জাতীয়

পুলিশের ফায়ারিং অনুশীলনের সময় যুবক গুলিবিদ্ধ

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ডিসেম্বর ১১, ২০২৫ 0

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের মাস্কেট্রি অনুশীলনের সময় বাবু (৩২) নামের এক পথচারী যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় পুলিশের ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে একটি গুলি গিয়ে বাবুর বুকে লাগে বলে জানান স্থানীয়রা।

জানা যায়, বাবু মোটরসাইকেলে করে চুয়াডাঙ্গা হায়দারপুর থেকে সাতগাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন।

গুলিবিদ্ধ বাবু চুয়াডাঙ্গা শহরের সাতগাড়ী এলাকার পুরাতন পাড়ার বাসিন্দা হামিদ উদ্দীনের ছেলে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক কালবেলাকে বলেন, দুপুরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক রোগীকে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রেফার্ড করা হয়েছে।

ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটল তা তদন্ত করে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সব নিয়ম মেনে ও জনসাধারণকে সতর্ক করেই দুদিনব্যাপী ফায়ারিং কার্যক্রম চলছে। তবে গুলিটি কোথা থেকে এসে বিদ্ধ হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংগৃহীত ছবি
‘মিড ডে মিল’ পর্যায়ক্রমে সব স্কুলে চালু হবে

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধাপে ধাপে ‘মিড ডে মিল’ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, ‘প্রথমে উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এ কর্মসূচি চালু করা হবে, এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের সব স্কুলে তা বাস্তবায়ন করা হবে।’ সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে শিক্ষা খাত নিয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।   প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষাব্যবস্থাকে সিঙ্গেল কারিকুলামের দিকে নেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।বাংলা, ইংরেজি ও ইবতেদায়ীসহ সব মাধ্যমে ১২ বছর শিক্ষার পর শিক্ষার্থীরা যেন সমান দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সে লক্ষ্যে কাজ চলছে।তিনি বলেন, ‘শিক্ষা কারিকুলামে সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী জুনের পর থেকে এ বিষয়ে কাজ শুরু হবে এবং দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে তা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।’ ববি হাজ্জাজ আরো বলেন, ‘ভাষাগত দক্ষতা, গণিতের দক্ষতা ও নৈতিকতার উন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের হাতে প্রযুক্তি পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘স্কুলের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে কোচিংনির্ভর শিক্ষা সরকার নিরুৎসাহিত করতে চায়।’ আগামী তিন বছরের মধ্যে কোচিং সংস্কৃতি কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষায় ৯৬ শতাংশ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাকে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।ক্লাস ওয়ানের পর ভর্তি লটারি পদ্ধতি চালু থাকার যৌক্তিকতা নিয়েও নীতিগত আলোচনা চলছে। এ ছাড়া পথশিশুদের জন্য শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে বলেও জানান তিনি। স্কুল ম্যানেজিং কমিটি ও রমজানের ছুটির বিষয়েও আলোচনা চলছে এবং ভবিষ্যতে শিক্ষা ক্যালেন্ডারে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
হিউমান রাইটস ওয়াচ, অ্যামিনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ফর্টিফাই রাইটস, আর্টিকেল নাইনটিন, সিপেজি, সিভিকাসসহ ৯টি সংগঠন এ চিঠি লিখেছে।

র‍্যাব বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ৯ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের চিঠি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। ফাইল ছবি

সুন্দর ভোট হলে আপত্তি ওঠে ভোট হওয়ার পরে: সিইসি

সংগৃহীত ছবি

মধ্যপ্রাচ্য সংকট : শাহজালাল থেকে বাতিল ৫২৮ ফ্লাইট

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২ বছরে জনগণের আয় দ্বিগুণ করা বিএনপি সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

২ বছরে দেশের জনগণের আয় দ্বিগুণ করা বিএনপি সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের জনগণ পাশে থাকলে যেকোনো পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন সম্ভব। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করাই বিএনপির রাজনীতি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।  তারেক রহমান বলেন, আমরা যারা বিএনপি করি, এই দলের কাজ হচ্ছে এমন কাজ করা যা করলে মানুষের উপকার হবে এবং মানুষ খুশি হবে। আমরা চেষ্টা করি সেই কাজগুলোই করতে এবং সে কারণেই আজ আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি, আনুষ্ঠানিকভাবে আজকে আমরা এই সাহাপাড়া খালটি  খনন করতে যাচ্ছি।  প্রায় ১২ কিলোমিটার লম্বা এই খাল খননের কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ করতে পারলে তার ফলাফল কেমন হবে এ বিষয়েও বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সম্পূর্ণভাবে যখন কাজ শেষ করব, তখন প্রায় ৩১ হাজার কৃষক এখান থেকে পানি পাবে।  প্রায় ১২০০ হেক্টর জমি এই খালে যে পানি থাকবে, সেই পানির সেচ সুবিধার মধ্যে আসবে। সাড়ে তিন লাখ মানুষ এই খালের পানির সুবিধা পাবে, এই খালের পানি বিভিন্নভাবে তারা ব্যবহার করতে পারবে। শুধু তাই নয়, এখন যেই ফসল উৎপাদন হচ্ছে, তার থেকে প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন বেশি ফসল উৎপাদিত হবে। খাল খনন কেন জরুরি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে যে খালগুলো আগে ছিল প্রায় সকল খাল ভরাট হয়ে গিয়েছে। আমি আসার পথে বিভিন্ন জায়গায় দেখলাম নদীর পর্যন্ত ভরাট হয়ে গিয়েছে। নদীর মধ্যে কিছু চাষবাসের কাজ হচ্ছে। ছোট ছোট কালভার্ট ব্রিজ যখন পার হয়ে আসলাম দেখলাম যে অনেকগুলো খাল প্রায় ভরাট হয়ে গিয়েছে। এই এলাকায় খবর নিয়ে জানলাম, বর্ষার মৌসুমেও খরা হয়, অনেক জায়গায় পানি পাওয়া যায় না। কিন্তু আমরা এই বর্ষার পানিকে কাজে লাগাতে চাই।  বিএনপির রাজনীতি মানুষের ভাগ্যে পরিবর্তনের রাজনীতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজকে যে মাসে ৫ হাজার টাকা আয় করে আমরা চাই তার আয় আগামী দুই চার বছরের মধ্যে যাতে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকায় পৌঁছে। যে ২ হাজার টাকা ইনকাম করে আমরা চাই এমন পদক্ষেপ নিতে যার মাধ্যমে তার ইনকামটা ডবল হবে। এটাই হচ্ছে আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য। এটাই হচ্ছে শহীদ জিয়ার রাজনীতি। এটাই হচ্ছে খালেদা জিয়ার রাজনীতি এবং এটাই হচ্ছে আপনাদের নির্বাচিত বিএনপি সরকারের রাজনীতি।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় ভিসা নিয়ে যা বললেন হাইকমিশনার

খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নবনিযুক্ত র‌্যাব প্রধান আহসান হাবীব, এসবি প্রধান নুরুল আমিন ও সিআইডি প্রধান মোসলেহ উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

র‍্যাব, এসবি ও সিআইডির শীর্ষ পদে রদবদল

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ। ছবি: সংগৃহীত
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন।   রোববার (১৫ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রতিমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান তিনি এবং দুই দেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, শিক্ষা, দক্ষ অভিবাসন এবং জনগণের মধ্যকার যোগাযোগ বৃদ্ধিতে দুই দেশের অংশীদারিত্ব ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে।   রুশ রাষ্ট্রদূত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে রাশিয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন।   বৈঠকের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের (২০২৬–২০২৭ মেয়াদ) সভাপতিত্ব। এ পদের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার বিষয়ে রাশিয়ার সমর্থন কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।   দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিক অগ্রগতিতে উভয় পক্ষই সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

তথ্য মন্ত্রণালয় ঢেলে সাজানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে : তথ্যমন্ত্রী

সাভারে আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি : আইএসপিআর

সাভারে আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ছবি: সংগৃহীত

শপিং ব্যাগের জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায়, আড়ংকে আইনি নোটিশ

0 Comments