বিনোদন

মালদ্বীপে অবকাশে মিম, ছড়ালেন মুগ্ধতা

আক্তারুজ্জামান ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫

কাজের ফাঁকে ছুটি কাটাতে দেশের বাইরে প্রায়ই উড়াল দেন ঢালিউড নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ভক্তমহলে তাকে ‘ভ্রমণকন্যা’ হিসেবেও ডাকা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটল না; ছুটির মেজাজে এই শীতেই তিনি উড়ে গেলেন মালদ্বীপে, আর সেখানে একের পর এক খোলামেলা ও আবেদনময়ী রূপে ধরা দিয়ে ভক্তদের চমকে দিচ্ছেন। 

 

নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মালদ্বীপে কাটানো নানা মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করছেন মিমি। এবার সমুদ্রসৈকত থেকে কয়েকটি নতুন ছবি পোস্ট করলেন, যা বেশ সাড়া ফেলেছে ভক্তমহলে। 

 

এর আগের দিন, গত বৃহস্পতিবারও লাল রঙের খোলামেলা পোশাকে সমুদ্রের পাশে কাঠের ডেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে মিমকে। লাস্যময়ী রূপে তার সেই ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই ভক্তদের নজর কেড়েছিলেন নায়িকা।

 

তার নিজেকে মেলে ধরার এই ধারাবাহিকতা এখনও অব্যাহত। পরদিন যেন আরও খোলামেলা ও আবেদনময়ী ভঙ্গিতে ধরা দিলেন মিম। সমুদ্রের পাড়ে বালির ওপর সাদা রঙের ব্রালেট ও প্যান্ট পরে শুয়ে আছেন তিনি, পেছনে দেখা যাচ্ছে বিলাসবহুল ওয়াটার ভিলা। অন্য ছবিতে দেখা যাচ্ছে সমুদ্রের দিকে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি, যা তার ভ্রমণ আনন্দকেই ফুটিয়ে তুলছে।

 

মিমের ছবিগুলো বেশ সাড়া ফেলেছে, ছড়িয়েছে মুগ্ধতা। বরাবরের মতোই নিজের রূপ-লুকের প্রশংসায় ভাসছেন নায়িকা।

 

ব্যক্তিগত জীবনের বাইরে এই মুহূর্তে বিদ্যা সিনহা মিম তার আসন্ন সিনেমা নিয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন। শোনা যাচ্ছে, মিম জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভের বিপরীতে একটি নতুন সিনেমার কাজ শুরু করেছেন। এই জনপ্রিয় জুটি এই সিনেমার মাধ্যমে তৃতীয়বারের মতো বড় পর্দায় জুটি বাঁধছেন।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিনেমাটি আগামী ঈদুল ফিতরে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ইতোমধ্যে এক সপ্তাহ ধরে এর শুটিং চলছে। শুভ-মিম জুটির নতুন কাজের খবর ছড়িয়ে পড়ায় ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
ব্রাজিলের জার্সি গায়ে অপু ও বুবলী। ছবি - সংগৃহীত
দূরত্ব ঘুচিয়ে একই কাতারে অপু-বুবলী

ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই বাংলাদেশে শুরু হয় ভিন্ন এক উৎসব। প্রিয় দল নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, পতাকা উড়ানো আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থনের ঝড়— সব মিলিয়ে জমে ওঠে বিশ্বকাপের আমেজ। সেই উন্মাদনায় শামিল হয়েছেন ঢাকাই সিনেমার দুই আলোচিত নায়িকা অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলী।   ব্যক্তিগত জীবনের নানা কারণে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে চিত্রনায়ক শাকিব খানকে ঘিরে দুই নায়িকার মধ্যে দূরত্ব ও তিক্ততার বিষয়টি বহুবার শিরোনাম হয়েছে। তবে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যে সেই বিভেদের বাইরে এসে এক জায়গায় মিল খুঁজে পাওয়া গেল তাদের। দুজনেই ব্রাজিলের সমর্থক।   সম্প্রতি বিশ্বকাপ উপলক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ব্রাজিলের প্রতি ভালোবাসার কথা জানান বুবলী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রাজিলের জার্সি পরা ছবি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল।’ শুধু প্রিয় দলের প্রতি সমর্থনই নয়, ছোটবেলার ফুটবল আবেগের কথাও স্মরণ করেছেন এই অভিনেত্রী। ব্রাজিলের কিংবদন্তি কয়েকজন ফুটবলারের নাম উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আহা! সেই ছোট্টবেলার ইমোশন (রোনালদো, কাকা, রবিনহো, রোনালদিনহো)।’   অন্যদিকে অপু বিশ্বাসও নিজেকে দীর্ঘদিনের ব্রাজিল সমর্থক বলে জানিয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'যারা খেলা বোঝে তারা ব্রাজিল করে।' তার মতে, ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের খেলায় এমন এক ছন্দ রয়েছে, যা অন্য দলের মধ্যে খুঁজে পাওয়া কঠিন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার-এর বড় ভক্ত বলেও জানান।   বিশ্বকাপকে ঘিরে তারকাদের সমর্থন নতুন কিছু নয়। তবে অপু ও বুবলীর ক্ষেত্রে বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে, কারণ দীর্ঘদিন ধরে দুই নায়িকাকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই দেখে এসেছেন দর্শক। সেই দুই তারকাই এবার ব্রাজিলের প্রতি ভালোবাসায় এক কাতারে দাঁড়িয়েছেন। মাঠের লড়াইয়ে ব্রাজিলের সাফল্য বা ব্যর্থতা যাই হোক, বিশ্বকাপের শুরুতেই অন্তত একটি বিষয়ে একমত হয়েছেন অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলী। তাদের হৃদয়ের দল একটাই, ব্রাজিল।   এদিকে বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে নিজেদের অভিযান শুরু করতে রবিবার (১৪ জুন) ভোর ৪টায় মাঠে নামবে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো। জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রথম রাউন্ডে দলটির সামনে রয়েছে আরো দুটি ম্যাচ। প্রতিটি ম্যাচেই ব্রাজিল তাদের সেরাটা দিবে বলেও বিশ্বাস করেন দুই নায়িকা অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলী।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

প্রাকৃতিকভাবে লিভার পরিষ্কার করার কিছু টিপস

বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে প্রয়াত কারিনাকে

সংগৃহীত ছবি

লিভার সুস্থ রাখার ৫ সহজ উপায়

নুসরাত ফারিয়া । ছবি - সংগৃহীত
তারকাদের নিয়ে সমালোচনা একটু বেশিই হয় : নুসরাত ফারিয়া

ঢাকাই সিনেমার নায়িকা নুসরাত ফারিয়া। ক্যারিয়ারের শুরুতে কেবল একজন উপস্থাপিকা ছিলেন। তবে সময়ের পরিক্রমায় সেই পরিচয় ছাপিয়ে তিনি একজন চিত্রনায়িকা হিসাবেই বেশি পরিচিতি পেয়েছেন। শুধু বাংলাদেশ নয়, কলকাতাতেও তিনি নায়িকা হিসাবে বেশ পরিচিত। কাজ করছেন দুই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেই। সম্প্রতি তার ব্যক্তিজীবন নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে সময় পার করতে হচ্ছে তাকে। আইনী জটিলতায়ও পড়তে হয়েছে এ নায়িকাকে। এসবকে পেছনে ফেলে আবারও কাজে ফিরেছেন তিনি। নতুন কোনো সিনেমায় কাজ না করলেও, গত কোরবানির ঈদেই প্রকাশ করেছেন তার নতুন গান। 'লোকে বলে' শিরোনামের গানটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। নতুন করে আবারও এই অভিনেত্রীকে আলোচনায় নিয়ে আসে। এই আলোচনার মাঝেই নুসরাত ফারিয়ার জানান তোপের মুখে পড়েছিলেন তিনি।   একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন নুসরাত ফারিয়া। মানুষের প্রাত্যাহিক জীবনে সোশ্যাল মিডিয়া ঝেঁকে বসেছে। এ মাধ্যমে শোবিজ অঙ্গনের তারকারা প্রায়ই তোপের মুখে পড়েন। অভিনেত্রীও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। নুসরাত ফারিয়া বলেন, 'আগে তারকাদের অনেক সমাদর করা হতো। আজকাল মনে হয়, আমরা একটু তোপের মুখেই থাকি। ভালোবাসাও পাই। তবে ক্রিটিসিজমটা তুলনামূলক বেশি। আগে যেটা ছিল ৭০/৩০ শতাংশ; সেটা এখন ৫০/৫০। ভালোবাসার পাশাপাশি বিতর্ক-সমালোচনার সংখ্যাগরিষ্ঠতা।' কিছুটা ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, 'আমার মনে হয়, একজন তারকা হিসেবে এই বিষয়গুলোতে খুব সচেতন থাকা উচিত। আমি সেটা সবসময় ছিলাম। তারপরও অনেকবার ভুগতে হয়েছে। কোনো কথা বললে, সেটার আগের পরের অংশ কেটে প্রচার করা হয়েছে। এটা খুবই ব্যাড প্র্যাক্টিস।'   সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্যে নুসরাত ফারিয়া বলেন, 'সাংবাদিকদের অনুরোধ করব, দিন শেষে আমরা একে অন্যের পরিপূরক। বিনোদন বিভাগ চালাতে তাদের যেমন আমাদের প্রয়োজন, তেমনই আমাদেরও তাদের প্রয়োজন। এ কারণে ওরকম কিছু করা ঠিক না। কোথায় যাচ্ছি, কী করছি, কী বলছি— আমাদেরও সচেতন থাকা দরকার।'

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কোয়েলের পর গণপদত্যাগ, দেব-রচনা-সায়নীসহ ১৯ তারকা এমপির বিদায়

ছবি: সংগৃহীত

‘সুড়ঙ্গ-২’ নিয়ে ফিরছেন আফরান নিশো ও রায়হান রাফী

ছবি: সংগৃহীত

এবার সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিলেন আদনান আল রাজীব

ছবি: সংগৃহীত
৫০০ কোটির ভিউয়ের ইতিহাস গড়েও অশান্ত ‘তেরে বিন’ ভক্তরা

পাকিস্তানি টেলিভিশন নাটকের ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘তেরে বিন’। ইউটিউবসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নাটকটি ৫ বিলিয়ন বা ৫০০ কোটির বেশি ভিউ অর্জন করে প্রথম পাকিস্তানি নাটক হিসেবে অনন্য রেকর্ড গড়েছে।   প্রেম, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং আবেগঘন গল্পে সাজানো ‘তেরে বিন’ শুধু পাকিস্তানেই নয়, বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিল। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় দুই চরিত্র মীরব ও মুরতাসিমের রসায়ন দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।   ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সম্প্রচার শুরু হওয়া নাটকটির প্রথম সিজন ২০২৩ সালের জুলাইয়ে শেষ হয়। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকতেই নির্মাতারা দ্বিতীয় সিজনের ঘোষণা দেন। পরে ২০২৩ সালের শেষ দিকে প্রধান দুই তারকা ওহাজ আলী ও ইয়ুমনা জায়েদিকে নিয়েই নতুন সিজনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে।   তবে ঘোষণার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দ্বিতীয় সিজনের শুটিং কিংবা সম্প্রচার নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। আর এই নীরবতাই দর্শকদের হতাশা ও ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তরা একের পর এক মন্তব্য করে তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এত বড় সাফল্যের পরও কেন দ্বিতীয় সিজনের কাজ শুরু হচ্ছে না। কেউ কেউ আবার মজার ছলে বলছেন, ‘তেরে বিন ২’ দেখতে হয়তো আরও অনেক বছর অপেক্ষা করতে হবে।   বিনোদন অঙ্গনে শোনা যাচ্ছে, চলতি বছরের জুনের শেষ ভাগ অথবা জুলাইয়ের শুরুতে দ্বিতীয় সিজনের শুটিং শুরু হতে পারে। তবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কিংবা সংশ্লিষ্ট শিল্পীদের পক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।   ফলে ৫০০ কোটির ভিউয়ের ঐতিহাসিক অর্জন উদযাপনের পাশাপাশি এখন ভক্তদের মূল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে ‘তেরে বিন ২’। তাদের প্রত্যাশা, অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে খুব শিগগিরই নতুন সিজন নিয়ে আনুষ্ঠানিক সুখবর আসবে।

আক্তারুজ্জামান জুন ১১, ২০২৬
কোমোথেরাপির আগে ও পরের ইলিয়াস কাঞ্চন। ছবি: সংগৃহীত

৬০ কেমোথেরাপির পর লন্ডনে কেমন আছেন ইলিয়াস কাঞ্চন?

সাদিয়া জাহান প্রভা। ছবি - সংগৃহীত

প্রভার ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টে নতুন প্রেমের জল্পনা

ক্যাটরিনা কাইফ। ছবি - সংগৃহীত

অভিনয়ে ফিরছেন ক্যাটরিনা, তবে নতুন পথে

0 Comments