শিক্ষা

র‌্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার মধ্যে দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কত

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ১৪, ২০২৬

এশিয়ার এক হাজার ৫০১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাকিংয়ে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান দেড়শ’র মধ্যেও নেই। ২০২৬ সালের কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) রয়েছে ১৬৫ নম্বরে। তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় ১৬৫ নম্বরে রয়েছে। তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে ১৬৫ নম্বরে। বুয়েট এক নম্বরে, ইন্দোনেশিয়ার ‘বিনা নুসান্তারা ইউনিভার্সিটি’ (বিনুস) দ্বিতীয় নম্বরে এবং ভিয়েতনামের ‘জুই তান ইউনিভার্সিটি’ রয়েছে তৃতীয় নম্বরে।  

এশিয়ার ১,৫০১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা তালিকার সর্বশেষ র‌্যাঙ্কিং প্রকাশিত হয়েছে। এবারের ২০২৬ সালের কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পারফরম্যান্স আশাব্যঞ্জক নয়। তালিকার প্রথম ১৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে দেশের কোনও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই।

বুয়েটের অবস্থান ও এশীয় প্রেক্ষাপট 

বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষে থাকা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এশীয় তালিকার ১৬৫ নম্বরে অবস্থান করছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ১৬৫ নম্বর অবস্থানে যৌথভাবে আরও দুটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে— ইন্দোনেশিয়ার ‘বিনা নুসান্তারা ইউনিভার্সিটি’ (বিনুস) এবং ভিয়েতনামের ‘জুই তান ইউনিভার্সিটি’। 

শীর্ষ ৩০০-তে সরকারি বনাম বেসরকারি 

এবারের র‌্যাঙ্কিংয়ের একটি নেতিবাচক দিক হলো, সেরা ৩০০-এর তালিকায় বুয়েট ছাড়া অন্য কোনও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা হয়নি। তবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি যথাক্রমে সেরা ২০০ ও ৩০০-এর তালিকায় নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। 

দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান 

র‌্যাঙ্কিংয়ে সেরা ৪০০ ও ৫০০-এর মধ্যে থাকা উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে ৩০৪ নম্বরে। যৌথভাবে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে ৩০৪ নম্বরে— এর মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে ৩১২ নম্বরে। তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে ৩১২ নম্বরে— এর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। 

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে ৩৩৭ নম্বরে। যৌথভাবে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে ৩৩৭ নম্বরে— এর মধ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ অবস্থানে।   

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে র‍্যাঙ্কিংয়ের ৩৭৮ নম্বরে। তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিংয়ের ৩৭৮ নম্বর তালিকায় এই বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান প্রথম। 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি রয়েছে র‍্যাঙ্কিংয়ের ৩৮৫ নম্বরে। র‍্যাঙ্কিংয়ের ৩৮৫ নম্বরে তালিকায় তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বরে অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়টির। 

র‍্যাঙ্কিংয়ের টপ ৪০০ নম্বরেরর মধ্যে খুলনা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি রয়েছে ৪১৪ নম্বরে (যৌথভাবে প্রথম)।

র‍্যাঙ্কিংয়ের তালিকায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে ৪৫৪ নম্বরে (যৌথভাবে এক নম্বরে)। 

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) রয়েছে ৪৭০ নম্বরে। র‍্যাঙ্কিংয়ের ৪৭০ নম্বরে থাকা চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রুয়েট চতুর্থ অবস্থানে।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, গাজীপুর রয়েছে তালিকার ৪৮৬ নম্বরে। র‍্যাঙ্কিংয়ের ৪৮৬ নম্বরের থাকা চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান প্রথম। 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

শিক্ষা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামে বন্যার কারণে স্থগিত এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষা শুরু আজ

বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় স্থগিত হওয়া উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষাগুলো বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) থেকে আবার শুরু হচ্ছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন স্থগিত এইচএসসির ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্র এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন স্থগিত আলিমের বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে আজ থেকে এসব পরীক্ষা শুরু হবে। সংশোধিত সূচি অনুযায়ী, স্থগিত পরীক্ষাগুলো ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।  চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন যেসব বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত হয়েছিল, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্র, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), পদার্থবিজ্ঞান প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, হিসাববিজ্ঞান প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, যুক্তিবিদ্যা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, ভূগোল প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, আরবি ও পালি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, রসায়ন প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, ইতিহাস প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, অর্থনীতি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র এবং প্রকৌশল অঙ্কন ও ওয়ার্কশপ প্র্যাকটিস প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র।  সংশোধিত সূচি অনুযায়ী, আজ ২০ আগস্ট ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২২ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), ২৪ আগস্ট পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্র এবং ২৭ আগস্ট পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা হবে। ২৯ আগস্ট সকালে ভূগোল প্রথম পত্র এবং বিকেলে আরবি ও পালি প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩১ আগস্ট সকালে ভূগোল দ্বিতীয় পত্র এবং বিকেলে আরবি ও পালি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা হবে। ২ সেপ্টেম্বর রসায়ন প্রথম পত্র, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, ইতিহাস প্রথম পত্র, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন প্রথম পত্র এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এসব বিষয়ের দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা হবে ৫ সেপ্টেম্বর। এ ছাড়া ৭ সেপ্টেম্বর অর্থনীতি প্রথম পত্র এবং প্রকৌশল অঙ্কন ও ওয়ার্কশপ প্র্যাকটিস প্রথম পত্রের পরীক্ষা নেওয়া হবে। ৯ সেপ্টেম্বর অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র এবং প্রকৌশল অঙ্কন ও ওয়ার্কশপ প্র্যাকটিস দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষা শেষ হবে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, সকালের শিফটের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা এবং বিকেলের শিফটের পরীক্ষা বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে নির্ধারিত কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। গত ৮ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত ছিল। তবে দেশের অন্য শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা চলেছে। বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় এসব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। অন্যদিকে, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন স্থগিত হওয়া আলিমের ১১টি বিষয়ের পরীক্ষাও আজ থেকে শুরু হচ্ছে। স্থগিত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, আরবি দ্বিতীয় পত্র, হাদিস ও উসূলুল হাদিস, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বালাগাত ও মানতিক, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, তাজবিদ প্রথম পত্র এবং আল ফিকহ প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র। নতুন সূচি অনুযায়ী, আজ বাংলা দ্বিতীয় পত্রের (বিষয় কোড ২৬৭) পরীক্ষা হবে। এরপর ২২ আগস্ট ইংরেজি প্রথম পত্র (২৬৮), ২৪ আগস্ট ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র (২৬৯), ২৭ আগস্ট আরবি দ্বিতীয় পত্র (২০৬), ২৯ আগস্ট হাদিস ও উসূলুল হাদিস (২০২) এবং ৩১ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (২৪০) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৫ সেপ্টেম্বর বালাগাত ও মানতিক (সাধারণ বিভাগ, বিষয় কোড ২১০), পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র (তত্ত্বীয়, ২২৪) এবং তাজবিদ প্রথম পত্র (মুজাব্বিদ মাহির বিভাগ, ২৩২) পরীক্ষা হবে। ৭ সেপ্টেম্বর আল ফিকহ প্রথম পত্র (২০৩) এবং ৯ সেপ্টেম্বর আল ফিকহ দ্বিতীয় পত্র (২০৪) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বন্যার কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিম পরীক্ষার এসব বিষয় স্থগিত করা হয়েছিল। গত ৯ আগস্ট বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে স্থগিত পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশেষ প্রয়োজনে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ এ সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারবে। আলিম পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে নির্ধারিত কেন্দ্রে আসন গ্রহণ করতে হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষার সংশোধিত সূচি অনুযায়ী, ৯ থেকে ১৮ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২৫ আগস্টের মধ্যে অনলাইনে বোর্ডে পাঠাতে হবে। স্থগিত আলিম পরীক্ষার উত্তরপত্র পরীক্ষা গ্রহণের দিনই বোর্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুততম সময়ে ফলাফল প্রকাশের লক্ষ্যে গত ১৯ আগস্ট দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পরীক্ষা শেষে কোনো ধরনের বিলম্ব না করে উত্তরপত্র একই দিনে সংশ্লিষ্ট জেলা পোস্ট অফিসের (জিইপি) মাধ্যমে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, বকশীবাজার, ঢাকা-১২১১ ঠিকানায় পাঠাতে বলা হয়েছে। উত্তরপত্র যথাযথভাবে প্যাকেটজাত ও সিলগালা করে নির্ধারিত নিয়মে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। উত্তরপত্র পাঠানোর পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি বোর্ডকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে ১৩ আগস্ট জারি করা আগের পত্রটি বাতিল করা হয়েছে।  ব্যবহারিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা অধ্যক্ষের কাছ থেকে জেনে নিতে বলা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রে উল্লিখিত কেন্দ্র কোড ব্যবহারিক উত্তরপত্রে লেখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

মারিয়া রহমান আগস্ট ২০, ২০২৬
ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ। ছবি: সংগৃহীত

ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইরানি রাষ্ট্রদূত ড. জালিল

বক্তব্য দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

পাঠ্যপুস্তকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বিষয়, শিক্ষায় আসছে পরিবর্তন

ছবি: সংগৃহীত

নতুন আরও একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন

কর্মমুখী প্রশিক্ষণে পুরুষকে ছাড়িয়ে নারী

কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষতা অর্জনে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ২ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৬ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে সরকারের ‘অ্যাকসেলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেংদেনিং স্কিলস ফর ইকোনমিক ট্রান্সফরমেশন’ বা অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায়। এর মধ্যে নারী প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যাই বেশি। মোট প্রশিক্ষণার্থীর ৫৭ দশমিক ৯০ শতাংশ নারী।   মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মাধ্যমে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।     প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের মধ্যে নারী ১ লাখ ৩০ হাজার ৪৭০ জন এবং পুরুষ ৯৪ হাজার ৮৬৬ জন। অর্থাৎ পুরুষের তুলনায় নারী প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা ৩৫ হাজার ৬০৪ জন বেশি। প্রশিক্ষণ নেওয়াদের মধ্যে ৪ হাজার ৮০ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য এবং ৭৭৯ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন।     কর্মসংস্থানের বাজারে প্রয়োজনীয় দক্ষতা তৈরির লক্ষ্যে প্রকল্পটির আওতায় দুই ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর একটি প্রতিষ্ঠানভিত্তিক স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ, অন্যটি শিল্প ও কর্মক্ষেত্রভিত্তিক প্রশিক্ষণ।   প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রশিক্ষণে ২১ হাজারের বেশি   ৩৬০ ঘণ্টার প্রতিষ্ঠানভিত্তিক স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন ২১ হাজার ৭০২ জন। সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক), আঞ্চলিক জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিশেষায়িত সরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠান এবং নির্বাচিত বেসরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।   এ প্রশিক্ষণে হাতে-কলমে কাজ শেখানো, ব্যবহারিক অনুশীলন এবং বিভিন্ন পেশার জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের মধ্যে নারী ছিলেন ৩৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ।   কর্মক্ষেত্রভিত্তিক প্রশিক্ষণেও নারীর অংশগ্রহণ বেশি   অন্যদিকে শিল্পখাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ২ লাখ ৩ হাজার ৬৩৪ জন। তাদের মধ্যে ৫৯ দশমিক ৯৩ শতাংশই নারী।   দেশের বিভিন্ন শিল্প দক্ষতা কাউন্সিল, শিল্প সমিতি এবং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মাধ্যমে এসব প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়েছে।   প্রশিক্ষণের ধরন অনুযায়ী কোনও কোনও ক্ষেত্রে পুরো কার্যক্রমই শিল্পকারখানার বাস্তব কর্মপরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে এবং বাকি ৫০ শতাংশ শিল্পকারখানায় শিক্ষানবিশির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।   মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এর ফলে প্রশিক্ষণার্থীরা নির্দিষ্ট পেশার কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি বাস্তব কর্মপরিবেশ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উৎপাদনব্যবস্থা, কর্মক্ষেত্রের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছেন।   কর্মদক্ষতা অর্জনে নারীদের আগ্রহ   প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কর্মমুখী দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বিশেষ করে শিল্প ও কর্মক্ষেত্রভিত্তিক প্রশিক্ষণে নারী প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে নারীদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণের বিষয়টি সামনে এসেছে।   প্রশিক্ষণ শেষে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের মূল্যায়ন ও সনদায়ন করা হচ্ছে।   ২০২৮ সাল পর্যন্ত বাড়লো প্রকল্পের মেয়াদ   এদিকে প্রকল্পের অর্জন ধরে রাখা এবং পুনর্গঠিত কর্মপরিকল্পনার আওতায় বর্ধিত লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে অ্যাসেট প্রকল্পের মেয়াদ আরও ১৮ মাস বাড়ানো হয়েছে।   সরকারের গত ২৬ এপ্রিলের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক গত ২৯ জুলাই প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি ও পুনর্গঠনে আনুষ্ঠানিক সম্মতি দেয়। ফলে প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।   ‘মুখস্থনির্ভরতা নয়, খেলতে খেলতেই শিখবে শিশুরা’ বর্ধিত সময়ে কর্মসংস্থানের চাহিদা ও ভবিষ্যৎ শ্রমবাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মমুখী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে নারী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।   একই সঙ্গে প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন ও নিবন্ধনে স্বচ্ছতা, ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রশিক্ষণের গুণগত মান নিশ্চিত করতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি আগস্ট ১৯, ২০২৬
ঢাবি শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি

ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অকৃতজ্ঞতার রাজনীতি: ছাত্রদল-বামদের বিরুদ্ধে ঢাবি শিক্ষকের ক্ষোভ

ফলাফল পেয়ে কাদির মোল্লা স্কুলছাত্রীদের উল্লাস।

শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ায় নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত

অধিভুক্ত কলেজে ক্যারিয়ার সেন্টার চালুর নির্দেশ দিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

ছবি: সংগৃহীত
২০২৭ সালের আলিম পরীক্ষার প্রশ্ন হবে পরিমার্জিত আরবি বই থেকে

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের আলিম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আল-লুগাতুল আরাবিয়াতুল ইত্তিসালিয়্যাহ’ পাঠ্য বইয়ের পরিমার্জিত সংস্করণ বাজারজাত করা হয়েছে। নতুন সংস্করণ অনুযায়ী ২০২৭ সালের আলিম পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে। ফলে শিক্ষার্থীদের পরিমার্জিত পাঠ্যবই অনুসরণ করে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।   সম্প্রতি বোর্ডের প্রকাশনা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এফ এম শাকিরুল্লাহর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, পরিমার্জিত সংস্করণের বইটির একমাত্র পরিবেশক আল ফাতাহ পাবলিকেশন্স।   বোর্ড জানিয়েছে, নতুন সংস্করণে পুরোনো বইয়ের অনেক অপ্রাসঙ্গিক তথ্য বাদ ও সংশোধন করা হয়েছে। পাশাপাশি জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে সৃষ্ট আকাঙ্ক্ষা, মূল্যবোধ ও জাতীয় লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাঠ্যপুস্তকটির বিষয়বস্তু হালনাগাদ করা হয়েছে।   পরিমার্জিত সংস্করণে পুরোনো বইয়ের চতুর্থ অধ্যায়টি নবম অধ্যায়ে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া পুরোনো নবম অধ্যায়ের দ্বিতীয় পাঠ নতুন সংস্করণে চতুর্থ অধ্যায়ের দ্বিতীয় পাঠ হিসেবে স্থানান্তর করা হয়েছে।   নতুন সংস্করণের চতুর্থ অধ্যায়ের প্রথম ও তৃতীয় পাঠ নতুন করে সংযোজন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি পাঠ্যপুস্তকের মূল বিষয়বস্তু ঠিক রেখে বিভিন্ন তথ্যগত ভুলও সংশোধন করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।   বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পরিমার্জিত সংস্করণ অনুযায়ী ২০২৭ সালের আলিম পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন করা হবে।   এ কারণে শিক্ষার্থীদের ওই পরীক্ষার প্রস্তুতি নতুন সংস্করণ অনুসারে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সব মাদরাসার অধ্যক্ষকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ১৭, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন ২১ আগস্ট শুরু করার পরিকল্পনা

নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

সংগৃহীত ছবি

ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর দিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

0 Comments