সর্বশেষ

৫ শতাংশ প্রত্যাখ্যান: আন্দোলন চালিয়ে যাবে শিক্ষকরা

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ১৯, ২০২৫ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারের ঘোষিত ৫ শতাংশ বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা বলছেন, এই সামান্য বৃদ্ধি শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবির প্রতি উপহাস ছাড়া আর কিছু নয়। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

 

রবিবার রাজধানীসহ সারাদেশে শিক্ষক সংগঠনগুলোর সভা ও সমাবেশে এ ঘোষণা আসে। শিক্ষক নেতারা বলেন, সরকার শুধু বাড়ি ভাতা সামান্য বাড়িয়ে শিক্ষকদের আন্দোলন থামাতে চায়, কিন্তু এতে শিক্ষকদের জীবনযাত্রার বাস্তব সংকটের কোনো সমাধান হবে না। তারা জানান, বাজারদর, মুদ্রাস্ফীতি ও দৈনন্দিন ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পূর্ণাঙ্গ বেতন কাঠামো ও অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।

 

নেতারা আরও বলেন, শিক্ষক সমাজ বছরের পর বছর ধরে সরকারের কাছে টাইম স্কেল, উৎসব ভাতা, চিকিৎসা ভাতা এবং অবসর সুবিধা চালুর দাবি জানিয়ে আসছে। অথচ প্রতিবারই আশ্বাস দিয়ে সরকার বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। এবার তারা আর আশ্বাসে বিশ্বাস করবে না—সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন না এলে তারা রাস্তায় নামবেন এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বন্ধ রাখার মতো কঠোর কর্মসূচিতে যাবেন।

 

আন্দোলনরত শিক্ষকরা স্পষ্ট করে বলেন, তারা শিক্ষা ব্যবস্থা অচল করতে চান না, তবে বঞ্চনার বিরুদ্ধে ন্যায্য লড়াই থেকে এক পা পিছু হটবেন না। সরকারের প্রতি তারা আহ্বান জানান—অবিলম্বে ৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন বাতিল করে পূর্ণাঙ্গ বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হোক।

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সর্বশেষ

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
আশুলিয়া ৬ লাশ পুড়িয়ে হত্যার মামলার রায় ৫ ফেব্রুয়ারি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের জন্য ৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন নির্ধারণ করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। বিস্তারিত আসছে...

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মিডিয়ার পক্ষপাত দেখলে মনে হয় আবার হাসিনার আমল : হাসনাত

ছবি : সংগৃহীত

জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

ছবি : সংগৃহীত

যারা ভোটে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে, তাদের ‘গুপ্ত’ বলুন : তারেক রহমান

ছবি : সংগৃহীত
চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন: বিএনপিপন্থী ৪ নেতা বদলি

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া চারজন বিএনপিপন্থী শ্রমিকনেতাকে বদলি করা হয়েছে। আজ শনিবার বন্দর অচল হওয়ার পর তাঁদের ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও নৌ টার্মিনালে স্থানান্তর করা হয়। সকালের আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত শ্রমিক ও কর্মচারীরা এনসিটির বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখেন। বন্দরের জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ব্যানারে ডাকা এই কর্মবিরতির কারণে প্রায় আট ঘণ্টা বন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এরপর বন্দরের চিফ পারসোনাল অফিসার স্বাক্ষরিত আদেশে চারজনকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। বদলিকৃতদের মধ্যে রয়েছেন: অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগের অডিট সহকারী মো. হুমায়ুন কবির, নৌ বিভাগের ইঞ্জিন ড্রাইভার মো. ইব্রাহিম খোকন, অর্থ ও হিসাব বিভাগের উচ্চ হিসাব সহকারী মো. আনোয়ারুল আজিম এবং প্রকৌশল বিভাগের এস এস খালাসী মো. ফরিদুর রহমান। প্রথম দুজন বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সমন্বয়ক এবং অন্য দুজন সংগঠনের নেতা। তাদেরকে আগামী রোববার দুপুর ১২টার আগে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে জরুরি দাপ্তরিক ও অপারেশনাল কাজে এই বদলি কার্যকর করা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তের পর হুমায়ুন কবির প্রথম আলোকে বলেন, “আন্দোলন করার কারণে আমাদের বদলি করা হয়েছে। আমরা পানগাঁও টার্মিনালে যোগ দেব না। আন্দোলন আরও তীব্র হবে। পানগাঁও নৌ টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব বর্তমানে বিদেশি কোম্পানি সুইজারল্যান্ডের মেডলগের হাতে রয়েছে, যারা ২২ বছরের জন্য সম্পূর্ণ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, মেডলগ পুরো দায়িত্বভার গ্রহণ করলে বন্দরের কোনো কর্মচারীর সেখানে কাজ করার সুযোগ থাকবে না। অন্যদিকে, সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বন্দরের সদস্য (প্রকৌশল) কমোডর মো. মাযহারুল ইসলাম জুয়েলকে। কমিটিকে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে বন্দরের চেয়ারম্যানকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

শাহ মোঃ সিজু মিয়া জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, ১৪ জন আহত

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বিক্রি ৩৯৩ কোটি টাকা

ছবি : সংগৃহীত

জানুয়ারিতে মব–গণপিটুনিতে প্রাণহানি দ্বিগুণ, বাড়ছে অজ্ঞাতনামা লাশ

ছবি : সংগৃহীত
নির্বাচনী সময় রেলযাত্রী ও ট্রেন নিরাপত্তায় হাই অ্যালার্ট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের রেল ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যাত্রীসাধারণের নিরাপত্তা, ট্রেন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা এবং রেল অবকাঠামো সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। সম্ভাব্য নাশকতা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ এবং সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফাতেমা তুজ জোহরার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে স্বার্থান্বেষী কোনো মহল নাশকতা কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে গণপরিবহন হিসেবে রেলপথকে লক্ষ্য করে ক্ষতিকর কার্যক্রমের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এ প্রেক্ষাপটে রেলের যাত্রী, ট্রেন পরিচালনা ব্যবস্থা এবং রেললাইনের সেতু, সিগন্যালিং ব্যবস্থা, স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে করণীয় নির্ধারণ করে তা দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গৃহীত ব্যবস্থার অগ্রগতি নিয়মিতভাবে মন্ত্রণালয়ে জানাতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি থাকলে তা দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের কথাও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ট্রেন চলাচলের সময় সন্দেহজনক কোনো তৎপরতা, নাশকতার প্রস্তুতি কিংবা রেল অবকাঠামোর ক্ষতি সাধনের চেষ্টা চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটবর্তী রেলস্টেশনে দায়িত্বরত কর্মচারী, সংশ্লিষ্ট গেটকিপার অথবা রেল পুলিশকে জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া জরুরি প্রয়োজনে বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত হটলাইন নম্বর ১৩১-এ ফোন করে সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্বাচনকালীন পুরো সময়ে রেল নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নির্দেশনায় ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

শাহ মোঃ সিজু মিয়া জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনে নজর রাখতে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

ছবি : সংগৃহীত

১২ হাজার কোটির দাবিতে কেন থামল ৫১২ কোটিতে

ছবি : সংগৃহীত

আরও ৪৪ নেতাকে বহিষ্কার করল বিএনপি

0 Comments