বিনোদন

দেব-রুক্মিণীর ‘বিচ্ছেদ’ গুঞ্জন

শাহ মোঃ সিজু মিয়া অক্টোবর ২০, ২০২৫ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

টলিউড সুপারস্টার দেব ও অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্কে রয়েছেন। টলিপাড়ায় তাদের সম্পর্ক সবসময়ই এক ‘ওপেন সিক্রেট’। তবে সম্প্রতি তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

 

টলিউডের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে দেব ও রুক্মিণীর মধ্যে বেশ কয়েকবার মনোমালিন্য হয়েছে। দেবের সঙ্গে অন্য এক নায়িকার ঘনিষ্ঠতা নিয়েও নাকি প্রশ্ন উঠেছিল। এমনকি গত বছর রুক্মিণী ইনস্টাগ্রামে দেবকে আনফলোও করেছিলেন বলে জানা যায়, যদিও পরে দেবের জন্মদিনে তাদের একসঙ্গে দেখা যায়।

 

তবে সাম্প্রতিক সময় দেবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে রুক্মিণীর অনুপস্থিতি নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে দেবের অভিনীত ও প্রযোজিত ছবি ‘রঘু ডাকাত’-এর স্ক্রিনিং, এবং ক্যারিয়ারের ২০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

 

সম্প্রতি কালীপূজার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কলকাতায় আসেন রুক্মিণী। তখন সাংবাদিকরা জানতে চান কেন তিনি ‘রঘু ডাকাত’-এর প্রদর্শনীতে ছিলেন না। উত্তরে রুক্মিণী বলেন,

> “আসলে কাজের জন্য আমি এখন বাইরে আছি। কালীপূজার জন্য এক দিনের জন্য এসেছি। কালই আবার দিল্লি ফিরে যাব, ভাইঝির জন্মদিন আছে।”

 

দেবের পাশে না থাকার প্রসঙ্গ টানতেই তিনি রহস্যময়ভাবে বলেন,

> “একটাই কথা বলব, আমাকে খুঁজতে থাকো।”

 

অন্যদিকে, নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে আগে দেব বলেন,

> “যারা এসব বলে, তারা তো আমার সঙ্গে থাকে না। তাহলে জানল কীভাবে আমার আর রুক্মিণীর মধ্যে কী চলছে? আমি গত ১২ বছর ধরে একটা সম্পর্কে রয়েছি, কখনো এটা নিয়ে প্রচার করিনি, এখনই বা কেন করব?”

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ফেসবুকে হঠাৎ রহস্যময় বার্তা, আলোচনায় পরীমনি

ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির আলোচিত নায়িকা পরীমনি। ২০১৩ সালে ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ ছবির মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করে তিনি ধীরে ধীরে ঢালিউডের প্রধান নায়িকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তবে অভিনয়ের শুরু থেকেই আলোচনার পাশপাশি সমালোচনাও যেন তার নিত্যসঙ্গী। একই সঙ্গে   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সবর থাকতে দেখা যায় তাকে। ফেসবুকে রহস্যময় এক বার্তা দিয়েছেন পরীমনি।  মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইয়াবা আসক্ত এক নারীকে নিয়ে পোস্ট দেন পরীমনি। ওই নারীর পরিচয় উল্লেখ না করলেও তাকে ভালো হওয়ার জন্য সতর্ক করেছেন এই নায়িকা। পোস্টে পরীমনি লিখেছেন, ‘বাচ্চার বয়স তিন মাস। বাচ্চার মা ইয়াবা আসক্ত। বাচ্চার বাবা মানুষের টাকা লুট করার জন্য জেল খাটতেছে। বাচ্চার মাকে রিহাব করানো খুবই জরুরি। বাচ্চাটা কোনোভাবেই মায়ের কাছে নিরাপদ না এই মুহূর্তে।  এরপরই পরীমণি সতর্ক করে বলেন, ‘আমি তাকে শেষ সুন্দর সুযোগটা দিতে এই স্ট্যাটাসটি দিচ্ছি। এরপর বাকি সব আমার সিদ্ধান্ত হবে।’ যাকে উদ্দেশ্য করে পোস্ট দিয়েছেন, তিনি এই পোস্টটি দেখবেন বলেও আশা করেছেন পরীমনি, ‘আমি আশা করছি তুমি আমাকে সমস্ত কন্টাক্ট ব্লক করলেও এটা তুমি দেখবে এবং তোমার এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে আমাকে সহযোগিতা করবে। নিশ্চয়ই তুমি এতোটা নির্বোধ নও।’ পরীমনির এই পোস্টে প্রথম ১ ঘণ্টাতেই রিয়্যাক্ট পড়েছে সাড়ে ছয় হাজারের মতো, কমেন্ট চার শতাধিক। রাজু ওয়াসিফ জিতু নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘বাচ্চাটিকে নিরাপদ করো আপু।’ পরীমনির জবাব, চেষ্টা করছি, দোয়া করবেন।’

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ঈদে আসছে মোশাররফ করিমের ‘কিপ্টে কারে কয়

ছবি: সংগৃহীত

ঐশ্বরিয়া-কারিনাকেও ছাড়িয়ে গেলেন আলিয়া

আনুশকা শেঠি। ছবি : সংগৃহীত

অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন আনুশকা শেঠি

সাবা ইব্রাহিম । ছবি : সংগৃহীত
রাস্তায় ইফতার, তারপরই বিপাকে দীপিকার ননদ

ইফতারের মহিমা ছাপিয়ে এখন নেটদুনিয়ায় বিতর্কের তুঙ্গে জনপ্রিয় ইউটিউবার সাবা ইব্রাহিম। ভারতীয় টেলিভিশন জগতের দুই পরিচিত মুখ দীপিকা কক্কর এর ননদ ও শোয়েব ইব্রাহিমের এই বোন এবার এমন এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন যা দেখে রীতিমতো আঁতকে উঠেছেন নেটিজেনরা।     সম্প্রতি সাবার শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মুম্বই থেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে জনাকীর্ণ এক মহাসড়কের ঠিক পাশেই ইফতার করছেন তিনি। ভিডিওর একপাশে যখন পরিবারের সদস্যরা শান্তিতে ইফতার করছেন, ঠিক তার কয়েক হাত দূর দিয়েই প্রবল বেগে ধেয়ে যাচ্ছে একের পর এক ভারী যানবাহন। সাদার্ন হাইওয়ের এই দৃশ্য ভাইরাল হতেই নিন্দার ঝড় উঠেছে। সাধারণ ভক্ত থেকে শুরু করে সচেতন নাগরিক—সবাই সাবার এই কর্মকাণ্ডকে 'চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন' এবং 'ঝুঁকিপূর্ণ স্টান্ট' বলে আখ্যা দিয়েছেন। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, , দ্রুতগামী যানবাহনের চলাচলের মধ্যেই রাস্তার পাশে চাদর পেতে স্বামী ও কোলের শিশুকে নিয়ে ইফতার করছেন তিনি। ইফতারের সময় হয়ে যাওয়ায় এবং গন্তব্যে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় তিনি রাস্তার পাশেই এই সিদ্ধান্ত নেন বলে জানা যায়। এদিকে ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ব্যস্ত হাইওয়ের পাশে এভাবে বসে ইফতার করাকে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ। অনেকে মন্তব্য করেছেন যে, নিজের পাশাপাশি ছোট শিশুর জীবনকেও তিনি ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন। এছাড়া আইন অনুযায়ী মহাসড়কে যত্রতত্র গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখার বিষয়টি নিয়েও অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।     উল্লেখ্য, সাবা ইব্রাহিম তার তারকা ভাই ও ভাবির সুবাদে পরিচিতি পেলেও বর্তমানে ব্যক্তিগত ভ্লগের মাধ্যমে ইউটিউবে ব্যাপক জনপ্রিয়। তবে এবারের এই ভিডিওটি তাকে প্রশংসার বদলে বিতর্কের মুখে ঠেলে দিয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ তাকে জননিরাপত্তার বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
জেরিন খান। ছবি : সংগৃহীত

জেরিনকে অন্তর্বাস পরতে বাধ্য করা হয়েছিল শুটিংয়ে

সংগৃহীত ছবি

অস্কারে ধর্মেন্দ্রর নাম না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন হেমা মালিনী

ইজে । ছবি : সংগৃহীত

অস্বীকৃতির আঁধার পেরিয়ে অস্কারের আলোয় কে-পপ কন্যা

ছবি: সংগৃহীত
নিহতের খবরে যা বললেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ও ছুরিকাঘাতে মো. রাকিব (২৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তবে নিহত ওই যুবককে অনেকেই ফ্যামিলি এন্টারটেইনমেন্টের কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব হাসান মনে করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন। বিষয়টি সত্য নয় বলে নিজেই জানিয়েছেন রাকিব হাসান।   রোববার (১৫ মার্চ) রাত ১১টা ১৯ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ভিডিওবার্তায় রাকিব হাসান বলেন, তিনি আন্তরিকভাবে সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করছেন। বিষয়টি জানার পর অনেকেই তাকে ফোন করেছেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে সবার ফোন ধরতে বা উত্তর দিতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, আল্লাহর রহমতে তিনি সুস্থ আছেন এবং সবাইকে তার জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানান।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি । ছবি : সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়া ট্রল সীমা ছাড়াতেই আইনি পথে শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি

সালমান খান, সামান্থা রুথ প্রভু ও নয়নতারা । ছবি : সংগৃহীত

নতুন ছবিতে সালমানের বিপরীতে সামান্থা-নয়নতারা

পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান। ছবি: সংগৃহীত

নতুন চরিত্রে চমক দিলেন মাহিরা খান

0 Comments