অন্যান্য

হাদিস হত্যা মামলার অধিকতর প্রতিবেদন ১৭ মে

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ০৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আলোচিত হাদিস হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১৭ মে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। তদন্ত সংস্থা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে আদালতে দাখিল করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকায় নতুন করে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এখনো কিছু বিষয় যাচাই-বাছাই বাকি থাকায় পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভুল প্রতিবেদন দিতে সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

 

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে বিচারক অধিকতর তদন্তের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এর ফলে নতুন তথ্য-উপাত্ত যুক্ত হয়ে মামলার প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

এদিকে, নিহত হাদিসের পরিবার দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তারা আশা করছেন, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর মামলার বিচারিক কার্যক্রম আরও গতি পাবে।

 

উল্লেখ্য, এ হত্যা মামলাটি জনমনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শুরু থেকেই গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অন্যান্য

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
হাদিস হত্যা মামলার অধিকতর প্রতিবেদন ১৭ মে

আলোচিত হাদিস হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১৭ মে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। তদন্ত সংস্থা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে আদালতে দাখিল করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।   মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকায় নতুন করে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এখনো কিছু বিষয় যাচাই-বাছাই বাকি থাকায় পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভুল প্রতিবেদন দিতে সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।   আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে বিচারক অধিকতর তদন্তের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এর ফলে নতুন তথ্য-উপাত্ত যুক্ত হয়ে মামলার প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।   এদিকে, নিহত হাদিসের পরিবার দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তারা আশা করছেন, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর মামলার বিচারিক কার্যক্রম আরও গতি পাবে।   উল্লেখ্য, এ হত্যা মামলাটি জনমনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শুরু থেকেই গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ০৫, ২০২৬ 0

শিক্ষাকে জীবনব্যাপী একটি নীতি-কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : আইএলও

ডামুড্যায় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন কো-অর্ডিনেশন সভা

ছবি : সংগৃহীত

মানসুরা আলমকে শুভকামনা, জাতীয় স্বার্থে একসঙ্গে কাজের প্রত্যয় : ডা. মাহমুদা মিতু

ট্রাফিক আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা

সড়কে ট্রাফিক আইন ভাঙার ঘটনায় আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এখন থেকে কোনো চালক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে তাৎক্ষণিকভাবে ‘অটো নোটিশ’ পাঠানো হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজিরা না দিলে জারি করা হবে পরোয়ানা।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ শনাক্ত করা হবে। এরপর গাড়ির নিবন্ধন নম্বরের ভিত্তিতে মালিক বা চালকের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ পাঠানো হবে।   নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাফিক বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হাজির হয়ে জরিমানা পরিশোধ বা আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হতে পারে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এ উদ্যোগের ফলে সড়কে আইন মানার প্রবণতা বাড়বে এবং দুর্ঘটনা কমাতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে অনিয়মকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা সহজ হবে।   বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হলে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। তবে এই ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়নের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সঠিক ডেটাবেইস ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ০৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

সেদ্ধ ডিম কতক্ষণে খাওয়া নিরাপদ, না হলে হতে পারে ক্ষতি

শনিবার দুপুরে তিনি যমুনা ছেড়ে গুলশানে নিজের বাসায় যান অধ্যাপক ইউনূস | ছবি : সংগৃহীত

যমুনা ছেড়ে গুলশানের নিজ বাসভবনে ফিরলেন ড. ইউনূস

অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপির যাত্রা শুরু হয়।
এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’— এই স্লোগানকে সামনে রেখে দিনটি ঘিরে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে দলটি। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে বিশাল ইফতার মাহফিল ও মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে। গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করা তরুণ রাজনৈতিক শক্তি এনসিপি মাত্র এক বছরের ব্যবধানে দেশের রাজনীতিতে আলোচিত অবস্থান তৈরি করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীদের উদ্যোগেই দলটির জন্ম। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে রাজপথ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে এনসিপি। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিক হিসেবে ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দলটি। নির্বাচনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ ছয় তরুণ নেতা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনসভায় প্রতিনিধিত্ব করছেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জানিয়েছেন, আজকের আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সহযোদ্ধাদের মিলনমেলায় পরিণত হবে। ইফতার মাহফিলে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, শিক্ষক, সাংবাদিক, শ্রমিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। বিকেল চারটা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে গত এক বছরের রাজনৈতিক পথচলার উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত নিয়ে বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনী ও ‘স্ট্রিট ওয়াল’ প্রোমো প্রদর্শন করা হবে। রাজধানীর পাশাপাশি বিভাগীয় শহরগুলোতেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি নিয়েছে দলটি। আগামী ২ মার্চ চট্টগ্রাম, ৪ মার্চ সিলেট, ৫ মার্চ ময়মনসিংহসহ পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ৩ মার্চ কুমিল্লায় বিশেষ ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় নেতাকর্মী ও শহীদ পরিবারের মধ্যে সংযোগ জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে দাওয়াতপত্র তুলে দেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। ছবি : সংগৃহীত

আজ জামায়াতের ইফতারে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী

শেখ তানভীর বারী হামিম। ছবি : সংগৃহীত

ছাত্রদলের শোকজে মুখ খুললেন হামিম

ছবি : সংগৃহীত

ড. ফাওজুল কবিরের বাসায় সাবেক উপদেষ্টারা

0 Comments