জাতীয়

বন্যার প্রভাবে চট্টগ্রামে বাড়ছে সবজির দাম, সরবরাহ সংকটে বাজার

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

টানা বর্ষণ ও বন্যার প্রভাবে চট্টগ্রামে সবজির বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। উৎপাদন এলাকায় ফসলের ক্ষতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় গত কয়েক দিনে বিভিন্ন সবজির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য খালাস, পাইকারি বাজারে বেচাকেনা এবং পরিবহন কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে বাজারে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই দাম বেড়েছে।

 

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের শঙ্খ নদীর চরাঞ্চল, যা জেলার অন্যতম প্রধান সবজি উৎপাদন এলাকা। দোহাজারী, সাতকানিয়ার খাগরিয়া ও ছদাহা এবং বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে। অনেক জমিতে বালু জমে যাওয়ায় দ্রুত চাষাবাদ শুরু করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় প্রায় ৯০০ হেক্টর সবজি, ৭০ হেক্টর পেঁপে এবং প্রায় ৬০ হেক্টর অন্যান্য ফসলের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, বাজারজাতের উপযোগী ফসলও বন্যার পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। বাঁশখালীর কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, করলার ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় তার প্রায় দুই লাখ টাকার সম্ভাব্য আয় হারিয়ে গেছে।

 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলু ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। বর্তমানে মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০–৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, কাঁকরোল ৭০ টাকা, বেগুন ও দেশি গাজর ৮০ টাকা, আমদানি করা গাজর ১৩০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা এবং কচুরমুখী ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

এ ছাড়া বরবটি, ঝিঙা, পটল ও করলা প্রতি কেজি ১০০–১১০ টাকা, শিম ১৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৫০–১৮০ টাকা, ধনেপাতা ১৮০–২০০ টাকা এবং শাক প্রতি আঁটি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, কৃষকদের জন্য বীজ, সার ও আর্থিক প্রণোদনার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বালুচাপায় ক্ষতিগ্রস্ত জমি পুনরায় চাষের উপযোগী করার উদ্যোগও চলছে।

 

চট্টগ্রামের রেয়াজুদ্দিন কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন বলেন, উৎপাদন এলাকা থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আগামী কয়েক সপ্তাহে সবজির দাম আরও বাড়তে পারে।

 

চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আজাদ হোসেন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা দেওয়া গেলে তারা আবার উৎপাদনে ফিরতে পারবেন, যা বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সহায়ক হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ফাইল ছবি
১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সরকার : জ্বালানিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বর্তমান সরকার ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির প্রয়োজন হয় না। ফলে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি আমদানি কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।   তিনি বলেন, গ্রামে মাসে ৭৫ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় না। এ কারণে যারা মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তাদের জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। প্রান্তিক মানুষ যাতে কষ্ট না পান, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।   শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নে স্প্রে মেশিন, নলকূপ, সেলাই মেশিন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেঞ্চ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।   ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে কাজ করছেন। এ লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডও দেওয়া হয়েছে।   সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মামুন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভালুকায় মাদকের অভিযোগে মা-ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিল জনতা, বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন

ছবি: সংগৃহীত

বন্যার প্রভাবে চট্টগ্রামে বাড়ছে সবজির দাম, সরবরাহ সংকটে বাজার

ছবি: সংগৃহীত

চন্দনাইশে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত ভিড়ে মঞ্চ ধস, অক্ষত অর্থমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযান, মাদক ও ভারতীয় পণ্যসহ আটক ৩

কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় গাঁজা, ইয়াবা এবং বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তিনজন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে।   শুক্রবার (১৭ জুলাই) কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।   বিজিবি জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ভুরুঙ্গামারীর সোনাহাট ও ধলডাঙ্গা সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ভারতীয় গাঁজা, ইয়াবা ট্যাবলেট এবং তিনজন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়।   এ ছাড়া ব্যাটালিয়নের আওতাধীন অন্যান্য সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ভারতীয় জিরা, গবাদিপশু এবং বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা এসব পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৪৫০ টাকা।   কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক বলেন, সীমান্তে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। তিনি জানান, সীমান্ত এলাকায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে সদস্যরা দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সংবিধান সংশোধনের পক্ষে বিএনপি, সংস্কারের কথা বলিনি : মির্জা ফখরুল

বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার : অর্থমন্ত্রী

'বিদায় পৃথিবী’ লিখে সাংবাদিকের গলায় ফাঁস, কারণ কী

ছবি: সংগৃহীত
খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি টিআইবির

খুলনায় পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে একসঙ্গে অবস্থানরত সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি এ ঘটনাকে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে।   শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে টিআইবি দ্রুত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, পরিকল্পনাকারী এবং নির্দেশদাতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানায়।   টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, হামলাটি কোনো নির্দিষ্ট প্রতিবেদন বা সাংবাদিককে লক্ষ্য করে হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে সাংবাদিকদের ওপর সশস্ত্র হামলা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর গুরুতর আঘাত।   তিনি বলেন, শুধু মামলা দায়ের করাই যথেষ্ট নয়; হামলার উদ্দেশ্য, জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সঙ্গে ঘটনার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদ্ঘাটন করতে হবে। অন্যথায় ঘটনাটি বিচারহীনতার সংস্কৃতিতে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হামলার শিকার সাংবাদিকরা প্রথমদিকে মামলা করতে অনাগ্রহ দেখিয়েছিলেন। টিআইবির মতে, এটি সাংবাদিকদের মধ্যে বিদ্যমান নিরাপত্তাহীনতা, ভীতির পরিবেশ এবং প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কার প্রতিফলন। পাশাপাশি কার্যকর তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আস্থার ঘাটতিরও ইঙ্গিত বহন করে।   টিআইবি মনে করে, আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থার বর্তমান প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিবেচনায় হামলাকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব। তাই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি প্রতিটি হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৭, ২০২৬
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ইকোনমিক একসিলারেশন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফর নিট (আর্ন) নামের একটি প্রকল্পের সার্ভিস প্রোভাইডার নিয়োগের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের অতিথিরা।

যুব উন্নয়নে দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

তিন ধরনের কেক-পাউরুটি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ

চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতি ১৫০ কোটি

0 Comments