খেলাধুলা

এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডকে বিক্রি করে দেওয়াটা আর্থিক দিক থেকে বার্সেলোনার জন্য বেশ স্বস্তিদায়ক।

মোনাকোয় স্থায়ী হচ্ছেন ফাতি, বার্সেলোনা পাচ্ছে ১ কোটি ১০ লাখ ইউরো

মারিয়া রহমান জুন ০২, ২০২৬

আনসু ফাতিকে রেখে দিচ্ছে মোনাকো। এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডকে বার্সেলোনা থেকে পাকাপাকিভাবে কিনে নিচ্ছে ফরাসি ক্লাবটি। ট্রান্সফার ফি বাবদ কাতালান ক্লাবটি পাবে এক কোটি ১০ লাখ ইউরো।

সুপরিচিত ইতালিয়ান সাংবাদিক ফাব্রিসিও রোমানো সোমবার সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, আগামী কয়েক ঘন্টার মধ্যে চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সারা হবে। এই চুক্তিতে ভবিষ্যতে ফাতিকে মোনাকো বিক্রি করলে, সেই অর্থের একটা অংশও পাবে বার্সেলোনা।

ফাতির সঙ্গে বার্সেলোনার চুক্তি ছিল ২০২৮ সাল পর্যন্ত। ফলে তাকে যে বেতন দিতে হচ্ছিল, সেটিও সাশ্রয় করতে পারছে তারা।


এর মধ্য দিয়ে ২৩ বছর বয়সী ফাতির বার্সেলোনা অধ্যায়ের চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটছে। স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে ছয় মৌসুমে মাঠে নেমে ১২৩ ম্যাচে ২৯ গোল করেছেন তিনি।

বার্সেলোনার একাডেমিতে বেড়ে ওঠা ফাতির মূল দলে শুরুটা হয়েছিল আলো ঝলমলে। কিন্তু বারবার চোটে পড়ায় তার সম্ভাবময় ক্যারিয়ার কাম্প নউয়ে পূর্ণতা পায়নি।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে ধারে পাঠানো হয় ইংলিশ ক্লাব ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়নে। ২০২৪-২৫ মৌসুমে বার্সেলোনায় ফিরলেও হান্সি ফ্লিকের কোচিংয়ে খুব বেশি খেলার সুযোগ পাননি তিনি।


২০২৫ সালের জুলাইয়ে এক মৌসুমের জন্য ধারে মোনাকোয় পাড়ি জমান ফাতি। তখনই তাকে পাকাপাকিভাবে কিনে নেওয়ার সুযোগ রেখেছিল ক্লাবটি। সেটিই এখন কাজে লাগাতে যাচ্ছে তারা।

সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে মোনাকোর হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩০ ম্যাচে ১২ গোল করেন ফাতি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
হাসান মাহমুদকে পেছনে ফেলে আগস্টের সেরা ক্রিকেটার শ্রীলঙ্কার সোনাল দিনুশা

২০২৬ সালের আগস্ট মাসের আইসিসি পুরুষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন শ্রীলঙ্কার তরুণ তারকা অলরাউন্ডার সোনাল দিনুশা। আগস্ট মাসের সেরা হওয়ার লড়াইয়ে তিনি বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ এবং ইংল্যান্ডের পেসার অলি রবিনসনকে পেছনে ফেলেছেন।     ১৭ সেপ্টেম্বর এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।        ক্যারিয়ারে এই প্রথম আইসিসির মাসসেরার খেতাব জিতলেন এই শ্রীলঙ্কান তারকা অলরাউন্ডার। ভারতের বিপক্ষে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সিরিজে মাত্র তিনটি টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা নিয়েই দারুণ পারফরম্যান্স করেন ২৫ বছর বয়সী বাঁ হাতি এই ব্যাটার। দুই টেস্টে তার ব্যাট থেকে আসে ৪২০ রান।   গল টেস্টের দুই ইনিংসে দিনুশা করেন ১০০ ও ৮৪ রান। ম্যাচটি হারলেও পরের টেস্টে আরো দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন তিনি। কলম্বো টেস্টে ১০৩ ও অপরাজিত ১৩৩ রানের ইনিংস খেলেন। ফলো-অনে পড়া দলের হয়ে একই টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি করে ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় ব্যাটার হন দিনুশা।   তার এই বীরোচিত ইনিংসে ম্যাচ ড্র করে শ্রীলঙ্কা।     অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে বড় অবদান রাখায় মনোনয়ন পেয়েছিলেন হাসান মাহমুদ। ডারউইনে অজিদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন এই পেসার। দুই ইনিংসে ৯ উইকেট শিকার করেন। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।   শেষ পর্যন্ত সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। আগস্টে ১৯.৭৭ গড়ে ৯ উইকেট শিকার করেন বাংলাদেশের এই পেসার।     অন্যদিকে, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে বল হাতে দারুণ দাপট দেখিয়েছেন ইংল্যান্ডের অলি রবিনসন। তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম দুই টেস্টেই ম্যাচসেরা হন তিনি। প্রথম টেস্টে ৮০ রানে ৮ উইকেট এবং দ্বিতীয় টেস্টে মাত্র ৩৫ রানে ৮ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন রবিনসন। সিরিজে মোট ১৬ উইকেট শিকার করেন ইংলিশ পেসার।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নেপাল প্রিমিয়ার লিগে খেলতে যাচ্ছেন আকবর আলী ও সাকিব

ছবি- বাফুফে

এশিয়ান গেমসে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে বড় হারে কোয়ার্টার ফাইনাল অনিশ্চিত

ছবি: সংগৃহীত

ভোরেই এশিয়ান গেমসের মিশনে নামছে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
রাফিনহার হ্যাটট্রিকে প্রতিপক্ষকে ৭ গোল দিল বার্সেলোনা

প্রতিপক্ষের জালে গোল-উৎসব করাটাকে যেন নিয়মে পরিণত করে ফেলেছে বার্সেলোনা। স্প্যানিশ লা লিগায় আজও তার প্রমাণ দেখাল হ্যান্সি ফ্লিকের দল। নিজেদের মাঠে রাফিনহার হ্যাটট্রিকের সৌজন্যে কাতালান ক্লাবটি ৭-২ গোলে পরাজয়ের স্বাদ উপহার দিয়েছে রেসিং স্যান্টান্ডারকে।   এর ফলে চলতি মৌসুমে সব ধরণের প্রতিযোগীতামূলক টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত সাত ম্যাচ খেলে পাঁচটিতেই প্রতিপক্ষের জালে অন্তত পাঁচ কিংবা তারও বেশি গোল করল কাতালান ক্লাবটি।   নিজেদের মাঠ ন্যূ ক্যাম্পে বুধবার রাতে শুরু থেকেই দাপট দেখায় বার্সেলোনা। ম্যাচের ২৫ মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুন করে স্বাগতিক শিবির। প্রথমার্ধের অষ্টম মিনিটে রেসিং স্যান্টান্ডারের বিপক্ষে গোল উৎসবের শুরুটা করেন জুয়াও কান্সেলো। ২৫তম মিনিট ব্যবধান দ্বিগুন করেন কাতালান অধিনায়ক রাফিনহা। এরপর ৪২ মিনিটে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় আর ৬৭ মিনিটে আবারও পেনাল্টি থেকে গোল করেই হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। চলতি মৌসুমে যা রাফিনহার প্রথম হ্যাটট্রিক করার অবিস্বরণীয় কীর্তিও।   বার্সেলোনার হয়ে এদিন একটি করে গোল করেন জুয়াও কান্সেলো, গ্যাব্রিয়েল জেসুস এবং লামিন ইয়ামালও। এছাড়া কাতালানদের বাকী গোলটি ছিল আত্মঘাতি। সফরকারীদের হয়ে একটি করে গোল করেন যথাক্রমে গুইয়ে এবং যাবিরি।   এই জয়ের ফলে ছয় ম্যাচ থেকে সমান ছয় জয়ে আঠারো পয়েন্ট নিয়ে স্প্যানিশ লা লিগার শীর্ষে ‍অবস্থান করছে বার্সেলোনা। সমানসংখ্যক ম্যাচ থেকে পনেরো পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে রয়েছে তাদেরই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ। যেখানে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে অবস্থান করছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। যারা এদিন ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ওসাসুনাকে।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
আর্জেন্টিনা ফুটবল টিমের একাংশ। পুরোনো ছবি: সংগৃহীত

মেসির শেষ ম্যাচে মাঠে থাকছেন আরও দুই আর্জেন্টাইন তারকা

ছবি: সংগৃহীত

সেমিফাইনালের পথে বাংলাদেশের সামনে সহজ হিসাব

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২০২৭ সালে নেপাল সফরে যাবে

২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বশেষ মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-নেপাল। ছবি: আইসিসি
মার্চে নেপাল সফরে যাচ্ছে বিসিবি, খেলা হবে তিন টি-টোয়েন্টি

নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় নিহতদের স্মরণে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। আগামী বছরের মার্চে নেপাল সফরে যাবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।     বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আজ জানিয়েছে, নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ২৬, ২৮ ও ৩০ মার্চ তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।       সম্প্রতি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারির বৈঠকে দুই দেশের সম্ভাব্য টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিয়ে আলোচনা হয়। আজ বিসিবি কার্যালয়ে এসে বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে বৈঠক করেন নেপালের রাষ্ট্রদূত। সেখানে বাংলাদেশ দলের নেপাল সফর এবং দুই দেশের ক্রিকেটীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।       নেপালের ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে বিসিবি। নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে সিরিজটি উৎসর্গ করার বিষয়টিকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বোর্ড।     বিসিবির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিন ম্যাচের এই সিরিজ শুধু ক্রিকেটীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।     দুই দেশের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সংহতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ারও সুযোগ তৈরি করবে এটি।     নেপালের ক্রিকেটের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দিয়েছে বিসিবি। দুই দেশের মধ্যে পুরুষ ও নারী দলের সফর বিনিময়, হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।       এ ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের খেলোয়াড় ও ক্রিকেটসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দক্ষতা উন্নয়নে পারস্পরিকভাবে উপকৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বিতর্কিত গোল নিয়ে মারেসকা: ভুল সিদ্ধান্ত ফুটবলেরই অংশ

২০২৯ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের স্বাগতিক ঐতিহাসিক ন্যু ক্যাম্প: উয়েফা

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

আলমেরিয়ার পর এবার আল-নাসর: ক্লাব ব্যবসায় নিজের উপস্থিতি বাড়াচ্ছেন রোনালদো

0 Comments