জাতীয়

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড বাতিল, নতুনভাবে গঠন

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যমান বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড বাতিল করে নতুন করে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের বোর্ড গঠন করেছে সরকার। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

এতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইনের ক্ষমতাবলে সরকার নতুন বোর্ড গঠন করেছে’ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক ১৫-০৯-২০২৪ তারিখে গঠিত পুরনো বোর্ডটি বাতিল করা হয়েছে।

 

নতুন বোর্ডটি ১৫ সদস্যের, যার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মন্ত্রণালয়ের সচিব, এবং সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান।

 

নতুন বোর্ডের সদস্যরা হলেন— তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), আইন ও বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি (ন্যূনতম যুগ্মসচিব পদমর্যাদার), প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের একজন প্রতিনিধি (ন্যূনতম যুগ্মসচিব পদমর্যাদার), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি (ন্যূনতম যুগ্মসচিব পদমর্যাদার), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

 

এ ছাড়া সদস্য হিসেবে থাকছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির একজন প্রতিনিধি অথবা একজন প্রথিতযশা প্রযোজক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির একজন প্রতিনিধি অথবা একজন প্রথিতযশা পরিচালক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির একজন প্রতিনিধি অথবা একজন স্বনামধন্য অভিনেতা বা অভিনেত্রী এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির একজন প্রতিনিধি।

 

চলচ্চিত্রাঙ্গনের প্রতিনিধিত্বকারী সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন চলচ্চিত্র সম্পাদক ইকবাল এহসানুল কবির, চলচ্চিত্র পরিচালক খিজির হায়াত খান, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ এবং চলচ্চিত্র পরিচালক তাসমিয়া আফরিন মৌ।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
যে ভুলে বন্ধ হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পথ, সতর্কতা জারি

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য না থাকলে ভবিষ্যতে জটিলতায় পড়তে হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস।   শনিবার (৭ মার্চ) এক বার্তায় দূতাবাসটি নন–ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীদের আর্থিক সক্ষমতা সম্পর্কে সতর্কতা জারি করে। বার্তায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় ভ্রমণের পুরো সময়ের ব্যয় বহনের মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ভ্রমণের সময় কোনো বিঘ্ন ঘটলে বা চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে তার ব্যয় বহনের সক্ষমতাও থাকতে হবে। দূতাবাস আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে পরিচালিত সরকারি সুবিধার অপব্যবহার করলে এর গুরুতর ও স্থায়ী পরিণতি হতে পারে। এর ফলে ভবিষ্যতে কেউ যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ, পড়াশোনা বা কাজ করার অযোগ্য হয়ে পড়তে পারেন। এর আগে দূতাবাস ভ্রমণকারীদের সে দেশে সরকারি স্বাস্থ্য সহায়তা গ্রহণের বিষয়েও সতর্ক করেছিল। ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে মার্কিন সরকারের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করলে তা ভিসার অপব্যবহার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগও হারাতে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

হাইড্রোজেনচালিত যাত্রীবাহী ট্রেন নির্মাণের উদ্যোগ পোল্যান্ডের

ছবি : সংগৃহীত

রোববার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে

ছবি : সংগৃহীত

ট্রেনের ১৭ মার্চের অগ্রিম টিকিট মিলছে আজ থেকে

ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রার্থীকে সমর্থন দিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে সমর্থন দিতে ঢাকায় নিযুক্ত কূটনীতিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   শুক্রবার (৬ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতারের তিনি এ আহ্বান জানান।     প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মানবাধিকার সুরক্ষা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সহনশীলতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারের সব স্তরে দুর্নীতি মোকাবেলায় দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।   এই ইফতার আয়োজনে ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এতে বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কূটনৈতিক সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়।   এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জায়মা রহমান।

আক্তারুজ্জামান মার্চ ০৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ তেল নেওয়া যাবে ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০

ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে ৮ মার্চ পর্যন্ত সব ফ্লাইট বাতিল

ছবি : সংগৃহীত

শাহ আমানতে বাতিল আরও ১৪ ফ্লাইট

ছবি : সংগৃহীত
গাড়িতে তেল বিক্রিতে নতুন সীমা বেঁধে দিল সরকার

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জ্বালানি তেলে বড় ধরনের রেশনিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে মোটরসাইকেল থেকে শুরু করে ট্রাক পর্যন্ত সব ধরনের যানবাহনকে সীমিত পরিমাণে জ্বালানি তেল দেওয়া হবে। শুক্রবার দুপুরে সরকার এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।   সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব পেট্রোল পাম্পকে গত বছরের (২০২৫) তেল বিক্রির হিসাব থেকে ২০ শতাংশ কম তেল দেবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি। তবে সরকার আপাতত তেলের দাম বাড়াবে না বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।   সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি মোটরসাইকেল একদিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার অকটেন বা পেট্রোল, কার ১০ লিটার পেট্রোল বা অকটেন, এসইউভি, জিপ মাইক্রোবাস প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ লিটার পেট্রোল বা অকটেন, পিকআপ ও লোকাল বাস ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল, দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, কনটেইনার লরি ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে।   তেলের জন্য রাজধানী ঢাকাসহ প্রায় সব পাম্পে গাড়ির দীর্ঘলাইন দেখা গেছে। তবে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রাজধানীর বিভিন্ন পাম্প পরিদর্শন করে ভোক্তাদের অভয় দিয়েছেন এবং বলেছেন, সবাই অল্প অল্প করে তেল নিন। সবাই গাড়ির ট্যাঙ্কি ভর্তি করে তেল নিলে তেলের সমস্যা হতে পারে। কারণ মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে আগের মতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না।   তেলের জন্য পাম্পগুলোতে ভিড়ের কারণে অনেক পাম্প তেল বিক্রি বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর, যশোরসহ বিভিন্ন স্থানে তেলের জন্য গাড়ির লাইন দেখা গেছে। চাহিদামতো তেল কিনতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চালকরা।   গত শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে বাংলাদেশে তেল নিয়ে আতঙ্ক শুরু হয়েছে। ২ থেকে ৪ মার্চ পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেল বিতরণে সরকারি কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার ডিপোগুলো থেকে দ্বিগুণের বেশি তেল ক্রয় করেছে। একপর্যায়ে ডিজেলের মজুত ৯ দিনের নিচে নেমে গেছে।   বর্তমানে দেশে ডিজেল আছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৪০ টনের মতো। এ অবস্থায় শুক্র ও শনিবার ডিপোগুলো থেকে তেল বিক্রি বন্ধ রয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্রয় রসিদ সংগ্রহ করতে হবে। ডিলাররা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তেল বিক্রি করবে। প্রতিটি ডিলার বা পাম্পের ২০২৫ সালের মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের তেল বিক্রির গড় হিসাব থেকে ২০ শতাংশ কম তেল দেওয়া হবে।   বিপিসির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে সরবরাহ করা হয়। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তেল আমদানি মাঝেমধ্যে বিলম্বিত হচ্ছে। তেলের চাহিদার অতিরিক্ত হওয়ার কারণে কিছু পাম্পে অননুমোদিতভাবে মজুত করার অভিযোগ এসেছে। সরকার তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পার্সেল নিয়মিতভাবে আনা হচ্ছে।   সকাল থেকে সব পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেক এলাকায় বাগবিতণ্ডা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেক পাম্প তেল বিক্রি বন্ধ করেছে।   রাজশাহী, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাম্পে দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। চালকরা চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না। পাম্পগুলোতে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি হচ্ছে।   জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেছেন এবং সবাইকে অল্প অল্প করে তেল নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন, দ্বিতীয় রিফাইনারি দ্রুত চালু করা হলে তেলের ওপর নির্ভরতা কমবে।   ডিজেলের মজুত কম। আগামী ৯ মার্চ পরিশোধিত ডিজেলের দুটি পার্সেল দেশে আসবে। ১১ মার্চ আরও দুটি আসতে পারে। তবে কোনো পার্সেল বাতিল হয়নি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
বাঁ থেকে এ. কে. এম. আফজাল উল মুনীর ও মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান। ছবি: সংগৃহীত

আইন সমিতির সভাপতি আফজাল ও সম্পাদক মাহবুব নির্বাচিত

ছবি : সংগৃহীত

স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্বারকলিপি

লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৬৫ বাংলাদেশি

0 Comments