আন্তর্জাতিক

ওডেসায় হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া

আক্তারুজ্জামান ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫

ইউক্রেনের দক্ষিণে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর অঞ্চল ওডেসায় হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া। বিস্ফোরণ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও হয়েছে। এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম কিয়েভ পোস্ট এ তথ্য জানায়। 

 

রুশ হামলায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বিশাল এলাকা। অন্ধকারে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ। স্থানীয় সময় রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে চালানো হয় এ হামলা। পুড়ে যায় ময়দা ও ভোজ্যতেলের বেশ কিছু কনটেইনার। এছাড়াও হুমকির মুখে সমুদ্র তীরবর্তী অবকাঠামো। 

 

ইউক্রেনের উপপ্রধানমন্ত্রী ওলেক্সি কুলেবা বলেন, ওডেসায় 'পদ্ধতিগত' হামলা চালাচ্ছে মস্কো। গত সপ্তাহে যুদ্ধের মূল কেন্দ্রবিন্দু ওডেসার দিকে সরে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছিলেন তিনি। 

 

প্রেসিডেন্ট ভোলদেমির জেলেনস্কির দাবি, সাগরপথে সেনাদের রসদ সরবরাহ আটকে দিতেই ওডেসায় ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে রুশ সেনারা। গেল কয়েকদিনে রাশিয়ার হামলায় ওডেসায় হতাহতের শিকার হয়েছেন বেশ কয়েকজন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ছবি : সংগৃহীত
চুক্তি লঙ্ঘন হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে আবারও সামরিক হামলা শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে কঠোর অবরোধ আরোপ করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।   ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠক শেষে ব্রাসেলসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর আল জাজিরার।   পিট হেগসেথ বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে চলমান আলোচনার সময়সীমার মধ্যে ইরান যদি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে, তাহলে আমরা প্রয়োজনে আবারও ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত থাকব।’   তিনি আরও বলেন, ‘ইরান চুক্তি মেনে না চললে আমরা পুনরায় কঠোর ও কার্যকর অবরোধ আরোপ করার ক্ষমতা রাখি।’   উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নিবিড় নজরদারি চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এ সতর্কবার্তা ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশলের অংশ হতে পারে।   তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৮, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

চীনের সাবমেরিন নিয়ে বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় হওয়ার পরিকল্পনা পাকিস্তানের

ছবি: সংগৃহীত

‘আমরা এখন ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি’: মোদি–মেলোনি

ছবি: সংগৃহীত

সমঝোতা স্মারক সই হলেই তেল বিক্রির সুযোগ পাবে ইরান: মার্কিন কর্মকর্তা

ছবি: সংগৃহীত
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা প্রকাশে বিলম্ব কেন, ব্যাখ্যা দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি এখনো প্রকাশ না করার পেছনে কূটনৈতিক সংবেদনশীলতাকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেন, আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয় এখনও প্রক্রিয়াধীন থাকায় নথিটি প্রকাশে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।   ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচিত সমঝোতা স্মারক নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও এখনো এর পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।   মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সমঝোতার সঙ্গে সম্পর্কিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বিষয় এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো নথিটি প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।   ভ্যান্সের ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু ইরান নয়, আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে যুক্ত কয়েকটি দেশও ধাপে ধাপে তথ্য প্রকাশের পক্ষে মত দিয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তান ও কাতার বিষয়টিতে সংযত অবস্থান গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।   তবে চুক্তির সব ধরনের গোপনীয়তার কারণ সম্পর্কে তিনি অবগত নন বলেও মন্তব্য করেন। তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং মুসলিম বিশ্বের কিছু সংবেদনশীল বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই ওয়াশিংটন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।   এদিকে, সমঝোতা স্মারকের সম্ভাব্য বিভিন্ন ধারা ও শর্ত নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নানা প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করেনি।   জানা গেছে, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারকটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, চুক্তির বিস্তারিত বিষয়বস্তু শিগগিরই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।   অন্যদিকে, কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য ইসরাইলের করা অনুরোধ যুক্তরাষ্ট্র গ্রহণ করেনি। ফলে সমঝোতার চূড়ান্ত বিষয়বস্তু সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট ধারণা পায়নি তেল আবিব।   চুক্তিটি প্রকাশিত হলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আক্তারুজ্জামান জুন ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

‘এলিয়েনরা পৃথিবীতে এসেছে’—চাঞ্চল্যকর দাবি স্টিভেন স্পিলবার্গের

ছবি : সংগৃহীত

চাইলেই হরমুজ প্রণালি বন্ধ করতে পারে ইরান, দাবি মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে

ছবি : সংগৃহীত

আর্জেন্টিনাকে ২০০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

ছবি : সংগৃহীত
আমিই বস’, ম্যাক্রোঁ-মেলোনির সামনেই ট্রাম্পের ঘোষণা

ফ্রান্সে জি৭ শীর্ষবৈঠকে বসে নিজেকে বস ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।    এ সময় জি৭-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রধানরা সকলেই সেখানে ছিলেন।   বিশ্ব অর্থনীতির নিরাপত্তা বিষয়ক একটি অধিবেশনের আয়োজন করা হয় ফ্রান্সে। তাতে যোগ দিতে এসে সাংবাদিক এবং রাষ্ট্রনেতাদের সামনে ট্রাম্প বলেন, “আমিই বস।”   তবে কিসের প্রেক্ষিতে তার এই মন্তব্য, তা খোলসা করেননি। উপস্থিত রাষ্ট্রনেতারাও কেউ তার কোনও প্রতিবাদ করেননি। বরং, ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সংঘাত এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে এত দিন যে, ইউরোপের নেতারা ট্রাম্পের সমালোচনা করছিলেন, তারাও এবার সুর নরম করেছেন।   ট্রাম্পের ঘোষণার সময় অধিবেশন কক্ষে ছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিরা।   ১৫ জুন থেকে ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলন শুরু হয়। তা চলবে ১৭ জুন, বুধবার পর্যন্ত। ইতোমধ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে রাষ্ট্রনেতাদের বৈঠক হয়েছে। জি৭ সদস্যরাষ্ট্রগুলো একটি যৌথ বিবৃতিও দিয়েছে। বুধবারের অধিবেশনের আলোচ্য বিষয় ছিল দুষ্প্রাপ্য খনিজ এবং অর্থনীতির ভারসাম্যহীনতা। রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের বিষয়েও জি৭ বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তার পরেই নিজেকে ‘বস‌’ বলে ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরান আক্রমণ করেছিল। তাতে মৃত্যু হয় সে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির। তারপর থেকেই পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত তীব্র হয়েছে। ওই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে গিয়েছে ইরান। সেই সঙ্গে তারা হরমুজ প্রণালীতে পণ্য পরিবহণেও বাধা সৃষ্টি করে। পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার এই আগ্রাসী নীতির তীব্র সমালোচনা করেছিল ইউরোপের একাধিক দেশ।    হরমুজ খোলার বিষয়ে ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প তাদের সাহায্য চেয়েছিলেন। কিন্তু ইউরোপের বেশির ভাগ শক্তিধর দেশই পিছিয়ে গিয়েছিল। ট্রাম্পও প্রকাশ্যে তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বারবার। জি৭ বৈঠকে তার বিপরীত চিত্র দেখা গেল। এমনকি, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্ৎজ মঙ্গলবার ট্রাম্পকে একটি ফুটবল জার্সি উপহার দেন। জার্সির নম্বর ছিল ৪৭।   ইউরোপের এই সুর বদলের নেপথ্যে রয়েছে ট্রাম্পের ইরান চুক্তিই। সময় বদলেছে। ইরানের সঙ্গে আমেরিকা সমঝোতার চুক্তি চূড়ান্ত করেছে রবিবার। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা। পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।   রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধে আমেরিকার নীতি নিয়েও ইউরোপে ক্ষোভ ছিল। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলাদা করে ট্রাম্পের বৈঠক না-হলেও জি৭ শীর্ষবৈঠকে তিনি ছিলেন। সেখানে অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল রাশিয়া। এই সংঘাতে আগের চেয়ে ইউক্রেনের অবস্থানের উন্নতি হয়েছে বলে মেনে নিয়েছেন ইউরোপীয় নেতারা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ এবং নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তারা।   কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বৈঠকের পর বলেন, ‘‘আমেরিকা এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থান বদলেছে। রাশিয়ার প্রতি তাদের অবস্থান কঠোর হয়েছে। আমার মতে, তা যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।” সূত্র: রয়টার্স

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন অবরোধ পেরিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার

ছবি : সংগৃহীত

হোয়াইট হাউসে ড্রোন ও স্নাইপার হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করার দাবি এফবিআইয়ের

ছবি : সংগৃহীত

শিগগিরই সামনে আসছে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতার রূপরেখা: ট্রাম্প

0 Comments