মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রইদ’ যাচ্ছে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে (রটারডাম)। বিষয়টি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দেশের প্রখ্যাত অভিনেতা তারিক আনাম খান। তিনি এই সিনেমায় অভিনয় না করলেও, দেশের সিনেমা বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেওয়ায় গর্ববোধ করছেন। পাশাপাশি তিনি কথা বলেছেন ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খানের সঙ্গে তার আসন্ন সিনেমা ‘সোলজার’ নিয়েও।
‘রইদ’ সিনেমার ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে এই অভিনেতা বলেন, “সিনেমাটি একটি বড় ফেস্টিভ্যালে (রটারডাম) মেইন কম্পিটিশনে যাচ্ছে, যা এদেশের মানুষ হিসেবে আমাদের জন্য গর্বের। আমি এই সিনেমায় অভিনয় করছি না, গল্পের বিস্তারিতও জানি না। কিন্তু মেজবাউর রহমান সুমন এর আগে ‘হাওয়া’ দিয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি মাটির গল্প বলতে জানেন। আমাদের মিথ ও পেশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গল্প তিনি পর্দায় তুলে আনেন। আমার বিশ্বাস ‘রইদ’ পুরস্কার জিতবে।”
তিনি দর্শকদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যত বেশি মানুষ হলে গিয়ে সিনেমা দেখবে, আমাদের ইন্ডাস্ট্রি তত এগিয়ে যাবে।’
ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে ‘সোলজার’ সিনেমায় কাজ করছেন এই অভিনেতা। সিনেমাটি এবং এই নায়ককে নিয়ে বলেন, ‘শাকিব খান এমন একজন অভিনেতা যে চরিত্রকে নিজের মধ্যে ধারণ করে। সে নিজেকে বারবার পরিবর্তন করছে। শাকিব ও ফাহাদসহ পুরো টিম এর পেছনে বিশাল শ্রম দিচ্ছে।’
সিনেমাটির জনরা সম্পর্কে তিনি আভাস দিয়ে বলেন, “আমি যতটুকু কাজ করেছি, তাতে মনে হয়েছে ‘সোলজার’ কিছুটা পলিটিক্যাল ঘরানার সিনেমা। তবে এর সঙ্গে প্রচুর এন্টারটেইনমেন্ট ও নাটকীয়তা আছে। আশা করি দর্শকরা এটি উপভোগ করবেন।”
দেশের সিনেমার বর্তমান সময়কে ‘নতুন যুগ’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, ‘আমাদের সিনেমা এখন নতুন ধারণার দিকে এগোচ্ছে। নতুন মেকাররা আসছেন। তবে এর জন্য সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।’
নতুন বছরের প্রত্যাশা নিয়ে তিনি বলেন, ‘২০২৪ ছিল আকর্ষণের, ২০২৫ ছিল আক্রমণের। ২০২৬ নিশ্চয়ই ভালো হবে। প্রতিদিন যেমন নতুন সূর্য ওঠে, তেমনি আমাদের সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রও নতুন আলো দেখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া পাঁচটি সিনেমার মধ্যে প্রেক্ষাগৃহে চমক দেখাচ্ছে অ্যাকশন ড্রামা সিনেমা ‘দম’। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন আফরান নিশো পূজা চেরি ও চঞ্চল চৌধুরী। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই দর্শক চাহিদার শীর্ষে রয়েছে সিনেমাটি এবং প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিলের তথ্যমতে স্টার সিনেপ্লেক্সে সর্বোচ্চ শো নিয়ে চলছে দম। নির্মাতা রেদওয়ান রনির তৃতীয় চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর থেকেই অন্তর্জালে প্রশংসায় ভাসছে। সাধারণ দর্শকের পাশাপাশি এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় তারকা মেহজাবীন চৌধুরী। সিনেমাটি দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভালো লাগার কথা বিস্তারিত জানিয়েছেন তিনি। মেহজাবীন তাঁর পোস্টে লেখেন দম তার কাছে সত্যিই একটি ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা ছিল। একজন দর্শক হিসেবে তার মনে হয়েছে তিনি যেন আফগানিস্তানের অন্য এক জগতে চলে গেছেন। পুরো সময়টা জুড়ে তার মধ্যে এক ধরনের দমবন্ধ ও বন্দি হয়ে থাকার অনুভূতি কাজ করেছে। নূরের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকেও বারবার বন্দি মনে হয়েছে তার আর রানির জন্য অনেক কষ্ট লেগেছে। পুরো সিনেমাজুড়ে তার শুধু একটি জিনিসই মনে হয়েছে নূর যেন বেঁচে থাকে। আফরান নিশোর অভিনয়ের প্রশংসা করে মেহজাবীন লেখেন নিশো যেভাবে চরিত্রটি তুলে ধরেছেন তাতে তিনি সত্যিই নিজের জন্য নতুন এক বেঞ্চমার্ক সেট করেছেন। রানির চরিত্রে পূজা চেরি দারুণ অভিনয় করেছেন বলে জানান তিনি। আর চঞ্চল চৌধুরী সব সময়ের মতোই নিজের সেরাটা দিয়েছেন। তার চরিত্রটি খুব ইন্টারেস্টিং ছিল এবং কমেডি টাইমিংও ছিল দারুণ। সবশেষে পরিচালক রেদওয়ান রনির উদ্দেশ্যে মেহজাবীন বলেন এটি দারুণ একটি কামব্যাক। তার মতে নির্মাতার অপেক্ষার ফল তিনি নিশ্চয়ই পাচ্ছেন। পুরো টিম বিদেশি ভূমিতে যে কষ্ট করেছে তা স্ক্রিনে একদম স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এত কঠিন একটি কাজ এমন সুন্দরভাবে তুলে ধরার জন্য তিনি পুরো টিমকে অভিনন্দন জানান। এসভিএফ আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড এবং চরকি প্রযোজিত এই সিনেমাটি নিয়ে ঘোষণার সময় থেকেই দর্শকদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল ছিল। ডলি জহুর দীর্ঘদিন পর এই সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় ফিরেছেন। দমের চিত্রনাট্য লিখেছেন রেদওয়ান রনি রবিউল আলম রবি সৈয়দ আহমেদ শাওকী আল আমিন হাসান নির্ঝর এবং মো সাইফুল্লাহ রিয়াদ।
ঈদের আনন্দের মাঝেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহির জীবনে। ঈদের রাতে খুব কাছের এক ছোট ভাইয়ের আকস্মিক মৃত্যুতে চরম শোকাহত ও স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন এই অভিনেত্রী। এই শোক সইতে না পেরে আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরপর দুটি আবেগঘন ও ভয়ংকর উপলব্ধির কথা শেয়ার করেছেন তিনি। রোববার রাত ১টা ৫০ মিনিটে দেওয়া প্রথম পোস্টে মাহি জানান একটু আগেও যে ছেলেটি ভিডিও কলে ছিল একটু পরেই সে সবাইকে ছেড়ে চলে গেছে। জীবন আসলেই বড় ঠুনকো। তিনি আরও জানান তার রাইসা আপুর ছোট ভাই ঈদের দিন রাতে তাদের সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। এ সময় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য আল্লাহর কাছে ধৈর্য ও শক্তি প্রার্থনা করেন। এই আকস্মিক মৃত্যুর ধাক্কা কোনোভাবেই সামলে উঠতে পারছেন না মাহি। সোমবার বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে দেওয়া আরেকটি পোস্টে নিজের চরম আতঙ্ক ও অসহায়ত্বের কথা প্রকাশ করেন তিনি। মাহি লেখেন তার শুধু মনে হচ্ছে তিনি যেকোনো সময় মারা যেতে পারেন। এমনকি তার সামনে এই মুহূর্তে যে হাঁটাহাঁটি করছে সেও একটু পরে মারা যেতে পারে। এত কাছ থেকে কারও মৃত্যু এর আগে কখনো দেখেননি জানিয়ে এই অভিনেত্রী লেখেন তার রীতিমতো দম বন্ধ লাগছে। মাহির এমন মর্মান্তিক পোস্টে ভক্তরাও শোক প্রকাশ করার পাশাপাশি তাকে শক্ত থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। একজন ভক্ত মন্তব্যের ঘরে লিখেছেন মৃত্যু অতি নিকটে হলেও মনকে শক্ত রাখতে এবং আল্লাহর পথে চলতে। আরেকজন স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে মানুষ মৃত্যুকে ভুলে থাকলেও মৃত্যু প্রতিদিন মানুষকে স্মরণ করে। মাহির এই পোস্টে মন্তব্য করেছেন চিত্রনায়ক কাজী মারুফ। তিনি লিখেছেন জীবন খুবই ছোট এবং এটাই একমাত্র সত্য। মারুফ তার মন্তব্যে আরও উল্লেখ করেন মাহি সম্প্রতি দুটি মৃত্যুর খবর শুনেছেন যার মধ্যে একটি ছিল খুবই আকস্মিক।
চারদিকে বইছে ঈদ উৎসবের আমেজ, আর সেই আমেজে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে আবু হায়াত মাহমুদ পরিচালিত সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন ঢাকা’। নব্বই দশকের আলোচিত আন্ডারওয়ার্ল্ড ফিগার কালা জাহাঙ্গীরের ছায়া অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমাটি নিয়ে মুক্তির আগে থেকেই দর্শকদের মাঝে ছিল তুঙ্গে থাকা কৌতূহল। বিএমআরের দেওয়া তথ্যমতে, দেশের জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সে শো না থাকলেও ই-টিকেটিং সুবিধা সম্বলিত অন্যান্য প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি ভালোই সূচনা করেছে। প্রথম দিনেই ডাবল ডিজিট কালেকশন তুলে নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন ‘প্রিন্স’। প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, গতকাল লায়ন সিনেমাস (৫টি শো), গ্র্যান্ড সিলেট মুভি থিয়েটার (২টি শো), মন ইন (৪টি শো), মনিহার সিনেপ্লেক্স (৪টি শো), মধুবন সিনেপ্লেক্স (৪টি শো), শ্যামলী (৪টি শো), সিনেস্কোপ (৪টি শো) এবং গ্র্যান্ড রিভারভিউ সিনেপ্লেক্স (৪টি শো) মিলিয়ে সিনেমাটির মোট ৩১টি শো প্রদর্শিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩১টি শো’র মধ্যে ২৬টি শো-ই ছিল পুরোপুরি ‘হাউজফুল’। এছাড়া একটি শো ছিল অলমোস্ট ফুল। দিন শেষে সিনেমাটির মোট আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬.১৯ লাখ টাকা। শিরিন সুলতানা প্রযোজিত এই সিনেমাটি কেবল মারপিট বা অ্যাকশন নির্ভর নয় বরং মেজবাহ উদ্দিন সুমনের চিত্রনাট্যে এটি তৎকালীন ঢাকার রাজনীতি ও অপরাধ জগতের এক গভীর আখ্যান হিসেবে ফুটে উঠেছে। শাকিব খান তার চেনা ছক ভেঙে কালা জাহাঙ্গীর চরিত্রে অভিনয় করে ক্যারিয়ারে নতুন এক মোড় নিয়েছেন। বৈচিত্র্যময় লোকেশনে চিত্রায়িত এই সিনেমায় শাকিবের বিপরীতে দেখা গেছে তসনিয়া ফারিণকে। ওপার বাংলার জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডুর পাশাপাশি এতে আরও অভিনয় করেছেন ইন্তেখাব দিনার, রাশেদ মামুন অপু ও ড. এজাজের মতো শক্তিমান অভিনেতারা।