জাতীয়

নতুন প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়েই ‘ইতিবাচক পরিবর্তন’ শুরু

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

দেশের রাজনীতিতে গুণগত ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চায় দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসা বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। এ লক্ষ্যে কয়েক বছর ধরেই কাজ করছে দলটি। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফেরার পর থেকেই নানান কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে তুলে ধরছেন একজন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে, যিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলের নিপীড়ন ভুলে সামনে তাকাতে প্রস্তুত।


সম্প্রতি রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতিশোধের রাজনীতির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিহিংসামূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তে ‘ইতিবাচক রাজনীতির’ সূচনার আভাস দেন তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা করেন, দুর্নীতি দমন এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণই হবে তার অগ্রাধিকার। এর মধ্য দিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের দলের কঠোর অবস্থানের কথাই স্পষ্টভাবে জানান দেন তারেক রহমান। এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারের সময় তরুণদের সঙ্গে আলাদাভাবে সংলাপে অংশ নেন। তাদের কথা শোনার পাশাপাশি ব্যাখ্যা করেন—শান্তি, ঐক্য, সহনশীলতা ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতির ওপর ভিত্তি করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করাই তার ‘প্ল্যান’।


দেশে ফেরার দুই মাসের মধ্যেই গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন তারেক রহমান। আর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগেই সরকারি সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট না নেওয়ার ঘোষণা দেন। গত মঙ্গলবার সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপ কমানো এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তারেক রহমান। বিএনপির এমন অবস্থান দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে ‘নতুন বার্তা’ পৌঁছে দিয়েছে বলে অভিমত তাদের।


প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর গতকাল বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক করেন তারেক রহমান। সেখানে মন্ত্রীদের যে কোনো প্রভাব-প্রতিপত্তি ও স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শক্ত অবস্থানের’ ওপর জোর দিয়ে রোজায় দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতেও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিলাসবহুল সরকারি গাড়িতে চলাফেরার সুবিধা না নেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটিও পরিবর্তনের রাজনীতির ইতিবাচক দৃষ্টান্ত বলে অভিমত বিশ্লেষকদের।


বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন গতকাল জানান, সরকারি গাড়িতে নয়, নিজের গাড়িতেই চলাফেরা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিজের গাড়ি, নিজের চালক ও নিজের কেনা জ্বালানি ব্যবহার করবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না। আজ (গতকাল) দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী সাভার এবং শেরেবাংলা নগর গিয়েছিলেন নিজের টয়োটা গাড়িতে চড়ে, সেখান থেকে সচিবালয়ে এসেছেন সেই গাড়িতেই।


রুমন আরও বলেন, ‘যানজটের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার গাড়িবহরের সংখ্যা কমিয়ে ফেলা হয়েছে। এতদিন গাড়িবহরে ১৩-১৪টি গাড়ি থাকত। আজ (গতকাল) সেটা কমিয়ে চারটি করা হয়েছে।’


শপথ নেওয়ার পর গতকাল প্রথম দিনের কর্মসূচিতে পতাকাবিহীন গাড়ি ব্যবহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান অথবা বিদেশি মেহমানদের সফরের সময় তার গাড়িতে পতাকা ব্যবহার করা হবে বলে জানান আতিকুর রহমান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক সচিবালয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হলে সব মন্ত্রীর সচিবালয় থেকে আসতে একটা জট সৃষ্টি হয়, ভিআইপি চলাচলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মুখে পড়ে। সেসব বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী বেশিরভাগ সময় সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে সড়কের দুই ধারে পোশাকধারী পুলিশের অবস্থানের যে নিয়ম, তা-ও বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন।


গতকাল সকালে তারেক রহমান গুলশানের বাসা থেকে নিজের সাদা রঙের টয়োটা গাড়িতে চড়ে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সাভার থেকে প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।


তারেক রহমান তার বাবার মতোই ‘ইতিবাচক রাজনীতির’ পথে হাঁটছেন বলে অভিমত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান কালবেলাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেকগুলো কাজ দিয়ে রাজনীতিতে ইতিবাচক ধারার সূচনা করেছেন। উনি গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর থেকেই প্রত্যেকটা স্টেজে (ধাপে) নতুনত্ব দেখাচ্ছেন। তিনি ঢাকায় ঢুকেই যুগপৎ আন্দোলনের শরিক প্রত্যেকটা দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে অভ্যর্থনার কর্মসূচি করেছেন। তারপরে নির্বাচনী প্রচারের সময়ে সাধারণ মানুষকে স্টেজে নিয়ে আসা, তাদের সঙ্গে কানেক্ট করা, তাদের নাম বলার চেষ্টা করেছেন এবং তিনি নিজেকে কানেক্টেড করেছেন লোকাল পিপলের সঙ্গে। প্রেস কনফারেন্সেও কিন্তু সাংবাদিকদের সঙ্গে ওপেনলি কথা বলেছেন, সবাই সবার কথা বলতে পেরেছেন। শপথ গ্রহণের পর সংসদীয় দলের সভার শুরুতেই উনি বলেছেন যে, বিএনপির সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত গাড়ি এবং সরকারি প্লট নেবেন না।


এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আরও বলেন, ‘তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকারি গাড়িতে চলাফেরা না করে নিজের গাড়ি, নিজের চালক ও নিজের কেনা জ্বালানি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ঘটনাগুলোর জন্য বা এ ধরনের সিদ্ধান্তের জন্য দেশের মানুষ অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছে। মানুষ চাচ্ছে যে, দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তির কাছ থেকে এমন কিছু ঘোষণা আসুক, যেগুলো সাধারণ মানুষের কাছে তাদের স্বাভাবিক জীবনধারার মতো মনে হয়। প্রধানমন্ত্রী যে রাজা নন, তিনি যে সাধারণ মানুষের একজন প্রতিনিধি এবং সেবক—মানুষ অনেকদিন ধরে নেতাদের কাছে এরকম একটা প্রতীকী ছবি প্রত্যাশা করছিল। আমি মনে করি, এখন এর একটা ধারা তারেক রহমানের মাধ্যমে শুরু হলো।

 

এমন ধারা এর আগে শুধু বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে দেখা গিয়েছিল উল্লেখ করে অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগে দেখা গিয়েছে, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ কাজ করতেন; সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশতেন, তাদের কথা শুনতেন। এখন আবার দেখা যাচ্ছে যে, তার সন্তান তারেক রহমানও একই পথে হাঁটছেন। তিনি এমন অনেকগুলো কাজ করছেন, যেগুলো আসলে জনগণকে কানেক্ট করা, জনগণের প্রত্যাশাকে সরকারিভাবে রূপদান করা।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিসিবিতে যোগদান নয় প্রতিমন্ত্রী পুত্রের সিদ্ধান্ত

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হওয়া প্রায় নিশ্চিত হলেও শেষ পর্যন্ত বোর্ডে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজশাহী বিভাগের কাউন্সিলর মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততার কারণে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।   মীর সীমান্তের বাবা মীর শাহে আলম ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী। মীর শাহে আলম নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও লিমিটেড কম্পানির শেয়ারসহ সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন তাঁর ছেলে সীমান্ত।   বর্তমানে একাধিক ফিলিং স্টেশন, অটো রাইস মিল, পুষ্টি চালের কার্নেল ফ্যাক্টরি, আয়োডিন ফ্যাক্টরি, পুষ্টি মিশ্রণ ফ্যাক্টরি, মিনি কোল্ড স্টোরেজ, কৃষি খামার, প্রাণী খামার, ফ্লাওয়ার মিলসহ আরো কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরাসরি তদারকি করছেন সীমান্ত।   এ ব্যাপারে সীমান্ত বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বড় পরিসরের দায়িত্বের জায়গা। অন্যদিকে পারিবারিক ব্যবসাগুলোর পূর্ণ দায়িত্ব বর্তমানে আমার ওপর রয়েছে। সবকিছু একসঙ্গে সমন্বয় করে ক্রিকেট বোর্ডে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া আমার জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়বে। তাই বাস্তবতা বিবেচনায় বোর্ডে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’   তবে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সীমান্ত, ‘একজন ক্রীড়া সংগঠক ও ব্যবসায়ী হিসেবে ক্রিকেটসহ সব খেলার উন্নয়ন ও বিকাশে সবসময় পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা করে যাব।’ সীমান্ত আরও জানিয়েছেন, বোর্ডে আসতে না চাওয়ার সিদ্ধান্ত শিগগিরই বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালকে লিখিতভাবে জানাবেন।   ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তরুণ সংগঠক হিসেবে সীমান্তের বিসিবিতে আসা নিয়ে রাজশাহী বিভাগের ক্রিকেটাঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। তবে পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততা বিবেচনায় তাঁর এ সিদ্ধান্তকে অনেকে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন।

আবরার আল মামুন সাহাফ মে ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

'ডোনাল্ড ট্রাম্প' নামে ভাইরাল মহিষটি কিনে নিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সংরক্ষণ করা হতে পারে চিড়িয়াখানায়

প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন সামনে রেখে হঠাৎ উত্তরা হাটে পরিচ্ছন্নতা জোরদার

মামলা তদন্তাধীন, তবু ময়নাতদন্ত ছাড়াই ছয় নবজাতকের মরদেহ হস্তান্তর

দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও ভারী বর্ষণের আশঙ্কা

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী কয়েক দিন বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।   বুধবার (২৭ মে) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর এসব তথ্য জানিয়েছে।   এতে বলা হয়, বর্তমানে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে।   পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সন্ধ্যা ছয়টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।   দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।   তৃতীয় দিন শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।   চতুর্থ দিন শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। ওই দিন সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।   পঞ্চম দিন রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।   এ ছাড়া বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা পর্যালোচনায় পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবরার আল মামুন সাহাফ মে ২৭, ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের হস্তক্ষেপে কুরবানি হচ্ছে না ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষটি

ঈদযাত্রায় গাফিলতি পেলে সনদ বাতিল : নৌ-প্রতিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

দরিদ্র ও অভাবগ্রস্তদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত সাড়ে ২৯ হাজার জনবল

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীতে কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে দুই সিটি কর্পোরেশনে মোট প্রায় ২৯ হাজার ৫০০ জনবল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।   বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে দুই সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি নগরবাসীর সুবিধার্থে খোলা হচ্ছে বিশেষ হটলাইন। বর্জ্য সংরক্ষণ ও অপসারণে দুই সিটি কর্পোরেশন থেকে প্রায় ১৭ লাখ ৭০ হাজার প্লাস্টিক, পলিব্যাগ ও বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগ বিতরণ করা হচ্ছে।   সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের দিন বিকেল থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হবে। রাজধানীতে এবার প্রায় ৭ লাখ পশু কোরবানি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখান থেকে প্রায় ৫৫ হাজার টন বর্জ্য সৃষ্টি হতে পারে।   ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বাসসকে জানান, কোরবানির পশুর হাট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা তদারকিতে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে বিশেষ তদারকি পরিষদ গঠন করা হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন ও যান্ত্রিক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে মাঠপর্যায়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।   তিনি বলেন, ঈদের দিন দুপুর ১২টা থেকে বর্জ্য অপসারণের মূল কার্যক্রম শুরু হবে এবং পরবর্তী আট ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম দিনের কোরবানির বর্জ্য সম্পূর্ণ অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।   ডিএসসিসি প্রশাসক নগরবাসীকে সতর্ক করে বলেন, কোরবানির বর্জ্য কোনোভাবেই ড্রেন বা নর্দমায় ফেলা যাবে না। এতে রোগজীবাণু ছড়ানোর পাশাপাশি বৃষ্টির সময় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে।   ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রাসেল রহমান জানান, মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিলে বর্জ্য স্থানান্তর ও অপসারণে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ মে— এই তিন দিনে মোট ৩৩ হাজার ৯৪২ টন বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম দিনে ১৫ হাজার ৯৩৫ টন, দ্বিতীয় দিনে ১১ হাজার ৭৭৬ টন এবং তৃতীয় দিনে ৬ হাজার ২৩১ টন বর্জ্য অপসারণ করা হবে।   এছাড়া পশুর হাটের বাঁশ, আউড় ও অন্যান্য ময়লা ধাপে ধাপে অপসারণ করা হবে। প্রথম দিনে ৬০ শতাংশ, দ্বিতীয় দিনে ৩০ শতাংশ এবং তৃতীয় দিনে অবশিষ্ট ১০ শতাংশ বর্জ্য পরিষ্কার করা হবে।   চলতি বছর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার পশু কোরবানি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব বর্জ্য অপসারণে মোট ২ হাজার ১১৭টি যান ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে কম্পেক্টর, ডাম্প ট্রাক, কন্টেইনার ক্যারিয়ার, পে-লোডার, এক্সকাভেটর, ব্যাকহো লোডার, বুলডোজার ও পানির গাড়ি।   পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ৪৬ টন ব্লিচিং পাউডার, ২১০ গ্যালন স্যাভলন এবং ১ লাখ ৪০ হাজার বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগ বিতরণ করা হবে। নগর ভবনে স্থাপিত কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পুরো কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। এছাড়া প্রতিটি পশুর হাটে পৃথক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং পশুর স্বাস্থ্যসেবায় মেডিকেল টিম মোতায়েন থাকবে।   নাগরিক অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দুটি হটলাইন নম্বর চালু রাখা হয়েছে। নম্বর দুটি হলো— ০১৭০৯৯০০৮৮৮ ও ০২২২৩৩৮৬০১৪।   অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জনসচেতনতা বাড়াতে প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকিং করা হচ্ছে। এছাড়া মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে নামাজের পর ও জুমার খুতবায় পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে মুসল্লিদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।   তিনি বলেন, গত বছর ঈদুল আজহায় ডিএনসিসি এলাকায় মোট ২০ হাজার ৮৮৯ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছিল। এবারও একই পরিমাণ বর্জ্য অপসারণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।   ডিএনসিসির উপ-প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান ভূঁইয়া বাসসকে জানান, সংস্থার নিজস্ব সাড়ে ৬ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মীর পাশাপাশি আরও সাড়ে ৪ হাজার বর্জ্য সংগ্রহকর্মী মাঠে কাজ করবেন। এছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে ১০০ জন করে মোট সাড়ে ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম তদারকি করবেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার জনবল মাঠে থাকবে।   বর্জ্য অপসারণে ডিএনসিসি ১৬ লাখ ৩০ হাজার পলিব্যাগ বিতরণ করেছে। এছাড়া জীবাণুনাশক হিসেবে ৩ হাজার ৬০০ বস্তা ব্লিচিং পাউডার বিতরণ হয়েছে। ব্যবহারের জন্য মোট ৭৫২টি যানবাহন ও যন্ত্রপাতি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রাক, ডাম্পার, পে-লোডার, পানির গাড়ি, কম্পেক্টর ট্রাক ও রোড সুইপার।   ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন বাসসকে জানান, ৫৪টি ওয়ার্ডে প্রায় এক হাজার মাংস প্রস্তুতকারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে সঠিকভাবে পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যায়।   তিনি আরও জানান, কোরবানির তিন দিন আগে থেকেই ১০টি জোনে মনিটরিং টিম কাজ শুরু করেছে। পশু জবাইয়ের স্থান প্রস্তুত ও বর্জ্য চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য ল্যান্ডফিল প্রস্তুত রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।   নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রাজধানীকে বর্জ্যমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দুই সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ঈদ যাত্রাকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে : নৌ প্রতিমন্ত্রী

ফাইল ছবি

বায়তুল মুকাররমে ঈদুল আযহায় ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে

ছবি: সংগৃহীত

আগামী প্রজন্মের জন্য কৃষি জমি বাঁচাতে হবে : মির্জা ফখরুল

0 Comments