ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ খেলার হাতছানি রদ্রিগো দে পলের সামনে। সেরা অবস্থায় থেকে বিশ্ব মঞ্চে যেতে প্রস্তুতির কোনো কমতি রাখছেন না আর্জেন্টিনার এই মিডফিল্ডার। জাতীয় দল ও ক্লাব সতীর্থ লিওনেল মেসির সঙ্গে বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের আর এক মাসও বাকি নেই। দীর্ঘ তিন যুগের অপেক্ষা শেষে যার কাঁধে ভর করে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে তৃতীয়বারের মতো বিশ্ব সেরা ট্রফি জয় করেছিল আর্জেন্টিনা, সেই মেসি আসন্ন আসরে খেলার ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলেননি।
তবে ‘লো দেল পোশো শো’-তে আর্জেন্টাইন ইউটিউবার পোশো আলভারেসকে দে পল যা বললেন, তাতে একেবারেই পরিষ্কার যে, ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলার অপেক্ষায় মেসি।
আমরা সেটার (বিশ্বকাপ) জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছি। গত দুই-তিন মাস ধরে ক্লাবের অনুশীলনের পাশাপাশি আমরা প্রতিদিন আলাদা অনুশীলন করেছি। সেরা শারীরিক অবস্থায় পৌঁছাতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি। আমাদের কোচের সঙ্গে দ্বিগুণ অনুশীলন সেশন আছে। আমরা নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিচ্ছি।”
রোমাঞ্চ নিয়ে বিশ্বকাপের অপেক্ষায় দে পল। ইন্টার মায়ামির ৩১ বছর বয়সী ফুটবলারের বিশ্বাস, এবারও শিরোপার দাবিদার থাকবে আর্জেন্টিনা।
“বিশ্বকাপের ভাবনা ছাড়া থাকা যায় না। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই এই ভাবনাগুলো মাথায় আসছে। ভয়, অনিশ্চয়তা, আনন্দ... দল ঘোষণার অপেক্ষায় আছি। ব্যক্তিগতভাবে আমি খুব রোমাঞ্চিত ও আশাবাদী। আমি মনে করি, আমাদের দল আবারও শিরোপার দাবিদার হবে।
আমার সতীর্থদের মধ্যে আবারও তা করে দেখানোর দৃঢ় বিশ্বাস ও ক্ষুধা দেখতে পাচ্ছি। আমরা কোপা আমেরিকা জিতে দ্বিতীয়টির জন্য লড়েছিলাম, আমরা ফিনালিস্সিমা জিতেছিলাম এবং স্পেনের বিপক্ষে (ফিনালিস্সিমা) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য উদগ্রীব ছিলাম... দলের সবাই তাদের সর্বস্ব দিয়ে দিতে চায়।
আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে নেমে যেন রূপকথার গল্প লিখেছে কেপ ভার্দে। সাবেক দুই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন ও উরুগুয়ের গ্রুপে পড়েও সব চ্যালেঞ্জ উতরে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে আটলান্টিক মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্রটি। বিশ্বের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার (৫ লাখ ৩০ হাজার) দেশ হিসেবে গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়েছে তারা। এবার কেপ ভার্দের সামনে আরো বড় চ্যালেঞ্জ। আগামী ৪ জুলাই মায়ামিতে রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে দলটি। ম্যাচটি ঘিরে বেশ রোমাঞ্চিত কেপ ভার্দের প্রেসিডেন্ট জোসে মারিয়া নেভেস। তার বিশ্বাস, কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে হারাতে পারবে এবং তা হবে বিশ্বকাপ জয়ের মতো। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জোসে মারিয়া নেভেস বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে। আমরা জেতার জন্যই মাঠে নামব। যখন কোনো দলের ওপর প্রত্যাশা কম থাকে; কিন্তু জয়ের ক্ষুধা থাকে প্রবল, তখন অনেক কিছুই সম্ভব।’ ২০২১ সাল থেকে কেপ ভার্দের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করে চলা নেভেস আরো বলেছেন, ‘নিজেদের ওপর ১০০% বিশ্বকাপ ও ১০০% আশা আছে। আমরা আমাদের জার্সির মর্যাদা রাখতে মাঠে শেষ পর্যন্ত লড়াই করব। কেপ ভার্দে যদি আর্জেন্টিনাকে হারাতে পারে, তাহলে ধরে নেব আমরা বিশ্বকাপ জিতে গেছি। কেপ ভার্দের জন্য এটি হবে এক ঐতিহাসিক ও অবিশ্বাস্য অর্জন।’ এদিকে, ঘানার আলোচিত জাদুকর নানা কওয়াকু বোনসামও ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করে দেবে কেপ ভার্দে। প্রেসিডেন্টের বিশ্বাস ও জাদুকরের ভবিষ্যদ্বাণীকে ভুল প্রমাণ করে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিতে পারে কি না, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।
মঙ্গলবার আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতে নরওয়ে পরবর্তী রাউন্ডে উঠেছে। বাংলাদেশ সময় আগামী সোমবার রাত ৩টায় তারা শেষ ১৬-র ম্যাচে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে। তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডের দল গত রাউন্ডের জাপানের চেয়ে ব্রাজিলিয়ান দলের জন্য আরও বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। গ্যালারিতে ভক্তদের ভাইকিং রোয়িং স্লোগানের সাফল্যের জন্য পরিচিত নরওয়ে বিশ্বকাপে মাঠেও বেশ ভালো করছে। তারা এ পর্যন্ত চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জয় পেয়েছে, যেখানে দশটি গোল করেছে ও আটটি গোল হজম করেছে। তাদের একমাত্র হার ছিল ফ্রান্সের কাছে ৪-১ ব্যবধানে। গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডের ওই ম্যাচে নরওয়ে তাদের শুরুর একাদশের নিয়মিত খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়ে রিজার্ভ দল মাঠে নামিয়েছিল। নরওয়ের শক্তি লুকিয়ে আছে তাদের আক্রমণে। চলতি বিশ্বকাপে পাঁচ গোল করা হালান্ডের দৃঢ়তা ও ওডেগার্ডের সৃজনশীল ক্ষমতার কারণে দলটি ব্রাজিলের রক্ষণভাগের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। তবে কোচ কার্লো আনচেলত্তি এমন একজনের ওপর ভরসা রাখছেন, যিনি প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনাল ও ম্যানসিটির মধ্যকার ম্যাচগুলোতে হালান্ডের মুখোমুখি হতে অভ্যস্ত। তিনি গ্যাব্রিয়েল মাগালাহায়েস। আরেকটি জায়গায় ব্রাজিলকে অবশ্যই বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে—নরওয়েজিয়ানদের বিপক্ষে এরিয়াল বল ও শারীরিক লড়াইয়ে। প্রতিপক্ষ দলে লম্বা ও শক্তিশালী খেলোয়াড় রয়েছে। যেমন ফরোয়ার্ড হালান্ড (১.৯৪ মি.) ও সরলথ (১.৯৫ মি.), মিডফিল্ডার বার্গ (১.৯৫ মি.) এবং ডিফেন্ডার আয়ের (১.৯৬ মি.) ও হেগেম (১.৯২ মি.)। অন্যদিকে ব্রাজিলের শুরুর একাদশের সবচেয়ে লম্বা খেলোয়াড় হলেন মাগালাহায়েস (১.৯০ মি.)। তিনিই ১.৯০ মিটার সীমার মধ্যে থাকা একমাত্র খেলোয়াড়। নরওয়ে আক্রমণ করতেই পছন্দ করে। তাই ব্রাজিলের বিপক্ষে জাপানের মতো রক্ষণাত্মক হয়ে বসে থাকার কথা তাদের নয়। তবে ব্রাজিলিয়ান দলের বিপক্ষে তারা একেবারে সর্বশক্তি দিয়ে যে আক্রমণে যাবে, তা কিন্তু নয়। সেক্ষেত্রে খেলার মতো আরও বেশি জায়গা পাওয়ার প্রবণতা থাকবে ব্রাজিলের। তাতে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রায়ানের মতো খেলোয়াড়দের গতি কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণাত্মক দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারবে তারা। ফ্রান্সের বিপক্ষে বড় পরাজয় কিন্তু দুশ্চিন্তা বাড়ায় না। কারণ নরওয়ের রিজার্ভ স্কোয়াড নেমেছিল, তাই এই হার স্বাভাবিক। তবে অন্যান্য ম্যাচেও নরওয়ের রক্ষণাত্মক সমস্যা দেখা গেছে। তারা সেনেগালের বিপক্ষে দুটি গোল (৩-২) এবং এই বিশ্বকাপে তাদের মুখোমুখি হওয়া সবচেয়ে দুর্বল প্রতিপক্ষ ইরাকের কাছে একটি গোল (৪-১) হজম করেছে। আক্রমণভাগের বিশেষ খেলোয়াড়দের বাদ দিলে নরওয়ের দলে তারকাবহুল কোনো স্কোয়াড নেই। ও গ্লোবোর হেড-টু-হেড তুলনামূলক বিশ্লেষণে ম্যাচের আগে নরওয়ে ও আইভরি কোস্টের প্রতিটি অবস্থানের সম্ভাব্য শুরুর একাদশের তুলনা করা হয়েছিল, সেখানে আইভরিয়ানরা ৮-৩ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। বলা যায়, নরওয়ের হালান্ড থাকলেও বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের বিপক্ষে ব্রাজিল দলই ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামবে।
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়ে শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে নামার আগে টাইব্রেকারের প্রস্তুতিতে কোনো কমতি রাখছে না থমাস টুখেলের ইংল্যান্ড। বুধবার আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (কঙ্গো ডিআর) মুখোমুখি হবে থ্রি লায়ন্সরা। নকআউট পর্বের এই গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে নামার আগে দলের উইঙ্গার ননি মাডুয়েকে জানিয়েছেন, পেনাল্টি শুটআউটের প্রস্তুতিকে তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন এবং সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য দল প্রস্তুত রয়েছে। ক্রোয়েশিয়া ও পানামাকে হারিয়ে এবং ঘানার সঙ্গে ড্র করে গ্রুপ ‘এল’-এর চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউটে পা রেখেছে ইংল্যান্ড। শক্তি ও সামর্থ্যে কঙ্গোর চেয়ে ইংলিশরাই কাগজে-কলমে অনেকটা এগিয়ে, তবু কোনোরকম ঝুঁকি নিতে রাজি নন টুখেল। ইউরো ২০২১-এর ফাইনালে ইতালির কাছে টাইব্রেকারে হেরে শিরোপা হারানোর ক্ষত এখনো ভোলেনি সমর্থকরা। তাই এবারের বিশ্বকাপে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে যেন ভাগ্য পরীক্ষায় কোনো ভুল না হয়, সেজন্য অনুশীলনে পেনাল্টি শটের ওপর বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে। মাডুয়েকে স্পষ্ট করে বলেন, নকআউট ফুটবলে পেনাল্টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ, তাই খেলার অন্যান্য বিভাগের মতো টাইব্রেকারেও তারা নিজেদের সেরা স্তরে রাখতে চান। আর্সেনালের এই ২৪ বছর বয়সী উইঙ্গারকে যদি টাইব্রেকারে শট নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, তবে তিনি সানন্দে সেই দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। যদিও এক মাস আগে প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) কাছে আর্সেনালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল হারের টাইব্রেকারে তিনি শট নেননি, তবে দেশের জার্সিতে যেকোনো চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে আছেন এই তারকা। দলে বুকায়ো সাকার সঙ্গে মূল একাদশে জায়গা পাওয়ার লড়াই থাকলেও, তাদের মধ্যকার এই সুস্থ প্রতিযোগিতা মাঠের পারফরম্যান্সকে আরও সমৃদ্ধ করছে বলে মনে করেন তিনি। ক্লাব ও জাতীয় দল—দুই জায়গাতেই সাকার সঙ্গে দারুণ বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করে মাডুয়েকে বলেন, তাদের খেলার ধরন কিছুটা আলাদা হলেও একে অপরের সাফল্য কামনা করেন। সম্প্রতি আর্সেনালের হয়ে ২০০৪ সালের পর প্রথম প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জেতার যে আত্মবিশ্বাস, সেটিই এখন বিশ্বকাপের মঞ্চে কাজে লাগাতে চান এই উইঙ্গার। গ্রুপ পর্বে দারুণ ছন্দে থাকা ইংল্যান্ড এখন কঙ্গোকে হারিয়ে শেষ ১৬-র টিকিট কাটতে পুরোপুরি তৈরি।