বিশ্ব

কাতারের উপহার দেওয়া বিলাসবহুল বিমান উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কাতার সরকারের ‘নিঃশর্ত উপহার’ হিসেবে দেওয়া একটি বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমান উন্মোচন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিমানটি এখন থেকে প্রেসিডেন্টের সরকারি উড়োজাহাজ বহর এয়ার ফোর্স ওয়ানের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

 

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। 

 

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, প্রায় ৪০ কোটি ডলার মূল্যের এই বিলাসবহুল জেটটির প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও আধুনিকায়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

 

শুক্রবার জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ‘এই বিমানটিকে এমন এক উড়ন্ত হোয়াইট হাউসে রূপান্তর করা হয়েছে, যার বিলাসিতা আগে কেউ দেখেনি।’

 

মার্কিন বিমানবাহিনী জানায়, বিমানটি প্রেসিডেন্টের যাতায়াতে ব্যবহারের আগে পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন বা কমিশনিং ফ্লাইট সম্পন্ন করবে। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে বিমানটির নতুন সংযোজন ও পরিবর্তনগুলো যাচাই করা হবে।

 

বিমানটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিশেষ যোগাযোগ প্রযুক্তি, লজিস্টিক সহায়তা এবং আধুনিক প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় বড় ধরনের উন্নয়ন আনা হয়েছে। বিমানবাহিনীর দাবি, পূর্বে ব্যবহৃত এই বিমানে সম্ভাব্য সব ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি দূর করা হয়েছে।

 

বিমানের অভ্যন্তরীণ নকশায় খুব বেশি পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে এর বাইরের অংশে নতুন করে লাল, সাদা, নীল ও সোনালি রঙের আকর্ষণীয় নকশা করা হয়েছে।

 

২০২৫ সালের মে মাসে কাতারের রাজপরিবার এই বিলাসবহুল বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমানটি মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরকে উপহার দেয়, যাতে এটি প্রেসিডেন্টের সরকারি বিমান বহরে ব্যবহার করা যায়।

 

তবে বিমানটি উপহার হিসেবে গ্রহণের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ট্রাম্পের কিছু সমর্থকসহ বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ ওঠে যে, এত মূল্যবান উপহার গ্রহণ স্বার্থের সংঘাত তৈরি করতে পারে এবং এটি সাংবিধানিক প্রশ্নও উত্থাপন করতে পারে।

 

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তারা ৪৮০ ডলারের বেশি মূল্যের উপহার গ্রহণ করতে পারেন না তবুও হোয়াইট হাউস দাবি করেছে যে বিমানটি গ্রহণ সম্পূর্ণ বৈধ। পাশাপাশি ট্রাম্পের মেয়াদ শেষে এটি তার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরিতে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

 

ট্রাম্প বিমানটির প্রশংসা করে বলেন, ‘বিমানটির নির্মাণশৈলী দেখে আপনি বিশ্বাসই করতে পারবেন না। এর কাঠ, উপকরণ এবং ইঞ্জিনের মান বিশ্বের সেরাদের মধ্যে অন্যতম।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘এটি সত্যিই একটি সম্মানের বিষয়। এ জন্য আমি কাতারের আমিরকে ধন্যবাদ জানাই।'

 

এর আগে এয়ার ফোর্স ওয়ানের বহরে ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত দুটি বোয়িং ৭৪৭-২০০বি বিমান ছিল। হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চিউং জানিয়েছেন, পুরোনো বিমানগুলোর একটি ইতোমধ্যে অবসর নেওয়ার পথে।

 

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিমানটির ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘ভালো কাজ করেছ, বিশ্বস্ত সেবক।’ সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘শেষ যাত্রা।’

 

মার্কিন বিমানবাহিনী জানিয়েছে, নতুন বিমানটি আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন ভিত্তিতে ব্যবহার করা হবে। দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারের জন্য বোয়িংয়ের তৈরি দুটি নতুন ভিসি ২৫বি বিমান সরবরাহের অপেক্ষায় রয়েছে সরকার। তবে উৎপাদন জটিলতার কারণে ওই প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য বিলম্ব হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
প্রশান্ত মহাসাগরে ৬ টনেরও বেশি কোকেন জব্দ

এল সালভাদরের কর্তৃপক্ষ প্রশান্ত মহাসাগরে পাচার হওয়া ৬ টনেরও বেশি কোকেন জব্দ করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রপতি নায়েব বুকেলে। বৃহস্পতিবার এল সালভাদরের নৌবাহিনী দুটি পৃথক জাহাজ থেকে এই মাদক উদ্ধার করে।   প্রতিটি জাহাজে প্রায় সমপরিমাণ কোকেন ছিল এবং সেখানে তিনজন করে নাবিক ছিলেন। বুকেলে জানান, জব্দ করা কোকেনের মোট মূল্য প্রায় ১৬৭ মিলিয়ন ডলার এবং এটিকে তিনি ‘জাতীয় পর্যায়ের নতুন রেকর্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।   রাষ্ট্রপতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, মাদক পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান এমন সব জায়গায় চালানো হচ্ছে, যেখানে আগে এটি প্রায় দণ্ডমুক্তভাবে চলত।   তিনি আরো জানান, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত এল সালভাদর ১৩ টনেরও বেশি কোকেন জব্দ করেছে, যার আনুমানিক মূল্য ৩৩২ মিলিয়ন ডলার।

মারিয়া রহমান জুন ২০, ২০২৬
ইরান যুদ্ধ ও অন্যান্য খাতে অতিরিক্ত ৮০ বিলিয়ন ডলার চায় পেন্টাগন

ইরান যুদ্ধ ও অন্যান্য খাতে অতিরিক্ত ৮০ বিলিয়ন ডলার চায় পেন্টাগন

ছবি : সংগৃহীত

কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাব: আক্রান্তদের মধ্যে ৭৫ জনই স্বাস্থ্যকর্মী, মৃত ২৩২

ছবি: সংগৃহীত

ইরান চুক্তিতে ক্ষুব্ধ অনেক ইসরায়েলি, ট্রাম্পের সমালোচনা

ছবি : সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশ সফরে যাচ্ছেন সফরে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  আগামী সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ সফরে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সফরসূচিতে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন।   শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এ তথ্য জানিয়েছে। তবে সফরের উদ্দেশ্য বা সম্ভাব্য আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।   বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক সমঝোতা, লেবাননের পরিস্থিতি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ইস্যুকে ঘিরে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।   এর আগে শুক্রবার লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন মার্কো রুবিও। এ সময় তিনি লেবাননের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব জোরদারে দেশটির সরকারের প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।   মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরকে কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মারিয়া রহমান জুন ২০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ট্রাম্পের শান্তি চুক্তি ভেস্তে দিতে পারেন নেতানিয়াহু : মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা

কাতারের উপহার দেওয়া বিলাসবহুল বিমান উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৩ কোটি টাকার বিমা পেতে নিজের পা কাটলেন যুবক, ধরা খেলেন যে ভুলে

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের নতুন শর্তাবলী ঘোষণা করল ইরান

পার্সটুডে- পারস্য উপসাগরীয় জলপথ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক অনুসারে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলী ও নির্দেশনা প্রকাশ করেছে।   ফার্স নিউজ এজেন্সিকে উদ্ধৃত করে পার্সটুডে জানিয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় জলপথ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক্স সামাজিক নেটওয়ার্কে দেয়া এক বার্তায় ঘোষণা করেছে, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আদেশ জারির পরিপ্রেক্ষিতে, এতদ্বারা জানানো হচ্ছে যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের আবেদনকারীদেরকে ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হবে।   ঘোষণাটি নীচে উল্লেখ করা হলো:   ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আদেশ জারির পরিপ্রেক্ষিতে, এতদ্বারা জানানো হচ্ছে যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের আবেদনকারীদেরকে ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হবে।   পারস্য উপসাগরীয় জলপথ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছে ট্রানজিট অনুরোধ জমা দেওয়ার আনুষ্ঠানিক সাইট: PGSA.ir   অনুরোধের পর কাজের অগ্রগতি জানার জন্য ইমেল: Info@PGSA.ir   গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী:   ১. ট্রানজিট অনুরোধ প্রক্রিয়াকরণের একমাত্র আনুষ্ঠানিক মাধ্যম হলো উপরের এই ওয়েবসাইট এবং ইমেল।   ২. জমা দেওয়া অনুরোধে জাহাজের সাথে যোগাযোগের জন্য বৈধ এবং সহজলভ্য রুট অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।   ৩. হরমুজ প্রণালীর প্রবেশ বা প্রস্থানে বিলম্ব এড়াতে, প্রণালীতে পৌঁছানোর কমপক্ষে ৪৮ ঘন্টা আগে প্রয়োজনীয় সম্পূর্ণ তথ্যসহ একটি ট্রানজিট অনুরোধ জমা দেওয়া আবশ্যক।   ৪. ৬০ দিনের এই সময়কালে, জাহাজ থেকে কোনো ফি নেওয়া হবে না এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সরকার নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও পরিবেশগত পরিষেবা বাবদ শুল্ক গ্রহণ এবং সেইসাথে সংশ্লিষ্ট ইরানি বীমার দায়িত্বে থাকবে।   ৫. জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় ও প্রণালী অতিক্রমে কিছু নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে নিরাপদ ও সুরক্ষিত জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা ও সামুদ্রিক দুর্ঘটনা রোধের প্রয়োজনে, প্রণালীর দিকে অগ্রসর হওয়ার পূর্বে প্রতিটি জাহাজের জন্য রুট এবং ঘোষিত ট্রানজিটের সময় সমন্বয় করা আবশ্যক; এটি অমান্য করার দায় জাহাজের মালিকের উপর বর্তাবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২০, ২০২৬

ইসরায়েলের ব্যাটালিয়ন প্রধানসহ ৪ সেনা নিহত

সংগৃহীত ছবি

ইরান যুদ্ধ শেষে প্রাপ্তি শূন্য, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা আরও শোচনীয়: ওবামা

আমরা ভিক্ষা করি না: ট্রাম্পকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

0 Comments