প্রবাসী

পর্তুগালে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দেশ পর্তুগালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো দে সোসা সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কারণে টানা দুই মেয়াদ শেষে এবার আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। ফলে দেশটি একজন নতুন রাষ্ট্রপতি বেছে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আজ সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোট চলবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১০ জন পুরুষের পাশাপাশি রয়েছেন একজন নারী প্রার্থীও।

 

এই নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বামপন্থি, ডানপন্থি, মধ্যপন্থি ও উদারপন্থি– সব ধরনের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতিনিধিত্ব থাকায় নির্বাচনটি হয়ে উঠেছে বহুমাত্রিক ও অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ। ভোটারদের সামনে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রতিশ্রুতি।

 

নির্বাচনী প্রচারণায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সমস্যা বিশেষভাবে উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে বাড়িভাড়া ও আবাসন সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অভিবাসন ও সীমান্ত নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। প্রার্থীরা এসব ইস্যুতে ভিন্ন ভিন্ন সমাধানের কথা তুলে ধরে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন।

 

পর্তুগালের সংবিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি প্রথম দফার ভোটে মোট ভোটের ৫০ শতাংশের বেশি অর্জন করতে না পারেন, তাহলে শীর্ষ দুই প্রার্থীকে নিয়ে দ্বিতীয় দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে দ্বিতীয় দফায় ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা নির্বাচনকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলছে।

 

উল্লেখ্য, পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি পদটি প্রধানত সম্মানসূচক হলেও এর সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, আইনে ভেটো দিতে পারেন এবং রাজনৈতিক সংকটের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ফলে এই নির্বাচন দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভারসাম্য ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

 

সবমিলিয়ে পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শুধু একটি সাংবিধানিক পদে নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয় নয়, বরং এটি দেশটির রাজনৈতিক দিকনির্দেশ ও জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় নিউ ইয়ার ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

নতুন বছরে ব্যাডোমিন্টন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। রোববার (১৮ জানুয়ারি) বুকিত বিন্তাং ব্যাডমিন্টনে অংশ নেয় ১৬টি দল। খেলায় প্রতিযোগিতার থেকে বেশি ছিল একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া, ছুটির দিনে বন্ধুদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে আনন্দ করা। খেলোয়াড় ছাড়াও খেলা উপভোগ করতে ভিড় জমান প্রবাসীরা। খেলায় বিজয়ী হয় টিম হাদি জাস্টিস রেভিলেশন। খেলায় রানারআপ হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের অভিযোগ, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে সচেতন করল বিএনপি

ছবি: সংগৃহীত

দুবাই ব্লু ভিসা বনাম গোল্ডেন ভিসা: ১০ বছরের ভবিষ্যতের দুই পথ

ছবি: সংগৃহীত

নতুন করে সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব

ছবি: সংগৃহীত
প্রয়োজনে যেভাবে মোবাইলেই ঋণ নিতে পারেন সৌদি প্রবাসীরা

২০২৬ সালে সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য জরুরি প্রয়োজনে টাকা ধার নেওয়া বা পার্সোনাল লোন পাওয়ার প্রক্রিয়া এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ ও আধুনিক। বিদেশে কাজের ফাঁকে অনেক সময় হুটহাট বড় অংকের টাকার দরকার পড়ে-হোক সেটা চিকিৎসার জন্য, কিংবা পরিবারের জরুরি প্রয়োজনে। এসব পরিস্থিতি সামাল দিতে সৌদি আরবের বড় বড় ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি বেশ কিছু ডিজিটাল অ্যাপ এখন প্রবাসীদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। আল রাজি ব্যাংক, সৌদি ন্যাশনাল ব্যাংক (SNB) বা রিয়াদ ব্যাংকের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রবাসীদের দীর্ঘমেয়াদী লোন দিচ্ছে, যা সরাসরি শরিয়াহ সম্মত পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। এই ব্যাংকগুলো থেকে লোন পেতে হলে সাধারণত ৫ থেকে ৭ হাজার রিয়াল মাসিক বেতন এবং বৈধ ইকামার প্রয়োজন হয়, সেই সাথে বেতন সরাসরি ওই ব্যাংকে জমা হওয়া বা ‘স্যালারি ট্রান্সফার’ করা বাধ্যতামূলক।   তবে যাদের খুব দ্রুত অল্প কিছু টাকার প্রয়োজন এবং ব্যাংকের ঝামেলায় যেতে চাচ্ছেন না, তাদের জন্য ‘তামাম’, ‘কুয়ারা’ কিংবা ‘সুলফাহ’-এর মতো অ্যাপগুলো দারুণ সমাধান। এই অ্যাপগুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এখানে কোনো গ্যারান্টার বা স্যালারি ট্রান্সফারের প্রয়োজন পড়ে না এবং খুব অল্প সময়েই টাকা পাওয়া যায়।   তবে মনে রাখা ভালো, ব্যাংক লোনের তুলনায় এসব অ্যাপের বার্ষিক চার্জ বা এপিআর একটু বেশি হতে পারে। সৌদি আরবের পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থা এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর দাঁড়িয়ে। তাই নাফাস এবং আবশির অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ঘরে বসেই নিজের পরিচয় যাচাই করে লোনের আবেদন করা সম্ভব হচ্ছে। লোন অনুমোদনের ক্ষেত্রে ‘সিয়ামা’ (SIMAH) বা ক্রেডিট স্কোর খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই সময়মতো ইউটিলিটি বিল বা কিস্তি পরিশোধ করা জরুরি।   সবচেয়ে আশ্বস্ত করার মতো বিষয় হলো, এই পুরো প্রক্রিয়াটি সৌদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক (SAMA) সরাসরি তদারকি করে। এর ফলে কোনো লোনদাতা প্রতিষ্ঠান চাইলেই অতিরিক্ত ফি বা লুকানো চার্জ নিতে পারে না। প্রবাসীদের জন্য লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো পরামর্শ হলো, তাড়াহুড়ো না করে আগে বিভিন্ন ব্যাংকের অফার যাচাই করা এবং নিজের সাধ্যের মধ্যে কিস্তি রাখা। বর্তমানে রিয়াদ ব্যাংক বা মিম (Meem)-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো পেশাজীবী প্রবাসীদের জন্য বিশেষ স্কিম দিচ্ছে, যা কাজে লাগিয়ে নিজের আর্থিক প্রয়োজন অনায়াসেই মেটানো সম্ভব।

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

শিগগিরই চালু হচ্ছে ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশের ভিসা!

ছবি: সংগৃহীত

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি যুবক নিহত

ছবি: সংগৃহীত

সৌদিতে স্ত্রীর গাড়ি চাপায় স্বামীর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
১৪ হাজার প্রবাসীর ভিসা বাতিল করল সৌদি আরব

সৌদি আরবে অবৈধভাবে বসবাস করা প্রবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে নেমেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। গত এক সপ্তাহের অভিযানে ১৮ হাজার ৫৪ জনকে আটক করার পাশাপাশি ১৪ হাজার ৬২১ জনকে ভিসা বাতিল করে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। যা গত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।   সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ৮ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারির মধ্যে পরিচালিত এই যৌথ অভিযানে আবাসন বা রেসিডেন্সি আইন লঙ্ঘন করায় ১১ হাজার ৩৪৩ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন অমান্য করায় ৩ হাজার ৮৫৮ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ২ হাজার ৮৫৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসাথে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়, পরিবহন বা কাজ দিয়ে সহায়তা করার অভিযোগে ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে ২৭ হাজার ৫১৮ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে, যাদের মধ্যে ১ হাজার ৯৬৬ জন নারী।   সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানিয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি অনুপ্রবেশকারীদের সৌদি আরবে প্রবেশে সাহায্য করে, পরিবহন সেবা দেয় অথবা থাকার জন্য আশ্রয় কিংবা যেকোনো ধরনের সহায়তা প্রদান করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে। পাশাপাশি অপরাধীকে ১০ লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং এই কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও ঘরবাড়ি বাজেয়াপ্ত করার আইনি বিধান রাখা হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ওমানে ৩৫ প্রবাসী গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

ওমানে বিশ্ব রেকর্ড! ড্রিফট ট্র্যাকে নামল বিমান

ছবি: সংগৃহীত

মালদ্বীপে ‘ফ্রি-ভিসা’ প্রথা বন্ধে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের জোরালো দাবি

0 Comments