আন্তর্জাতিক

স্পেন ও প্রত্যন্ত দ্বীপে হান্টাভাইরাস সংক্রমণের সন্দেহে দুইজন শনাক্ত

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ০৯, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বিলাসবহুল একটি প্রমোদতরীতে শুরু হওয়া হান্টাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে এবার স্পেন এবং দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের প্রত্যন্ত দ্বীপ ত্রিস্তান দা কুনহায় নতুন করে দুইজনের দেহে এই ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

 

শুক্রবার হাজার হাজার মাইল দূরত্বের দুটি ভিন্ন স্থানে হান্টাভাইরাস সংক্রমণের সন্দেহে ওই দুইজন শনাক্ত হওয়ার খবরে আরও অনেকেরই ভাইরাসটি আক্রান্ত হওয়া নিয়ে উদ্বেগ বাড়বে।

 

যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এখন পর্যন্ত আশ্বস্ত করে বলেছে যে, এই ভাইরাসে সাধারণ জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কম এবং এটি সহজে একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায় না।

 

স্পেন ও ত্রিস্তান দা কুনহার পরিস্থিতি:

 

স্পেনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ আলিকান্তে ৩২ বছর বয়সী এক নারীর দেহে হান্টাভাইরাসের মতো উপসর্গ দেখা গেছে। তাকে বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

 

স্পেনের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হাভিয়ের পাদিলে জানান, ওই নারী উড়োজাহাজে এমন একজন ডাচ নারীর ঠিক পেছনের আসনে ছিলেন, যিনি প্রমোদতরী ‘এমভি হন্দিয়াস’ থেকে হান্টাভাইরাস সংক্রমিত হয়েছিলেন।

 

ওই ডাচ নারী গত ২৫ এপ্রিল জোহানেসবার্গ থেকে উড়োজাহাজটি ওড়ার আগেই অসুস্থ বোধ করে নেমে যান এবং পরে হাসপাতালে মারা যান।

 

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সি জানিয়েছে, ত্রিস্তান দা কুনহা দ্বীপে এক ব্রিটিশ নাগরিকের শরীরে এই ভাইরাস সংক্রমণের সন্দেহ করা হচ্ছে।

 

তিনি ডাচ পতাকাবাহী ওই প্রমোদতরিটিরই একজন যাত্রী ছিলেন, যা গত ১৩ থেকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে দ্বীপটিতে যাত্রা বিরতি করেছিল।

 

তবে ডব্লিউএইচও-র ভাইরাস বিশেষজ্ঞ আনাইস ল্যাগান্ড এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে বলেছেন, “প্রমোদতরীতে থাকা এবং সেখান থেকে নেমে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ভাইরাসটি যেভাবে ছড়াচ্ছে তা বিশ্লেষণ করে আমরা এখনও বলছি যে, সাধারণ জনগণের জন্য এটি সংক্রমণের ঝুঁকি কম।

 

প্রমোদতরী থেকে শুরু হওয়া প্রথম সংক্রমণ:

গত মার্চ মাসে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী নিয়ে আর্জেন্টিনা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল প্রমোদতরী ‘এমভি হন্দিয়াস’।

 

অ্যান্টার্কটিকা ও অন্যান্য স্থানে বিরতি দিয়ে এটি আফ্রিকার পশ্চিমে কেপ ভার্দে জলসীমায় পৌঁছানোর পর যাত্রীদের মধ্যে হান্টাভাইরাস সংক্রমণের খবরটি সামনে আসে।

 

ডব্লিউএইচও নিশ্চিত করেছে যে, এই সংক্রমণের পেছনে হান্টাভাইরাসের ‘অ্যান্ডিস স্ট্রেইন’ দায়ী। এটিই হান্টাভাইরাসের একমাত্র ধরণ যা মানুষের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।

 

তবে এটি কেবল সংক্রমিত ব্যক্তির দীর্ঘক্ষণ অতি নিবিড় সংস্পর্শে থাকলেই অন্যের শরীরে ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে। এখন পর্যন্ত এই প্রাদুর্ভাবে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ইরান ইস্যুতে কংগ্রেসের পদক্ষেপ অর্থহীন, বললেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান চেয়ে কংগ্রেসে গৃহীত প্রতীকী প্রস্তাবের সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ প্রস্তাবকে ‘ভুল সময়ে নেওয়া অর্থহীন পদক্ষেপ’ বলে আখ্যা দেন তিনি।   বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, সিনেটে ৫০-৪৮ ভোটে প্রস্তাবটি পাস হওয়ার পর, এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প মঙ্গলবার তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এই সমালোচনা করেন।    ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘আমি যখন ইরানকে প্রায় পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছি, ঠিক তখনই মার্কিন সিনেট ভুল সময়ে একটি অর্থহীন ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট ভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’   তিনি আরও বলেন, এই সিনেটররা আমার কাজ আরও কঠিন করে তুলেছেন। কিন্তু আমি যে কোনোভাবেই কাজটি সম্পন্ন করব। কারণ আমি সব সময়ই তা করতে পারি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার দ্রুত বাড়াচ্ছেন কিম জং-উন

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই: পেজেশকিয়ান

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে এখনই পরিদর্শক পাঠানোর কোনো তাড়া নেই: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত
কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, মার্কিন সিনেটে প্রস্তাব পাস

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে— এমন একটি প্রস্তাব পাস করেছে মার্কিন সিনেট। মঙ্গলবার সিনেটে ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি ৫০-৪৮ ভোটে অনুমোদন পায়। এর আগে প্রতিনিধি পরিষদেও প্রস্তাবটি পাস হয়েছিল। এতে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতায় যুক্ত মার্কিন বাহিনীকে প্রত্যাহার করতে হবে। যদিও এই প্রস্তাবে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই এবং এর আইনগত কার্যকারিতা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবুও এটি স্পষ্ট করেছে যে কংগ্রেসের দুই কক্ষই অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের পক্ষে নয়। এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে হওয়া একটি সমঝোতাকে আরও বিস্তৃত চুক্তিতে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে ট্রাম্প তার সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন। তবে হোয়াইট হাউস বলছে, প্রেসিডেন্টের সামরিক ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা অসাংবিধানিক। তাদের দাবি, চলতি বছরের এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মধ্য দিয়েই ইরানের সঙ্গে সংঘাত কার্যত শেষ হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে মার্কিন সিনেটে বড় ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গু মোকাবিলায় মাঠে নামছে শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের টোল আদায়ের সুযোগ থাকবে না: মার্কো রুবিও

ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবে চলতি বছরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা পৌঁছালো ১০০-তে

সৌদি আরবে মাদক পাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ দণ্ড কার্যকর করে। এর ফলে চলতি বছরে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা ১০০ জনে পৌঁছেছে।   সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার যাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে তাদের মধ্যে পাঁচজন মাদক পাচারের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ছিলেন। এ পর্যন্ত মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে ৬৫ জনের, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।   এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটি বলেছে, মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের ব্যাপক ব্যবহার মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্বেগজনক এবং বিদেশি নাগরিকরা তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।   সংস্থাটির দাবি, দক্ষিণ-পশ্চিম সৌদি আরবের খামিস মুশাইত আটককেন্দ্রে মাদক-সংশ্লিষ্ট মামলায় আটক বহু বিদেশি নাগরিক মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে রয়েছেন।   পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ১০০ জনের মধ্যে ৪৮ জন সৌদি নাগরিক। এছাড়া ইথিওপিয়া, পাকিস্তান, সুদান, ইয়েমেন ও সিরিয়ার নাগরিকরাও রয়েছেন এই তালিকায়।   এর আগে ২০২৫ সালে সৌদি আরবে মোট ৩৫৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, যার বড় অংশই মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে দণ্ডিত ছিলেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এটি সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ সংখ্যা।   প্রায় তিন বছর বিরতির পর ২০২২ সালের শেষ দিকে মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান পুনরায় কার্যকর করে সৌদি আরব।   মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখে সৌদি কর্তৃপক্ষ বলেছে, জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রয়োজনীয়। তাদের দাবি, সব ধরনের আইনি আপিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই এই দণ্ড কার্যকর করা হয়।   সূত্র: এএফপি।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৩, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

নিষেধাজ্ঞা মওকুফে ইরানকে ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬ কোম্পানির ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দিল চীন

ছবি: সংগৃহীত

পোল্যান্ডের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ফিরিয়ে দিলেন জেলেনস্কি

0 Comments