জাতীয়

বুধবার দেশের সব তেলের ডিপো বন্ধ থাকবে: বিপিসি

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বার্ষিক সমাপনী মজুদ গণনা, পরিসম্পদ মূল্যায়ন ও বাস্তব যাচাই কার্যক্রমের লক্ষ্যে বুধবার (১ জুলাই) দেশের সব তেলের ডিপো এবং প্রধান স্থাপনা থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিপণন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। 

 

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

বিপিসির বণ্টন ও পরিবীক্ষণ অধিশাখার মহাব্যবস্থাপক (ব: ও বিপ:) ফেরদৌসী মাসুম হিমেল স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়, বিপিসির আওতাধীন বিভিন্ন কোম্পানির প্রধান স্থাপনা ও ডিপোসমূহে জ্বালানি তেলের বার্ষিক সমাপনী মজুদ গণনা ও বাস্তব যাচাই কার্যক্রম বুধবার (১ জুলাই) পরিচালিত হবে। এ লক্ষ্যে ওই দিন চট্টগ্রামস্থ প্রধানস্থাপনাসহ দেশের সব ডিপো ও স্থাপনার বিপণন কার্যক্রম বন্ধ রাখার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে।

 

তবে এ সময়ে বিমান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আদেশে উল্লেখ করা হয়, দেশী ও বিদেশী এয়ারলাইন্সে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ডিপোর জেটএ-১ মজুদ ট্যাংকের বার্ষিক যাচাই কার্যক্রম যথাসম্ভব দ্রুত সম্পন্ন করে সরবরাহ কার্যক্রম সচল রাখতে হবে।

 

এই বার্ষিক সমাপনী কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর প্রধান স্থাপনাসহ সব ডিপোর বিপণন কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে বিপিসি। 

 

এই আদেশের অনুলিপি যমুনা অয়েল, পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও ইস্টার্ন রিফাইনারিসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
আজ দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটির বৈঠক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের উদ্দেশ্য গঠিত সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।   বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে সুপ্রিম কোর্টে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। আপিল বিভাগের বিচারপতি ও সার্চ কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বে ওই বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন।    এর আগে গত ২২ জুন দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে সভাপতি করে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়ে। নিয়ম অনুযায়ী সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি চূড়ান্ত নিয়োগ দিবেন।   দুদক কমিশনার ও চেয়ারম্যান নিয়োগে গত ২২ জুন সার্চ কমিটি গঠন করে। ওই দিনই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সার্চ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব।   প্রজ্ঞাপনে সূত্রে জানা যায়,  দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭ অনুযায়ী কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, সার্চ কমিটি দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে ন্যূনতম দুইজন করে প্রার্থীর নামের তালিকা প্রস্তুত করে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে। পরে রাষ্ট্রপতি সেখান থেকে চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দেবেন।   গত ১৫ জুন জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দুদক গঠনে সার্চ কমিটি গঠনের বিষয়ে জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘হয়তো আপনারা মনে করেন সরকার আন্তরিক নয়। কিন্তু সরকার আন্তরিক ছিল। সার্চ কমিটি গঠন করা হবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠন করা হবে। সার্চ কমিটির মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের চলমান প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন গড়ে তোলা হবে।’   দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গঠন, চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ, তাদের মেয়াদ এবং অপসারণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো দুর্নীতি দমন কমিশন আইন- ২০০৪ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। দুদকের আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী স্বতন্ত্র কমিশন গঠিত হবে, যার নাম হবে ‘দুর্নীতি দমন কমিশন’।   আইনের ধারা ৫(২)-এ বলা হয়েছে, কমিশন একজন চেয়ারম্যান এবং দুই’জন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হবে। অর্থাৎ ২০০৪ সালের মূল আইনে কমিশনের সদস্য সংখ্যা ছিল মোট তিনজন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সংশোধন ও অধ্যাদেশের মাধ্যমে কমিশনারের সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ রাখা হলেও মূল আইনে চেয়ারম্যানসহ তিন সদস্যের কমিশন।   চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে আইনে ধারা ৬(১) অনুযায়ী, চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। তবে রাষ্ট্রপতি সরাসরি কাউকে নিয়োগ দেন না।   ধারা ৬(২) অনুযায়ী বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেবেন। কমিশনের নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়ায় একটি স্বাধীন বাছাই কমিটির ভূমিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর ধারা ৬(৩) অনুযায়ী পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদের জন্য যোগ্য ব্যক্তিদের নাম সুপারিশ করবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এক টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হবে’: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

যে কোনো মূল্যে বাস্তবায়ন হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা

ছবি: সংগৃহীত

বুধবার দেশের সব তেলের ডিপো বন্ধ থাকবে: বিপিসি

ছবি: সংগৃহীত
১৮ মাসের মধ্যে বাংলাদেশে প্রথম কারখানা চালু করবে চীন: বিডা চেয়ারম্যান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতাসহ অর্থনীতির বিভিন্ন বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।   চীনের দালিয়ান ও বেইজিংয়ে বড় বড় চীনা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠকে গ্রিন সিটি নির্মাণসহ একাধিক নতুন বিনিয়োগ প্রকল্পের প্রস্তাব এসেছে জানিয়ে আশিক চৌধুরী বলেন, এসব প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে নীতিগত সহায়তা ও জমি প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আনোয়ারায় চাইনিজ ইকোনমিক জোনের চুক্তি স্বাক্ষর এবং মোংলা বন্দরের পাশে প্রায় ১৫০ একর জমিতে চাইনিজ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ার জন্য প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা চালু করার অনুরোধ করেছেন।   ছয় দিনের সফর শেষে গতকাল শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ফিরে আসেন। আজ শনিবার সেই সফরের অর্জন নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।   সেই অনুষ্ঠানে বিডা চেয়ারম্যান বলেন, মালয়েশিয়া সফরের মূল লক্ষ্য ছিল জ্বালানি নিরাপত্তা, হালাল শিল্প এবং নতুন বিনিয়োগের পথ তৈরি করা। অন্যদিকে চীন সফরে গুরুত্ব পেয়েছে বৃহৎ শিল্প বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক অঞ্চল, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তুলে ধরা এবং জ্বালানি অবকাঠামো শক্তিশালী করার উদ্যোগ। এসব দিক বিবেচনায় এই সফর সফল হয়েছে।   দেশে জ্বালানি সংকট সমাধানে মালয়েশিয়া এগিয়ে আসার আগ্রহ দেখিয়েছে জানিয়ে বিডা চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের শিল্প খাতে গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতিকে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ বাধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ কারণে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান পেট্রোনাসের সঙ্গে বৈঠক করে তেল-গ্যাস অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দ্রুত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, যাতে বিদ্যমান বিনিয়োগকারীদের সমস্যার সমাধান করা যায়। পেট্রোনাস এ বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনায় অংশ নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে।   আশিক মাহমুদ জানান, এ ছাড়া মালয়েশিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, যাতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সহজ হয়। লজিস্টিকস, টেলিযোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতের বড় কোম্পানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে। তারা বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।   হালাল সনদ ও হালাল পণ্যের রপ্তানিবাজর উন্মুক্তকরণে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে বিডা চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশকে বৈশ্বিক হালাল শিল্প নেটওয়ার্কে যুক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশন মালয়েশিয়ার জাকিমের স্বীকৃতি পাওয়ায় বাংলাদেশে হালাল সার্টিফিকেশন দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ ভিত্তিতে হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ে তোলা এবং মালয়েশিয়া ও চীনের বাজারসহ বৃহত্তর এশিয়ায় হালাল খাদ্য ও প্রসাধনী রপ্তানির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।   মালয়েশিয়ার মতো চীনও জ্বালানি অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করার আগ্রহ দেখিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন জ্বালানি ও গ্যাস অবকাঠামো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠকে এলএনজি আমদানি, ডিজেল সরবরাহ, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং গ্যাস অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতির আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০১, ২০২৬
জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ,সংগৃহীত

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাজেট ১ টাকায় নামলে বিদেশে লাল-সবুজের পতাকা নামাতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

১৫ সদস্যের বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটি গঠন

ছবি: সংগৃহীত

খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

ছবি: সংগৃহীত
ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে ডিএমপি কমিশনারের নতুন বার্তা

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের লেক রোডে এআই ক্যামেরা দ্বারা ট্রাফিক মামলা দায়ের ও যানবাহন মনিটরিং কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে এ কথা জানান তিনি। ঢাকার রাস্তায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের দাপটে ট্রাফিক–ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার দশা। এই বাহনগুলোর কোনো আইনি ভিত্তি নেই। গঠন, নিবন্ধন, চলাচলযোগ্যতা—কোনো কিছুরই বালাই নেই। রাজধানীতে কি পরিমাণ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে, নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা না থাকায় তার সঠিক পরিসংখ্যানও নেই। ঢাকার বিভিন্ন সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এই ক্যামেরা চালু হলেও সেটিরও তোয়াক্কা করছে না রিকশাচালকেরা।   ডিএমপির একার পক্ষে ব্যাটারিচালিত রিকশা তুলে দেয়া সম্ভব নয় জানিয়ে কমিশনার বলেন, নিয়মিত অভিযান চলছে, সমস্যা সমাধানে সমন্বিতভাবে কাজ করছে পুলিশ।  এদিকে কদিন আগেও সিগন্যালে গাড়ি থামাতে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের রীতিমতো ছোটাছুটি করতে হতো। এখন সেটি লাগছে না। ট্রাফিক আইন মানাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরা বসানোর পর থেকেই এ পরিবর্তন।   রাজধানীর ১৮টি মোড় বা ক্রসিংয়ে এই ক্যামেরা বসানো হয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, চালুর পর এখন পর্যন্ত মামলা হয়েছে দেড় হাজার। সমন জারি করা হয়েছে ৩৮ হাজার।   ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে ৭ মে থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে সেই গাড়ি শনাক্ত করছে ক্যামেরা। সে অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের নামে ডিজিটালি মামলা দেয়া হচ্ছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সংসদে রুমিন ফারহানার পোশাক নিয়ে আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত

জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর আইন, অনলাইন বেটিংয়ে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মায় ডুবে দুই স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু, মহানন্দায় নিখোঁজ যুবকের সন্ধান চলছে

0 Comments