খেলাধুলা

বুসকেটস–আলবার বিদায়ক্ষণে মেসির সামনে আরেক ফিনালিসিমা

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫

মায়ামির ফুটবল ইতিহাসে আজ একটি বিশেষ রাত। স্থানীয় সময় সোমবার রাতে (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ৩০ মিনিটে) যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) কাপ ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইন্টার মায়ামি ও কানাডার ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপস। দুই দলের নেতৃত্বে থাকছেন দুই মহাতারকা—ইন্টার মায়ামির লিওনেল মেসি এবং হোয়াইটক্যাপসের জার্মান কিংবদন্তি থমাস মুলার।

 

ঘরের মাঠ চেজ স্টেডিয়ামে খেলবে বলেই এই ‘অন্য ফিনালিসিমা’র মঞ্চ বসছে মায়ামিতে। নিয়মিত মৌসুমে ইস্টার্ন কনফারেন্সে ভ্যাঙ্কুভারের চেয়ে ভালো অবস্থানে থাকায় ফাইনালের স্বাগতিক হওয়ার সুযোগ পেয়েছে মেসির দল। ম্যাচ ড্র হলে খেলা গড়াবে অতিরিক্ত সময় কিংবা টাইব্রেকারে সব উত্তেজনা জমা এক ফাইনালেই।

তবে এই ম্যাচ শুধু শিরোপার লড়াই নয় এটি এক বিদায়ের মুহূর্তও। ইন্টার মায়ামির দুই অভিজ্ঞ স্প্যানিশ তারকা সার্জিও বুসকেটস ও জর্ডি আলবা আজ পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানাবেন। বহু বছর বার্সেলোনা ও স্পেন জাতীয় দলে পাশাপাশি খেলা এই দুইজন শেষবারের মতো মাঠে নামছেন একই আলো, একই উত্তাপের পরিবেশে।

লিওনেল মেসির জন্যও ম্যাচটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। ২০২৫ সালে ইতোমধ্যে ৪৬ গোল করা আর্জেন্টাইন এই তারকা আজকের ফাইনাল জিততে পারলে তার ক্যারিয়ারের ৪৭তম শিরোপা যোগ হবে যা তাকে সর্বকালের সবচেয়ে সফল ফুটবলার হিসেবে আরও সুদৃঢ় মর্যাদায় দাঁড় করাবে। মাঠে তার উপস্থিতিতেই ইন্টার মায়ামিকে ফাইনালের ফেভারিট ধরা হচ্ছে।

দুই ক্লাবের জন্যই এটি এমএলএস কাপ জয়ের প্রথম সুযোগ। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং ২০২০ সালে প্রতিযোগিতায় নামা ইন্টার মায়ামির জন্য এই অর্জন হবে ইতিহাসগড়া এক সাফল্য। অন্যদিকে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপস ২০১৫ সালের পর প্রথমবার বড় কোনো ফাইনালে উঠেছে, যদিও শিরোপা জয়ের স্বাদ এখনো তাদের পাওয়া হয়নি।

সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি করেছে বুসকেটস ও আলবার বিদায়। গত কয়েক সপ্তাহ আগে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর গতকাল শেষ অনুশীলনে সতীর্থদের গার্ড অব অনার পেয়েছেন তারা। স্পেনের ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম স্তম্ভ বুসকেটসকে অনেকেই সর্বকালের সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারদের একজন বলে মানেন। আর জর্ডি আলবা আধুনিক লেফট-ব্যাকদের মধ্যে অনায়াসেই শীর্ষ সারিতে অবস্থান করে আসছেন।

 

আজ রাতে তাই চেজ স্টেডিয়ামে কেবল একটি শিরোপার নিষ্পত্তি নয় শেষ হয়ে যাবে স্প্যানিশ ফুটবলের এক উজ্জ্বল অধ্যায়ও। আর মেসির ক্যারিয়ারে যুক্ত হতে পারে আরেকটি স্মরণীয় ফাইনালের গল্প।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
অবিশ্বাস্য ফ্রি কিকে মেসির গোল, শেষ মুহূর্তে হার মায়ামির

অসম্ভব এক কোণ থেকে ফ্রি কিক নিয়ে গোল করলেন লিওনেল মেসি। তবে আর্জেন্টাইন তারকার সেই জাদুকরী গোলও হার থেকে বাঁচাতে পারেনি ইন্টার মায়ামিকে।   কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে ম্যাচে ২৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে এগিয়ে যায় কলম্বাস। পাঁচ মিনিট পর ডান প্রান্তরেখার কাছ থেকে বাঁকানো ফ্রি কিকে দুর্দান্ত গোল করে মায়ামিকে সমতায় ফেরান মেসি।   দ্বিতীয়ার্ধে মেসি আরও সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেননি। উল্টো ইনজুরি টাইমের নবম মিনিটে জামাল তিয়ারের গোলে ২-১ ব্যবধানে হেরে যায় মায়ামি। শেষদিকে সান্তিয়াগো মোরালেস লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় ১০ জন নিয়ে ম্যাচ শেষ করে দলটি।   এ নিয়ে শেষ ১০ ম্যাচে মায়ামির জয় মাত্র একটি। ২৭ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে এমএলএসে পঞ্চম স্থানে নেমে গেছে তারা।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি নিয়ে হাস্যোজ্জ্বল ইংল্যান্ড দল। ছবি: রয়টার্স

ব্যান্টনের সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড

দক্ষিণ আফ্রিকানদের উইকেট উদযাপন। ছবি: এএফপি

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা

ছবি : বিসিসিআই

দ্রুততম ১৫ হাজার রানের বিশ্ব রেকর্ড কোহলির

ম্যাচ শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়দের সঙ্গে কোহলির করমর্দন। ছবি: এএফপি
কোহলি ও গিলের সেঞ্চুরিতে উইন্ডিজকে উড়িয়ে দিল ভারত

কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণিতে পথ হারিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর বিরাট কোহলি ও শুবমান গিলের ব্যাটে ম্যাচটা হয়ে গেল একেবারেই একপেশে।     দুজনের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ৫০ বল বাকি রেখে লক্ষ্য পেরিয়ে গেল ভারত। তিরুবনন্তপুরমে প্রথম ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিকেরা।     প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২৯৫ রান করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয়দের শুরুটা হয়েছিল দারুণ।       জন ক্যাম্পবেল ও জাস্টিন গ্রিভস মিলে গড়েন ১৩৫ রানের উদ্বোধনী জুটি। ক্যাম্পবেল করেন ৬২ রান, গ্রিভস তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন কুলদীপ। ১০ ওভারে মাত্র ৪০ রান দিয়ে ক্যাম্পবেল, শাই হোপ, গ্রিভস ও জুয়েল অ্যান্ড্রুকে ফেরান এই ‘চায়নাম্যান’।     শেষ দিকে আমির জাঙ্গুর অপরাজিত ৫৮ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ২৯৫ পর্যন্ত যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।   জবাবে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে ছিল ভারত। রোহিত শর্মা ৩২ রান করে ফিরলেও গিল ও কোহলি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিংকে ছন্নছাড়া করে দেন। গিল ১১০ রান করে ফিরলেও কোহলি ছিলেন অপরাজিত।     মাত্র ৭৪ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করা কোহলি শেষ পর্যন্ত ৮৮ বলে ১৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন।   তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৯টি ছক্কা। এই ইনিংসের পথে ওয়ানডেতে দ্রুততম ব্যাটার হিসেবে ১৫ হাজার রানও পূর্ণ করেন তিনি।     শেষ পর্যন্ত ৪১.৪ ওভারে ২ উইকেটে ৩০০ রান তুলে ৮ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে ভারত। ম্যাচসেরা হয়েছেন কুলদীপ যাদব।  দুই দলের দ্বিতীয় ওয়ানডে আগামী বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গুয়াহাটিতে।   

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ষষ্ঠবার জেএফএ চ্যাম্পিয়ন রংপুরের প্রিমলা দলকে সংবর্ধনা

ছবি: সংগৃহীত

আরচারিতে পদক জয়ে মিলবে অর্থ পুরস্কার

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি দুই তারকার পারফরম্যান্সে কাউন্টির শীর্ষ কেন্ট

ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের মুখোমুখি আয়ারল্যান্ড

হাঙ্গেরির ডেব্রেসেনে ইসরায়েলের বিপক্ষে অনুষ্ঠেয় উয়েফা নেশনস লিগ ম্যাচটি যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছে আয়ারল্যান্ড। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে এই ম্যাচটি আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে বেশ অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল।   সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ম্যানেজার হেইমির হালগ্রিমসন এবং একজন ফুটবলারের অংশগ্রহণে একটি সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা শুরুর মাত্র ১৫ মিনিট আগে স্থগিত করা হয়। এ সময় সাংবাদিকদের জানানো হয়, দলের অনুশীলন সেশনের পরেই এটি অনুষ্ঠিত হবে।   সকাল ১০টায় নির্ধারিত অনুশীলন সেশনের সময়ও পেরিয়ে যায়, অথচ দল তখনো হোটেলেই অবস্থান করছিল; এ বিষয়ে বিবৃতির আশায় সাংবাদিকরাও হোটেলের সামনে গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন। খেলোয়াড়রা তখন একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় নিশ্চিত না হওয়া কিছু খবরে জানা যায়, গোলরক্ষক গ্যাভিন বাজুনুসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।  ফলে ম্যাচটি আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।   এরপর দুপুরে খেলোয়াড়রা বৈঠক কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেন। এরপর নিশ্চিত করা হয়, সংবাদ সম্মেলনটি শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জানানো হয়,নাগিয়েরদেই স্টেডিয়ামে অনুশীলন সেশনটি হবে। এমন পরিস্থিতিতে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অফ আয়ারল্যান্ড (এফএআই)-এর প্রধান নির্বাহী ডেভিড কোরেল জানান, খেলোয়াড়দের ভোটে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ম্যাচটি খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   এর আগে আয়ারল্যান্ডের মিডফিল্ডার জেসন নাইট সরাসরিই বলেছিলেন, ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচটি হওয়া উচিত নয়। তিনি বলেছিলেন, ম্যাচটি অবশ্যই হওয়া উচিত নয়। কিন্তু এটি হচ্ছে। এ নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করে দল হিসেবে আমাদের মতামত ঠিক করব।

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বালোগানকে ঘিরে বিতর্কে নিজের ভূমিকা নিয়ে আক্ষেপ পচেত্তিনোর

ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ান গেমসে জাপানের বিস্ময় বালকের নতুন রেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত

এমবাপের অনুপস্থিতিতে বেলজিয়াম ম্যাচে ফ্রান্সের অধিনায়ক দেম্বেলে

0 Comments