সারাদেশ

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বানারীপাড়ায় ৬ জন আহত

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী সহিংসতায় বরিশাল-২ আসনের বানারীপাড়ায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির কর্মীসহ ৬ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার আহম্মদাবাদ বেতাল গ্রামে খান বাড়ির সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

এতে জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড সভাপতি হেমায়েত হোসেন, জামায়াত নেতা আক্তার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক ছাব্বির হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মো. খোকন, হাসিব সরদারসহ ৬ জন আহত হন। এ সময় স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বরিশাল শেবামেক হাসপাতালে নিয়ে যায়।

 

এর আগে, বিএনপি কর্মীরা বাইশারী বাজার সংলগ্ন বিভাষ ঋষির বাড়িতে গিয়ে তাকে হাতুড়িপেটা করে। এ সময় ডাকচিৎকার দিলে তারা বিভাষ ঋষিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। পরে সে তাদের হাত থেকে বাঁচতে ৯৯৯ এ কল দেয়। খবর পেয়ে লবনসাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

 

বিভাষ ঋষি পুলিশের সহায়তায় চিকিৎসা নেন। পরে অর্ধশতাধিক বিএনপির নেতাকর্মী তার বাড়িতে গিয়ে হামলার ঘটনায় সমঝোতা করেন।

 

বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে এ ব্যাপারে এখনো কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
মেহেরপুরে জামানত হারাচ্ছেন যে প্রার্থীরা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী, কোনো নির্বাচনি আসনে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে শতকরা সাড়ে ১২ ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জমাকৃত জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে মেহেরপুরের দুটি সংসদীয় আসনে এ শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তিন প্রার্থীর জামানত হারানো প্রায় নিশ্চিত হয়েছে।   জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, সরকারিভাবে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা ও গেজেট প্রকাশের পরই জামানত বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া কার্যকর হবে।   বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর জেলার দুটি সংসদীয় আসনেই জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। উভয় আসনেই তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী।   মেহেরপুর-১ সংসদীয় আসনে পোস্টাল ভোট বাদে মোট ১২৩টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মাওলানা তাজ উদ্দিন খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ২১ হাজার ৪৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাসুদ অরুন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৭৮৭ ভোট।   এ আসনে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের বাইরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আরও দুই রাজনৈতিক দলের প্রার্থী। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) প্রার্থী মোহা. মিজানুর রহমান কাস্তে প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ৭৮১ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল হামিদ লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৩৯০ ভোট। মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ ভাগের কম ভোট পাওয়ায় নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে।   অপরদিকে, মেহেরপুর-২ সংসদীয় আসনে পোস্টাল ভোট বাদে বাকি ৯০টি কেন্দ্রের ফলাফলে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোট প্রার্থী নাজমুল হুদা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৬ হাজার ৩০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী আমজাদ হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৯৮৮ ভোট।   এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অপর প্রার্থী জাতীয় পার্টির আব্দুল বাকী লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৮২৫ ভোট। নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রমে ব্যর্থ হওয়ায় তারও জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।   জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা ও গেজেট প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্তের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে।   এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এ মেহেরপুর জেলায় নারী ভোটারদের আধিক্যসহ সব বয়সী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফল অনুযায়ী মেহেরপুর-১ সংসদীয় আসনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৭৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং মেহেরপুর-২ সংসদীয় আসনে ৬৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বানারীপাড়ায় ৬ জন আহত

ভোট পুনঃগণনার দাবি ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর

গাজীপুরের একটি জুট মিলে আগুনের ভয়াবহতা।

গাজীপুরে জুট গুদামে ভয়াবহ আগুন

বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার একটি ভোটকেন্দ্রে চা শ্রমিকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
ভূমির অধিকারসহ দাবি আদায়ে সংসদে ভূমিকা চান চা শ্রমিকরা

  বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার একটি ভোটকেন্দ্রে চা শ্রমিকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। ছবি : কালের কণ্ঠ চায়ের দেশ মৌলভীবাজারের চারটি নির্বাচনী আসনে প্রার্থীদের জয়-পরাজয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে বিবেচনা করা হয় চা শ্রমিকদের। এ ক্ষেত্রে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ভূমিকা রাখেন তারা। এবারের নির্বাচনেও এর ব্যক্তিক্রম হয়নি। অন্য আসনের মতো মৌলভীবাজার-২ আসনের অধীন কুলাউড়ার চা-বাগানগুলোর শ্রমিকরা ভোট দেন উৎসবমুখর পরিবেশে।   চা-বাগান অধ্যুষিত ১৫টি কেন্দ্রের ফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রায় ৩০ হাজার ভোট রয়েছে এসব কেন্দ্রে। এর মধ্যে প্রায় ২১ হাজারের বেশি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।   বৃহস্পতিবার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই উপজেলার সব চা-বাগান এলাকার কেন্দ্রগুলোতে নারী-পুরুষ ভোটারদের দীর্ঘ সারি। বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ভোট দেন। গাজীপুর, রাঙ্গিছড়া, ক্লিভডন, দিলদারপুর, লংলা, তারাপাশা, তিলকপুর, চাতলাপুর, লুয়াইউনি হলিছড়া, বরমচালসহ সব চা-বাগান কেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেক ভোটার সারিতে দাঁড়িয়ে ধৈর্য সহকারে ভোট দেওয়ার অপেক্ষা করেন।  শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট এলাকার বেশ কয়েকজন চা-শ্রমিকের সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তারা জানান, আওয়ামী লীগ নির্বাচনের বাইরে থাকায় চা-শ্রমিকদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন অনেকে। কিন্তু তাদের ব্যাপক উপস্থিতি প্রমাণ করেছে ভোট উৎসবে চা-শ্রমিকরাও পিছিয়ে নেই। এখন তাঁরা চান, দেশের সামগ্রিক  উন্নয়নের পাশাপাশি চা-বাগানের লোকদের দাবি-দাওয়াও পূরণে কাজ করা হবে। সংশ্লিষ্ট আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এ ব্যাপারে সংসদে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করছেন তাঁরা। রাঙ্গিছড়া চা-বাগানের বাসিন্দা সত্য নাইডু ও কালিটি চা-বাগানের বাসিন্দা দয়াল অলমিক বলেন, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে আমাদের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে এবার ভোটের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে সচেতনতা তৈরি হয়েছে। যারা শুধু নির্বাচনের আগে নয়, নির্বাচনের পরও চা-শ্রমিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন, আমরা তাঁকেই ভোট দিয়েছি। তিনি  বলেন, আমাদের আশা, নির্বাচিত সংসদ সদস্য সংসদে গিয়ে চা-শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, ভূমির অধিকার, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন। ঝিমাই খাসিয়া পুঞ্জির মন্ত্রী রানা সুরং বলেন, কুলাউড়ায় প্রায় ৩০টি খাসিয়া পানপুঞ্জি রয়েছে। এসব পুঞ্জির অনেকে আট থেকে ১০ কিলোমিটার দূরের কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এখন আমাদের একটাই চাওয়া, ভূমির অধিকারসহ বিভিন্ন দাবি আদায়ে নির্বাচিত সাংসদ যেন অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। বিএনপির নবনির্বাচিত এমপি শওকতুল ইসলাম শকু বলেন, ‘কুলাউড়ার সব চা-বাগানের শ্রমিকসহ খাসিয়া জনগোষ্ঠীর ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এবারের নির্বাচনে তারা রেকর্ডসংখ্যক ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করতে ভূমিকা রেখেছেন। তাদের ন্যায্য দাবি পূরণ ও সমস্যা নিরসনে কাজ করব।’

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0

বিজয়ী হয়েই নিজের ব্যানার অপসারণে নামলেন রনি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। পুরোনো ছবি

গোলাম পরওয়া‌রের আসনে জয় পেলেন বিএনপি প্রার্থী লবি

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুকে হেনস্তার চেষ্টা করেছে বিএনপি কর্মীরা।

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মঞ্জুকে হেনস্তার চেষ্টা, প্রধান এজেন্টের ওপর হামলা

আনোয়ারায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ
আনোয়ারায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৬

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে মোমবাতি ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সঙ্ঘর্ষে অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে আনোয়ারার বৈরাগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। তবে মারামারির এ ঘটনা ভোটকেন্দ্র থেকে ১০০ গজ দূরে সংগঠিত হয়। সংঘর্ষে আহতরা হলেন আছিফ (২৪), শাহদাত(২৫), মুনতাছির (২৭), আরিফ (২০) রুবেল (২৬) ও একরাম(২৬)। তারা সবাই মোমবাতি সমর্থক বলে জানান। আহতদের আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সুন্নী জোটের মোমবাতি সমর্থকদের অভিযোগ, বিএনপি সমর্থক প্রায় ৫০ জনের একটি দল কেন্দ্রের বাইরে এসে মোমবাতি প্রতীকের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে তাদের ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়। তবে স্থানীয় বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট লোকমান শাহ এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে কেন্দ্রের ভেতরে ভোটগ্রহণ স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে। এ ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. হাসানুল হক জানান, সংঘর্ষের ঘটনা কেন্দ্র থেকে ১০০ গজ দূরে ঘটেছে। এতে কেন্দ্রে কোন প্রভাব পড়েনি।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
জি এম কাদের ও আখতার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

রংপুরে ভোট দিতে পারেননি জি এম কাদেরসহ দুই প্রার্থী

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি ভোটকেন্দ্র।

টুঙ্গিপাড়ায় দুপুর পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি ১৯ দশমিক ২০ শতাংশ

ছবি : সংগৃহীত

গোপালগঞ্জে বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ১

0 Comments