সর্বশেষ

বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি, দায়িত্ব আপনাদের হাতে দিলাম : তারেক রহমান

Unknown জানুয়ারী ৩১, ২০২৬

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া বিএনপির ঘাঁটির দায়িত্ব স্থানীয় নেতাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি, এই ঘাঁটির দায়িত্ব আপনাদের সঁপে দিলাম। এই ঘাঁটিকে দেখে রাখবেন, এই ঘাঁটির জনগণকে দেখে রাখবেন। দায়িত্ব আপনাদের দিয়ে দিলাম।


আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়ার চার তারকা হোটেল নাজ গার্ডেনের বলরুমে শুরু হওয়া মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে। সভায় শুরুতে স্থানীয় নেতাদের বক্তব্য শোনেন তিনি। পরে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপস্থিত নেতাদের উদ্দেশে বলেন, “এখানে কোনো কিছু শোনার পর মনে হচ্ছে, ভোটারের কাছে না গেলেও ধানের শীষ বিপুল ভোটে জয়ী হবে। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এবারের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বসে থাকলে চলবে না, সবার কাছেই যেতে হবে। বগুড়ার সাতটি আসনে বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করতে হবে।


তারেক রহমান আরও বলেন, “অতীতে নানা সময়ে আপনাদের কাছে এসেছি। এবার নিজে বগুড়া-৬ আসনে প্রার্থী হয়েছি। তবে আমার নির্বাচন করার দায়িত্ব আপনাদের নয়। কারণ সারা দেশে নির্বাচনী প্রচারণায় আমাকে যেতে হচ্ছে। সভা পরিচালনা করেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম (বাদশা), সহকারি দায়িত্বে ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ-উন-নবী ও খায়রুল বাশার।
সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র এ কে এম মাহবুবুর রহমান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বগুড়া-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, আলী আজগর তালুকদার, বগুড়া শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান।
সভায় নেতাদের উদ্দেশে তারেক রহমান সতর্কবার্তা দেন, বগুড়া বিএনপির ঘাঁটিকে শক্তিশালী রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ও জনগণকেন্দ্রিক হতে হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় না হলে কোনো আসনই নিশ্চিত করা যাবে না। নেতাকর্মীদের সততা, সংহতি ও জোরদার প্রচারণার ওপর জোর দেন তিনি।


স্থানীয় নেতারা জানান, তারেক রহমানের এই নির্দেশনা তাদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। তারা একজোট হয়ে বগুড়া-৬ সহ জেলার সব আসনে জোরদার প্রচারণার অঙ্গীকার করেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সর্বশেষ

আরও দেখুন
শেয়ারবাজারের বিশেষ ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক সাব্বির ফয়েজ

  শেয়ারবাজার সংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. সাব্বির ফয়েজ। বিচারক আফিয়া বেগমের স্থলে যোগদান করবেন তিনি।    রোববার (২১ জুন) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (প্রশাসন-১) মো. মাসুম বিল্লাহ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিচারক বদলির এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।   সাব্বির ফয়েজ শেয়ারবাজার বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ষষ্ঠ বিচারক। এর আগে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।   আদালতের সূত্র বলছে, আগামী ২৪ জুন থেকে রাজধানীর পুরানা পল্টনে হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন ভবনে শেয়ারবাজার বিশেষ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবেন নতুন বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ। তিন বছরের জন্য এ আদালতে বিচার কাজ পরিচালনার জন্য দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি।   এদিকে আফিয়া বেগমকে বদলি করে মানিকগঞ্জ পারিবারিক আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।   প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে শেয়ারবাজার ধসের পর পৃথক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের ২১ জুন এ ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। এ বিশেষ ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন মো. হুমায়ুন কবির। তারপর ধারাবাহিকভাবে বিচারক হিসেবে মো. আকবর আলী শেখ, রৌশন জাহান, এ কে এম শহিদুল ইসলাম ও আফিয়া বেগমকে নিয়োগ দেয় সরকার।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২২, ২০২৬

পুকুরে অজু করার সময় বজ্রাঘাত, ৬ জনের মৃত্যু

জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে ‘আপত্তিকর পোস্ট’, থানায় অভিযোগ দায়ের

ছবি: সংগৃহীত

আজ বছরের দীর্ঘতম দিন আর সবচেয়ে ছোট রাত, কিন্তু কেন

ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে অর্থের বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

  ঋণনির্ভরতা কমিয়ে অর্থের বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।   রোববার (২১ জুন) রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বাজেট ২০২৬ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।   বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক নানা ধরনের অর্থনৈতিক সহায়তা কমে গেছে, এমন সময় চ্যালেঞ্জিং বাজেট দিতে হয়েছে।   তিনি বলেন, বাজেট পারফেক্ট হয়েছে বলছি না। যেদিকেই হাত দিই, শুধু বকেয়া। এমন সময় দেড় মাসের মধ্যে বাজেট দিতে হয়েছে। অথচ প্রস্তুতি নিতেই অন্তত ৬ মাস দরকার।   ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়ে আমির খসরু বলেন, ফ্যামিলি কার্ড সঠিকভাবে বিতরণ করা হবে। শ্রমিকের বেতন তো আর সরকার দেয় না। কিন্তু ফ্যামিলি কার্ড কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

২০ বছর পর চুরি যাওয়া দুর্লভ ডাইনোসরের জীবাশ্ম ফিরে পেল মঙ্গোলিয়া

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত
সমুদ্রের গভীরে মিলল রহস্যময় প্রবালের খোঁজ

সূর্যের আলো যেখানে পৌঁছাতে পারে না, সেই চির অন্ধকার সমুদ্রের তলদেশে রহস্যময় প্রবালের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আর্জেন্টিনার উপকূলে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে থাকা এসব প্রবাল শূন্য দশমিক ৪ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে রয়েছে, যা আয়তনে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র ভ্যাটিকান সিটির সমান। স্মিথ ওশান ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা দূর নিয়ন্ত্রিত যান সেবাস্টিয়ান ব্যবহার করে সমুদ্রের তলদেশে এই প্রবালরাজ্যের খোঁজ পান।   সাধারণত গভীর সমুদ্রে যত নিচে যাওয়া যায়, খাবারের অভাবের কারণে সেখানে প্রাণের উপস্থিতি তত কম দেখা যায়। তবে বিশাল এই প্রবালপ্রাচীরের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে কাঁকড়া, তারা মাছ, অদ্ভুত আকৃতির জেলিফিশ এবং অক্টোপাস। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লেহাই ইউনিভার্সিটির গভীর সমুদ্রবিষয়ক জীববিজ্ঞানী সান্তিয়াগো হেরেরা বলেন, ‘আমি বলব, এটি আমার দেখা গভীর সমুদ্রের সবচেয়ে প্রাণবন্ত এবং বৈচিত্র্যময় পরিবেশগুলোর একটি। আমরা যখন সমুদ্রের গভীরে যাই, তখন জানি যে সেখানে খাবার ক্রমশ দুর্লভ হয়ে পড়ে। তাই হঠাৎ যখন আপনি একসঙ্গে প্রচুর প্রাণীকে অত্যন্ত গতিশীল ইকোসিস্টেমে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেখেন, তখন তা সত্যিই বড় একটি চমক।’   বিজ্ঞানীদের মতে, সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ছাড়া যেখানে জীবন অসম্ভব, সেখানে মেরিন স্নো বা সমুদ্রের ওপরের স্তর থেকে ঝরে পড়া পুষ্টি উপাদান খেয়ে বেঁচে আছে প্রবালগুলো। এ বিষয়ে বুয়েনস আইরেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং আর্জেন্টিনার ন্যাশনাল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলের সামুদ্রিক বিজ্ঞানী মারিয়া এমিলিয়া ব্রাভো বলেন, ‘আর্জেন্টিনার গভীর সমুদ্রে এই স্তরের জীববৈচিত্র্য দেখার আশা আমরা করিনি। সেখানকার জীববৈচিত্র্য এবং তাদের মধ্যকার সংযোগ একসঙ্গে উন্মোচিত হতে দেখা ছিল অবিশ্বাস্য। আমরা আমাদের দেশের জীববৈচিত্র্যের দিকে একটি জানালা খুলেছিমাত্র, এখনো এমন বহু জানালা খোলা বাকি আছে।’   প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্রের তলদেশে চালানো এই অভিযানে শুধু প্রবালপ্রাচীরই নয়, মিলেছে আরও কিছু প্রাকৃতিক বিস্ময়। বিজ্ঞানীরা সমুদ্রের প্রায় ৩ হাজার ৮৯০ মিটার গভীরে একটি মৃত তিমির কঙ্কাল বা হোয়েল ফলও খুঁজে পেয়েছেন। আর্জেন্টিনার সাগরে এটিই প্রথম রেকর্ডকৃত গভীর পানির হোয়েল ফল। তিমির এই হাড় এখন অন্যান্য অণুজীব ও প্রাণীদের আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে, যা নির্দেশ করে কঙ্কালটি হয়তো কয়েক দশক ধরে সেখানে পড়ে আছে।   সূত্র: সায়েন্স অ্যালার্ট

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দিল্লি বিমানবন্দরে অপ্রীতিকর ঘটনার পর দেশে ফিরছেন তথ্য উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

রামিসা হত্যাকাণ্ডে দায় স্বীকার করে জেল আপিলে যা বলেছেন আসামি সোহেল

ছবি: সংগৃহীত

চেইন শপ ব্যবসায় মেঘনা গ্রুপ, মেট্রোরেলের ৯ স্টেশনে চালু বিক্রয়কেন্দ্র

0 Comments