আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে প্রস্তুত

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ০৩, ২০২৬

টানা পঞ্চম দিনের মতো সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তপ্ত ইরান। একদিনে নিরাপত্তাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষে প্রাণ গেছে অন্তত ছয়জনের। আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে অর্ধশত। এমন পরিস্থিতিতে সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ এ তথ্য জানায়।

 

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সহিংসতা হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে প্রস্তুত।

 

অর্থনৈতিক সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে গত রোববার ইরানের রাজধানী তেহরানে ধর্মঘট শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। খুব দ্রুতই এই আন্দোলনে সাড়া দেয় সাধারণ মানুষ। দেশটির বিভিন্ন শহরে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে এবং গতকাল সহিংস রূপ নেয়।

 

ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপকে 'দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়' হিসেবে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। 

 

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি বলেন, 'যেকোনো মার্কিন হস্তক্ষেপ পুরো অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা এবং আমেরিকার স্বার্থের ধ্বংস ঘটাবে এবং পতন বয়ে আনবে।' 

 

এদিকে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির উপদেষ্টা আলি শামখানি তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, 'ইরানের নিরাপত্তার বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা যেকোন হাত কেটে ফেলা হবে'।

 

সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লোরদেগান ও আজনা শহরে অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৭ জন।এছাড়াও কুহদাশত শহরে বিক্ষোভকারীদের হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

 

চাহারমাহাল ও বখতিরি প্রদেশের লর্ডেগান কাউন্টিতে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত দুইজন নিহত হয়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে পাথর ছুঁড়তে দেখা গেছে। ফার্স জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা গভর্নরের অফিস, ব্যাংক এবং অন্যান্য সরকারি ভবনে পাথর নিক্ষেপ করেছে।

 

কুহদাশতের প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, বিক্ষোভের ঘটনায় ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তেহরানের মালার্ড কাউন্টিতে ৩০ জনকে 'জনসাধারণের শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার' অভিযোগে আটক করা হয়েছে।

 

এই বিক্ষোভগুলো ইরানের ২০২২ সালের জাতীয় বিক্ষোভের পর সবচেয়ে বড় ঘটনা, যা মহসা আমিনি নামের ২২ বছর বয়সী নারীর পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর পর শুরু হয়েছিল।

 

এই ঘটনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এক্সে বলেছে, তারা ইরানে চলমান 'ভীতি, সহিংসতা ও গ্রেফতার' সংক্রান্ত প্রতিবেদন নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং কর্তৃপক্ষকে সাধারণ মানুষের ওপর দমনপীড়ন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ফাইল ছবি
হরমুজ প্রণালি ব্যবহারে ‘সেবা ফি’ নেবে ইরান

হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে বিভিন্ন সেবার বিনিময়ে ফি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘাই জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।   এক সংবাদ সম্মেলনে ইসমাঈল বাঘাই বলেন, “হরমুজ প্রণালী আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে আমরা কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।”   তিনি বলেন, “এই জলপথে নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করতে আমাদের কিছু সময় প্রয়োজন হবে।”   হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ফি আরোপের বিষয়ে তিনি বলেন, “ফি নেওয়া হবে।”   ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, এটি শুধু কোনও ধরনের চার্জ নয়; বরং জাহাজ চলাচলের জন্য বিভিন্ন ধরনের পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়ার অংশ হিসেবে এই অর্থ নেওয়া হবে।   তিনি বলেন, “পরিবেশ সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হবে। ইরান ও ওমানের পক্ষ থেকে আরও অনেক ধরনের সেবা দেওয়া হবে, আর এসব সেবার জন্য অর্থ ব্যয় হবে। সেই অনুযায়ী ফি থাকবে এবং বিষয়টি পরিষ্কার।”   বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহের জন্য এই নৌপথের কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।   ইরান ও ওমানের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল, জ্বালানি পরিবহন ব্যয় এবং বৈশ্বিক তেল বাজারে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে।  সূত্র: আল-জাজিরা

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৫, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

আজ রাত থেকেই স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ঘোষণা ইরানের

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির কারণে ক্ষুব্ধ ইসরায়েলি ডানপন্থিরা

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির খবরে কমল তেলের দাম

ছবি: সংগৃহীত
আরব সাগরে আটকে পড়া ১৪ ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার করল যুক্তরাষ্ট্র

আরব সাগরে আটকে পড়া ১৪ জন ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) রোববার এ তথ্য জানিয়েছে।   সেন্টকম জানায়, উদ্ধার হওয়া সব নাবিক বর্তমানে সুস্থ আছেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে উদ্ধার অভিযান কীভাবে পরিচালিত হয়েছে, কোন জাহাজ থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে বা তারা কী পরিস্থিতিতে আটকে পড়েছিলেন, এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।   এর আগে চলতি সপ্তাহে ওমান উপসাগরে এম/টি সেত্তেবেলো নামের একটি তেলবাহী জাহাজে তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।   ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্কর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে এমন প্রাণঘাতী পদক্ষেপ গ্রহণ করা গ্রহণযোগ্য নয়।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানি তেল পরিবহন ঠেকাতে যে অবরোধ কার্যকর করা হয়েছে, সেখানে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন বাহিনীর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত, ১৯ জুন স্বাক্ষর

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প–পুতিন ফোনালাপ: আলোচনায় ইরান চুক্তি

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের শান্তি উদ্যোগকে ‘আত্মসমর্পণ দলিল’ বলছেন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি ইরান। প্রস্তাবিত চুক্তির রাজনৈতিক, আইনি এবং প্রযুক্তিগত দিকগুলো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।   ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চুক্তির বিভিন্ন বিষয় বিশেষজ্ঞ পর্যায় এবং নীতিনির্ধারণী নেতৃত্বের পর্যায়ে পৃথকভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সম্ভাব্য সমঝোতার স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   এদিকে চুক্তি স্বাক্ষরের সময় নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধান মধ্যস্থতাকারীদের একজন হিসেবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তির শর্তাবলি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।   এর কিছুক্ষণ পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, রোববারের মধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে।   তবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এ ধরনের দাবি নাকচ করে দিয়েছে। বাহিনীটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোববার কোনো চুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছে না এবং এ বিষয়ে অতিরিক্ত আশাবাদ প্রকাশেরও সুযোগ নেই।   আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান অস্বাভাবিকভাবে তড়িঘড়ি। ফলে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির বিষয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে পার্থক্য থাকায় আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে এখনো স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না। তেহরান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব ধরনের রাজনৈতিক ও কৌশলগত দিক গভীরভাবে মূল্যায়ন করতে চাইছে।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য ইসরাইল সফর নিয়ে আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত

২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তির দাবি শাহবাজের, সময়সূচি নিয়ে ভিন্ন অবস্থান তেহরানের

ছবি: সংগৃহীত

“ইরানের অশুভ সাম্রাজ্য মোকাবিলায় ট্রাম্পের প্রশংসা” ইসরায়েলের প্রেসিডেন্টের

0 Comments