আন্তর্জাতিক

পশ্চিম তীর দখলে ইসরাইলের পার্লামেন্টে বিল পাশ, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ২৪, ২০২৫

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা নিয়ে প্রাথমিকভাবে একটি বিল পাশ হয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটে। মঙ্গলবার ১২০ আসনের সদস্যে ২৫-২৪ ভোটে বিলটি পাশ হয়। এটি আইন হিসাবে কার্যকর হতে আরও তিন ধাপের ভোটের অনুমোদন পেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার দল লিকুদ পার্টি বিলটির বিরোধিতা করলেও কয়েকজন জোটসঙ্গী এবং বিরোধী এমপি এতে সমর্থন দেন। তবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে এমন পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার আল-জাজিরার প্রতিবেদনে উঠে আসে এই খবর।

 

নেসেটের বিবৃতিতে বলা হয়, জুদিয়া ও সামারিয়া (পশ্চিম তীরের) অঞ্চলে ইসরাইল রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রয়োগ করার জন্য বিলটি প্রাথমিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এখন বিষয়টি আরও আলোচনার জন্য নেসেটের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা কমিটিতে যাবে। এ ভোট এমন একসময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন এক মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি ইসরাইলকে অধিকৃত পশ্চিম তীর দখল করার অনুমতি দেবেন না। আবার ভোটের দিনই গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি জোরদার করতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরাইল সফর করছিলেন।

 

এমনকি এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পরও ক্ষুব্ধ জানিয়েছেন ট্রাম্প। ১৫ অক্টোবর টাইম ম্যাগাজিনের এক সাক্ষাৎকারে পশ্চিম তীর দখলে ইসরাইলি তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তখন ট্রাম্প বলেছেন, এটা হবে না। এটা হবে না। কারণ আমি আরব দেশগুলোকে এ বিষয়ে কথা দিয়েছিলাম। আর এখন তোমরা তা করতে পারো না। আমাদের সঙ্গে আরবদের বিরাট সমর্থন আছে। যদি এমনটা ঘটে তাহলে ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তার সব সমর্থন হারাবে।

 

সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে টাইম ম্যাগাজিন। এ ছাড়াও ইসরাইল সফর শেষে (বৃহস্পতিবার) মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, যদি এটি একটি রাজনৈতিক কৌশল হয় তবে এটি একটি অত্যন্ত বোকামিপূর্ণ রাজনৈতিক কৌশল এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে এটির জন্য কিছুটা অপমানবোধ করি।’ তিনি আরও বলেন, পশ্চিম তীর ইসরাইলের দখলে যাবে না। এটাই ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি এবং আমাদের এই নীতি অব্যাহত থাকবে।

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফাইল ছবি
ইরানে আবারও হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।  একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাব দিতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন।    শনিবারের (২৭ জুন) এই নতুন হামলার ফলে গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি সমঝোতা ভেঙে যেতে পারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।    এক বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান পরিচালনাকারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই এই হামলা চালানো হয়েছে।   সেন্টকম বলেছে, ‘বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে ইরানের ধারাবাহিক আগ্রাসনের জবাবে আজ যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী হামলা চালিয়েছে।’   তাদের দাবি, হামলায় ইরানের সামরিক নজরদারি অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপনা, ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং সমুদ্রে মাইন পাতা সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।   ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের সিরিক বন্দরের কাছে তাহরুই গ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবারও এই এলাকাতেই যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল। এ ছাড়া কেশম দ্বীপেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।   হামলা শুরুর দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা অনুযায়ী আচরণ না করে, তাহলে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।   তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইরান বারবার যুদ্ধবিরতির সমঝোতা লঙ্ঘন করছে। তবে একই অভিযোগ ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করে আসছে।   ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের শিক্ষা হবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।’   তিনি আরও বলেন, ‘এমন সময় আসতে পারে, যখন আমাদের আর সংযত থাকার সুযোগ থাকবে না। তখন আমরা যে সামরিক অভিযান সফলভাবে শুরু করেছি, সেটি সম্পূর্ণ করতে বাধ্য হব। যদি এমনটা ঘটে, তাহলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের আর অস্তিত্ব থাকবে না।’

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পর্যটন ভিসা চালুর সিদ্ধান্তে কলকাতার নিউ মার্কেটে ব্যবসায় চাঙা হওয়ার আশা

ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার ভয়াবহ ভূমিকম্প মৃতের সংখ্যা ১৪৩০, নিখোঁজ ৬৯ হাজার

ছবি: সংগৃহীত

ভারতে প্রবেশে নতুন নির্দেশনা মানতে হবে, জানাল নয়াদিল্লি

ছবি: সংগৃহীত
চুক্তি ভাঙলে ‘দ্রুত ও কঠোর’ জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

ইরান-মার্কিন সমঝোতা স্মারকের কোনো শর্ত যুক্তরাষ্ট্র লঙ্ঘন করলে তার জবাব দ্রুত ও চূড়ান্তভাবে দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই।   শনিবার (২৭ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মিত্র বাহিনীকে সমর্থন দিয়ে সমঝোতার প্রথম ধারা লঙ্ঘন করেছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা সৃষ্টি করে চুক্তির পঞ্চম ধারাও ভঙ্গ করেছে বলে দাবি করেন তিনি।   ইরানের দক্ষিণ উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলার পরই এ মন্তব্য আসে। রেজাই বলেন, সমঝোতা স্মারকের যেকোনো ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে তাৎক্ষণিক ও কঠোর।   এর আগে হরমুজ প্রণালীতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন। ওই ঘটনার পর মার্কিন বাহিনী ইরানের কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়।   মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, জাহাজে ড্রোন হামলার জবাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় আটকে পড়া নাবিকদের উদ্ধার কার্যক্রমও সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।   অন্যদিকে তেহরান দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট পণ্যবাহী জাহাজটি পারস্য উপসাগরের জলপথে অনুমতি ছাড়া চলাচল করছিল, তাই সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।   মার্কিন হামলার পর ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে জানিয়েছে, তারা মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।   এদিকে, উভয় দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।   সূত্র: টাইমস অফ ইসরায়েল

আক্তারুজ্জামান জুন ২৭, ২০২৬
ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে আজান দিতে দিচ্ছে না ইসরায়েল। ছবি: সংগৃহীত

হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সমাধিস্থল মসজিদে আজান বন্ধ করল ইসরায়েল

ফাইল ছবি

৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান ও ভারত

ছবি: সংগৃহীত

আগামী বছরের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ৮

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর পৃথক দুটি অভিযানে আটজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। খবর রয়টার্সের।   সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর জানায়, ২৫ ও ২৬ জুন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খারান ও মাসতুং জেলায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালানো হয়।   আইএসপিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, খারান জেলায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অবস্থানের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হলে তিনজন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়।   অন্যদিকে, মাসতুং জেলায় সম্ভাব্য আত্মঘাতী হামলাকারীদের উপস্থিতির তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত আরেক অভিযানে এক আত্মঘাতী হামলাকারীসহ পাঁচজন নিহত হয়। উভয় অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী অস্ত্র, গোলাবারুদ, ঘরে তৈরি বিস্ফোরক ও ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করেছে।   পাকিস্তান সরকার বেলুচিস্তানভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে উল্লেখ করতে ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ শব্দটি ব্যবহার করে এবং এসব গোষ্ঠীর প্রতি ভারতের সমর্থনের অভিযোগ করে আসছে। তবে ভারত এ ধরনের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছে।   অভিযানের পর দুই জেলাজুড়ে সম্ভাব্য বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ধরতে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বিদেশি মদতপুষ্ট সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইবোলা আতঙ্কে ৩ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা ও প্রবেশ স্থগিত করল সৌদি আরব

ছবি: সংগৃহীত

রেকর্ড তাপপ্রবাহে ইউরোপ অচল, বাতিল কনসার্ট-ম্যারাথনসহ জনসমাগমের অনুষ্ঠান

মারিয়া জাখারোভা। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনকে ইউরেনিয়াম দিচ্ছে যুক্তরাজ্য, কড়া বার্তা রাশিয়ার

0 Comments