বিনোদন

৭৯ বছরেও ফিট আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার, জানুন তার ফিটনেস রহস্য

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

‘টার্মিনেটর’ খ্যাত আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার হলিউড সিনেমার এক অবিসংবাদিত নাম। অস্ট্রিয়ায় জন্মগ্রহণকারী এই কিংবদন্তি শুধু অভিনয় নয়, তার রয়েছে শরীরচর্চা ও রাজনীতিতেও এক অনন্য অধ্যায়। মাত্র ২০ বছর বয়সে ‘মি. ইউনিভার্স’ খেতাব জেতেন এবং পরে রেকর্ড সাতবার ‘মি. অলিম্পিয়া’ হয়ে বডিবিল্ডিং জগৎকে বিশ্বমঞ্চে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান।


হলিউডের এই অ্যাকশন সুপারস্টার ও ক্যালিফোর্নিয়ার সাবেক গভর্নর আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার সম্প্রতি তার ৭৯তম জন্মদিনে ভক্তদের জন্য নিয়ে এসেছেন এক অভিনব চমক। একই সঙ্গে জানিয়েছেন বুড়ো বয়সেও তার ফিট থাকার রহস্য। ৩০ জুলাই জন্মদিনে নিজের জন্য উপহার না চেয়ে, মানুষকে বছরজুড়ে নিয়মিত ব্যায়ামে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি ছুড়ে দিয়েছেন এক বিশেষ চ্যালেঞ্জ।


অর্ধশতাব্দীর ফিটনেস অভিজ্ঞতা থেকে ‘টার্মিনেটর’ খ্যাত এই তারকার মতে, স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাত্রা ধরে রাখার আসল চাবিকাঠি শরীর ঠিক রাখা। এ লক্ষ্যে নিজের ‘পাম্প ক্লাব’ ফিটনেস অ্যাপের মাধ্যমে এক বিশেষ আর্থিক সুযোগ চালু করেছেন তিনি। এর আওতায় যেসব ভক্ত সারা বছর চারটি ওয়ার্কআউট পর্ব সফলভাবে শেষ করবেন, তারা জমাকৃত ১০০ ডলারের পুরোটাই ফেরত পাবেন। অর্থাৎ এক অর্থে বিনামূল্যে মিলবে এই প্রশিক্ষণ সুযোগ।


অ্যাকশন হিরো হিসেবে হলিউড মাতানো এই জীবন্ত কিংবদন্তি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে ফিট রাখতে ব্যায়াম ও খাদ্যাভ্যাসে এনেছেন বিশাল পরিবর্তন। যৌবনের সেই ভারী ওজন তোলার দিনগুলো থেকে সরে এসে এখন তিনি সুস্বাস্থ্য, জয়েন্টের যত্ন এবং দীর্ঘায়ু বজায় রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


এখন তিনি আঘাত এড়াতে তরুণ বয়সের সেই ভারী ডাম্বেল বা বারবেল ছেড়ে জিম মেশিনের ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘণ্টাখানেক সাইকেল চালানোর পর জিমে হালকা ব্যায়াম করেন, যাতে পেশিতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এত যেন জয়েন্টে চাপ না পড়ে, সেদিকেও খেয়াল রাখেন। ‘স্মার্টলি শরীরকে সচল রাখা, ক্ষয় করা নয়’—সপ্তাহে ছয় দিন এই দর্শন মেনে চলেন হলিউডের বেশ কিছু কালজয়ী সিনেমার এই কিংবদন্তি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
মোদি সম্পর্কে শ্রীলেখার মন্তব্য, ‘স্বৈরাচার’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন ছিল গতকাল বৃহস্পতিবার। দিবসটি ঘিরে দেশব্যাপী ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ কর্মসূচি পালনের ডাক দেয় ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিষয়টি নিয়ে নিজের ভেতরে থাকা ক্ষোভ উগরে দেন জনপ্রিয় টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।   ফেসবুকে তিনি লেখেন, মানুষকে বলা হচ্ছে প্রদীপ জ্বালাতে। কী এক অদ্ভুত বৈপরীত্য... আমাদের জীবনকে নরকে পরিণত করার পর... এমন আবদার!!!! ঠিক যেন এক বেদনাদায়ক পরিহাস।   মোদি ও তার সমর্থক গোষ্ঠীর আচরণকে ‘স্বৈরাচারী’ আখ্যা দিয়ে শ্রীলেখা আরও বলেন, একজন স্বৈরাচারী—অথবা এক স্বৈরাচারী গোষ্ঠী—সাধারণ মানুষের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে: সম্পত্তি ধ্বংস করছে, ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিচ্ছে, জীবিকা কেড়ে নিচ্ছে, আর সম্প্রদায়, জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিভেদ আরও গভীর করছে; অথচ একই সঙ্গে তারা দাবি করছে যে তারা স্বয়ং ভগবান বিষ্ণুর অবতার! আমরা কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছি? আমরা কেমন এক সমাজ গড়ে তুলছি যেখানে অন্ধ অনুসারীদের ‘ভক্ত’ হিসেবে মহিমান্বিত করা হয়। আর শিক্ষিত ও ভিন্নমতাবলম্বীদের তকমা দেওয়া হয় ‘দিমাগি নকশাল’ হিসেবে? এমন একসময় যখন ভয়ই হয়ে ওঠে শাসনের হাতিয়ার আর ভিন্নমতকে দেখা হয় বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে? আর তারপর আমাদের বলা হচ্ছে প্রদীপ জ্বালাতে। কী এক ঘোরতর পরিহাস। কী এক অন্ধকার যুগে আমরা বাস করছি!   শ্রীলেখার ওই পোস্টে অনেকেই তার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেন। একজন লেখেন, ‘আমি আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে আমার বাড়ির সব আলো নিভিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি… এটাই তো প্রদীপ জ্বালানোর নির্দিষ্ট সময় তাই না?’ অন্যজন লিখলেন, ‘কিছু মানুষ বুঝছেন আর কিছু মানুষ বুঝেও নিজেদের স্বার্থ, জীবিকা সুরক্ষিত রাখতে চুপ।’ অন্য কমেন্টে লেখা হয়, ‘প্রদীপের নিচেই তো আসল অন্ধকার।’   বরাবরই মোদির সমালোচক হিসেবে পরিচিত শ্রীলেখা এর আগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ছাত্র আন্দোলনে মোদিবিরোধী প্ল্যাকার্ড উঁচিয়ে ধরে রাজ্য বিজেপির রোষানলে পড়েন। যার জেরে তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়।    এখন দেখার বিষয়, তার এবারের মন্তব্যে কী প্রতিক্রিয়া দেখান রাজ্য বিজেপির নেতারা। 

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

হত্যা মামলায় কারাগারে অপু বিশ্বাসের নায়ক, অনিশ্চয়তায় ‘শিকার’

ছবি: সংগৃহীত

দ্বিতীয়বার মা হলেন ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ তারকা মিলি ববি ব্রাউন

ছবি: সংগৃহীত

উত্তম কুমারের সঙ্গে তুলনা প্রসঙ্গে যা বললেন দেব

ছবি: সংগৃহীত
‘জয় জয় রাম’ গাইতে অরিজিতের ২০০ টেক, পেছনে যে কারণ

প্লেব্যাক গান থেকে সাময়িক বিরতিতে থাকলেও অরিজিৎ সিংয়ের কণ্ঠ নিয়ে শ্রোতাদের আগ্রহের কমতি নেই। এবার নিতেশ তিওয়ারি পরিচালিত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘রামায়ণ’-এর গান ‘জয় জয় রাম’ প্রকাশের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছেন এই সংগীতশিল্পী।   গানটির রেকর্ডিং ঘিরে চমকপ্রদ একটি তথ্য সামনে এসেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিঙ্কভিলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘জয় জয় রাম’ গানটি রেকর্ড করতে গিয়ে অরিজিৎ সিং প্রায় ২০০টি টেক দিয়েছিলেন।   প্রতিবেদনটিতে একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, গানটি রেকর্ড করার সময় অরিজিৎ ভক্তির আবেগে গভীরভাবে নিমগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। প্রতিটি চরণে আলাদা অনুভূতি তুলে ধরার চেষ্টা করছিলেন তিনি। ফলে একের পর এক টেক দেওয়ার পরও নিজের কাঙ্ক্ষিত আবেগের প্রকাশ খুঁজে যাচ্ছিলেন এই শিল্পী।   সূত্রটির দাবি, রেকর্ডিংয়ের সময় অরিজিৎ প্রায় ২০০ বার গানটি পরিবেশন করেন। প্রতিটি টেকেই সুর ও আবেগের ভিন্ন মাত্রা আনার চেষ্টা ছিল তার। শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তিগত নিখুঁততার চেয়ে গানের অনুভূতিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েই তিনি রেকর্ডিং শেষ করেন।   ‘জয় জয় রাম’ গানটিতে অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল। গানটির সুর করেছেন অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান এবং কথা লিখেছেন ড. কুমার বিশ্বাস। প্রচলিত ‘জয় সিয়া রাম’ ভক্তিগীতির ভাবনা থেকে গানটিকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।   গানটির দৃশ্যায়নে শ্রীরামের চরিত্রে রণবীর কাপুর এবং সীতার ভূমিকায় সাই পল্লবীর বিয়ের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।   এদিকে নিতেশ তিওয়ারির ‘রামায়ণ’কে ভারতের অন্যতম বড় বাজেটের চলচ্চিত্র প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রায় ৪ হাজার কোটি রুপি বাজেটের এই সিনেমায় রণবীর কাপুর, সাই পল্লবী ও যশের পাশাপাশি অভিনয় করছেন সানি দেওল, রবি দুবে, অরুণ গোভিল, লারা দত্ত, কাজল আগরওয়াল, রাকুল প্রীত সিং ও বিবেক ওবেরয়সহ আরও অনেকে।   জানা গেছে, দুই পর্বে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। প্রথম পর্ব ২০২৬ সালের ৬ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে। দ্বিতীয় পর্ব মুক্তি পাবে ২০২৭ সালের দীপাবলিতে।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
আফিয়া নুসরাত বর্ষা। ছবি - সংগৃহীত

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে সম্পর্কে ইনভেস্ট করতে হয় : বর্ষা

ছবি: সংগৃহীত

২৫ বছরের নির্মাণযাত্রায় চয়নিকার বিশেষ নাটক ‘জোছনায় ফেরা’

মিমি চক্রবর্তী, রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গাঙ্গুলী। ছবি : সংগৃহীত

এক যুগ পর ফের একসঙ্গে রাজ-মিমি, শুভশ্রীর মুখে হাসি

হলিউড অভিনেত্রী হেইডেন প্যানেটিয়ার। ছবি : সংগৃহীত
হেইডেনের মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি এক মাসেও

হলিউড অভিনেত্রী হেইডেন প্যানেটিয়ারের আকস্মিক মৃত্যুর প্রায় এক মাস পর এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন তার মুখপাত্র। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।   গত ১৬ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনার গ্রিনভিলে নিজ বাসভবনে ৩৬ বছর বয়সে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় ‘নাশভিল’খ্যাত এই অভিনেত্রীকে। তার মৃত্যুর তদন্ত প্রসঙ্গে গ্রিনভিল কাউন্টি করোনারের কার্যালয় জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলেও পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনের জন্য তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে তদন্ত প্রক্রিয়া এখনো সক্রিয় ও চলমান।   সম্প্রতি এক বিবৃতিতে হেইডেনের মুখপাত্র জানান, তদন্ত এখনো চলছে এবং কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অজ্ঞাত সূত্রনির্ভর হওয়ায় নানা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই নিশ্চিত তথ্য জানতে চাই। তবে তদন্ত প্রক্রিয়াকে সময় দিতে হবে। আমরা যেসব উত্তর খুঁজছি, সেগুলো একদিন অবশ্যই পাওয়া যাবে।   এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম পিপল ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তদন্তে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থাও (ডিইএ) যুক্ত হয়েছে। মৃত্যুর ৯ দিন পর অভিনেত্রীর লস অ্যাঞ্জেলেসের বাড়িতে অবৈধ মাদকের প্রমাণ খুঁজতে আদালতের অনুমতি নিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। মৃত্যুর সময় তার সঙ্গে ছিলেন সাবেক প্রেমিক ব্রায়ান হিকরসন ও তার ভাই।   অন্যদিকে, হিকরসনের আইনজীবী কোনো রকম তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে, এই মর্মান্তিক মৃত্যুর আসল রহস্য উদ্ঘাটনে টক্সিকোলজি রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা।   সূত্র : পিপল

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
মৌসুমী আক্তার সালমা। ছবি - সংগৃহীত

বাবাকে হারিয়ে সালমার আবেগঘন বার্তা

সংগৃহীত ছবি

দাম্পত্যের ২০ বছর পর আবারও বিয়ের পিঁড়িতে সূরিয়া-জ্যোতিকা

ছবি: সংগৃহীত

২০ বছর পর দাম্পত্যে নতুন করে শপথ নিলেন সুরিয়া-জ্যোতিকা

0 Comments