জাতীয়

‘সিন্ডিকেটে’ আটকে আছে এখনো ৩০ লাখ পাঠ্যবই

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ২৬, ২০২৬

পাঠ্যবইনতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো সারা দেশে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায়নি ৩০ লাখের বেশি পাঠ্যবই। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ভেতরে গড়ে ওঠা কর্মকর্তা ও কিছু নির্দিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের সিন্ডিকেটের কারণে বই ছাপা ও বিতরণে এই ভরাডুবি হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে। যদিও এনসিটিবির দাবি, এ বছর আগের তুলনায় দ্রুতগতিতেই বই বিতরণ করা হয়েছে।

 

তবে বই ছাপার সঙ্গে যুক্ত একাধিক সূত্র বলছে, এনসিটিবির এই দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাদের মতে, আগের বছরগুলোতে যখন বই বিতরণে বিলম্ব হয়েছে, তখন বড় ধরনের কারণ ছিল—যেমন পাঠ্যক্রম পরিবর্তন, কাগজ সংকট বা প্রশাসনিক জটিলতা। কিন্তু চলতি বছর তেমন কোনো বড় কারণ না থাকলেও বিতরণে ব্যর্থতা দেখা দিয়েছে, যা প্রশ্ন তুলছে পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে।এনসিটিবির বিতরণ শাখার তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার রাত পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তরের জন্য নির্ধারিত ৩০ কোটি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৩ কপি পাঠ্যবইয়ের বিপরীতে উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ হয়েছে ২৯ কোটি ৭১ লাখ ৮০ হাজার ৮৫৯ কপি। অর্থাৎ এখনো বিতরণ বাকি রয়েছে ৩০ লাখ ৫৮ হাজার ৭৯৪ কপি বই। এ হিসাবে সার্বিক বিতরণ হার দাঁড়ায় ৯৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ।তবে স্বস্তির বিষয় হলো—প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক (সাধারণ) স্তরের পাঠ্যবই শতভাগ বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি দেখা গেছে মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে প্রায় ৯৯ শতাংশ বই বিতরণ হলেও সপ্তম শ্রেণিতে এখনো ৫ শতাংশ এবং অষ্টম শ্রেণিতে ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী বই পায়নি।বই ছাপার এই সংকটের পেছনে এনসিটিবির সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী এবং বর্তমান সদস্য রিয়াদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন একটি সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু নির্দিষ্ট প্রেসকে কাজ পাইয়ে দিতে এই চক্রটি দরপত্র প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম করেছে।এর আগে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির প্রায় ৬০৩ কোটি টাকার দরপত্র বাতিলের পর পুনরায় টেন্ডার হলে ‘প্রিন্ট মাস্টার’ ও ‘মাস্টার সিমেক্স’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠান প্রাক্কলনের তুলনায় ৪৫ শতাংশ কম দরে কাজ পায়। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ করা নিম্নমানের কাগজ ও ছাপার বই সহজেই ছাড়পত্র পেলেও অন্য মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে নানা অজুহাতে কঠোরতা দেখানো হয়। এই বৈষম্যের কারণে বই ছাপার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয় এবং বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত বই পৌঁছে দেওয়ার সরকারি লক্ষ্য ব্যর্থ হয়।এনসিটিবির একাধিক সূত্র জানায়, ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির বইয়ের দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগে সদস্য রিয়াদ চৌধুরীকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তিনি কৌশলে পদে বহাল থাকার চেষ্টা করছেন। তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন, চলতি বছরের বই ছাপার কাজ শেষ হলে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন। তবে জানুয়ারি পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো পদে বহাল রয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, সুবিধাভোগী প্রতিষ্ঠান ‘মাস্টার সিমেক্স’ তাকে পদে রাখতে পর্দার আড়ালে নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাহবুবুল হক পাটওয়ারী বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে ১ জানুয়ারি বই পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু হলেও নানা কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ১৫ জানুয়ারিকে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও সেটিও বাস্তবায়ন করা যায়নি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
জলুমের পার্লামেন্ট সাড়ে ১৭ বছরের সব গুম-খুনের বিচার চায়—বিরোধীদলীয় নেতা

বর্তমান জাতীয় সংসদকে ‘মজলুমের পার্লামেন্ট’ আখ্যায়িত করে গত সাড়ে ১৭ বছরে সংঘটিত সব গুম, খুন এবং পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান।   সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।   ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “সাড়ে ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন, বিশেষ করে জুলাই বিপ্লবের বীররা, তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ সম্মান জানাতে হবে। একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”   বিচার প্রক্রিয়ার ধীরগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, চার মাস পার হলেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যে গতিতে বিচার প্রত্যাশা করেছিল, বাস্তবে সেই অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়।   তিনি বলেন, “অপরাধী যত প্রভাবশালী বা ক্ষমতাবানই হোক না কেন, তাদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”   বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে গুম, খুন ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডসহ সব আলোচিত ঘটনার নিরপেক্ষ ও দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ২৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

১৫ বছরে ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার, অন্তর্বর্তী আমলেরও তদন্ত চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

সংসদে জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ড, চূড়ান্ত পর্যায়ে অংশীদারিত্ব

ছবি: সংগৃহীত
‘৭১-এর ভূমিকা নিয়ে জামায়াতের ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল’—সংসদে মির্জা ফখরুল

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে দলটির সমালোচনা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধে নিজেদের অবস্থানের জন্য দলটি আজও জাতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেনি, যা করা উচিত ছিল।   রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।   বিরোধী দলের সদস্যদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭১ সালের ভূমিকার জন্য একবারও জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়নি। বরং তৎকালীন জামায়াত নেতা অধ্যাপক গোলাম আজম দাবি করেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের কোনো ভুল হয়নি। তিনি বলেন, এখনো সময় আছে—অতীতের ভুল স্বীকার করে দেশের মানুষের সামনে পরিষ্কার অবস্থান তুলে ধরলে রাজনৈতিকভাবে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।   তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রীয় আদর্শের বিষয়ে যে কোনো রাজনৈতিক দলের সুস্পষ্ট অবস্থান থাকা প্রয়োজন। অতীতের বিতর্কিত অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসতে পারলে রাজনৈতিক পথচলা সহজ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   এ সময় নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপির সংসদীয় কার্যক্রমের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, তরুণ নেতৃত্বের এই দলটি সংসদে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তবে ভবিষ্যতে যেন কোনো ধরনের অতীতের বিতর্ক বা কলঙ্ক তাদের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।   বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন এবং সংস্কার—এই তিনটি ভিত্তিকে সামনে রেখে বাজেট প্রণয়ন করেছেন। সরকারের লক্ষ্য এক বছরের মধ্যে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা, তিন বছরে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করা এবং পাঁচ বছরের মধ্যে অর্থনৈতিক কাঠামোয় দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনা।   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, ২০০২ সালে চীন সফরের সময় সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে তারেক রহমানকে তার বাবা-মায়ের আদর্শের পতাকা বহনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, সেই আদর্শ ধারণ করেই প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক চীন সফর সম্পন্ন করেছেন এবং দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসীদের সম্পৃক্ত করতে ‘ব্রিজ টু বাংলাদেশ’ চালু, ডায়াসপোরা নীতিমালা অনুমোদনের অপেক্ষায়

ছবি : সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসেরও দুদক তদন্ত চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফাইল ছবি

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, ৪৫ দিন আগে তফসিল: ইসি

ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ক্র্যাব) এবং সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস-এর মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস ও ক্র্যাবের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্ব

ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ক্র্যাব) এবং সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস এর মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।   সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস এর নির্বাহী পরিচালক মিফতা নাঈম হুদা এবং ক্র্যাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামস আজাদ। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   এই অংশীদারত্বের আওতায় ক্র্যাব ও সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস যৌথভাবে সিএমএসএমই (কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ) খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বাজার উন্নয়নমূলক উদ্যোগের নতুন সুযোগ অনুসন্ধানে কাজ করবে।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৮, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ ইস্যুতে সংসদে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

ছবি : সংগৃহীত

মা-বাবার ভরণপোষণ আইন সংশোধন করছে সরকার, আনা হচ্ছে কড়া বিধিনিষেধ

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি : সংগৃহীত

সেনাপ্রধানের চেকিয়া ও স্লোভাকিয়া সফর

0 Comments