জাতীয়

বহিরাগতদের প্রবেশ বেড়ে যাওয়ায় রাজস্ব ভবনে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের-এনবিআরের প্রধান কার্যালয় রাজস্ব ভবনে বহিরাগতদের প্রবেশ ‘অনেক বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা শঙ্কা’ দেখা দিয়েছে দাবি করে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিয়েছে কর আদায়ের এ সংস্থাটি।

 

সোমবার এক নোটিসে এনবিআর বলেছে, রাজস্ব ভবনে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এনবিআর ও ভবনের অন্যান্য দপ্তরে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ১৫ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) হতে দাপ্তরিক পরিচয়পত্র ব্যবহার করে রাজস্ব ভবনে প্রবেশের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।

 

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থার বিভিন্ন বিভাগের দপ্তর রয়েছে। এরমধ্যে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল-সিআইসি, আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটের বৃহৎ করদাতা ইউনিট এবং আপিল বিভাগ অন্যতম।

 

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রায় দুই দশক পর বিএনপির নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনের অদলবদলের মধ্যে এনবিআরের চেয়ারম্যানের পদে পরিবর্তন আসে।

 

কর ক্যাডারের কর্মকর্তা আহসান হাবিবকে এনবিআর সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

 

এরপর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এনবিআর ভবনে আসতে শুরু করেন। তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিতে ভিড় করলে তিনি সেসব ফিরিয়ে দেন।

 

ওইসময়ে আহসান হাবিবকে শুভেচ্ছা জানাতে বিভিন্ন ব্যাচভিত্তিক এনবিআর কর্মকর্তারা একযোগে আসা শুরু করলে সেটিও বন্ধ করা হয়। অফিসের সময়ে বিনা অনুমতিতে কারও কর্মস্থল ত্যাগ না করার নোটিস দেয় এনবিআর।

 

তবে রাজনৈতিক পরিচয়ে আসা লোকদের কমানো যাচ্ছিল না; এমনকি পোশাক দেখে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরাও তাদের আলাদা করতে পারছিলেন না।

 

এর প্রেক্ষিতে এনবিআর ও এই ভবনে থাকা দপ্তরগুলোর কর্মীদের আলাদা করার জন্য তাদের পরিচয়পত্র ব্যবহারে সোমবার এ নোটিস দেওয়া হল।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি: সংগৃহীত
পরিবেশের ছাড়পত্র নেই, মানিকগঞ্জে দুই কারখানা সিলগালা

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত দুটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে সাময়িকভাবে সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর মধ্যে একটি কারখানায় চামড়া, হাড় ও মাংসজাতীয় উপকরণ পোড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। অন্যটিতে পুরোনো টায়ার পুড়িয়ে তেল উৎপাদন করা হচ্ছিল।   সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর খানপাড়া এলাকায় অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল-আমিন কবির।   স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযানে গিয়ে দেখা যায়, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় নামবিহীন একটি কারখানায় চামড়া, হাড়, মাংসসহ বিভিন্ন উপকরণ চুল্লিতে পুড়িয়ে মাছ ও মুরগির খাবার তৈরি করা হচ্ছিল। এসব উপকরণ পোড়ানোর কারণে এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছিল। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি আশপাশের মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল বলে জানা গেছে।   একই এলাকায় ‘গ্রীন এনার্জি’ নামের আরেকটি কারখানায় কোনো অনুমোদন ছাড়াই পুরোনো টায়ার পুড়িয়ে তেল ও মবিল উৎপাদনের অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ধরনের কার্যক্রম পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় কারখানাটিতেও অভিযান চালানো হয়।   অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠান দুটির বৈধ পরিচালনাসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই কারখানা দুটি পরিচালিত হচ্ছিল। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ছাড়পত্রের জন্য কোনো আবেদনও করা হয়নি বলে জানা গেছে।   পরে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকার কারণে উভয় কারখানাকে সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি চামড়া পোড়ানোর কারখানার মালিক আব্দুর রব এবং গ্রীন এনার্জি কর্তৃপক্ষকে বৈধ কাগজপত্রসহ দ্রুত সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   সিংগাইর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল-আমিন কবির জানান, একটি প্রতিষ্ঠানে চামড়াসহ বিভিন্ন বর্জ্যজাতীয় উপকরণ পোড়ানোর মাধ্যমে পরিবেশের ক্ষতি করা হচ্ছিল। অন্যদিকে গ্রীন এনার্জিতে অনুমোদন ছাড়াই টায়ার পুড়িয়ে তেল ও মবিল উৎপাদন করা হচ্ছিল। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানকেই সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে।   তিনি আরও জানান, প্রয়োজনীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র নেওয়ার পর প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মেনে পরিচালনা করতে পারবে।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বহিরাগতদের প্রবেশ বেড়ে যাওয়ায় রাজস্ব ভবনে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক

রোসাটম মহাপরিচালকের সঙ্গে আইসিটি মন্ত্রীর বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত

রোসাটম মহাপরিচালকের সঙ্গে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে আইসিটি মন্ত্রীর আলোচনা

শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
ড্রোনের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে মাদক ঢুকছে: আইনমন্ত্রী

পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক ঢুকছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।   আইনমন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বর্ডারের ওপারে বসে ইয়াবা চোরাকারবারিরা পরিকল্পনা করছে। ড্রোনের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় মাদক পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মাদক এখন আর শুধু খুলনার সমস্যা নয়। সে কারণে সারা দেশে ডোপ টেস্টের ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।   তিনি আরও বলেন, মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতির দিকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।   সন্ত্রাস দমন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারে যাবে না সরকার। মানবাধিকার রক্ষা করে প্রয়োজনে প্রচলিত আইনকে আরও শক্তিশালী করে সন্ত্রাস দমন করা হবে।   তিনি বলেন, সরকারের বয়স ছয় মাস। এ সরকারকে আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য সময় দিতে হবে। তবে রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে পচন ধরেছে, সে পচনকে চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ছয় মাসে সাংস্কৃতিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাকে উন্নত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।   খুলনার জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, আজিজুল বারী হেলাল এমপি, আমির এজাজ খান এমপি, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী, বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যে কারণে আইন মন্ত্রণালয়ে যায়নি পে-স্কেলের খসড়া

ছবি: সংগৃহীত

সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন: ভোটের তারিখ ঘোষণা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে: ইসি মাছউদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিকল্পনা নয়, চাই কার্যকর পদক্ষেপ: এলজিআরডি মন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন নয়, এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।   তিনি বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখন পরিকল্পনার পাশাপাশি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ডেঙ্গুর পিক পিরিয়ড হওয়ায় সামনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। বর্তমানে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা কম হলেও এতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই।   সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস প্রজেক্ট (আইইউপিএইচপিএসপি)’ আয়োজিত ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শুধু অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করলেই হবে না, মাঠপর্যায়ে এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার চেয়ে আগেই তা প্রতিরোধ করা বেশি কার্যকর—এ বিষয়টি মাথায় রেখে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।   ডেঙ্গুর দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ডেঙ্গু নতুন কোনো রোগ নয়। প্রায় দুই হাজার বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষ এ রোগের সঙ্গে লড়াই করছে। তাই রোগটির ইতিহাস, পরিবেশ ও মশার বিস্তারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি স্থানীয় বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতাকেও কাজে লাগাতে হবে।   তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ইতোমধ্যে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জনগণকে সম্পৃক্ত করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।   স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকাস্থ অফিসের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার ইফ্ফাত মাহমুদ।   কর্মশালায় স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা ছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, আইসিডিডিআরবি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর, নিপসম, আবহাওয়া অধিদপ্তর, বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শাহজালালে তিন ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগে মিলল সিগারেট-ভেপ-ডিসপ্লে

ছবি: সংগৃহীত

সেপ্টেম্বরের এমপিও বিল জমার শেষ সময় ১৮ সেপ্টেম্বর

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে সন্দেহজনক হাম রোগে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

0 Comments