থায়ী তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।   মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে তিনি চিকিৎসকদের উপস্থিতি, ডিউটি রোস্টার, রোগীসেবা, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা এবং চলমান উন্নয়নকাজ পর্যালোচনা করেন।   এ সময় রোগী ও স্বজনরা হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য, নিম্নমানের খাবার, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সেবাপ্রাপ্তিতে ভোগান্তির অভিযোগ তুলে ধরেন। কিছু ক্ষেত্রে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও সামনে আসে।   হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ, ওয়ার্ড, প্যাথলজি ল্যাব ও টয়লেট ঘুরে দেখে বিভিন্ন অসঙ্গতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। নতুন ভবনের নির্মাণকাজের ধীরগতির বিষয়েও তিনি ক্ষোভ জানান এবং দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।   পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে স্বাস্থ্যখাত নানা সংকটে রয়েছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে অমানবিক পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রমাণ পাওয়ায় তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।   তিনি বলেন, জনগণের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। দালালচক্র, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।   পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এন. এম. নাসিরুদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা. আনার হোসেনসহ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

আদ-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল: সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

ফাইল ছবি

অনুমোদন পেল আরও  এক নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ, প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত

অন্য হাসপাতালে চলবে আদ্-দ্বীনের শিক্ষা কার্যক্রম

হাম উপসর্গে একদিনে ৫ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।   শনিবার (১৩ জুন) অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এ মৃত্যু হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ দিন হামে আক্রান্ত কারো মৃত্যু হয়নি। তবে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৯৬ জন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্যসেবা খাতে যাত্রা শুরু করল ‘আকিজ মেডিপ্লেক্স’

ছবি : সংগৃহীত

মুখে ঘা হয় কেন, এটি কি কোনো ভয়াবহ রোগের ইঙ্গিত?

ছবি : সংগৃহীত

মাথার পেছনে ব্যথা কেন হয়? জেনে নিন সম্ভাব্য কারণ

0 Comments