সারাদেশ

শহীদ মিনারে তোফায়েল আহমেদের শেষ শ্রদ্ধা বিএনপির ‘অগ্নিপরীক্ষা’ : ইমি

মারিয়া রহমান জুন ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি সরকার কারিনা কায়সারের মরদেহ শহীদ মিনারে নিতে দিলেও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদকে একই সম্মান দেবে কি না, সেটাই এখন পরীক্ষার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি।

সোমবার (১ জুন) রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন তুলে বলেন, এটাই হবে বিএনপির 'লিটমাস টেস্ট' বা অগ্নিপরীক্ষা।

ওই পোস্টে ইমি নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, 'বিএনপি সরকার আমাকে বিনা কারণে ৬০ দিন জেল খাটিয়েছে। আমার জীবন থেকে অনেক মূল্যবান সময় কেড়ে নিয়েছে। আমার পরিবারের একজন সদস্যকে আমি শেষ দেখাও দেখতে পারিনি জেলে থাকার কারণে।'

তবে এত কিছুর পরেও তিনি সরকারের বিরুদ্ধে শত্রুতার পথে যাননি বলে জানান ইমি। তার ভাষায়, 'তার পরও আমি ওদের সঙ্গে শত্রুতা করিনি এখন পর্যন্ত। একজন নাগরিকের জায়গা থেকে সরকারকে ট্রিট করতেছি যেভাবে করার দরকার।'

তোফায়েল আহমেদের প্রসঙ্গ টেনে ইমি স্পষ্ট করেন যে মুক্তিযুদ্ধ কিংবা তোফায়েল আহমেদ—কোনোটিই শুধু আওয়ামী লীগের একার সম্পদ নয়। তিনি লেখেন, 'মুক্তিযুদ্ধ আওয়ামী লীগের একার সম্পত্তি নয়। তোফায়েল আহমেদ আওয়ামী লীগের একার সম্পত্তি নয়। 'জয় বাংলা' স্লোগানও আওয়ামী লীগের একার সম্পত্তি নয়।'

এর পাশাপাশি সরকারের প্রতি সরাসরি হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। ইমি লেখেন, 'কোনটা দলীয়, কোনটা সর্বজনীন—এইটুকু বিবেচনা করার মতো সততা যদি সরকার না দেখাতে পারে তাহলে তারা প্রতিবাদ না, প্রতিঘাত ডিজার্ভ করে।'

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

সারাদেশ

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেলেন মো. ইদ্রিস মিয়া

চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়ার মো. ইদ্রিস মিয়া। তিন বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।       বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের পানি সরবরাহ-৩ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।     স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারীসচিব মোছা. আকতারুন নেছার সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬থ-এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী মো. ইদ্রিস মিয়াকে চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে তিন বছর মেয়াদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। সরকারি আদেশটি জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।     নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে চট্টগ্রাম নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন, গ্রাহকসেবার মান বাড়ানো এবং ওয়াসার চলমান প্রকল্পগুলোকে আরো কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস মিয়া বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরবাসীর প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার সেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহে সক্ষমতা বৃদ্ধি, পয়োনিষ্কাশন অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। একই সঙ্গে ওয়াসার চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন এবং সংস্থার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর দিকেও নজর থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।     স্থানীয়দের প্রত্যাশা, চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নগরবাসীর পানি ও পয়োনিষ্কাশনসেবা আরো জনবান্ধব করতে ভূমিকা রাখবেন।     সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার সামনে বর্তমানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে।     পানি সরবরাহের পাশাপাশি পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি, গ্রাহকসেবা এবং আর্থিকব্যবস্থাপনা সবগুলো ক্ষেত্রেই নতুন চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ হবে। সাম্প্রতিক ওয়াসার বকেয়া আদায়েও বিশেষ তৎপরতা চলছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী সাধারণ গ্রাহক ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে মোট ২৫৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
পুরনো ধান ফুরিয়ে গেছে, নতুন ধান ঘরে উঠতে এখনো বাকি। এই কঠিন সময়ে মাঠে ‘মঙ্গার ধান’ নামে পরিচিত স্বল্পমেয়াদি আগাম ধানের চারায় দেখা দিয়েছে শীষ। বুধবার রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের চন্দনের হাট এলাকার একটি ক্ষেতে।

বোরো ও আমনের মাঝে আউশ চাষে ঘুরছে রংপুরের অর্থনীতি

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৪৮৪

তাসপিয়া আহমেদ তিসা। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে মাইলস্টোন শিক্ষিকার মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
সীমান্তে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ চালান জব্দ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৫০ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ( বিজিবি )।   বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) আওতাধীন ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল বিওপি ও কসবার মঈনপুর বিওপির টহলদল নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করে।   বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, এসব অভিযানে ভারতীয় উন্নতমানের শাড়ি, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও ইনজেকশন, বাজি, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, পন্ডস পাউডার, আমল বাটার ও ডাবর আমলা তেলসহ বিভিন্ন পণ্য জব্দ করা হয়। জব্দ করা এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৫০ টাকা।   সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) জানায়, ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম শরিফুল ইসলামের দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনায় সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।   বিজিবি আরও জানায়, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি অবৈধভাবে পুশইন, নারী ও শিশুপাচার, মাদক এবং চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দুর্ঘটনার কবলে হেফাজত আমিরের গাড়ি

দুর্ঘটনার শিকার হেফাজত আমিরের গাড়ি

বুধবার দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে

সংবর্ধনায় রুমিন ফারহানার উপস্থিতি ঘিরে বিরোধ: আশুগঞ্জে সংঘর্ষের অভিযোগ

সংগৃহীত ছবি

গুলশানে ঝটিকা মিছিলের জের: ওসির পর এবার প্রত্যাহার ডিসি

প্রতীকী ছবি
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৭৫৩ জন

এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৭৫৩ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।      বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।       স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে অনুযায়ী, চলতি বছরে ১৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৬ হাজার ৯১৬ জনে।       স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে যে ১৭৫৩ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৮৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭৭ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৯৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭৪ জন, খুলনা বিভাগে ৩৪৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৩ জন, রংপুর বিভাগে ৫৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন রয়েছেন।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
উপজেলার হরিহরদিয়া এলাকার জীবন মোল্লার পিতামহ (বাবার দাদা) মাঈন উদ্দীন মোল্লার কবর। ছবি: সংগৃহীত

হরিরামপুরে ভয়াবহ পদ্মার ভাঙন, রক্ষা পাচ্ছে না পূর্বপুরুষের কবর

ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লা অঞ্চলে পাঁচ বছরে বন্ধ ১৮ জোড়া ট্রেন, বাড়ছে যাত্রী ভোগান্তি

ছবি: সংগৃহীত

ঢাবি এলাকায় পরপর তিন ককটেল বিস্ফোরণ

0 Comments