আসন্ন ২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন পেসার আল ফাহাদ। আর বিশ্বকাপে বাংলদেশ দলকে নেতৃত্ব দেবেন নিয়মিত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম।
আজিজুলের ডেপুটি হিসেবে থাকবেন ড্যাশিং ওপেনার জাওয়াদ আবরার। বিশ্বকাপ মিশনে অংশ নিতে রোববার রাতে ঢাকা ছাড়বে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
এদিকে দলে ফিরেছেন ফাহাদ। এশিয়া কাপে ইনজুরির কারণে ছিটকে পড়েছিলেন তিনি। ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের সময় চোটে পড়েছিলেন ফাহাদ। সেই চোটে এশিয়া কাপে খেলা হয়নি তার।
গেল এশিয়া কাপের দল থেকে মূল দলে জায়গা পাননি মাত্র একজন। ফাহাদকে দলে নেওয়ায় স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয়েছে মোহাম্মদ সবুজকে। এছাড়া এশিয়া কাপের দলে থাকা সবাই বিশ্বকাপের দলে জায়গা পেয়েছেন। সবুজ ছাড়াও স্ট্যান্ডবাই হিসেবে আছেন আব্দুর রহিম, দেবাশীষ দেবা, রাফিউজ্জামান রাফি, ফারহান শাহরিয়ার, ফারজান আহমেদ আলিফ ও সানজিদ মজুমদার।
বাংলাদেশের যুবাদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু হবে ১৭ জানুয়ারি, বুলাওয়েতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এর তিন দিন পর ২০ জানুয়ারি একই ভেন্যুতে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ডের। গ্রুপের শেষ ম্যাচে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খেলবে ২৩ জানুয়ারি।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ স্কোয়াড
আজিজুল হাকিম তামিম (অধিনায়ক), জাওয়াদ আবরার, সামিউন বাসির রাতুল, শেখ পারভেজ জীবন, রিজান হোসেন, শাহরিয়ার আল আমিন, স্বাধীন ইসলাম, মোঃ আব্দুল্লাহ, ফরিদ হাসান ফয়সাল, কালাম সিদ্দিকী আলিন, রিফাত বেগ, সাদ ইসলাম রাজিন, আল ফাহাদ, শাহরিয়ার আহমেদ ও ইকবাল হোসেন ইমন।
স্ট্যান্ডবাই
আব্দুর রহিম, দেবাশীষ দেবা, রাফিউজ্জামান রাফি, ফারহান শাহরিয়ার, ফারজান আহমেদ আলিফ ও সানজিদ মজুমদার।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশের মেয়েদের দাপট চলছেই। সাফ উইমেনস ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচেও বড় জয় পেয়েছে সাবিনা–কৃষ্ণারা। ব্যাংককের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে আজ সোমবার ৩–০ গোলে নেপালকে উড়িয়ে দিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই দাপুটে জয়ে টুর্নামেন্টের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচে একটি জয় ও একটি ড্র পাওয়া বাংলাদেশ এদিনও ছিল দারুণ আত্মবিশ্বাসী। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। ১৪ মিনিটে অধিনায়ক সাবিনা খাতুন গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। এই নিয়ে টুর্নামেন্টে তার গোলসংখ্যা দাঁড়াল চার। প্রথম গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই ১৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কৃষ্ণা রানী সরকার। ফলে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য বজায় রাখে বাংলার মেয়েরা। লিপি আক্তারের দারুণ এক গোলে বড় জয় নিশ্চিত হয়। অন্যদিকে গোলরক্ষক স্বপ্না আক্তার ঝিলি পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের ‘ক্লিন শিট’ নিশ্চিত করেন। সাত দলের এই টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচ শেষে ৭ পয়েন্ট নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে শুভসূচনা করে দলটি। দ্বিতীয় ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে ৩–১ গোলে পিছিয়ে পড়েও রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৩–৩ ড্র করে সাবিনারা। আজকের জয়ে টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকল বাংলাদেশ।
লা লিগায় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রিয়াল সোসিয়েদাদের কাছে হেরে গেছে বার্সেলোনা। বৃষ্টিভেজা রিয়ালে আরেনায় ম্যাচটি শেষ হয় ২-১ ব্যবধানে। তাতে থেমে গেছে তাদের ১১ ম্যাচের জয়যাত্রাও। এই হারের ফলে টেবিলের শীর্ষে বার্সেলোনার লিড নেমে এসেছে মাত্র এক পয়েন্টে। শনিবার লেভান্তেকে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। সেই ফলের পর যেন চাপেই পড়ে যায় কাতালানরা। বার্সেলোনা ম্যাচে চারবার বল পোস্টে লাগায়। দু’টি গোল বাতিল হয়। নতুন মার্কিন কোচ পেলেগ্রিনো মাতারাজ্জোর অধীনে রিয়াল সোসিয়েদাদ টানা চার ম্যাচ অপরাজিত থাকল। শেষ দিকে কার্লোস সোলের লাল কার্ড দেখলেও জয় ধরে রাখে স্বাগতিকরা। ম্যাচের শুরুটা ছিল খুব দ্রুত। ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে মিকেল ওইয়ারসাবাল গোল করেন। তবে অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। অন্য প্রান্তে ফেরমিন লোপেজ দূর থেকে গোল করেন। বিল্ডআপে দানি ওলমোর ফাউল থাকায় সেটিও বাতিল হয়। ডান দিক দিয়ে বারবার আক্রমণ চালান লামিন ইয়ামাল। ১৮ বছর বয়সী এই উইঙ্গার সুযোগ তৈরি করেন। তবে ওলমোর শট চলে যায় বারের ওপর দিয়ে। ইয়ামাল নিজেও গোল করেন। খুব অল্প ব্যবধানে অফসাইড ধরা পড়ে। গোল বাতিল হয়। খেলার ধারার বিপরীতে প্রথম গোল পায় রিয়াল সোসিয়েদাদ। গনসালো গুয়েদেসের ক্রস থেকে দারুণ ভলিতে গোল করেন ওইয়ারসাবাল। বল ঢুকে যায় গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়ার কাছের পোস্ট দিয়ে। বিরতির আগে বক্সের ভেতরে ফাউলের শিকার হন ইয়ামাল। রেফারি পেনাল্টি দেন। পরে ভিএআর দেখে অফসাইড ধরা পড়ে। সিদ্ধান্ত বদলে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে চাপ বাড়ায় বার্সেলোনা। গোলরক্ষক অ্যালেক্স রেমিরো একের পর এক সেভ করেন। দানি ওলমোর শট পোস্টে লাগে। পরে কাছের পোস্টে ভালো সেভ দেন রেমিরো। রবার্ট লেভান্ডভস্কির হেড ক্রসবারে লাগান তিনি। ৭০ মিনিটে সমতা ফেরান মার্কাস রাশফোর্ড। ইয়ামালের ক্রসে হেডে গোল করেন তিনি। তবে আনন্দ বেশি সময় থাকেনি। এরপরই আবার এগিয়ে যায় রিয়াল সোসিয়েদাদ। কার্লোস সোলের শট ঠিকমতো ধরতে পারেননি গার্সিয়া। ফিরতি বল পেয়ে গুয়েদেসকে ক্রস দেন সোলের। গুয়েদেস গোল করেন। তৃতীয় গোল হতে পারত। গার্সিয়া গোল ছেড়ে বেরিয়ে ছিলেন। ওইয়ারসাবালের শট গোললাইন থেকে হেড করে ফেরান পাউ কুবারসি। শেষ দিকে জোয়াও ক্যানসেলোর ক্রসে জুল কুন্দের হেড ক্রসবারে লাগে। পরে সোলের পেদ্রিকে কঠিন ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন। যোগ করা সময়ে রাশফোর্ড সরাসরি কর্নার থেকে পোস্টে বল মারেন। তবুও গোল আসেনি। শেষ পর্যন্ত হার নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।
দোরগোড়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। এমন সংকটের মাঝেই এবার আইসিসির চিন্তা বহুগুণ বাড়িয়ে দিল পাকিস্তান। বাংলাদেশের সমস্যার সমাধান করতে না পারলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে তারা। ঠিক এমনটাই জানিয়েছে পাকিস্তানের দুই সংবাদমাধ্যম জিও সুপার এবং টেলিকম এশিয়া ডটনেট। ঘটনার সূত্রপাত মূলত, মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে। এরপর থেকেই ভারতে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন বিসিবি। যে কারণে ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো সরিয়ে নিতে আইসিসিকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ। কিন্তু বিসিবির এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরিয়ে আনতে চেষ্টার কমতি নেই আইসিসির। গতকাল তো ঢাকায় বিসিবির কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায়ও বসেছিল ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিরা। কিন্তু তাতেও মন গলেনি বিসিবি কর্তাদের। যে কারণেই বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয় কি না, তাই এখন বড় প্রশ্ন। এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশকে পূর্ণ সমর্থন দিতে মুখিয়ে রয়েছে পাকিস্তান। দেশটির জিও সুপার জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে বিসিবি যে কারণ দেখিয়েছে, সেগুলো বৈধ মনে করছে ইসলামাবাদ। শেষ পর্যন্ত এই ইস্যুতে কোনো সমাধান না আনতে পারলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে পাকিস্তান। সেই সঙ্গে ভারত যেন বাংলাদেশকে চাপ দিতে না পারে, সেটাও দেখা হবে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের বিষয়ে সমর্থন পেতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। সেখান থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সমস্যা সমাধান না হলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে পাকিস্তান। সূত্রগুলো বলছে, ভারতে না যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের কারণগুলো বৈধ এবং এ ক্ষেত্রে কেউ জোর করতে পারে না। তারা বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ সমর্থন করে। বাংলাদেশের সমস্যা সমাধান না হলে তারা তাদের অংশগ্রহণ পুনর্বিবেচনা করবে। এখন দেখার বিষয় শেষ মুহূর্তে কেমন সিদ্ধান্ত আসে আইসিসির পক্ষ থেকে।