খেলাধুলা

আসর সেরা হয়েও বিনয়ী শরিফুলের ক্ষমা প্রার্থনা

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

এবারের বিপিএলে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ছিলেন সবার শীর্ষে। টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক সাফল্যে গড়েছেন একের পর এক রেকর্ড। তবে ফাইনালে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ায় উচ্ছ্বাসের বদলে আক্ষেপই ফুটে ওঠে শরিফুল ইসলামের কণ্ঠে।

 

চট্টগ্রাম রয়্যালসের জার্সিতে ১২ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে এবারের আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন বাঁহাতি এই পেসার। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন মাত্র ৫.৮৪, আর বোলিং গড় ১০.০৭—যা পুরো টুর্নামেন্টে ছিল সেরা। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ৯ রানে ৫ উইকেট ছিল তার সেরা বোলিং পারফরম্যান্স।

এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি বিপিএলের এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড ভেঙেছেন। গত মৌসুমে তাসকিন আহমেদের ২৫ উইকেটের রেকর্ড ছাড়িয়ে এবার নতুন ইতিহাস গড়েন শরিফুল। সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হিসেবে তিনি পেয়েছেন ৫ লাখ টাকার পুরস্কার।

শুধু তাই নয়, টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতেই। বিপিএলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বিশেষজ্ঞ বোলার এই সম্মান অর্জন করলেন। ট্রফির পাশাপাশি তিনি জিতেছেন ১০ লাখ টাকার অর্থ পুরস্কার।

 

তবে ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালস শিরোপা জিততে না পারায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চান শরিফুল ইসলাম। পুরস্কার গ্রহণের পর তিনি বলেন, টুর্নামেন্টসেরা ও সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হওয়ায় ভালো লাগলেও দল চ্যাম্পিয়ন হতে না পারার কষ্টটা বড়। চট্টগ্রামের সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবাই মিলে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত শিরোপা এনে দিতে না পারায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপে না খেললে বিসিবি ও খেলোয়াড়দের বড় ক্ষতি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে ভারতের ভেন্যুতে যাওয়ার কথা থাকলেও নিরাপত্তাশঙ্কার কারণে বাংলাদেশ দল অংশগ্রহণ করবে না। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, বাংলাদেশ দল শুধুমাত্র তখনই বিশ্বকাপ খেলবে যদি তাদের ম্যাচ শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিত হয়। বিসিবি ইতিমধ্যেই ভেন্যু পরিবর্তনের জন্য আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে। তবে আইসিসি এই অনুরোধ মঞ্জুর করবে কি না, তা সময়ের মধ্যে জানা যাবে। শেষ পর্যন্ত অনুরোধ মঞ্জুর না হলে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ শুধু দর্শক হিসেবে দেখতেই হবে। বিশ্বকাপে না খেলায় বাংলাদেশ বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, আইসিসি থেকে প্রায় ৩৩০ কোটি ২১ লাখ টাকার রাজস্ব হারাতে পারে বিসিবি। আইসিসি থেকে আসা বার্ষিক আয়ের প্রায় ৬০% এই রাজস্ব। এছাড়া, ২০২৮ সাল থেকে পরবর্তী তিন বছরের বরাদ্দও কমিয়ে দিতে পারে আইসিসি। সম্প্রচারস্বত্ব ও স্পনসরশিপ থেকেও বিপুল ক্ষতি হতে পারে। বাংলাদেশ না খেললে অফিশিয়াল সম্প্রচারক চ্যানেল টি-স্পোর্টস প্রায় ৩০০ কোটি টাকা এবং বিজ্ঞাপনদাতারা প্রায় ১০০ কোটি টাকার লোকসানের মুখে পড়তে পারে। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলে বাংলাদেশ ৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকার অংশগ্রহণ ফি, প্রাইজমানি, ম্যাচ ফি এবং পারফরম্যান্স বোনাস থেকেও বঞ্চিত হবে। এছাড়া, ভবিষ্যতের বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ হারানো, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে বাধা এবং আইসিসির বিভিন্ন কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব সীমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নিরাপত্তার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও এটি বাংলাদেশের ক্রীড়া ও আর্থিক অবস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

শাহ মোঃ সিজু মিয়া জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামকে ৬৩ রানে হারিয়ে বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

ছবি: সংগৃহীত

ব্র্যাক ইপিএল কর্পোরেট ক্রিকেটে জয়ের হাসি সেনাবাহিনী ও ঢাকা ব্যাংকের

ছবি: সংগৃহীত

আরেক সাফ মুকুটের দোরগোড়ায় অধিনায়ক সাবিনারা

ছবি: সংগৃহীত
আসর সেরা হয়েও বিনয়ী শরিফুলের ক্ষমা প্রার্থনা

এবারের বিপিএলে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ছিলেন সবার শীর্ষে। টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক সাফল্যে গড়েছেন একের পর এক রেকর্ড। তবে ফাইনালে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ায় উচ্ছ্বাসের বদলে আক্ষেপই ফুটে ওঠে শরিফুল ইসলামের কণ্ঠে।   চট্টগ্রাম রয়্যালসের জার্সিতে ১২ ম্যাচে ২৬ উইকেট নিয়ে এবারের আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন বাঁহাতি এই পেসার। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন মাত্র ৫.৮৪, আর বোলিং গড় ১০.০৭—যা পুরো টুর্নামেন্টে ছিল সেরা। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ৯ রানে ৫ উইকেট ছিল তার সেরা বোলিং পারফরম্যান্স। এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি বিপিএলের এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড ভেঙেছেন। গত মৌসুমে তাসকিন আহমেদের ২৫ উইকেটের রেকর্ড ছাড়িয়ে এবার নতুন ইতিহাস গড়েন শরিফুল। সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হিসেবে তিনি পেয়েছেন ৫ লাখ টাকার পুরস্কার। শুধু তাই নয়, টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতেই। বিপিএলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বিশেষজ্ঞ বোলার এই সম্মান অর্জন করলেন। ট্রফির পাশাপাশি তিনি জিতেছেন ১০ লাখ টাকার অর্থ পুরস্কার।   তবে ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালস শিরোপা জিততে না পারায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চান শরিফুল ইসলাম। পুরস্কার গ্রহণের পর তিনি বলেন, টুর্নামেন্টসেরা ও সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হওয়ায় ভালো লাগলেও দল চ্যাম্পিয়ন হতে না পারার কষ্টটা বড়। চট্টগ্রামের সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবাই মিলে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত শিরোপা এনে দিতে না পারায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিপিএলের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়ে যা বললেন শরিফুল

উইকেট লাভের পর টাইগার যুবাদের উচ্ছ্বাস। ছবি : আইসিসি

সব শঙ্কা উড়িয়ে সুপার সিক্সে বাংলাদেশ

উইকেট লাভের পর রাজশাহীর খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

ছবি: সংগৃহীত
শোনা হবে না বিসিবির আপিল, ডাক পেতে যাচ্ছে স্কটল্যান্ড

ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেলানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য শেষ মুহূর্তে যে আবেদন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), তা আইসিসির ডিসপিউট রেজোল্যুশন কমিটি (ডিআরসি) শুনতে পারবে না। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী বোর্ড অব ডিরেক্টরসের নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ডিআরসি আপিল গ্রহণের এখতিয়ার রাখে না। ফলে বাংলাদেশের এই উদ্যোগ কার্যত নিষ্ফল হওয়ার পথেই। পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে বোর্ড ‘শেষ বিকল্প’ হিসেবে ডিআরসির দ্বারস্থ হয়েছে। ডিআরসি’র প্রধান ব্রিটিশ আইনজীবী মাইকেল বেলফ (কিংস কাউন্সেল)। তবে আইসিসির সংবিধান ও ডিআরসি’র টার্মস অব রেফারেন্স অনুযায়ী, এই কমিটি আইসিসি বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারে না। বিসিবির এক সূত্র পিটিআইকে জানায়, ‘সব বিকল্প ব্যবহার করতেই ডিআরসিতে যাওয়া হয়েছে। সেখানে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে গেলে, তখন একমাত্র পথ থাকবে কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস (সিএএস)।’ এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়নের ভিত্তিতে ১৪–২ ভোটে বাংলাদেশের ম্যাচ ভারতেই রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। ওই মূল্যায়নে ঝুঁকির মাত্রাকে ‘নিম্ন থেকে মাঝারি’ বলা হয়। তবে বাংলাদেশের সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, এটি বিসিবির নয়—সরকারের সিদ্ধান্ত, এবং নিরাপত্তাজনিত কারণেই দল ভারতে যাবে না। আইসিসির এক বোর্ড সূত্রের ভাষ্য, ‘ডিআরসি-তে আবেদন করা যেতে পারে, কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এই কমিটির এখতিয়ার নেই বোর্ড অব ডিরেক্টরসের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শোনার।’ এই পরিস্থিতিতে আইসিসি ইতোমধ্যেই স্কটল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল-কে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে প্রস্তুত রেখেছে। পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের মধ্যেই বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা আসতে পারে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আইসিসির অন্দরমহলে বিসিবির ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে। বিশেষ করে আইসিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর আগেই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত প্রকাশ করায় বোর্ড সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ডিআরসি সাধারণত দেখে আইসিসি বোর্ড সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া ও নিয়ম মেনেছে কি না। এটি কোনো আপিল ট্রাইব্যুনাল নয়। অতীতেও বড় মামলায় ডিআরসি আপিল শুনতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে—যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশের আবেদন আটকে যাওয়ায় বিশ্বকাপে তাদের ভবিষ্যৎ কার্যত শেষ। এখন নজর শনিবারের দিকে—সেদিনই স্পষ্ট হতে পারে, বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডের নামই কি চূড়ান্ত হচ্ছে। (সূত্র: পিটিআই)

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ২৩, ২০২৬ 0
উইকেট লাভের পর শরিফুলের উদযাপন। ছবি : সংগৃহীত

বিপিএলে নতুন ‘রাজা’ শরিফুল

বিসিবি পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীম। ছবি : সংগৃহীত

ফিক্সিংয়ের অভিযোগে পদ ছাড়লেন বিসিবি পরিচালক শামীম

ছবি : সংগৃহীত

বিপিএল ফাইনালে রাজশাহীর উড়ন্ত সূচনা

0 Comments