জাতীয়

খুলনা ও বরিশাল বিভাগ

আলোচনার পর ৫ জেলার পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

আক্তারুজ্জামান জুন ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় ঘোষিত অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে বাস মালিক সমিতি। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর শনিবার (১৩ জুন) রাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

জানা গেছে, বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় পরিবহন মালিকদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় জেলা প্রশাসন দাবিগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দিলে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়।

 

রুপসা বাস মালিক সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসকের অনুরোধে এবং দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস পাওয়ার পর বাস মালিকরা ধর্মঘট কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন। প্রশাসনকে বিষয়গুলো সমাধানের জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

 

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন জানান, আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়ায় পরিবহন মালিকরা তাদের কর্মসূচি এক মাসের জন্য স্থগিত রেখেছেন। এ সময়ের মধ্যে উত্থাপিত দাবিগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

 

এর আগে মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলায় ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল।

 

পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ, নীতিমালা বহির্ভূত কাউন্টার অপসারণ এবং দূরপাল্লার পরিবহনে অনিয়মিত লোকাল যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।

 

ধর্মঘট প্রত্যাহারের ফলে পাঁচ জেলার সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে আর কোনো বাধা থাকছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
ফোন পেয়ে ওসি বলেন ‘ভাইয়া বসেন’, তার আগে বলেন ‘চোখ নামিয়ে কথা বল

পুলিশের উগ্র আচরণের শিকার হয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান। চট্টগ্রামে বিমানবন্দর থেকে বাসায় ফেরার পথে গতকাল রাতে চেকপোস্টে তাকে ঠেকিয়ে ও পরে মারধরে করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় নিজের পরিচয় দিলেও তাতে কর্ণপাত করেনি পুলিশ।    গতকাল রাতের এই ঘটনার বিষয়ে আজ (শনিবার) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নাঈম হাসান ও তার পরিবার।    সংবাদ সম্মেলনে নাঈম হাসান অভিযোগ করেন, কোনো কারণ ছাড়াই সিএনজি অটোরিকশা থেকে নামিয়ে হঠাৎ তার কলার চেপে ধরা হয় এবং থানায় নিয়ে গিয়ে সারারাত আটকে রাখা হয়।   নাঈম হাসান ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, ‘আমি সিএনজি থেকে নামার পর আমাকে বলা হয় আরেকটি সিএনজিতে উঠতে হবে। আমি ওঠার সাথে সাথেই পুলিশ এসে আমার কলার চেপে ধরে। আচমকা এই ঘটনায় আমি খুব ভয় পেয়ে যাই। তারা সেখানে আমার ব্যাগ বা অন্য কিছু চেক না করেই আমাকে সোজা থানায় নিয়ে আসে।’   থানায় ওসির আচরণের কথা উল্লেখ করে এই ক্রিকেটার বলেন, থানায় যাওয়ার পর আমি ওনাকে (ওসি) আমার পরিচয় দিই। পরিচয় দেওয়ার পর উনি আমাকে বলেন ‘চোখ নিচে নামিয়ে কথা বল’। ঠিক ওই মুহূর্তেই ওসির মোবাইলে একটি কল আসে। ফোনে কারও সাথে কথা বলার পর ওসির সুর পুরোপুরি চেঞ্জ হয়ে যায়। তখন উনি আমাকে বলেন, ‘ভাইয়া আপনি বসেন।’ অথচ প্রথমে ওনার আচরণ ছিল অন্যরকম।    তল্লাশি প্রক্রিয়ার অনিয়ম নিয়ে নাঈম বলেন, ওরা ব্যাগ চেক করতে চায়নি। ব্যাগগুলো সারারাত ওভাবেই থানায় ছিল। আমি আসার আগে ডিসি স্যারের সামনে নিজের উদ্যোগেই আমার গ্লাভস, হেলমেট, কাপড়-চোপড় এমনকি একটা পিন থাকলেও তা বের করে ওদের দেখিয়েছি। উনারা সেটার ভিডিও করে রেখেছেন। যাতে পরবর্তীতে বলতে না পারে আমার ব্যাগ চেক করা হয়নি। সিএনজি চেক করেও তারা কিছু পায়নি।   তিনি আরও যোগ করেন, চেকিং তো দেশে অনেক হয়, আমাদেরও অনেকবার ধরেছে। কিন্তু একটা নিয়ম আছে। খারাপ উদ্দেশ্য না থাকলে উনি তো আমাকে বলতেই পারতেন যে তল্লাশি করা হবে। কিন্তু উনি ধরার আগেই গায়ে হাত তোলার চিন্তা করেছেন।   ঘটনার রাতে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল জানিয়ে নাঈম বলেন, মোবাইল ফেরত পাওয়ার পর আমি সাথে সাথে তামিম ভাইকে (তামিম ইকবাল) কল দিই। উনি একবারে কল রিসিভ করে ওসির সাথে কথা বলেন। তামিম ভাই যখন কথা বলছিলেন, তখনো ওসি মিথ্যা কথা বলছিলেন এবং আমাকে ইশারায় চুপ থাকতে বলছিলেন। কিন্তু পরে যখন মানুষজন থানায় জড়ো হলো এবং সবাই বলল যে আমি পালানোর চেষ্টা করিনি, তখন ওনারা সুর নরম করেন। আমার যদি কোনো অন্যায় থাকত, তবেই না আমি পালাতাম!   এদিকে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ক্রিকেটার নাঈমের বাবা সাবেক কাউন্সিলর মাহবুবুল আলম পুলিশের এই ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ওসি তো ব্যাগ দেখেই বুঝতে পেরেছিল ও একজন খেলোয়াড়। তারপরও পরিচয় পাওয়ার পর ‘চোখ নামিয়ে কথা বল’—এ কেমন সৌজন্যতা। এখন ওসি সাক্ষাৎকার দিয়ে মিথ্যা বলছেন যে ও নাকি দৌড়ে পালাতে চেয়েছিল, তাই হেঁচকা টান লেগেছে।’   নাঈমের বাবা আরও বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি এসআই কামরুজ্জামান নামের একজন ভুল ইনফরমেশন দিয়েছিল। একজন আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড়কে নিয়ে এই ভুল তথ্য কে দিল, তা আইডেন্টিফাই করা দরকার। এর পেছনে অন্য কোনো চক্রান্ত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।’    পুলিশের বিভাগীয় ব্যবস্থার ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শুনলাম অভিযুক্ত অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশে তো এমন নিয়ম আমি দীর্ঘদিন দেখেছি, সাসপেন্ড করে কিছুদিন পর আবার অন্য জায়গায় বহাল বা প্রমোশন দেওয়া হয়। এটা তো কোনো বিচার হলো না। আমরা চাই এদের গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হোক এবং রিমান্ডে এনে অন্য কোনো নিরপেক্ষ সংস্থা দিয়ে তদন্ত করা হোক, যাতে মূল ঘটনা উদঘাটিত হয়।’   শারীরিকভাবে আঘাত পাওয়ার পাশাপাশি ক্রিকেটার নাইম প্রচণ্ড মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।   প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১২ জুন) রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলে চট্টগ্রাম ফিরছিলেন নাঈম। রাতে বিমানবন্দর থেকে বাসায় ফেরার পথে পুলিশ সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে মারধর করে থানায় নিয়ে যান। এরপর নগরীর খুলশী থানায় গিয়েও হেনস্তার শিকার হন জাতীয় দলের এই অফস্পিনার।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা–চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমানোর উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত

লিবিয়ার রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

ছবি: সংগৃহীত

আলোচনার পর ৫ জেলার পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর শ্রমবাজারে ঝুঁকি, নতুন গন্তব্য খুঁজতে হবে: নুরুল হক

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেছেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অতিরিক্ত মধ্যপ্রাচ্যনির্ভরতা দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। শ্রমবাজার বৈচিত্র্যময় করতে জাপান ও ইউরোপসহ নতুন গন্তব্যে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।   শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ-জাপান ক্যারিয়ার ডায়ালগ: এডুকেশন টু এমপ্লয়মেন্ট’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।   তিনি জানান, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১০ থেকে ১৩ লাখ মানুষ বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য যান। এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কর্মরত হন। একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা দেশের অর্থনীতি ও প্রবাসী পরিবারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।   প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো দেশের অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন এলে লাখো প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের জীবন-জীবিকা সংকটের মুখে পড়তে পারে। পাশাপাশি বাংলাদেশের জনসংখ্যাগত সুবিধা (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) চিরস্থায়ী নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   মো. নুরুল হক আরও বলেন, জাপানসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে এখন থেকেই দক্ষ কর্মী তৈরির উদ্যোগ জোরদার করতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় শ্রমবাজার হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   আলোচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রিদওয়ানুল হকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৩, ২০২৬

ভারত আর বাংলাদেশের আকাশ-মাটি এক না: নাহিদ ইসলাম

আদ দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে আমার পেছনে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রোগীর দোরগোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
প্রশাসনে আকস্মিক বড় রদবদল

প্রশাসনে এসেছে বড় রদবদল, যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ৯ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করেছে সরকার। সেইসঙ্গে আরও ২ যুগ্ম-সচিবের পদে রদবদল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-২ ও প্রেষণ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক ১১টি প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়েছে।   এর মধ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হাইড্রোকার্বন ইউনিটের মহাপরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মো. সাবেত আলীকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত যুগ্ম-সচিব এস এম তুহিনুর আলমকে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। এছাড়া প্রেষণে দায়িত্ব পালন শেষে সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদান করা যুগ্ম-সচিব মো. আবুল হোসেনকে জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির (নাডা) এমডিএস হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।   এদিকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত যুগ্ম-সচিব মো. অলিউর রহমানকে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) পরিচালক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ হোসেনকে ‘অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম-সচিব ডি এম আতিকুর রহমানকে নবগঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের’ মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।   অন্যদিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. জহিরুল ইসলাম খানকে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক এবং রাজশাহী বিভাগের কৃষি বিপণন কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বেগম শাহানা আখতার জাহানকে রাজশাহী ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের পরিচালক এরশাদ হোসেন খানকে ঢাকা ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আগস্টে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

ছবি: সংগৃহীত

যে কারণে বন্ধ শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন

শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন আর্থিক সহায়তা

0 Comments